২৩ seconds আগের আপডেট বিকাল ১:২৯ ; রবিবার ; অক্টোবর ২, ২০২২
EN Download App
Youtube google+ twitter facebook
×

ভোলায় নদীভাঙন থেকে রক্ষায় মোনাজাত

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট
৯:৪৩ অপরাহ্ণ, মে ১৭, ২০১৬

বরিশাল: অসময়ে মেঘনা নদীর স্রোতের তীব্রতা হঠাৎ করেই বেড়েছে। এর ফলে ভোলার ইলিশা এলাকায়ও ভাঙন বেড়েছে। মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙনে ইলিশা ও রাজাপুর ইউনিয়নের বহু মানুষের ঘর-বাড়ি, হাঁস-মুরগি ও গরু-ছাগল নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গত এক মাসে নদী তীরবর্তী প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা ভেঙে গেছে। দুই সহস্রাধিক বাড়িঘড় মেঘনা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

এদিকে, নদীভাঙনের হাত থেকে দ্বীপজেলা ভোলাকে রক্ষায় আজ  মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নে মেঘনার পাড়ে মিলাদ ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইলিশা বাঁচাও আন্দোলন কমিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন সাংবাদিক আবু তাহের, অমিতাভ অপু, সুমন প্রমুখ। মিলাদ ও দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আবদুল জলিল।

অপরদিকে, নদীভাঙন রোধে আজ মঙ্গলবার দুপুরে ইলিশা ইউনিয়নে জরুরিভাবে ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি প্যাকেজে বালুভর্তি জিইব্যাগ ফেলে জাম্পিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে। আজ দুপুরে প্রথম ধাপে ২২২টি বালুর বস্তা মেঘনার তীরে ফেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কাজের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় ভোলা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তোফায়েল হোসেন, ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বাবুল আখতার, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. ইউনুছ, টাস্কফোর্সের প্রতিনিধি সহকারী প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ, ঠিকাদারের প্রতিনিধি ইকবালসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বাবুল আখতার ও টাস্কফোর্সের প্রতিনিধি সহকারী প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ জানান, এভাবে পর্যায়ক্রমে দুই লাখ ৭৩ হাজার বালুর বস্তা মেঘনা নদীর তীরে ফেলা হবে। এরপর আগামী শুষ্ক মৌসুমে ২৮০ কোটি টাকা প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে। কাজ শুরু হলে আশা করা যায় নদীভাঙনের হাত থেকে ভোলা রক্ষা পাবে।

তবে, এলাকাবাসীর আশঙ্কা, ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রথম ধাপে মেঘনা নদীতে যে বালুর বস্তা ফেলা হয়েছে তা নদীর পানির স্রোতে ভেসে যাবে। এতে সরকারের ওই টাকা নদীর জলেই চলে যাবে। ভেস্তে যাবে নদীভাঙন রোধ প্রকল্প। এ ব্যাপারে ইলিশা ইউনিয়নের বাসিন্দা সরোয়ার আলম ও আবদুল মান্নান বলেন, সামান্য ২২২ বস্তা বালু ফেলে কোনো লাভ হবে না। এতে নদীভাঙন রোধ করা যাবে না। এ কাজে শুধুমাত্র ঠিকাদার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পকেট ভারি হবে।

ইলিশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাসনাইন আহমেদ হাসান বলেন, “এখন নদীভাঙনের কথা নয়। কিন্তু, মেঘনা নদীর স্রোতের গতি হঠাৎ করেই বেড়েছে। তাই, ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে।” তিনি বলেন, “ভাঙনরোধে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের নির্দেশে পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে ১৫ কোটি টাকার কাজের টেন্ডার আহ্বান করেছে। ইতিমধ্যে তারা মঙ্গলবার থেকে কাজ শুরু করেছে।”

খবর বিজ্ঞপ্তি, ভোলা

 

আপনার মতামত লিখুন :

 
এই বিভাগের অারও সংবাদ
ভারপ্রাপ্ত-সম্পাদকঃ শাকিব বিপ্লব
© কপিরাইট বরিশালটাইমস ২০১২-২০১৮ | বরিশালটাইমস.কম
বরিশালটাইমস মিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান।
ইসরাফিল ভিলা (তৃতীয় তলা), ফলপট্টি রোড, বরিশাল ৮২০০।
ফোন: +৮৮০২৪৭৮৮৩০৫৪৫, মোবাইল: ০১৮৭৬৮৩৪৭৫৪
ই-মেইল: ba[email protected], [email protected]
© কপিরাইট বরিশালটাইমস ২০১২-২০১৮
টপ
  মহাসড়কে টোল আদায় না করতে মেয়রদের প্রতি নির্দেশনা  পুলিশ কর্মকর্তার প্রতারণার শিকার শ্যালক-শ্যালিকা!  বরগুনায় সড়ক দুর্ঘটনায় কিশোর নিহত  প্রেমের ফাঁদে ফেলে স্কুলছাত্রীকে নিয়ে পালালেন প্রধান শিক্ষক  বেপরোয়া ট্রাক কেড়ে নিল ৪ জনের প্রাণ  বুবলীর অগোচরে শাকিবের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ!  ইন্দোনেশিয়ায় ফুটবল মাঠে সংঘর্ষ, পদদলিত হয়ে নিহত ১২৯  ঘূর্ণিঝড়ে পূজামণ্ডপ লন্ডভন্ড, আহত ৫  জাতীয় পরিচয়পত্রে স্ত্রীকে বোন বানানো আনিসুর গ্রেপ্তার  সেপ্টেম্বরে সারাদেশে চার হাজার ৩২টি দুর্ঘটনায় ঝরেছে ৫৭৯ প্রাণ