১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

প্রশাসনের ভুমিকা রহস্যেজনক: হিজলায় মেঘনা নদীর গলদা চিংড়ি রেনু পাচারকারীদের দখলে

বরিশালটাইমস, ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:১৩ অপরাহ্ণ, ২৩ মে ২০২৪

হিজলা প্রতিনিধিঃ বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে প্রায় প্রতিরাতে কোটি টাকার গলদা চিংড়ির রেনু পাচার হয়।এই গলদা চিংড়ির রেনু পাচারকারী সিন্ডিকেট চক্রে রয়েছে ডজন খানেক মেঘনা নদীর দস্যু। এ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশাসনের ভুমিকা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে।গত এক মাস যাবৎ মেঘনা নদীতে অবাধে শিকার করা হচ্ছে গলদা চিংড়ির রেনু পোনা ।

এ রেনু অসাধু সিন্ডিকেট বাহিনী গোসাইরহাট হয়ে সাতক্ষিরা,খুলনা,যশোর সহ বিভিন্ন জেলায় বিক্রি বিক্রি করে।অসাধু রেনু পোনা ব্যবসায়ীরা হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এ নিয়ে একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে।তখন উপজেলা সহকারী ভুমি কমিশনার ও উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আলম নৌ-পুলিশ নিয়ে একটি ঝটিকা অভিযান করেন।

এসব সিন্ডিকেট বাহিনীর ভয়ে মুখ খুলতে পারছে সাধারন জেলেরা।জানাযায় প্রতি বছর মা ইলিশ রক্ষা অভিযান ও অভয়াশ্রম অভিযানে তারা বেপরোয়া হয়ে উঠে।তারা নিজস্ব জেলেদের দিয়ে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকার করে হাতিয়ে নেয় কোটি কোটি টাকা।এসব অবৈধ উপায়ে ব্যবসা করে অনেকে গ্রামে ডুপ্লেক্স বাড়ি সহ শহরের জমি ও বাড়ি নির্মান করছে। ছোট ছোট নৌকা দিয়ে চিংড়ির রেনু পোনা শিকার সাতক্ষীরা অঞ্চলের জেলেরা।তাদের সহযোগীতা করে স্থানীয় কিছু জেলেরা।

গলদা চিংড়ির রেনু পোনা পাচার অবৈধ এ বিষয়ে আইন জানা নেই বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গির হোসেন বলেন,এ বিষয়ে আইন জেনে আগামী ২১ শে মে উপজেলা নির্বাচনের পরে ব্যবস্থা নেবে। অথচ প্রতিদিন মেঘনা নদীতে নৌ-পুলিশ,কোষ্টর্গাড মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তরা ডিউটি করে আসছে। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আলম জানায় গলদা চিংড়ির রেনু পাচার সম্পন্ন অবৈধ।অবৈধ রেনু পাচারের বিষয়টি আমাকে অনেকে জানিয়েছে।আমি একটি একবার অভিযান করেছি।

110 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন