১ min আগের আপডেট বিকাল ৩:৩৮ ; শুক্রবার ; সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
EN Download App
Youtube google+ twitter facebook
×


 

ওসিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট
৭:৪৩ অপরাহ্ণ, জুন ১১, ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক::  কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের মো. জোবায়েরসহ ১১জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে এক মানবাধিকার কর্মী মামলা করেছেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকার ৬ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তিনি এ নালিশী মামলা দায়ের করেন।

বিচারক শহিদুল ইসলাম শুনানি শেষে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ভিকটিম একজন মানবাধিকার কর্মী। চলতি বছরের ২০ এপ্রিল কেরানীগঞ্জ তার সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে আরশি নগর আমিন মাদবরের সিমেন্টের দোকানে সামনের পৌঁছালে ২০ থেকে ৩০ জন লোক কিছু কর্মরত লোকদের ধাওয়া করছে দেখাতে পান। বাদী জানতে পারেন, দৌঁড়ানো লোকজন সোয়ারেজ লাইনের ঠিকাদার আমিন মাদবরের কাজের লোক। চাঁদার পাঁচ লাখ টাকা না দেওয়ায় তাদের মারধর করে ধাওয়া শুরু করে আসামিরা। উক্ত ঘটনা দেখে বাদী পুলিশের হেল্প লাইন ৯৯৯ ফোন করে জানালে আসামি মো. ফারুক, হায়দার, মো. ইকবাল. মো. হানিফ, মো. হানিফ মেম্বার, মো. রফিক, মো. শফিক ও মো. বাবুল ওরফে মধু বাদীকে দেখে ফেলে। এরপর বাদীর ওপর ক্ষিপ্ত হইয়া চড় থাপ্পার, কিল- ঘুষি, লাথি ও শরীরের বিভিন্ন আঘাতসহ শ্লীলতাহানি করে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ওই সময় বাদিনীর ভিকটিমের গলায় থাকা দেড় ভরি ওজের স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায় আসামি ইকবাল। এরপর গত ২৪ এপ্রিল বিকেল ৫টায় বাদিনী তার সংস্থার কাজের জন্য মতিঝিল যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে রাত ১১ টায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানা এলাকায় ঘাটখরচর প্রাইমারি স্কুলের সামনে আসলে আসামি হায়দার, রফিক, শফিফকসহ আরও অঙ্গাতনামা দুইজন বাদীকে রিকশা থেকে নামিয়ে স্কুলের পেছনের গলিতে নিয়ে ধর্ষণ করে এবং ধর্ষণের কথা প্রকাশ করলে খুন করে গুম করার হুমকি দেয়।

ওই ঘটনায় সময় বাদী এক মাস পাঁচ দিনের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। গত ২০ এপ্রিল ঘটনার দিন বাদীকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ উদ্ধার করে ঢাকার মিডফোর্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। চিকিৎসা শেষে কেরানীগঞ্জ থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দিলে মামলা না নিয়ে ওসি জোবারের, ওসি (ওপারেশন) গোলাম সারোয়ার ধমক দিয়ে বলে এলাকায় গিয়ে সালিশির মাধ্যমে আপোষ করতে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৪ এপ্রিল ধর্ষণের ঘটনার পর বাদি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়। উক্ত হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে দুই দিন পর গত ২৭ এপ্রিল আসামিদের তদবিরের কারণে হাসপাতালে থেকে ছাড়পত্র দিয়ে দেয়। বাদী উক্ত ছাড়পত্র নিয়ে বাসায় যাওয়ার পর আবার প্রচন্ড ব্যাথা হলে গত ৩ মে আবার মিডফোর্ট হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়। সেখানের চিকিৎসক বলে তার পেটের বাচ্চা আঘাতের কারণে নষ্ট হয়েছে। পরবর্তীতে বাদী পুলিশকে বিষয়গুলো অবহিত করলে পুলিশ মামলা নিলেও আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

দেশের খবর

আপনার মতামত লিখুন :

প্রধান সম্পাদক: শাহীন হাসান
সম্পাদক : শাকিব বিপ্লব
নির্বাহী সম্পাদক : মো. শামীম
বার্তা সম্পাদক : হাসিবুল ইসলাম
প্রকাশক : তারিকুল ইসলাম
ভুইয়া ভবন (তৃতীয় তলা), ফকির বাড়ি রোড, বরিশাল ৮২০০।
ফোন: ০৪৩১-৬৪৮০৭, মোবাইল: ০১৭১৬-২৭৭৪৯৫
ই-মেইল: [email protected], [email protected]
© কপিরাইট বরিশালটাইমস ২০১২-২০১৮
টপ
  শেবাচিম হাসপাতালে ডাক্তারের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু নিয়ে হট্টগোল  নয়ন বন্ডের সাথে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন আয়শা মিন্নি!  যুবকের কবজি কাটার ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৪  চাঁদা দিতে অস্বীকার করলেই ‘ইলেকট্রিক শক’ দিতেন যুবলীগ নেতা খালেদ!  সৌদিতে বাংলাদেশির হাতে বাংলাদেশি খুন  বরিশালে বৃদ্ধাকে মারধর: সেই ওসি ও কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মামলা  নদীতে ভাসছে ৪ লাশ  ১১ নেপালির হাতে গড়ে ওঠে জুয়ার আস্তানা ক্যাসিনো  ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি, একে একে সব ধরব: প্রধানমন্ত্রী  বাবুগঞ্জে স্বাস্থ্য পরিস্থিতি উন্নয়নে অ্যাডভোকেসি সভা