৩ মিনিট আগের আপডেট বিকাল ১২:৩৬ ; রবিবার ; অক্টোবর ২, ২০২২
EN Download App
Youtube google+ twitter facebook
×

এ পর্যন্ত ৭ জেএমবি জঙ্গির ফাঁসি কার্যকর

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট
১২:৩২ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১৭, ২০১৬

খুলনায় দুই বিচারক হত্যার দায়ে  নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআ’তুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) নেতা আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। রবিবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে খুলনা জেলা কারাগারে ফাঁসির রশিতে তার ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এ নিয়ে এ পর্যন্ত জেএমবির সাত জঙ্গির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। এর আগে ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ এই মামলার জেএমবির শীর্ষ ছয় জঙ্গির ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তারা হলেন শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলাভাই, আব্দুর রহমানের ভাই আতাউর রহমান সানি, জামাতা আবদুল আউয়াল, ইফতেখার হোসেন মামুন ও খালেদ সাইফুল্লাহ ওরফে ফারুক।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ১৪ নভেম্বর ঝালকাঠিতে জেএমবির জঙ্গিদের বোমা হামলায় নিহত হন দুই সহকারী জজ সোহেল আহম্মেদ ও জগন্নাথ পাঁড়ে। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জেএমবির শীর্ষ ছয় জঙ্গির ফাঁসি কার্যকর করা হয়। কিন্তু জঙ্গি আরিফ পালিয়ে যান। এরপর ২০০৭ সালের ১০ জুলাই তাকে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বছরই উচ্চ আদালতে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন তিনি। শুনানি শেষে হাইকোর্ট তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন। আপিল বিভাগেও তার সাজা বহাল থাকায় আরিফের পক্ষ থেকে রিভিউ আবেদন করা হয়। গত ২৮ আগস্ট প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনাহর নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ রিভিউ বা রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে দেন। এরপরই আইনি প্রক্রিয়া শেষে রবিবার রাত সাড়ে ১০টায় আরিফের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। গ্রেফতারের পর ২০০৮ সাল থেকে আরিফ খুলনা জেলা কারাগারেই ছিলেন।

২০০৬ সালের ২৯ মে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজা তারিক আহম্মেদ জেএমবির শীর্ষ নেতা শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলাভাই, আব্দুর রহমানের ভাই আতাউর রহমান সানি, জামাতা আবদুল আউয়াল, ইফতেখার হোসেন মামুন, খালেদ সাইফুল্লাহ ওরফে ফারুক ও আসাদুল ইসলাম আরিফের ফাঁসির আদেশ দেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে দেশের পৃথক ৪টি কারাগারে ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ ছয় জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। আরিফ ওই সময় পলাতক ছিলেন। আরিফ ছাড়া অন্য জঙ্গিদের ঝালকাঠি নিয়ে জেলা জজ আদালতে চাঞ্চল্যকর এই মামলার বিচারকাজ চলে।

২০০৭ সালের ২৯ মার্চ রাত ১২টা ৫ মিনিটে কুমিল্লার কেন্দ্রীয় কারাগারে শায়খ আবদুর রহমানের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এর আগে ২০০৬ সালের ২ মার্চ সিলেট এলাকায় শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে জেএমবির এই প্রতিষ্ঠাতা আমীর শায়খ আব্দুর রহমানকে গ্রেফতার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান। জেএমবির অন্য দুই শীর্ষ নেতা সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলাভাই ও আব্দুল আউয়ালের ফাঁসি কার্যকর করা হয় ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে। ২০০৬ সালের ৬ মার্চ ময়মনসিংহ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল বাংলাভাইকে। আর আব্দুল আউয়ালকে গ্রেফতার করা হয়েছিল বিচারকদের ওপর হামলার চারদিনের মাথায়, ২০০৫ সালের ১৮ নভেম্বর ঠাকুরগাঁও এলাকা থেকে।

সূত্র জানায়, ইফতেখার আল হাসান মামুন ও আতাউর রহমান সানির ফাঁসি কার্যকর করা হয় কাশিমপুর কারাগারে। আতাউর রহমান সানি গ্রেফতার হয়েছিলেন ২০০৫ সালের ১৩ নভেম্বর, রাজধানীর তেজগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে। আর ঝালকাঠিতে দুই বিচারক হত্যার ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছিল ইফতেখার আল হাসান মামুনকে।

এদিকে খালেদ সাইফুল্লাহর ফাঁসি কার্যকর করা হয় পাবনা জেলা কারাগারে। ফাঁসির দণ্ড কার্যকরের আগে রাজধানীর ডেমরা এলাকা থেকে ২০০৬ সালের ৪ এপ্রিল তাকে গ্রেফতার করেছিলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

খবর বিজ্ঞপ্তি, ঝালকাঠির খবর

 

আপনার মতামত লিখুন :

 
এই বিভাগের অারও সংবাদ
ভারপ্রাপ্ত-সম্পাদকঃ শাকিব বিপ্লব
© কপিরাইট বরিশালটাইমস ২০১২-২০১৮ | বরিশালটাইমস.কম
বরিশালটাইমস মিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান।
ইসরাফিল ভিলা (তৃতীয় তলা), ফলপট্টি রোড, বরিশাল ৮২০০।
ফোন: +৮৮০২৪৭৮৮৩০৫৪৫, মোবাইল: ০১৮৭৬৮৩৪৭৫৪
ই-মেইল: [email protected], [email protected]
© কপিরাইট বরিশালটাইমস ২০১২-২০১৮
টপ
  বরগুনায় সড়ক দুর্ঘটনায় কিশোর নিহত  প্রেমের ফাঁদে ফেলে স্কুলছাত্রীকে নিয়ে পালালেন প্রধান শিক্ষক  বেপরোয়া ট্রাক কেড়ে নিল ৪ জনের প্রাণ  বুবলীর অগোচরে শাকিবের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ!  ইন্দোনেশিয়ায় ফুটবল মাঠে সংঘর্ষ, পদদলিত হয়ে নিহত ১২৯  ঘূর্ণিঝড়ে পূজামণ্ডপ লন্ডভন্ড, আহত ৫  জাতীয় পরিচয়পত্রে স্ত্রীকে বোন বানানো আনিসুর গ্রেপ্তার  সেপ্টেম্বরে সারাদেশে চার হাজার ৩২টি দুর্ঘটনায় ঝরেছে ৫৭৯ প্রাণ  পটুয়াখালীতে তদবিরের কথা বলে বাসায় আটকে গণধর্ষণ  দুলাভাইকে বিয়ের দাবিতে ৩ দিন ধরে স্কুলছাত্রীর অনশন