২৫শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

দৌলতখানে পশুর হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধির ছিটেফোঁটাও নেই

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৪:৫০ অপরাহ্ণ, ২৯ জুলাই ২০২০

মো. মামুন দৌলতখান:: ভোলার দৌলতখানের পশুর হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ। আর মাত্র দুই দিন পর কোরবানির ঈদ। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে পশুর সংখ্যা ও মানুষের ভীড়।

পৌরসভাসহ উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের, নুরমিয়ারহাট, দলিলউদ্দিন খায়েরহাট, মির্দ্দার হাট ও চরপাতা কাজিরহাট সহ পাঁচটি পশুর হাট রয়েছে। তবে এসব হাটে স্বাস্থ্যবিধি মানছে না অনেকে। এদিকে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য প্রতিনিয়ত প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে।

অন্যদিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে নিরাপদ মাংস উৎপাদন, কোরবানির হাটে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশবান্ধব কোরবানির পশুর হাটের কার্যক্রম যথাযথ ভাবে মনিটরিং করার জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট মেডিকেল টিম কাজ করছে।

মঙ্গলবার ও বুধবার বিকালে সরেজমিনে পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন পশুরহাটে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতা-বিক্রেতা কারও মুখে মাস্ক নেই। শরীরের সঙ্গে শরীর লাগিয়ে অবাধে চলাফেরা করছে। স্বাস্থ্যবিধি মানাতো দূরের কথা, হাটে আসা প্রায় মানুষই নির্বোধের মতো হাট চষে বেড়াচ্ছেন। তাদের মাঝে সামান্যতম সচেতনতাবোধও কাজ করছে না। মাস্ক বিহীন হাটে আসা একাধিক ক্রেতা নানা অজুহাত পেশ করে বলেন, তাড়াহুড়ো করে আসতে গিয়ে মাস্ক বাড়িতে রেখে এসেছেন।

পৌরসভার হাট ইজারাদার মো. আলাউদ্দিন ভূইয়া বরিশালটাইমসকে জানান, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে প্রশাসনের পাশাপশি আমরাও মাইকিং করে যাচ্ছি। এছাড়া পৌরসভা মেয়র জাকির হোসেন তালুকদার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জীতেন্দ্র কুমার নাথের নির্দেশ রয়েছে, মাস্ক ছাড়া কেউ হাটে প্রবেশ করতে পারবে না। তাছাড়াও এবার হাটে গরু বেশি থাকলেও বেচা-বিক্রি কম হচ্ছে। এতে করে হাট যে টাকায় ইজারা নিয়েছি, তাতে লোকসান হবার আশঙ্কা রয়েছে।

দৌলতখান উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. পার্থ সরাথী বরিশালটাইমসকে জানান, স্বাস্থ্যবিধি মানতে দৌলতখানে তিন সদস্য বিশিষ্ট মেডিকেল টিম কাজ করছে। তারপরও মানুষের সচেতনতার অভাবে হাটগুলোতে খুব একটা স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না।

5 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন