২৫শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

বাউফলে বিধি লঙ্ঘন করে খাস কামারায় দলিল রেজিস্ট্রেশন!

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৮:২৫ অপরাহ্ণ, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

বাউফলে বিধি লঙ্ঘন করে খাস কামারায় দলিল রেজিস্ট্রেশন!

মোঃ জসীম উদ্দিন, বাউফল:: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলাম এজলাসে বসে দলিল রেজিস্ট্রেশন করেননা। দলিল রেজিস্ট্রেশন করেন তার খাস কামারায় বসে। বিধি অনুযায়ির তিনি এ কাজটি করতে পারেননা বলে জানিয়েছেন জেলা রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ কামাল হোসেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিধি অনুযায়ি এজলাসে বসে জমি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। জমি রেজিস্ট্রেশন করার সময় দাতা, গ্রহীতা ছাড়াও সনাক্তকারী বা পরিচিতকারীকে এজলাসের সামনে উপস্থিত থেকে তাদের মুখোচ্ছবি প্রদর্শন করতে হয়। যা রেজিস্ট্রেশনের অপেক্ষায় থাকায় দলিলের সাথে সংযুক্ত দাতা ও গ্রহীতার ছবির সাথে প্রকাশ্যে মেলানো হয় এবং সনাক্তকারী বা পরিচিতিকারীর বয়ান শোনার পর ওই দলিলের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়। যা সাব রেজিস্ট্রারের খাস কামারায় বসে করা সম্ভব নয়।

এ ভাবে দলিল রেজিস্ট্রেশন করলে জাল-জালিয়াতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কিন্তু সাব-রেজিস্ট্রার আইনের তোয়াক্কা না করে খাস কামরায় বসে দলিল রেজিস্ট্রেশন করছেন। রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তাকে এজলাসের পরিবর্তে খাস কামারায় বসে দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে দেখা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অফিসের এক স্টাফ বলেন,সপ্তাহে দু দিন (রবিবার ও সোমবার) দলিল নিবন্ধন করা হয়। স্যারে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই এজলাসে বসে কোন দলিল নিবন্ধন করেন না। তার ব্যক্তিগত রুমে বসে দলিলের কাজ সম্পন্ন করে থাকেন। এ সময় মাছের বাজারের মতো লোক ভির করে এবং দর কষাকষির মাধ্যমে সম্পন্ন করে থাকে।

এ বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলাম বলেন, অফিসে সিসি ক্যামেরার কাজ চলায় এজলাসে বসতে পারেননি। তাই খাস কামারায় বসে দলিল রেজিস্ট্রেশন করছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ কামাল হোসেন খান বলেন, দলিল নিবন্ধন সংক্রান্ত সকল কাজ অবশ্যই এজলাসে বসে করতে হবে, এর বাইরে কোনো সুযোগ নেই। ব্যক্তিগত কাজ তিনি খাস কামারায় করতে পারেন।

13 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন