২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার

বরিশাল নগরবাসীর নিরাপত্তায় নামছে ১৪০০ পুলিশ

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ, ৩০ আগস্ট ২০১৭

আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীতে নিরাপত্তার দায়িত্বে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) এক হাজার ১৪০০ সদস্য নিয়োজিত থাকবে। লঞ্চঘাট, বাসস্ট্যান্ড, পশুর হাট, নগরের বাজার ও শপিংমলগুলোকে ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নেওয়া হয়েছে। এসব জায়গায় পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে নারী ও পুরুষ পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবে। নারী পুলিশ সদস্যরা অপরাধীকে চিহ্নিত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার এসএম রুহুল আমিন এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রতিবছরই ঈদ-কোরবানিসহ ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোকে ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এর ধারাবাহিকতায় এবারের ঈদুল আজহাকে ঘিরে এরই মধ্যে বিএমপি’র সদস্যরা মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে। স্বাভাবিক টহলের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানো হচ্ছে।

যেখানে সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা যানবাহনের গতিবিধি লক্ষ্য করা হচ্ছে। নগরজুড়ে গোয়েন্দা শাখার পাশাপাশি সাদা পোশাকধারী পুলিশও রয়েছে। বিএমপি কমিশনার বলেন, জঙ্গি হামলা বা এ ধরনের কোনো বিষয়ে আশঙ্কা করছি না। তবে জঙ্গির বিষয়টি সবসময় হিসেবে রেখে পুলিশকে কাজ করতে হচ্ছে। তাই ওইভাবে প্রস্তুতি নিয়েই কাজ করা হচ্ছে। ঈদের জামাতকে ঘিরে বড় বড় ঈদগাহ ময়দানগুলোকে ঘিরে সাদা ও পোশাকধারী পুলিশ থাকবে।

পাশাপাশি মেটাল ডিটেক্টরও থাকবে। তবে ছোট বড় সকল ঈদগাহ ও ঈদের জামাতকে ঘিরে পুলিশের টহল জোরদার থাকবে। বরিশাল নগরের বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা বসিয়েছে সিটি করপোরেশন জানিয়ে তিনি বলেন, যে সিসি ক্যামেরাগুলো লেগেছে এবং কাজে আসছে সেগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার আমরা নিশ্চিত করবো।

মানুষ সচেতন হয়েছে, এরই মধ্যে নগরের অনেক মার্কেট-বাসাবাড়িতে সিসি ক্যামেরা বসিয়েছেন নগরবাসী। লঞ্চেও সিসি ক্যামেরা রয়েছে। যা অপরাধীদের শনাক্ত করতে কাজে আসছে। পশুর হাটের বিষয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, হাটের ইজারাদারদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে। গরুর হাটের নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি ইজারাদারদের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে। প্রতিটি হাটে সিসি ক্যামেরা বসাতে বলা হয়েছে।

অন্তত হাটে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার পথে সিসি ক্যামেরা বসানোর জন্য বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জাল টাকা শনাক্তে ইতিমধ্যে প্রতিটি হাটে লোকসহ মেশিন রয়েছে। হাটে মোটা-তাজা করণ পশুর উপস্থিতি রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। পশু কেনা-বেচা নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাকে জোর করা যাবে না। কোনো হাটে জোর করে পশু নামানো যাবে না।

বরিশালের বিভিন্ন স্থানে টোল আদায় করা হয়। সেসব স্থানেও নজরদারী রাখা হচ্ছে, যাতে পশু বহনকারী ট্রাক বা যানবাহনগুলো থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা না হয়। সবমিলিয়ে নগরবাসীকে নিরাপদ ঈদ উপহার দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন পুলিশ কমিশনার এসএম রুহুল আমিন।”

4 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন