২৫শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

বরিশালে আরেক দফা বেড়েছে নিত্য পণ্যের দাম

বরিশালটাইমস, ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪:০৫ অপরাহ্ণ, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

বরিশালে আরেক দফা বেড়েছে নিত্য পণ্যের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে বরিশালে আরেক দফা বেড়েছে নিত্য পণ্যের দাম। মাছ-মংসের দামও আকাশচুম্বি। এতে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে। আজ বরিশালের খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পিঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১২০টাকা কেজি দরে। যা কিছুদিন আগেও ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

একইভাবে ৮০ টাকা কেজি দরের মসুর ডাল ১১০ টাকা, ৭৮ টাকার খেসারি ডাল ১১০টাকা, ৭৫ টাকার ছোলা বুট ১০০ টাকা, ১৯০ টাকার রসুন ২০০ টাকা, ১৬০ টাকার আদা ২২০ টাকা, ১৩৫ টাকার এলসি চিনি ১৪৫ টাকা, মুগ ডাল ১৬০ টাকা, চিড়া ৭০ টাকা, আখের গুড় প্রতি কেজি ১২০ টাকা এবং সয়াবিন প্রতি লিটার বিক্রি হয়েছে ১৭০ টাকায়।

নগরীর আলেকান্দার মুদি দোকানি জহুর কাজী বলেন, রমজান উপলক্ষ্যে সব মালের দাম বাড়তি। পাইকরি বাজার থেকে তারা যে দামে পণ্য কেনেন তার চেয়ে সামান্য লাভে বিক্রি করেন। দাম বাড়ার কারন সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না।নগরীর সাগরদী বাজারের পাইকারী ব্যবসায়ী ইসলাম ব্রাদার্সের মো. সাদী জানান, রমজান সামনে রেখে ডালজাতীয় সব পণ্যের দাম বেড়েছে। ভারতীয় পিঁয়াজ না আসায় দেশীয় পিয়াজের বাজারও চড়া।

তিনি বলেন, ডলার সংকটের কারণে বড় আমদানীকারকরা নিত্য পণ্য আমদানি করতে পারছেন না। যে পণ্য মজুদ আছে তার চেয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেশী। এ কারণে বাজার দর বাড়তি। রমজানের আগে কোন পণ্যের দাম কমার কোন সম্ভাবনা নেই বলে ধারনা করছেন তারা।

নিত্য পণ্যের পাশাপাশি মাছ-মাংসের দামও বেড়েছে। গতকাল বরিশালের বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২০০ টাকা, সোনালি মুরগী প্রতি প্রতি আড়াইশ’ টাকা এবং গরুর মাংস সাড়ে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।তরকারিতে খাবার উপযোগী প্রতি কেজি চিংড়ি ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা, পোয়া মাছ প্রতি কেজি ৪৫০ থেকে ৫০০, বেলে মাছ ৬০০ থেকে ৮০০, দেশীয় রুই-কাতলা ৪০০, নদীর পাঙ্গাস ৮০০ থেকে ৮৫০, কোরাল ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

আজ নগরীর পোর্ট রোড বাজারে ১ কেজি সাইজের একটি ইলিশ বিক্রি হয়েছে ২ হাজার টাকায়। রফতানি যোগ্য এলসি সাইজ প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা দরে। রমজানে মাছের দাম আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন নগরীর পোর্ট রোড বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আবদুল হালিম।

13 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন