১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার

জিয়া সড়কে দোকানি মনুর সন্ত্রাস, মা-মেয়েকে পেটালো রাস্তায় ফেলে

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৮:৩৭ অপরাহ্ণ, ২৯ মে ২০২০

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক:: তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বরিশাল শহরের জিয়া সড়কে এক কিশোরকে কুপিয়ে জখম করাসহ মা ও নানীকে প্রকাশ্যে মারধরের করেছে মনু নামের এক দোকানি। এক যুবক বেপরোয়া গতিতে অটোরিকশা চালিয়ে যাওয়ার কারণে সড়কের পানি ছিটে শরীরে ওঠার প্রতিবাদ করতে গিয়ে প্রথমে স্থানীয় দোকানি মনুর হামলার শিকার হয় পিয়াস নামের কিশোর। পরবর্তীতে মারধরের প্রতিবাদ করতে গেলে দ্বিতীয় দফায় মনুর হামলার শিকার হয়েছেন পিয়াসের বড়ভাই পিয়াল, তার নানী রহিমা বেগম এবং মাসহ অতন্ত ১০ জন। দোকানি ১০ থেকে ১৫ জনসহকারে সশস্ত্র হামালা করেছে, অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার বিকেলের সন্ত্রাসের খবর পেয়ে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বশির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও হামলাকারী কাউকে আটক করতে পারেননি।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে- জিয়া সড়ক এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে পিয়াস বিকেলে বাসার সামনের সড়কে অবস্থানকালে বেপরোয়া গতির একটি একটি অটোরিকশা সেখান থেকে যাওয়ার প্রাক্কালে পানি ছিটিয়ে দেয়। এতে ময়লা পানি শরীরে পড়লে ক্ষুব্ধ পিয়াস ওই চালক অজ্ঞাত যুবককে সতর্কভাবে গাড়ি চালানোর পরামর্শ দিয়ে শাসিয়ে দেয়। অটোরিকশা চালকের পরিচিতজন স্থানীয় দোকানি মনু বিষয়টি জানতে পেরে দৌড়ে এসে পিয়াসকে একচোট মারধর করে।

সূত্র জানায়- পিয়াস মারধরের বিষয়টি তার বড় ভাই পিয়ালসহ স্বজনদের অবহিত করলে পরক্ষণে তারা বাসা মনুর মুখোমুখি হয়ে প্রতিবাদ করেন। এতে মনু ক্ষুব্ধ হয়ে স্ত্রী-ছেলে সন্তানসহ অন্তত ১০ থেকে ১৫ জনকে নিয়ে হামলা করে। এসময় মনুর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পিয়াস জখম হয় এবং তার নানী রহিমা বেগম ও মাকেসহ স্বজনদের প্রকাশ্যে সড়কের ওপর ফেলে পিটিয়েছে। হাতে গুরুতর জখম পিয়াসকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া সকলকে স্থানীয় ফার্মেসিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এই খবর পেয়ে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বশির ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই হামলাকারী মনুসহ সহযোগীরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে হামলার ঘটনায় সন্ত্রাসী মনুসহ সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানায় একটি করার প্রস্তুতি নিয়েছে মারধরের শিকার ওই পরিবার।

কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পেয়ে এসআই বশিরকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল, তিনি বিস্তারিত জেনে এসেছেন। এছাড়া এই ঘটনায় হামলার শিকার নারীসহ বেশ কয়েকজন থানায় এসেছিলেন। তাদের অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। পরবর্তীতে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

11 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন