১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

বাবুগঞ্জে ঘুড়ি উৎসব বিতর্ক নিয়ে যা বললেন ছাত্রনেতা সুজন

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৭:৫৮ অপরাহ্ণ, ২৯ মে ২০২০

বাবুগঞ্জে ঘুড়ি উৎসব বিতর্ক নিয়ে যা বললেন ছাত্রনেতা সুজন

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট ➤ বাবুগঞ্জ উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামে ঈদের পরের দিন অনুষ্ঠিত মুক্তিযোদ্ধা ঘুড়ি উৎসব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় চলছে। ওই ঘুড়ি উৎসবে সামাজিক দূরত্ব না মানার অভিযোগে কয়েকটি মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের জের ধরে এর পক্ষে-বিপক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত সাবেক মন্ত্রী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন পর্যন্ত গড়িয়েছে। চলমান এই বিতর্কের মধ্যেই ‘বরিশাল টাইমস’এর মুখোমুখি হয়ে ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ঘুড়ি উৎসবের প্রধান অতিথি ছাত্রমেত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সুজন আহমেদ।

☞ বরিশাল টাইমসঃ লকডাউনের মধ্যে ঘুড়ি উৎসব কেন করলেন? এই উৎসব করার জন্য প্রশাসনের অনুমতি ছিল?

☞ সুজন আহমেদঃ ঘুড়ি উৎসবের আয়োজক আমি নই। আমি ছিলাম আমন্ত্রিত অতিথি মাত্র। এই উৎসবের আয়োজক ছিলেন দেহেরগতি ইউপির ৪ নং ওয়ার্ডের স্থানীয় মেম্বার শাহিন হাওলাদার। তিনি যথাযথ নিয়ম মেনেই এই উৎসবের আয়োজন করেছিলেন।

☞ বরিশাল টাইমসঃ ২০০ থেকে ৩০০ লোক সমাগম করে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করলেন কীভাবে?

☞ সুজন আহমেদঃ ঘুড়ি ওড়ানো হয়েছিল খোলা আকাশে। যে মাঠে দাঁড়িয়ে ঘুড়ি ওড়ানো হয়েছিল সেখানে কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হওয়ার মতো জায়গা ছিল। তাছাড়া যারা ঘুড়ি ওড়ায় তারা চাইলেও এক জায়গায় দাঁড়াতে পারে না। একজন ঘুড়িয়াল থেকে আরেকজন নিরাপদ দূরত্বে থেকেই ঘুড়ি কাটাকাটি খেলতে হয়। তাই এখানে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেনি।

☞ বরিশাল টাইমসঃ চলমান লকডাউনের মধ্যে ঘুড়ি উৎসবের প্রয়োজনীয় কী ছিল?

☞ সুজন আহমেদঃ একটানা প্রায় ২ মাসের বেশি লকডাউনে থেকে মানুষ হাঁপিয়ে উঠেছিল। গ্রামের মানুষের জন্য বিনোদনের কোনো ব্যবস্থা নেই। তাছাড়া ঘুড়ি ওড়ানো খেলাটি আবহমান গ্রাম বাংলার একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব। শিশু-কিশোর ও বয়স্কদের কিছুটা বিনোদন দেয়ার জন্যই এই আয়োজন করা হয়েছিল। মানুষের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য বিনোদন অপরিহার্য।

☞ বরিশাল টাইমসঃ ফেসবুকে প্রকাশিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের ছবিতে সামাজিক দূরত্ব মানা হয়েছে বলে তো দেখা যায় না। প্রধান অতিথি হিসেবে আপনি নিজেই পুরস্কার বিতরণ করেছেন। এর ব্যাখ্যা কী দেবেন?

☞ সুজন আহমেদঃ পুরস্কার বিতরণ ছিল কয়েক মিনিটের ঘটনা। যারা পুরস্কার পেয়েছে তারা তখন ছিল উচ্ছ্বসিত। তাই হয়তো তখন তারা উচ্ছ্বাসে কয়েকজন একসাথে এসে আনুষ্ঠানিক পুরস্কার গ্রহণের ফটোসেশান করেছে। সেটাই একটি কুচক্রী মহল ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার করেছে। এটি ছিল একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। একটি ছোট্ট বিষয়কে বিশাল বড় করে অসৎ উদ্দেশ্যে প্রচার করা হয়েছে।

17 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন