৯ মিনিট আগের আপডেট রাত ৯:৪১ ; শুক্রবার ; ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০
EN Download App
Youtube google+ twitter facebook
×

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বড় সুখবর দিলেন : প্রধানমন্ত্রী

বরিশালটাইমস রিপোর্ট
১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৯, ২০২০

বার্তা পরিবেশক, অনলাইন:: আরেকবার ফের প্রাথমিক নিয়ে সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দুপুরে খাবার দেয়া হবে। আর শুরুতেই এই সুবিধা দেয়া হবে চর, হাওর ও দুর্গম এলাকার স্কুলগুলোতে। আগামী ২০২৩ সালের মধ্যেই পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থীদের খাবার হিসেবে রান্না করা খাবার বা ডিম, কলা ও উন্নতমানের বিস্কুট দেয়া হবে। এমন বিধান রেখে ‘জাতীয় স্কুল মিল নীতি ২০১৯’ এর খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

গত সোমবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। সভা শেষে বিকেলে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের ১০৪টি উপজেলার ১৫ হাজার ৮০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল মিল কর্মসূচি চালু আছে। এর মধ্যে ৯৩টি উপজেলায় সরকারি অর্থায়নে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব স্কুলে শিশুদের উচ্চ পুষ্টিসমৃদ্ধ বিস্কুট দেয়া হয়। এর পাশাপাশি দেশের তিনটি উপজেলায় বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) অধীনে স্কুল মিল কর্মসূচি চালু রয়েছে। দুপুরে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয় বরগুনার বামনা, জামালপুরের ইসলামপুর ও বান্দরবানের লামা উপজেলায়। শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে পাঁচ দিন খিচুড়ি ও একদিন উন্নত পুষ্টিসম্পন্ন বিস্কুট দেয়া হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ অটুট রাখতে পুষ্টিকর খাদ্য ভূমিকা পালন করে। বিদ্যালয়ের যাওয়ার উপযোগী শিশুদের এই চাহিদা পূরণ ও শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় স্কুল মিল কার্যক্রম বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পর্যায়ক্রমে স্কুল মিল কর্মসূচির আওতায় আনতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, এই কর্মসূচির আওতায় দুর্গম চর, হাওর, উপকূলীয় অঞ্চল, পার্বত্য এলাকা, চা-বাগানসহ সব পিছিয়ে পড়া এলাকাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এবার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই স্কুল ফিডিং চালু করতে চায় সরকার।

তিনি বলেন, এই কর্মসূচির আওতায় তিন থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের দৈনিক শক্তি চাহিদার ৩০ শতাংশ ক্যালরি পূরণ করবে এমন খাবার দিতে হবে এই মিল থেকে। স্কুল মিল চালুর জন্য ‘জাতীয় স্কুল মিল কর্মসূচি কর্তৃপক্ষ’ চালু হবে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্কুল মিল বাস্তবায়নের জন্য পরিচালনা কমিটি থাকবে। শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইউএনও এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান যুক্ত থাকবেন। থাকবে উপদেষ্টা কমিটি।

এদিকে সোমবারের বৈঠকে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করতে নীতিমালার খসড়াও মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করতে নীতিমালার খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী কমপক্ষে ৭৫ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী হলে প্রতিবন্ধী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করার সুযোগ রয়েছে। এ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতি পাঁচজন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক নিয়োগ করা যাবে।

এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিষ্ঠার জন্য নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে যাচাই শেষে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হবে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করা হবে। বর্তমানে এ ধরনের যে প্রতিষ্ঠান আছে সেগুলো যদি এই নীতিমালা অনুযায়ী না হয় তাহলে সেগুলো চলতে পারবে না বলেন তিনি।

জাতীয় খবর

আপনার মতামত লিখুন :

Bangabandhu Countdown | Nextzen Limited
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : শাকিব বিপ্লব
ঠিকানা: শাহ মার্কেট (তৃতীয় তলা),
৩৫ হেমায়েত উদ্দিন (গির্জা মহল্লা) সড়ক, বরিশাল ৮২০০।
ফোন: ০৪৩১-৬৪৮০৭, মোবাইল: ০১৮৭৬৮৩৪৭৫৪
ই-মেইল: [email protected], [email protected]
© কপিরাইট বরিশালটাইমস ২০১২-২০১৮
টপ
  ১৬ বছর বয়সেই রানার ৪ বিয়ে  একজন চা-ওয়ালার হাতে দেশ তুলে দিলে এমনই হয়: কাশ্মিরি তরুণী  বড় হতে হলে স্বপ্ন দেখতে হবে: তথ্যমন্ত্রী  দিল্লির পুড়িয়ে দেয়া সেই মসজিদে জুমার নামাজ আদায়  মিথ্যা মামলা দায়ের ধর্ষণ অপহরণকারী পক্ষে সাফাই ওসিকে স্ট্যান্ড রিলিজ  পরকীয়ায় মত্ত স্বামীকে পিটিয়ে মারল স্ত্রী ও ছেলে  মুজিববর্ষে ১০০টি সার্ভিস জনগণকে দেওয়া হবে : প্রতিমন্ত্রী পলক  ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে নিহত ২  ‘ছিনতাইকারী’ পৃথিবীর কক্ষপথে ‘পুঁচকে চাঁদ’  নিজে দাঁড়িয়ে ২০০ মেয়ের বিয়ে দেবেন মমতা ব্যানার্জী