৮ ঘণ্টা আগের আপডেট সকাল ৭:৫৬ ; শুক্রবার ; জানুয়ারি ২৭, ২০২৩
EN Download App
Youtube google+ twitter facebook
×

নড়বড়ে হয়ে গেছে কলাপাড়ার ভাসমান সেই কাঠের সেতু, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

Mahadi Hasan
৮:১৯ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩, ২০২২

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ভাসমান সেই কাঠের সেতুটি চলাচলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

উপর দিয়ে মানুষ হাটলে দোল খাচ্ছে। স্থিরভাবে থাকছে না। ভেঙ্গে গেছে অনেকাংশের কাঠের তক্তা। নষ্ট হয়ে যাচ্ছে প্লাস্টিক ড্রামগুলো। গ্রামবাসীদের অর্থায়নে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন পাখিমারার খালের উপর নির্মিত সেতুটি একেবারেই নড়বড়ে হয়ে গেছে।

প্রায়ই ঘটছে ছোট খাটো দুর্ঘটনা। তারপরও কৃষি পল্লী খ্যাত ওই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের ১০ হাজার মানুষ কোনো উপায়ন্ত না পেয়ে ঝুঁকি নিয়ে এ ভাসমান সেতু পরাপার হচ্ছে।

তবে এ খালের উপর একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। জানা গেছে, এ পয়েন্টে ১১৬ মিটার দীর্ঘ একটি আয়রণ ব্রিজ ২০১৭ সালে ৬ আগস্ট রাতে হঠাৎ করে ভেঙে পরে।

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সবজির গ্রাম খ্যাত মজিদপুর, এলেমপুর, কুমিরমারাসহ আশপাশের গ্রামের কৃষকদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য বাজারজাত করা একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়।

এরপর ২০২০ সালের গ্রামবাসীর অর্থায়নে এবং স্বেচ্ছাশ্রমে ভাসমান এই কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়। এসময় ৭২টি প্লাস্টিকের ড্রামের ওপর পাটাতন করতে ২৫০ ঘনফুট (কেভি) কাঠ লেগেছে। আর প্লাস্টিকের রশি লাগে তিন মণ। তারকাটা লেগেছে তিন মণ এমটাই জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।

ভাসমান সেতু সংলগ্ন কুমিরমার গ্রামে বাসিন্দা ডাক্তার শেখ মো.ফরিদ জানান, পাঁচটি গ্রামের মানুষ প্রতিদিনই এ সেতুটির উপর দিয়ে চলাচল করছে। প্রায় তিন বছর আগে স্বেচ্ছাশ্রমে এই ভাসমান সেতুটি গ্রামাবাসীরা নির্মান করেছে।

এর মধ্যে দুই একবার মোরমত হয়েছে। বর্তমানে সেতুটি নড়বড়ে হয়ে গেছে। ঝুঁকি নিয়েই স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থী আসা যাওয়া করে।

এছাড়া শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীর স্বজনরা সবচেয়ে চরম ভোগান্তিতে পরেন। একই গ্রামের কৃষক জাকির হোসেন বলেন, এখানে একটি ব্রিজ খুবই জরুরী। বেশির ভাগ সবজিই কুমিরমারা গ্রামে চাষাবাদ হয়।

এসব সবজি বেশির ভাগই কৃষকরা উপজেলা শহরের বিক্রির জন্য নিয়ে যায়। কিন্তু সেতুর অভাবে এসব মালামাল পরিবহন করা ব্যয় বহুল ও কষ্টকর বলে এই কৃষক জানিয়েছেন।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মাসুম বিল্লাহ বলেন, এখানে ব্রিজ না হওয়ায় শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার মানুষ ও সবজি চাষি কৃষকদের কঠিন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

নিত্য প্রয়োজনে বিকল্প পথ পারি দিয়ে উপজেলা সদরে যোগাযোগ রাখতে হচ্ছে। এখানে একটি ব্রিজ হলে জনদুর্ভোগ কমে আসবে। আশা করছি যথাযথ কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে।

নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো.বাবুল মিয়া বলেন, এখানে একটি আয়রণ ব্রিজ ছিলো। গত তিন বছর আগে এটি ভেঙ্গে যায়।

লোহার এ্যাঙ্গেল, স্লাপ এখন পানির নিচে। তবে তার জানামতে উপজেল পরিষদ থেকে নতুন করে ব্রিজ নির্মানের জন্য একটি প্রস্তাব মন্ত্রনালয় পাঠিয়েছেন।

উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী কাজী ফয়সাল বারী পূর্ন সাংবাদিকদের জানান, খুব শ্রীঘ্রই ওই স্পটে একটি নতুন গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করা হবে।

Other

আপনার মতামত লিখুন :

 
ভারপ্রাপ্ত-সম্পাদকঃ শাকিব বিপ্লব
© কপিরাইট বরিশালটাইমস ২০১২-২০১৮ | বরিশালটাইমস.কম
বরিশালটাইমস মিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান।
ইসরাফিল ভিলা (তৃতীয় তলা), ফলপট্টি রোড, বরিশাল ৮২০০।
ফোন: +৮৮০২৪৭৮৮৩০৫৪৫, মোবাইল: ০১৮৭৬৮৩৪৭৫৪
ই-মেইল: [email protected], [email protected]
© কপিরাইট বরিশালটাইমস ২০১২-২০১৮
টপ
  বাবুগঞ্জে গভীর রাতে জোড়া খুনঃ ডাকাতি বলে সাজানোর চেষ্টা  পিরোজপুরে এবার ৯৬ ফুট উচ্চতার কালী প্রতিমা  বরিশালে হলে ঢুকে শিক্ষার্থী‌কে কুপিয়ে জখম, প্রতিবাদে মশাল মি‌ছিল  রামপাল থেকে ৪৭ লাখ টাকার মেশিন চুরি  আমরা ধৈর্য ধরেছি, কিন্তু দুর্বল না: শামীম ওসমান  ‘মিথ্যা মামলায়’ জেল খাটলেন শিক্ষক  রেস্তোরাঁয় ‍মিলবে কৃত্রিম মাংস: মানুষ খেতে পারবে কী  অভাবের তাড়নায় শিশুসন্তান বিক্রি: মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিল পুলিশ  পছন্দসই প্রার্থীকে ‌‘নিয়োগ না দেওয়ায়’ স্কুলশিক্ষককে প্রকাশ্যে পিটুনি  লালমোহনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত