৭ ঘণ্টা আগের আপডেট সকাল ৯:৪১ ; শুক্রবার ; আগস্ট ৭, ২০২০
EN Download App
Youtube google+ twitter facebook
×

‘প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা কুলাঙ্গারদের চেহারা উন্মোচিত হোক’

ডা. নুজহাত চৌধুরী
১:৫৮ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৮, ২০১৯

বিতর্ক থামছেই না রাজাকারের তালিকা নিয়ে। বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক তুঙ্গে। সেই সঙ্গে বইছে সমালোচনার ঝড়। অভিযোগ উঠেছে, রাজাকারের বরিশাল জেলার তালিকায় ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট তপন কুমার চক্রবর্তীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া তার বাবা অ্যাডভোকেট সুধীর কুমার চক্রবর্তীর স্ত্রী ভাতাপ্রাপ্ত উষারানী চক্রবর্তীর নামও এ তালিকার ৪৫ নম্বরে রয়েছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) ডা. নুজহাত চৌধুরী তার ভেরিফাইড ফেসবুক আইডি থেকে একটি স্ট্যাটাস দেন। ডা. নুজহাত চৌধুরী একাত্তরের শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. আলীম চৌধুরীর মেয়ে। তার মা শিক্ষাবিদ ও ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী। নুজহাত চৌধুরী বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।

পাঠকদের সুবিধার জন্য ডা. নুজহাত চৌধুরীর স্ট্যাটসটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো- আমাদের যে কোন অর্জন বা উদ্যোগকে কারা সবসময় বিতর্কিত করে দেয়? এদের চেহারা উন্মোচন করা এখন বেশী দরকার। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়েই হোক আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েই হোক – যেই যেই অফিসারের হাত দিয়ে নামগুলো এসেছে তাদের কার কার লিস্টে কোন কোন ভুল হয়েছে – তা নিরূপণ করে – দেশের ইতিহাসের বিষয়ে কাজ করার সময় অবহেলার দায়ে এদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। যেন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কাজ করার সময় আর কেউ এতোটা অবহেলা করে কাজ করতে না পারে। তবে, এটা অজ্ঞতা, অবহেলা নাকি ইচ্ছা করে রাজাকারদের নামের তালিকাকে বিতর্কিত করার প্রয়াস – সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বের সাথে খুঁজে দেখা দরকার। আমার কাছে এটা ইচ্ছাকৃত অপরাধ মনে হচ্ছে।

এই অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। জরুরী ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি করুন মন্ত্রনালয়ের বাইরের লোক নিয়ে। আর যেই মুক্তিযোদ্ধাদের নাম এসেছে রাজাকারের তালিকায় তাদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে অফিসিয়ালি। অনেক শহীদ পরিবার বা মুক্তিযোদ্ধা পরিবার প্রায়ই অনুযোগ করেন যে, তাদের সাথে মন্ত্রণালয়ের নিম্নপদের অফিসাররা খারাপ ব্যবহার করেন। এই দুঃখজনক ঘটনার তদন্তের মধ্য দিয়ে সরকারের এবং প্রশাসনের বিভিন্ন পদে ঘাপটি মেরে থাকা এই কুলাঙ্গারদের চেহারা উন্মোচিত হোক। ইতিহাস সংরক্ষণ করার দায়িত্ব সরকারেরই। এবং সেটা করতে হবে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে।

এই ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির ব্যবস্থা করে জানিয়ে দিন সকলকে কতটা গুরুত্ব দিয়ে ইতিহাস সংরক্ষণ করতে হয়। অন্যথা হলে পরিণতি কি হয় তাও বুঝিয়ে দিন। ইতিহাস বিকৃতি মেনে নেবো না। কারো হাত দিয়েই না।

(লেখকের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

কলাম

আপনার মতামত লিখুন :

 

সম্পাদক : হাসিবুল ইসলাম
© কপিরাইট বরিশালটাইমস ২০১২-২০১৮ | বরিশালটাইমস.কম
বরিশালটাইমস লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান।
শাহ মার্কেট (তৃতীয় তলা),
৩৫ হেমায়েত উদ্দিন (গির্জা মহল্লা) সড়ক, বরিশাল ৮২০০।
ফোন: ০৪৩১-৬৪৮০৭, মোবাইল: ০১৮৭৬৮৩৪৭৫৪
ই-মেইল: [email protected], [email protected]
© কপিরাইট বরিশালটাইমস ২০১২-২০১৮
টপ
  লঞ্চ সংকটে ঢাকামুখী কয়েক হাজার যাত্রী বরিশাল নৌ বন্দরে আটকা  খুন হওয়ার আগে ফেসবুকে যুবলীগ নেতার পোস্ট, সর্বত্র তোলপাড়  আফ্রিকায় আততায়ীর গুলিতে বরিশালের সন্তান তসলিম খুন  করোনা: বরিশালে একদিনে আরও ৪৫ জন আক্রান্ত  বরিশালে পূর্ব শত্রুতার জেরে পিতা-পুত্রকে কুপিয়ে জখম  রাতে আদালতের নির্দেশ, ওসি প্রদীপসহ লিয়াকত ও দুলাল ৭ দিনের রিমান্ডে  বরিশালের বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ ২ মাদক বিক্রেতা গ্রেপ্তার  লালমোহনে দেড়শত তরুণ-তরুণী পেলো ফ্রি আইসিটি প্রশিক্ষণ  কলাপাড়ায় কৃষকলীগের বৃক্ষরোপণ  বরিশালে নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে পাউবোর কর্মকর্তারা