১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

নমুনা সংগ্রহে ভিটিএম কিট তৈরি করলো বাংলাদেশ

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ, ২৮ মে ২০২০

বার্তা পরিবেশক, অনলাইন :: করোনা পরীক্ষায় নমুনা সংগ্রহের কিট তৈরি করেছেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের গবেষকরা। দেশে ভাইরাল ট্রান্সপোর্ট মিডিয়া (ভিটিএম) কিট তৈরি করেছেন ডিআরআইসিএম ল্যাবের বিজ্ঞানীরা।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য বুলেটিনে ডিআরআইসিএম ল্যাব ৫ হাজার নমুনা সংগ্রহ কিট দিয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা।

এ প্রসঙ্গে কিট নিয়ে ডিআরআইসিএম ল্যাবের পরিচালক মালা খান সাংবাদিকদের জানান, ভিটিএম হচ্ছে লবণ, প্রোটিন ও অ্যান্টিবায়োটিকের সমন্বয়ে তৈরি এক ধরনের সলিউশন বা দ্রবণ, যার মাধ্যমে ভাইরাস সংগ্রহ, পরিবহন এবং দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করা যায়।

তিনি বলেন, কমিউনিট পর্যায়ে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে ব্যাপক ভিত্তিতে টেস্টের কোনো বিকল্প নাই। শুরুতে স্বল্প সংখ্যক এই করোনা পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সময়ের সাথে সাথে সরকারি ও বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয় কোভিড-১৯ পরীক্ষা করার সক্ষমতা অর্জন করেছে। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে পর্যাপ্ত ও সঠিক উপায়ে নমুনা সংগ্রহের সীমাবদ্ধতার কারণে টেস্টের ধীরগতি রয়েছে এখনও। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে জেলা বা বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে ট্রান্সপোর্টেশনের দীর্ঘ সময় নমুনা সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরও বলেন, কিটটিতে সলিউশন রাখার জন্য টিউব নির্বাচন করা হয় বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে। দায়িত্বরত টেকনিশিয়ান বা ল্যাবে কার্যরত গবেষকদের হ্যান্ডলিং করার সময় কোনোভাবেই যেন ক্রস-কন্টামিনেশন না হয়, সে বিষয় বিবেচনা করেই সলিউশন রাখার টিউব নির্বাচন করা হয়েছে।টিউবটি হালকা, সহজে এক হাতে ধরা যায়, এতে রবার স্টপার্স সংবলিত মুখ থাকায় চুইয়ে পড়ার কোনো সম্ভাবনা নাই।

মালা খান বলেন, এ ন্যাজোফেরেঞ্জিয়াল পদ্ধতিটিকে সহজ করার জন্য ভিটিএম কিটে নমুনা সংগ্রহের উপযুক্ত সোয়াব স্টিক দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গলার অরোফেরেঞ্জিয়াল নমুনা সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে রোগীকে যেন দীর্ঘক্ষণ মুখ খোলা রাখতে না হয়, সেজন্য কিটটিতে রয়েছে একটি টাং হোল্ডার যা ব্যবহার করে সহজে ডিপ থ্রোট থেকে নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব। এছাড়া কিটটিতে সিডিসির গাইডলাইন অনুযায়ী ছবিযুক্ত একটি নির্দেশনালিপি দেওয়া হয়েছে যাতে খুব সহজেই ফলো করতে পারবেন মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা।

তিনি জানান, ডিআরআইসিএমের ভিটিএম কিটে সংগৃহীত নমুনা ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় তিন দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়।

7 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন