১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

বাবুগঞ্জে আ’লীগ নেতা সহোদরকে কুপিয়েছে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৭:৩৮ অপরাহ্ণ, ২৪ মে ২০২০

বাবুগঞ্জে আ’লীগ নেতা সহোদরকে কুপিয়েছে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আওয়ামী লীগ নেতা ও তার ভাইকে হত্যার চেষ্টায় কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেছে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা। শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে চাঁদপাশা ইউনিয়নের বটতলা বাজার নামক স্থানে ওই সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন বটতলা এলাকার আব্দুর রশিদ হাওলাদারের ছেলে ও চাঁদপাশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শামীম হাওলাদার এবং তার ছোটভাই ফয়সাল হাওলাদার।

গুরুতর আহতাবস্থায় তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে স্থানীয়রা। আহতদের মধ্যে শামীম হাওলাদারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

শেরেবাংলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ফয়সাল হাওলাদার জানান, জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন তাদের পরিবারের সাথে প্রতিবেশী আমজাদ আলীর ছেলে জামাল হোসেন গংদের বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জের ধরে শুক্রবার দুপুরে তাদের চাচাতো ভাই মাসুদ করিমের বাড়ি দখল করতে আসেন জামাল হোসেনের নেতৃত্বে তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা। এসময় তার বড়ভাই শামীম এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে ক্ষিপ্ত হয় সন্ত্রাসীরা।

ফয়সাল হাওলাদার আরও জানান, এ ঘটনার একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের জামাল হোসেন, হারুনুর রশিদ, রাতুল ইসলাম বাবু, আনসার উদ্দিন ও শাকিলসহ তাদের সহযোগী ১০-১২ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী শামীম হাওলাদারকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। এসময় বড়ভাই শামীমের আর্তচিৎকারে তিনি তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে তাকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে হামলাকারী সন্ত্রাসীরা।

আহতদের স্বজন ও বটতলা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জামাল হোসেন জামায়াতপন্থী একজন উগ্রবাদী সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তিনি মানুষের জমিজমা জবরদখলসহ দীর্ঘদিন বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছেন। জামাল ও তার সহযোগীদের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ।

এদিকে ওই হামলার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত জামাল হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। ঘটনার পরে তিনি গাঢাকা দিয়েছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

এয়ারপোর্ট থানার ওসি জাহিদ বিন আলম জানান, হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হলেও অভিযুক্তদের পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আহতদের পক্ষ থেকে থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত ও মামলার প্রক্রিয়া চলছে। #

17 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন