২৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

আজ সেই ভয়াল ১৫ নভেম্বর

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০১:০১ পূর্বাহ্ণ, ১৫ নভেম্বর ২০১৬

সিডরের সেই ভয়াল ১৫ নভেম্বর আজ। ২০০৭ সালের দুঃসহ সেই স্মৃতি আজো কাঁদায় বরিশালসহ দণিাঞ্চলের উপকূলীয় ৩০ জেলার স্বজনহারা মানুষকে। ৯ বছর আগের এ দিনটিতে সিডর নামক প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছিল দেিণর উপকূলবর্তী জেলাগুলোয়। লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছিল সমগ্র উপকূলকে। শতাব্দীর ভয়াবহ ওই ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারিয়েছিল সাড়ে তিন হাজার মানুষ। নিখোঁজ হয়েছিল আরো সহস্রাধিক। সেই সময়ে বেঁচে যাওয়াদের স্বজন হারানোর স্মৃতি এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন তারা।

সেদিন প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে উপকূলীয় জনপথগুলো মুহূর্তের মধ্যেই মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল। রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, মাঠঘাট এমনকি গাছের সাথে ঝুলেছিল শত শত মানুষের লাশ। গৃহহীন হয়ে পড়ে লাখ লাখ মানুষ।

সিডরে সবচেয়ে বেশি য়তি হয় বরিশাল, বরগুনা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর জেলায়। বহু মানুষ তাদের প্রিয়জনের লাশও খুঁজে পায়নি। ঘূর্ণিঝড়ের পর টানা দুই মাস পর্যন্ত স্বজন হারানোদের কান্নায় উপকূলের আকাশ-বাতাস ভারী ছিল। অতীতের সব ক’টি ঘূর্ণিঝড়ের চেয়ে ২০০৭ সালের সিডর নামের ঝড়টি ছিল বেশি হিংস্র।

বরিশালের গৌরনদীর হরিসেনা গ্রামের দুলাল সরদার স্বজন হারানোদের একজন। সেদিনের ভয়াল স্মৃতির বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি এখনো আঁতকে ওঠেন। বলেন, প্রতিদিনের মতো পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাতে ঘুমিয়ে ছিলাম। এরপর মধ্যরাতে শুরু হয় সিডরের তাণ্ডবলীলা। মুহূর্তের মধ্যে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশের হরিসেনা এলাকার সুবিশাল একটি গাছ এসে পড়ে আমার বসতঘরের ওপর। আমি গুরুতর আহত হই এবং অজ্ঞান হয়ে পড়ি। দুই দিন পর যখন জ্ঞান ফিরে আসে তখন আমি গৌরনদী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনার চার দিন পর জানতে পারি ওই দিন রাতে গাছচাপায় আমার সাত বছরের আদরের ছেলে শামীম মারা গেছে। সিডরের ভয়াবহতা এতই নির্মম হবে তা বুঝে উঠতে পারেনি উপকূলের বাসিন্দারা। সিডরের মাত্র কয়েক মাস আগে সুনামির পূর্বাভাস এবং তা আঘাত না হানায় সিডর নিয়ে আতঙ্কে ছিল না এ অঞ্চলের মানুষের মধ্যে।

পানিসম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার তথ্য মতে, ওই ঝড়ে উপকূলীয় এলাকাসহ ৩০টি জেলায় প্রাণ হারিয়েছিল সাড়ে তিন হাজার মানুষ। নিখোঁজ হয়েছিল আরো সহস্রাধিক। সরকারি হিসাবে ২০ লাখ ঘরবাড়ি, প্রায় ৪০ লাখ একর জমির ফসল নষ্ট হয়। মৃত্যু হয় চার লাখ ৬৮ হাজার গবাদিপশুর। এর মধ্যে খুলনা বিভাগের বাগেরহাট, খুলনা ও সাতীরায় মারা গেছে ৭০ হাজার গবাদিপশু। বাকি গবাদিপশুর মৃত্যু হয় বরিশাল অঞ্চলের বিভিন্ন জেলায়। এ দিকে ১৫ নভেম্বর দিনটিকে স্মরণ রাখতে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় শোক পালন ও দোয়া-মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

শেখ মোহাম্মদ আলী শরণখোলা (বাগেরহাট) জানান, সিডরের ৯ বছরেও শরণখোলার সাউথখালীর বিপন্ন মানুষ এখনো পুরোপুরি মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি। বিভিন্ন এনজিও ও মহাজনের দেনার বোঝা মাথায় বয়ে তারা এখন কান্ত। কেউ হয়েছে এলাকাছাড়া। সৌদি আরব সরকারের অনুদানে পাওয়া এক দরজাবিশিষ্ট এক কক্ষের ঘরে থাকার কোনো পরিবেশ নেই। অনেকের মাথা গোঁজার ঠাঁই এখনো হয়নি। এ অঞ্চলে সরকারি, বেসরকারি, বিদেশী বিপুল সাহায্য-সহযোগিতা এলেও দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের অবস্থা সেই আগের মতোই রয়েছে।
সিডরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সাউথখালী ইউনিয়নের বগী, গাবতলা, উত্তর ও দক্ষিণ সাউথখালী, রায়েন্দা ইউনিয়নের রাজেশ্বর, চাল রায়েন্দা, লাকুড়তলা ও ঝিলবুনিয়া গ্রামে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বোবা কান্না এখনো অনুভব করা যায়। একই সাথে বাবা-মা-বোন হারানোর বেদনা, ছেলে কিংবা মেয়ে হারানোর বেদনা কী করে ভুলে যাবে তারা।

সাউথখালী ইউনিয়নের তাফালবাড়ী বাজার থেকে একটু দূরে পুরনো লঞ্চঘাট। এক সময় এখানে জমজমাট ঘাট ছিল। যাত্রীবাহী লঞ্চ ভিড়ত। সেই ঘাটটি বহু আগে বলেশ্বরের স্রোতে হারিয়ে গেলেও এখনো সবাই তাফালবাড়ী লঞ্চঘাট হিসেবেই চেনে। সিডরের পানির তোড়ে এলাকার বাড়িঘর ভেসে গিয়েছিল। ভেসে যাওয়া মানুষ সিডরের পরের ভোরে এসে নিজের বাড়ি চিনতে পারেনি। সেই মানুষগুলো এখনো সেখানেই ঘুপচিঘরে বসবাস করছে। সেই আগের পেশা, আগের মতোই ধুঁকে ধুঁকে চলা।

নদীতীরে বেড়িবাঁধের গা ঘেঁষে আবদুল মালেকের ছোট্ট ঘর। সিডরের পর সৌদি অর্থায়নে ত্রাণ হিসেবে একটি ঘর পেয়েছিলেন; কিন্তু এ ঘরটি এতই ছোট ছিল যে, চার দিকে বারান্দা দিয়ে ঘরটি বড় করতে হয়েছে। এক কক্ষের যে ঘর পেয়েছিলেন, তাতে বসবাস করা সম্ভব ছিল না। মালেক পুরনো পেশায় ফিরতে আবার জালনৌকা নিয়ে নদীতে নেমেছেন। সিডরের আগে একটি বড় ট্রলার থাকলেও এখন বানিয়েছেন ছোট্ট ট্রলার। ত্রাণ হিসাবে ১০ কেজি মাছ ধরার জাল পেয়েছিলেন; কিন্তু এর সাথে আরো কিনতে হয়েছে। এসব করতে গিয়ে তিনটি এনজিওতে দেনা হয়েছেন প্রায় অর্ধলক্ষাধিক টাকা।

আরেকজন আবদুল কাদের। পুরনো লঞ্চঘাটের কাছে নতুন বেড়িবাঁধ থেকে খানিক দূরে রাস্তার পাশে ছোট্ট ঘর। ত্রাণের একখানা ঘর তার ভাগ্যেও জুটেছে; কিন্তু একই অবস্থা। ঘরটি খুবই ছোট হওয়ায় আশপাশে বারান্দা দিয়ে ঘর বড় করতে হয়েছে। তিনিও প্রায় ৫০ হাজার টাকার দেনায় ডুবে আছেন।

সিডরের তাণ্ডবে পথে বসে যাওয়া মানুষ আবার বেঁচে থাকার চেষ্টায় নানা উদ্যোগ নিয়েছে। কেউ দোকান করেছে, কেউ নৌকা মেরামত করে আবার নদীতে মাছ ধরছে, কেউ বা মাছের পোনা ব্যবসায়। অনেকেরই অভিযোগ, ঘুরে দাঁড়াতে যে সহায়তা এসেছে, তা যথাযথভাবে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে পৌঁছেনি। আর সে কারণেই বহু মানুষ দেনার ভারে নুয়ে পড়েছে।

সাউথখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন বলেন, তার ইউনিয়নে সিডরে বাড়িঘর হারানো দুই শতাধিক পরিবার এখনো মাথা গোঁজার ঠাঁই পায়নি।

সিডরের পর থেকে এখন পর্যন্ত এই এলাকায় মানুষের জীবন ও মানোন্নয়ন কাজে নিয়োজিত খুলনাভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা আশ্রয় ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মমতাজ খাতুন বলেন, সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত সাউথখালীসহ উপজেলার অনেকে এখনো ঘর পায়নি। তা ছাড়া সাউথখালীতে অবকাঠামোগত এবং অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থার তেমন কোনো উন্নয়ন ঘটেনি। আশ্রয় ফাউন্ডেশন বর্তমানে মানুষের সাবলম্বী হতে এ উপজেলায় কাজ করছে।
গোলাম কিবরিয়া, বরগুনা থেকে জানান, ২০০৭ সালের এই দিনে স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ সামুদ্রিক ঝড় ‘সিডর’ আঘাত হানে বরগুনাসহ দেশের উপকূলীয় এলাকায়। ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই স্মৃতি আজো ভুলতে পারেনি বরগুনার মানুষ। স্বজন, সম্বল সব হারানো মানুষগুলো ফিরে যেতে পারেনি তাদের স্বাভাবিক জীবনে। একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই আর দু’বেলা দু’মুঠো খাবারের জন্য আজো নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। বরগুনার লতাকাটা, আয়লাপাতাকাটা, ছোনবুনিয়া, কুমিরমারা, পদ্মা, বুড়িরচর, সোনাতলা, নিশানবাড়ীয়া এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শনকালে এ চিত্র ল করা গেছে।

ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত পৌনে ৮টা। মহাবিপদ সঙ্কেতের কথা শুনে আতঙ্কিত এলাকার মানুষ। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সাথে বইছে দমকা হাওয়া। সচেতন কিছু মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে শুরু করলেও বেশির ভাগ মানুষ থেকে যায় বাড়িতে। রাত ১০টায় প্রবল বাতাসের সাথে যুক্ত হয় জলোচ্ছ্বাস। আঘাত হানল প্রলয়ঙ্করী ‘সিডর’। নিমিষেই উড়ে গেল ঘরবাড়ি ও গাছপালা। বঙ্গোপসাগরের সব পানি যেন যমদূত হয়ে ভাসিয়ে নিলো হাজার হাজার মানুষ। মাত্র কয়েক মিনিটে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল গোটা এলাকা। যে যেভাবে পারলেন ঝাঁপিয়ে পড়লেন বাঁচার সংগ্রামে। পরের দিন দেখা গেল চারদিকে শুধুই ধ্বংসলীলা। উদ্ধার করা হলো লাশের পর লাশ। দাফনের জায়গা নেই, রাস্তার পাশে গণকবর করে চাপা দেয়া হলো বহু হতভাগার লাশ। স্বজন আর সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেল বরগুনার কয়েক লাখ মানুষ।

লতাকাটা গ্রামের রহিম মিয়া। সিডরের এই দিনে তার দু’টি সন্তানসহ মাথা গোঁজার ঠাঁই ঘরটিও ভেসে যায়। সন্তান হারানোর কষ্ট আজো সে ভুলতে পারেনি। ঘরবাড়ি, গরু, ছাগল ও রোজগারের একমাত্র চাবিকাঠি জালসহ ছোট একটি নৌকা তাও কেরে নেয় এই সিডর।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস সূত্রে জানা যায়, সিডরের আঘাতে বরগুনায় প্রাণ হারান এক হাজার ৫০১ জন মানুষ। ৩০ হাজার ৪৯৯টি গবাদি পশু ও ছয় লাখ ৫৮ হাজার ২৫৯টি হাঁস-মুরগি মারা যায় ‘সিডরে’। জেলার দুই লাখ ১৩ হাজার ৪৬১টি পরিবারের সবাই কমবেশি তির শিকার হন। সম্পূর্ণভাবে গৃহহীন হয়ে পরে জেলার ৭৭ হাজার ৭৫৪টি পরিবার। এ ছাড়া আংশিক তি হয়েছে আরো এক লাখ ১২ হাজার ৩১টি বসত ঘরের। এ ছাড়া রাস্তা ঘাট, ব্রিজ- কালভার্ট, বিদ্যুৎসহ সব েেত্র ব্যাপক য়তি হয়।

ঘূর্ণিঝড় সিডরের পর আসে ঘূর্ণিঝড় ‘আইলা’ তারপর ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’। মহাসেনের আঘাতে বরগুনায় তেমন কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও সিডর ও আইলায় বরগুনায় বহু প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরের পর পানি উন্নয়ন বোর্ড কিছু পরিমাণ বেড়িবাঁধ সংস্কার করলেও বর্তমানে জেলার প্রায় ১৯ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ আংশিক বিধ্বস্ত রয়েছে এবং ৬ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ পুরোপুরি বিধ্বস্ত আছে। ফলে এখনো জেলায় লক্ষাধিক মানুষ দুর্যোগ ঝুঁকিতে রয়েছে। অন্য দিকে প্রতিনিয়তই স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ২-৩ ফুট পানি বৃদ্ধি পেলেই নদী পাড়ের শত শত পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়ে। শুধু ঘরবাড়ি নয় বরগুনা জেলার হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে যায়। যাদের ওই সব ফসলের ওপর নির্ভর করে জীবন জীবিকা তাদের শেষ পর্যন্ত নিতে হয় ধারদেনাসহ বিভিন্ন ব্যাংক থেকে লোন। এ দিকে বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে বারবার বেড়িবাঁধগুলো নির্মাণের আশ্বাস দিলেও এর কোনো ফলাফল পায়নি বরগুনার বন্যাদুর্গত মানুষেরা। বেড়িবাঁধগুলো পুনর্নির্মাণ না করার কারণে এখনো ঝুঁকির মধ্যে আছে বরগুনার নদী পাড়ের বহু এলাকা। ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলায় নদী পাড়ে উজাড় হওয়া জমিতে এখন গড়ে উঠেছে শত শত ঘরবাড়ি ও আবাসন প্রকল্প। সেখানে বসবাস করছে বহু ভূমিহীন পরিবার।

বরগুনা সদরের বদনীখালী আবাসনের বাসিন্দা মজিদ হাওলাদার বলেন, ‘ভাই দুনিয়ায় আমাদের চেয়ে মনে হয় কেউ অসহায় নাই। জোয়ারের পানি একটু বেশি হলেই ঘরে থাকা যায় না। পানিতে সব ডুবে যায়’।

মহাসেনে ক্ষতিগ্রস্ত বালিয়াতলী গ্রামের জায়েদা বেগম বলেন, সরকারিভাবে কোনো সহযোগিতা না পেয়ে আমরা গ্রামের অনেক লোক মিলে বেড়িবাঁধটি নির্মাণ করেছি’। উপকূলীয় এলাকায় মানুষের নিরাপত্তার জন্য যে সব বেড়িবাঁধ ও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে তা সঠিকভাবে নির্মাণ করছে না বলে অভিযোগ করছে অনেকে। তাই মজবুত ও সঠিকভাবে বেড়িবাঁধ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের দাবি জানিয়েছে বরগুনাবাসী।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা বলেন, বরগুনা জেলায় ২০০৭ সালে ১১৭টি সাইকন শেল্টার ছিল। বর্তমানে জেলায় ৩২৪টি সাইকন শেল্টার রয়েছে। জেলায় এখনো প্রায় ৩০০টি সাইকন শেল্টারের চাহিদা রয়েছে। ফলে এখনো লক্ষাধিক মানুষ বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে জেলার তালতলী উপজেলাটি বেশি ঝুঁকিতে আছে।

জেলা প্রশাসক ড. মো: বশিরুল আলম বলেছেন, ২০০৭ সালের মতো ঘূর্ণিঝড় হলেও এখন খুব একটা বেশি তি হবে না। তার প্রমাণ হিসেবে ২০১৩ সালের ঘূর্ণিঝড় মহাসেন।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, বরগুনা জেলায় এখনো অনেক বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ আছে সেগুলো শিগগিরই মেরামত করা হবে।

12 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন