৫ ঘণ্টা আগের আপডেট রাত ৪:৫১ ; বৃহস্পতিবার ; নভেম্বর ২১, ২০১৯
EN Download App
Youtube google+ twitter facebook
×

খোকার জানাজায় সব দল-মতের মানুষের ঢল

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট
১১:৫২ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৮, ২০১৯

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকার সময় বড় ছেলে ইশরাক হোসেনকে বলেছিলেন, দেশের মানুষের ভালোবাসায় পুরো জীবন কাটিয়েছেন, মৃত্যুর পর যেন সেই মানুষগুলোর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বিদায় নিতে পারেন। আরো বলে যান, মা-বাবার পাশেই, সম্ভব হলে মায়ের কবরেই যেন তাঁকে শায়িত করা হয়। অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার সেই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। বিপুলসংখ্যক মানুষের ভালোবাসায় সওয়ার হয়ে মা-বাবার কবরের একটু পেছনেই নতুন একটি কবরে শায়িত হয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা।

জুরাইন কবরস্থানের ২ নম্বর গেট দিয়ে ঢুকতেই একটি কবরের ওপর খোকার ছবি টাঙানো ছিল। কবরটি খোকার মায়ের। এই কবরের পূর্ব-দক্ষিণ কোণে প্রায় ২০ ফুট দূরত্বে তাঁর বাবা এম এ করিমের কবর। মায়ের কবরে খোকার শেষ ঠিকানা হওয়ায় কথা ছিল। কিন্তু পরিবারের সিদ্ধান্তে মা-বাবার কবর থেকে একটু ভেতরে নতুন একটি কবরে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে খোকাকে বিদায় জানিয়েছেন আত্মীয়-স্বজন, দলের নেতাকর্মী ও গুণগ্রাহীরা।

মরদেহ কবরে নামানোর আগে ক্র্যাক প্লাটুনের এই গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডারকে পুলিশের ১৭ সদস্যের একটি চৌকস দল ঢাকা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার আবদুল আউয়ালের নেতৃত্বে রাষ্ট্রীয় সালাম জানায় এবং গার্ড অব অনার প্রদান করে। রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে আবদুল্লাহ আল নোমানের নেতৃত্বে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধারাও স্যালুট জানান।

এর আগে পাঁচ দফা জানাজা হয় এই নেতার। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় এই মুক্তিযোদ্ধার কফিন। বিমানবন্দরে কফিন বুঝে নেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। খোকার সঙ্গে একই ফ্লাইটে দেশে ফেরেন স্ত্রী ইসমত হোসেন, ছেলে ইশরাক হোসেন ও

ইশফাক হোসেন, মেয়ে সারিকা সাদেক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালামসহ স্বজনরা। বিমানবন্দরে দলের নেতাদের মধ্যে ইকবাল মাহমুদ টুকু, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, খায়রুল কবীর খোকন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ নেওয়া হয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। সকাল ১১টার দিকে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, বিএনপি, ওয়ার্কার্স পার্টি ও এলডিপির সিনিয়র নেতা, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা-কর্মচারীরা অংশ নেন। আরো অংশ নেন বিকল্পধারার চেয়ারম্যান এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, বিএনপি নেতা আব্দুল মঈন খান, মওদুদ আহমদ, জয়নুল আবদিন ফারুক, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ, ফখরুল ইমাম, হাজি সেলিম, আ স ম ফিরোজ, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কাদের সিদ্দিকী।

জানাজায় অংশ নেওয়া আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মুক্তিযুদ্ধে খোকার অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও ব্যক্তিজীবনে তিনি চমৎকার মানুষ ছিলেন। বিনয়ী ও মার্জিত আচরণের ব্যক্তি ছিলেন।’

পরিবারের পক্ষে খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ‘সব দলের নেতাকর্মীরা আমার বাবার জানাজায় অংশ নিয়েছেন। এতে প্রমাণ হয় তিনি সর্বজনীন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। তিনি ট্রাভেল ডকুমেন্ট নিয়ে দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশের পাসপোর্ট তিনি পাননি। এটা তাঁর জীবনের আক্ষেপ ছিল। তিনি বাংলাদেশে তাঁর শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করতে পারেননি।’

জানাজা শেষে বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষে বিরোধীদলীয় প্রধান হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা খোকার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষে মেয়র আতিকুল ইসলাম, এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদ, বিএনপির সংসদ সদস্যরা এবং দলের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে কফিনে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

জাতীয় সংসদ চত্বরে জানাজা শেষে মরদেহ নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল নামে। সেখানে খোকাকে শ্রদ্ধা জানান সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বাসদ নেতা খালেকুজ্জামান, গণফোরাম থেকে আবু সাইয়িদ, সুব্রত চৌধুরী, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দল, মনোবিজ্ঞান বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ফকির আলমগীর, জাতীয় হিন্দু মহাজোট, এলডিপি মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, ভাসানী অনুসারী পরিষদ, ন্যাপ, ডাকসুর সহসভাপতি নুরুল হক নুর, ছাত্রদল, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় পুলিশের উদ্দেশে বুক পেতে দিয়ে খোকা বলেছিলেন, ‘গুলি করো, আমার এখানে গুলি করো।’ তাঁর জোরালো কণ্ঠের ফলে পুলিশ তখন ভয় পেয়ে গিয়েছিল।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘যে দেশের জন্য তিনি মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, তার পাসপোর্টের জন্য তাঁকে দূতাবাসে ধরনা দিতে হয়েছে। আমরা কী সম্মান তাঁকে দিয়েছি? বিদেশি নাগরিকের মতো ট্রাভেল ভিসায় ওনাকে দেশে আনা হয়েছে, এটা তো আমাদেরই আক্ষেপ হওয়া উচিত।’ এ সময় ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আজকে যে হানাহানির রাজনীতি চলছে, এর জন্য বাবা মুক্তিযুদ্ধ করেননি। রাজনৈতিক ভিন্নমত থাকবে, বহু রাজনৈতিক দল থাকবে, আমাদের লড়াই হবে ভোটের মাধ্যমে। বিএনপির যাঁরা আহত, নিহত ও অত্যাচারের শিকার হয়েছেন, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলতে চাই, এই রাজনীতির চর্চা কত দিন চলবে? বাংলাদেশে দুজন অভিভাবক আছেন। একজন খালেদা জিয়া, যিনি জেলে আছেন। আরেকজন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমি প্রশ্ন রাখতে চাই—আমাদের ভবিষ্যৎ কোথায়? আপানারা এর সমাধান করে দেন।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জামিনের যে বাধাগুলো আছে, সেগুলো দূর করেন। আশপাশের স্বার্থবাদীদের বাদ দিয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলেন। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ঠিক করে দিয়ে যান। আমরা যারা নতুন প্রজন্ম, তারা চাই না আর কোনো বিএনপি পরিবার এই প্রতিহিংসার রাজনীতির শিকার হোক এবং অন্য কোনো দল যদি ক্ষমতায় আসে, তখন আওয়ামী লীগের কোনো পরিবার প্রতিহিংসার শিকার হোক। আমাদের অভিভাবক যাঁরা আছেন, তাঁদের এর সমাধান করে দিয়ে যেতে হবে। অন্য কারো দিয়ে এটা হবে না।’

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তাঁর মরদেহ নেওয়া হয় নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে। সেখানে চোখের জলে প্রিয় নেতাকে শেষশ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। কালো কাপড়ে মোড়া অস্থায়ী মঞ্চে রাখা হয় খোকার কফিন। নেতাকর্মীদের কফিনের সামনে কাঁদতে দেখা যায়। সেখানে প্রথমে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায় কফিনটি দলীয় পতাকা দিয়ে মুড়িয়ে দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে কফিনে ফুল দেওয়া হয়।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সাদেক হোসেন খোকা এমন সময় চলে গেলেন, যখন আমাদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়া কারাগারে। তিনি তাঁকে শেষ দেখা দেখতে পারলেন না। আজকে এই ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্যাতনে সারা বাংলাদেশের মানুষ যখন অত্যাচারিত, লাঞ্ছিত, সেই সময়ে যে মানুষগুলো ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল সাদেক হোসেন খোকা তাদের অন্যতম।’

বিএনপি কার্যালয়ের সামনে জানাজার পর খোকার কফিনে সামরিক কায়দায় স্যালুট দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় সেক্টর কমান্ডার শাহজাহান ওমরের নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল। সকাল থেকে নয়াপল্টনের অফিসের নিচতলায় কোরআনখানি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় দলের নেতা শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, বরকতউল্লা বুলু, আবদুল আউয়াল মিন্টু, রুহুল কবীর রিজভী, শিমুল বিশ্বাস, ডা. সালাহ উদ্দিনসহ দলের ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য, যুগ্ম মহাসচিবসহ কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ২০ দলীয় জোটের অধ্যাপক মজিবুর রহমান, হামিদুর রহমান আজাদ, শামীম সাঈদী, খোন্দকার লুৎফর রহমান, ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, মুফতি মহিউদ্দিন ইকরামসহ নেতারা জানাজায় অংশ নেন।

নয়াপল্টনের কার্যালয় থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত সড়ক ও এর পাশপাশের গলিতে হাজার হাজার নেতাকর্মী-সমর্থক খোকার জানাজায় অংশ নেন। ফুটপাতে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরাও মাথা নিচু করে শ্রদ্ধা জানান।

বিএনপি কার্যালয় থেকে কফিন নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে। অবিভক্ত সিটি করপোরেশনের শেষ মেয়র সাদেক হোসেন খোকার তৃতীয় জানাজা হয় নগর ভবন প্রাঙ্গণে। বিকেল ৩টায় হওয়া এই জানাজায় ডিএসসিসি মেয়র সাঈদ খোকনসহ করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ মানুষ অংশ নেন। এ সময় সাঈদ খোকন বলেন, অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা নিষ্ঠার সঙ্গে দলমত নির্বিশেষে মানুষের জন্য সেবা করে গেছেন, এটাই ছিল তাঁর আদর্শ।

পরে তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় গোপীবাগের বাসায়। সেখানে আত্মীয়-স্বজনের দেখার জন্য কিছুক্ষণ মরদেহ রাখা হয়। পরে চতুর্থ জানাজা হয় ব্রাদার্স ইউনিয়ন মাঠে। সেখান থেকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ধূপখোলা মাঠে। সেখানে পঞ্চম ও শেষ জানাজা হয়। সেখানেও হাজার হাজার মানুষ জানাজায় অংশ নেন। পরে জুরাইন কবরস্থানে মরদেহ দাফনের জন্য নেওয়া হয়।

কবরস্থানে মরহুমের পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও আত্মীয়-স্বজন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাস, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত ৪ নভেম্বর সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটানে স্নোয়ান ক্যাটারিং ক্যান্সার সেন্টারে সাদেক হোসেন খোকা মারা যান। তিনি কিডনির ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

ডিএসসিসি মেয়রের শ্রদ্ধা : অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার চতুর্থ জানাজায় ঢল ছিল সব শ্রেণি-পেশার মানুষের। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবন প্রাঙ্গণে তাঁর চতুর্থ জানাজায় অংশ নেয় হাজারো মানুষ। জানাজার পর সব শ্রেণি-পেশার মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ রাখা হয় নগর ভবনে। ওই সময় কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে সাবেক মেয়রের প্রতি শ্রদ্ধা জানান ডিএসসিসি মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

জানা গেছে, খোকার জানাজায় অংশ নিতে দুপুর থেকে নগর ভবনের সামনে জড়ো হতে থাকে হাজারো মানুষ। বিকেল ৩টায় সেখানে চতুর্থ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মরদেহ রাখা হয় শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। সেখানে ডিএসসিসি মেয়র, কাউন্সিলর এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ ছাড়া শ্রদ্ধা জানান ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, খোকার দুই ছেলে ইশরাক হোসেন ও ইশরাফ হোসেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।

জাতীয় খবর

আপনার মতামত লিখুন :

সম্পাদক : শাকিব বিপ্লব
ঠিকানা: শাহ মার্কেট (তৃতীয় তলা),
৩৫ হেমায়েত উদ্দিন (গির্জা মহল্লা) সড়ক, বরিশাল ৮২০০।
ফোন: ০৪৩১-৬৪৮০৭, মোবাইল: ০১৮৭৬৮৩৪৭৫৪
ই-মেইল: [email protected], [email protected]
© কপিরাইট বরিশালটাইমস ২০১২-২০১৮
টপ
  মেয়েকে বুকের দুধ পান করাচ্ছেন বাবা (ভিডিও)  গুজব ঠেকাতে দ্বিগুণ লবণ উৎপাদন  চাকরি গাঁজা খাওয়া, বেতন ২৫ লাখ!  ট্রলার ও স্পিডবোট মুখোমুখি সংঘর্ষে জেলা জজ আহত  পাকিস্তানে টমেটোর কেজি ৪০০! সোনার বদলে টমেটোর গহনা!  বরিশাল দুর্গাসাগরে নিখোঁজ সেই পুলিশপুত্রের লাশ উদ্ধার  পাকিস্তান থেকে বিমানে আসল ৮২ টন পেঁয়াজ  সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে ইবি ছাত্রলীগ কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ১০  ধান ভাঙাতে গিয়ে চালকল মালিকের ধর্ষণের শিকার কিশোরী  কাউখালীতে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ পিইসি পরীক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার