২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার

জেলহাজতে প্রেরণ আদেশের ২ ঘণ্টা পর জামিনে মুক্ত সেই ইউএনও

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৫:২৪ অপরাহ্ণ, ১৯ জুলাই ২০১৭

বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃতি ও অবমাননার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কারাগারে পাঠানোর দুই ঘণ্টা পর বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী তারেক সালমানকে অন্তবর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন আদালত। বরিশালের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. আলী হোসাইন বুধবার (১৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় ইউএনও তারিক সালমানকে হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। এর দুই ঘণ্টা পর দুপুর দেড়টার দিকে আদালত বিশেষ বিবেচনায় আগামী ২৩ জুলাই মামলার ধার্য তারিখ পর্যন্ত তার অন্তবর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে, জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়ার পর পুলিশ তারিক সালমনকে আদালতের হাজতখানায় নিয়ে যান। জামিন আদেশ দেওয়ার পর দুপুর ২টার দিকে তিনি মুক্তি পান।

গাজী তারেক সালমান বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকাকালে চলতি বছরের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানের একটি আমন্ত্রণপত্র প্রকাশ করেন। ওই আমন্ত্রণপত্রে বঙ্গবন্ধুর ছবি ‘বিকৃত’ করা হয়।

অর্থাৎ আমন্ত্রণপত্রের পেছনের পাতায় বঙ্গবন্ধুর ‘বিকৃত’ ছবি ছাপানো হয়। আমন্ত্রণপত্র হাতে পেয়ে বঙ্গবন্ধুর ‘বিকৃত’ ছবি দেখে জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ওবায়েদুল্লাহ সাজু মর্মাহত হন এবং তার হৃদকম্পন বেড়ে যায়।

এরপর স্বাধীনতা দিবসের আমন্ত্রণপত্রের পেছনের পাতায় বঙ্গবন্ধুর ছবি ছাপানোয় জাতির মানহানি হয়েছে অভিযোগে গত ৭ জুন অ্যাডভোকেট সাজু বাদী হয়ে আগৈলঝাড়ার ইউএনও গাজী তারেক সালমানের বিরুদ্ধে বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। ওইদিন মামলা আমলে নিয়ে আদালতের বিচারক ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) গাজী তারিক সালমানকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন জারির আদেশ দেন। সেই আদেশ অনুযায়ী বুধবার বেলা ১১টায় ইউএনও গাজী তারিক সালমান বরিশালের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন।

মামলা দায়েরের পর সমালোচনার মুখে এক মাস আগে আগৈলঝাড়ার ইউএনও গাজী তারিক সালমানকে বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পদে বদলি করা হয়।”

 

8 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন