১২ ঘণ্টা আগের আপডেট সকাল ৬:২৮ ; রবিবার ; সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২
EN Download App
Youtube google+ twitter facebook
×

নির্ঘুমরাত কাটিয়েছেন উপকূলবাসী

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট
৫:৫২ অপরাহ্ণ, মে ২১, ২০১৬

কলাপাড়া: ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু’র প্রভাবে এখনো কুয়াকাটা সংলগ্ন সাগর বক্ষ উত্তাল রয়েছে। অস্বাভাবিক জোয়ারে পটুয়াখালীর কলাপাড়াসহ নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে উপজেলার চম্পাপুর, মহিপুর ও লালুয়া ইউনিয়নের গ্রামের পর গ্রাম। উপকূল জুড়ে দমকা হাওয়া ও বৃষ্টিপাতের ফলে গাছপালা, কাঁচা ঘরবাড়ি ও  ফসলী জমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে পুকুর ও ঘেরর মাছ। রোয়ানু’র আতংকে আশ্রয়কেন্দ্র ও পাকা ভবন গুলোতে সহায়-সম্বল নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে উপকূলীয় এলাকার লক্ষাধিক মানুষ। শনিবার সকাল থেকেই অনেকের বাড়িতে উনুনে হাঁড়ি উঠেনি। সারাদিনেও দেখা যায়নি সূর্যের মুখ। এদিকে অশ্রয়হীন অভুক্ত লোকজনদের মাঝে স্থানীয়রা শুকনো খাবার বিতরণ করেছে। ঝড়ের আশংকা কেটে গেলেও নিম্নাঞ্চল ও খেটে খাওয়া মানুষের দূর্ভোগে কমেনি।

 
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের দেবপুরের বিধ্বস্ত বাঁধ দিয়ে জোঁয়ারের পানি প্রবেশ করে গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে গেছে। একই অবস্থা লালুয়ার ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামের বেড়ি বাঁধের। দুই ইউনিয়নের বেড়ি বাঁধের ভাঙ্গা অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ করায় ফসলী জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পুকুর ও মাছের ঘের, বাড়ি ঘরও পানিতে তলিয়ে গেছে। মহিপুর ইউনিয়নের নিজামপুরের বেড়িবাঁধটিও চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এছাড়া সমুদ্র উত্তাল থাকায় জেলেরা ট্রলার নিয়ে মৎস্য বন্দর আলীপুর-মহিপুরের শিববাড়িয়াসহ বিভিন্ন নদীতে নিরাপদে অবস্থান করেছে।
স্থানীয়দের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড়ের বিপদ সংকেত মাইকে প্রচার করায় আগেভাগেই বেড়িবাধের বাহিরের লোকজন নিরাপদে আশ্রয় নেয়। এরফলে তেমন কোন সমস্যায় পরতে হয়নি।

 
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়ে ছিল। প্রস্তুত রাখা হয়ে ছিলো রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ও সিপিপি’র সকল স্বেচ্ছা সেবকদের। আপদকালীন সময় উপজেলার সকল সাইক্লোন শেল্টার ও বিদ্যালয়গুলো খোলার জন্য শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেয়া হয়। এছাড়া বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা পরিষদ মিলানায়তনে ঘুর্ণিঝড় রোয়ানু মোকাবেলায় জরুরী প্রস্তুতি সভা করা হয়। পরে উপজেলার গ্রামে গ্রামে বিপদ মোকাবেলায় ও নিরাপদ আশ্রয় গ্রহনের জন্য ব্যাপক মাইকিং করা হয়েছে।

 
উপজেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্নিঝড় রোয়ানু’র প্রভাবে কলাপাড়ায় ১১৫ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.মাসুদ হাসান পাটোয়ারী জানান, ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু’র প্রভাবে ব্যাপক কোন ক্ষতি এখানে হয়নি । তবে কিছু কিছু এলাকা পানিতে নিমজ্জিত থাকায় সেখানকার চেয়ারম্যানদের বলা হয়েছে কোন লোকজন যেন কষ্ট না পায় সেদিকে খেয়াল রাখতে। এছাড়া যারা আশ্রয় কেন্দ্রে আছে তাদের মাঝে খাবার বিতনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

খবর বিজ্ঞপ্তি, পটুয়াখালি

 

আপনার মতামত লিখুন :

 
এই বিভাগের অারও সংবাদ
ভারপ্রাপ্ত-সম্পাদকঃ শাকিব বিপ্লব
© কপিরাইট বরিশালটাইমস ২০১২-২০১৮ | বরিশালটাইমস.কম
বরিশালটাইমস মিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান।
ইসরাফিল ভিলা (তৃতীয় তলা), ফলপট্টি রোড, বরিশাল ৮২০০।
ফোন: +৮৮০২৪৭৮৮৩০৫৪৫, মোবাইল: ০১৮৭৬৮৩৪৭৫৪
ই-মেইল: [email protected], [email protected]
© কপিরাইট বরিশালটাইমস ২০১২-২০১৮
টপ
  করতোয়ার তীরে স্বজনদের কান্নার রোল: নিহত বেড়ে ২৪  বাউফলে রাতের আধারে ঘর তুলে জমি দখলের চেষ্টা  হলফনামা ছাড়াই সংশোধন করা যাবে পাসপোর্টের নাম-বয়স  করতোয়া নদীতে নৌকাডুবিতে ১৫ জনের মৃত্যু  সড়ক দুর্ঘটনায় পা বিচ্ছিন্ন সেই মায়ের মৃত্যু  কারিগরি শিক্ষা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি শাওন  বাউফল পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এজিএমের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ  'মসজিদে জমি দেওয়ায়' বাবাকে পিটিয়ে মারল ছেলেরা  পিরোজপুরে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মহিউদ্দিন  এবার যাত্রীসংকটে বন্ধ হলো ঐতিহ্যবাহী প্যাডেল স্টিমার