৭ ঘণ্টা আগের আপডেট সন্ধ্যা ৭:৪১ ; মঙ্গলবার ; মার্চ ২, ২০২১
EN Download App
Youtube google+ twitter facebook
×

মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ’র অসন্তোস, দুই তরুণ সাংবাদিকের আফসোস

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট
৯:২০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১

শাকিব বিপ্লব, বরিশাল:: যা দেখো , তা যদি সত্য হয়, যদি থাকে প্রমাণ- তা প্রকাশ করাই সংবাদপত্রের মূল সত্ত্বা। তাহলে সত্য বলা বা প্রকাশ করা অন্যায় বা দোষণীয় কোথায়? যদিও বর্তমান সময়কালে এই সত্ত্বা সর্বক্ষেত্রে প্রয়োগ সম্ভব নয়। যেমনটি বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও কলাম লেখক আসিফ নজরুল। যার আরেকটি পরিচয় প্রয়াত কথাসাহিত্যিক দেশ বিদেশে ঝড় তোলা লেখক এবং চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব হুমায়ুন আহমেদের জামাতা। সম্প্রতি প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত একটি উপ-সম্পাদকীয়তে আসিফ নজরুলের মন্তব্য ছিলো-কি নিয়ে বা কিভাবে লেখবো তা এখন ভাবতে হয়। কারণ কখন না জানি দাড়ি-কমা ভুল হলে অথবা ক্ষমতাসীন মহলের স্বার্থপরিপন্থি লেখা হলে বাকরুদ্ধ বা শাস্তিস্বরুপ ডিজিটাল আইনে মামলার আসামী হয়ে যাই কিনা? যেকারনে ইনিয়ে-বিনিয়ে লিখতে হয় অনেক সত্য, এই রাষ্ট্রের নাটকীয় কতো না কিছু যা চোখে দেখা বাস্তব কাহিনী।

এই লেখাটি যখন পড়লাম, তখনও একবারও ভাবিনি আমার নিজের জীবনে আসিফ নজরুলের কথার প্রতিফলন ঘটতে পারে। সেই সাথে এক সহকর্মীরও। আসল কথায় আসি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বরিশালসহ আশপাশে কতো কিছুই না ঘটছে। অনেক কিছু চেপে গেলেও সমসাময়িক বরিশাল শিল্পনগরী (বিসিক) নিয়ে উত্তাপ ও সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের ক্ষমতা খর্ব নিয়ে গুজব এতটাই রটেছিলো যে, তা সংবাদে পরিণত হয়ে ওঠে। তারই আলোকে বরিশালের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজপোর্টাল ‘বরিশালটাইমস’-এ নিজ লেখা কয়েকটি প্রতিবেদনে প্রকাশ করি। তাতেই হিতে বিপরীত (!) প্রথমত, বিসিক নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের একটি অংশের ক্যাডাররা যেভাবে আস্ফালন দেখিয়ে চলছিলো, তাতে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহই বিতর্কিত হচ্ছিলেন।
কারণ তার অনুসারী হিসেবে পরিচিতরা যেভাবে জনৈক এক ব্যবসায়ী নেতাকে নিয়ে কান্ডকারখানা ও টানা হেচঁড়া করছিলো, তা দেখে শহরজুড়ে সমালোচনার দায়ভার মেয়রের কাঁধে উঠিয়ে দিতে মহল বিশেষ যতোনা সোচ্চার ছিলো, তার চেয়ে আমজনতা বিষয়টি ভালো চোখে নিচ্ছিলো না। এতে কার ক্ষতি হচ্ছিলো? বরং উদীয়মান রাজনীতিবিদ সাদিক আব্দুল্লাহর ইমেজ সংকট দেখা দিচ্ছিলো বলে আমার অনুমেয়। দ্বিতীয়ত, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার যোগদানে অনীহা অথবা কালক্ষেপনকে ঘিরে বেশ কিছুদিন ধরে মেয়রের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। সেই প্রশ্ন এতটাই সন্দেহ প্রবণ হয়ে ওঠে যে, মেয়রের ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে, সেই খবর কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী এই শহর ছাড়িয়েও দূর-দূরান্ত থেকে বাতাসের বেগে গুজব রটে যায়, মুখেমুখে উচ্চারিত হতে শোনা যায় সাদিক আব্দুল্লাহর মেয়রের চেয়ার টালমাটাল। এরই মধ্যে আরেকটি খবর চাউর হয়ে যায় বরিশাল পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ক্ষুব্ধ।

সঙ্গত কারণে এসব ঘটনাবলী নিয়ে ‘বরিশালটাইমস’ গঠনমূলক যেকটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে তা আক্রমণাত্মক ছিলো না। বরং সংবাদগুলোর মাধ্যমে আমরা চেয়েছিলাম অন্তত মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ যে অন্ধকারে রয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে এসে নিজের অবস্থান অন্তত গোলকধাঁধার মাঝে থাকা শহরবাসীকে জানান দিক। এবং গুজব রটানোর উৎসমূল উদঘাটন করুক নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের স্বার্থে। পাশাপাশি তাকে ব্যবহার করে যারা বিসিক নিয়ে নোংরা রাজনীতি করে নিজেদের ফায়দা লুটতে চাইছে, তাদের সম্পর্কে সতর্ক হোক। এই সতর্ক বলার কারণ, স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে কথা উঠেছে যে, বিসিকের উন্নয়ন কাজ কজ্বায় নিতে ক্ষমতার রাজনীতিতে কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহই রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন। আরেকটি কথা বলা বাহুল্য যে, বিসিক ব্যবসায়ী সমিতির নেতা ও ফরচুন এবং প্রিমিয়ার ফুটওয়্যার অর্থাৎ এই দুই সু কোম্পানি তাদের উৎপাদিত পণ্য বিদেশে রপ্তানির উদ্যোক্তা মিজানুর রহমানকে নাজেহাল পাশাপশি প্রায় ৬ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানে আতঙ্ক সৃষ্টির বিষয়টি মানুষ ভালো চোখে নিচ্ছিলো না।

যদি বিসিক নিয়ে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ’র নিজস্ব কোন দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই থাকে, তাহলে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের সাথে সমঝোতায় যাওয়া কঠিন কোনো বিষয় ছিলো না বলে অনেকেরই ধারনা। আমি ব্যক্তিগতভাবে দুইজনকেই চিনি এবং তাদের কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগও হয়েছিলো, সেই থেকে আমার অভিমত, বিসিক সমস্যার সমাধান সহজতর হতে পারতো যদি কিনা সহনশীলতার মাধ্যমে উভয় নেতা এক টেবিলে বসতেন। ধারনা মেলে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ’র চারপাশে এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছেন, যারা সমঝোতা নয়, কাউর সৃষ্টিতে বেশ পারদর্শী। এদের কারণেই মেয়র সাদিক বয়সে তরুণ হলেও তার যে বুদ্ধিমত্তা ছিলো, তাতে বরিশালে ভিন্ন মাত্রার রাজনীতি উপহার দিতে পারতেন। সেইভাবেই তো সূচিত হয়েছিলো তার রাজনীতির উত্থ্যান। বলা যায়- উন্নয়নের মডেল প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরনের প্রতিচ্ছবি সাদিক আব্দুল্লাহ’র মাঝে প্রস্ফুটিত হতে দেখাও গিয়েছিলো। সেকারনেই মেয়র নির্বাচনপূর্ব পাড়া-মহল্লায় ‘সাদিক ভাই, সাদিক ভাই’ রব উঠেছিলো। পাঠক সত্যি করে বলুনতো, সেই শ্লোগান কি এখন আছে, শোনা যায়? আমি বলি ‘না’। কেনো সেই জনপ্রিয়তার ঢেউয়ের শব্দ নেই তা হয়তো মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহই অনুধাবন করতে পারেন, যদি একান্তচিত্তে ভাবেন। এর জন্য দায়ী কারা? এ ব্যাখ্যা লেখার মাধ্যমেই বুঝিয়ে দিতে চাইবো।

লোকমুখে শুনি, নগর উন্নয়নে সাদিক আব্দুল্লাহ মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি নানান প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছেন বা হচ্ছেন। তার অনুসারীরা বলছেন, দলের মধ্যেকার একটি দায়িত্বশীল একটি অংশ বরিশাল উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দে বাধা সৃষ্টি করছে। কানভারী করছে দলীয় নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। একথা সত্য হলেও হতে পারে। কিন্তু মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ কি কখনও ভেবে দেখেছেন, তার শত্রু কি শুধু ঘরোয়া প্রতিপক্ষ? না, তার নিজ ঘরেও এমন শত্রু রয়েছে, যারা তোষামোদী করে বলেন সূর্য পূর্ব দিক থেকে নয়, পশ্চিম দিক থেকে উঠেছে। আমার বিশ্বাস, এরা আপনার মঙ্গল কামনায় রাজনৈতিক সহোচর নয়। হয়তো স্বার্থে অথবা ভয়ে আপনার আশপাশে ঘুরঘুর করে। প্রমাণ পেতেন যদি দলীয় প্রতিপক্ষ আপনার চেয়ে শক্তিধর এবং রাজনীতির মাঠ দখল নিতো অথবা আপনার পারিবারিক রাজনৈতিক শক্তি বিবেচ্চ্য না হতো, তাহলে এদের ঠিকানা কালিবাড়ি নয়, কোনো রেস্টহাউজে হতে পারতো। আল্লাহ না করুক, আপনার যদি কোনোদিন রাজনৈতিক দুঃসময় দেখা দেয়, সেইদিন এই কথার প্রমাণ মিলবে।

এদের কারণেই এখনও আপনি ভুল পথে আছেন অথবা অন্ধকারে নিমজ্জিত। এই চাটুকারদের কাজ হলো কান ভারী করা এবং স্বার্থের জন্য ভুল পথে নির্দেশিত করা। একারণে মিডিয়া, সুশীল সমাজ, ব্যবসায়ীক ও প্রশাসনিক মহলে বিভাজন সৃষ্টি করে আপনার ঘাড়ে বন্দুক রেখে স্বার্থের পাখি শিকার করায় কতটুকু বিতর্কিত হয়েছেন, তা হয়তো ক্ষমতার ঘোরে আঁচ করতে পারছেন না। যদি তা পারতেন, তাহলে সাংবাদিকদের সাথে সাংঘর্ষিক সম্পর্কে জড়াতেন না। পিছনের ইতিহাস ঘাটাঘাটির দরকার নেই-একটি উদাহরণই যথেষ্ট। হয়তো ‘বরিশালটাইমস’র প্রকাশিত সংবাদসমূহ আপনার মনোপুত হয়নি। তার ওপর তোষামোদকারীরা এক কদম পা বাড়িয়ে বলেছে এই লেখা আক্রমণাত্মক এবং কোনো মহল দ্বারা প্ররোচিত হয়েই রং-ঢং দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে। আসলে তা নয়। আপনি যদি সহনশীল হতেন, তাহলে এই লেখার আত্মসমালোচনা নিজেই উপলদ্ধি করতে পারতেন।

উপলব্ধির সেই সময় আছে কি? কান ভারী করা লোকের বুদ্ধিতে আমার বিরুদ্ধে জুড়ে দিলেন ডিজিটাল আইনে মামলা। এরপরের কাহিনীতো আরও নাটকীয়। বিভিন্ন সূত্রে শুনেছি, সংবাদপত্রের আমার সহকর্মীরাই আপনার এই আইনী পদক্ষেপে জান-পরান খুশি। আনন্দ তো তাদেরই হওয়ার কথা। আপনাকে সাধুবাদ না জানালে তারা যে আপনার কাছাকাছি থাকতে পারবে না, নিতে পারবেনা সময় বিশেষে স্বার্থ- কারও ভাইয়ের জন্য তদবির, কেউবা প্রেসক্লাব রাজনীতিতে টিকে থাকার দৈবশক্তি নেওয়ার প্রতিক্ষা, আবার কেউ সংসার চালানোর খরচ নেওয়ার কৌশলী ধান্দা। এই ধান্দাবাজদের একজন ফেসবুক স্ট্যাটাসে আমাকে নিয়ে অনেক নোংরা কথাও লিখেছে আপনার মামলা দায়েরের প্রাসঙ্গিক বিষয় অভ্যন্তরে।

এদের সম্পর্কে শুধু আমি নয়, বরিশাল শহরবাসীও জানে-এরা কারও নয়, শক্তির বিবেচনায় এখন আপনার দুয়ারে। এরাই আপনাকে দিয়ে কাঁটা ভাঙছে। বরিশালের সংবাদপত্র বা মিডিয়াকর্মীদের করেছে বিভক্ত। এদের মধ্যে দুজন রয়েছেন, একজন চায় কাছে ভিড়তে, আরেকজন পেটের ক্ষুধায় ঘুরছে যদি কিনা আপনার দয়ায় কোনো স্থান পায়। পাঠকমহলের খ্যাতির ভাষায়, এদের একজন হলো গন্ডার, অপরজন খেকশিয়াল। এই গন্ডার আর খেকশিয়ালের কারণেই তরুণ উদীয়মান সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অদ্যবধি ৫টি মামলা দায়ের হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে হয়েছিলো একটি। বাদ যায়নি আপনার স্নেহধন্য আরেক তরুণ সংবাদকর্মী খন্দকার রাকিবও।

শুনেছি, খেকশিয়ালরূপী মাঝে মধ্যেকার সাংবাদিক এখন খন্দকার রাকিবকে আপনার সান্নিধ্যে থেকে দূরে সরানোর সব ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াই অব্যাহত রেখেছে অন্তত নিজের জায়গা পোক্ত করার জন্য। তার যে মাথাভরা বুদ্ধি, তাতে সফল হবে আশা করি, কিন্তু আপনার জন্য মঙ্গলময় নয়।

কথায় আছে, শেয়াল পুষলে ঘরের মুরগী খেয়ে ফেলে। সেই দিন দেখতে চাই না। বরং শিয়াল-গন্ডার না পুষে একটি সিংহ বা বাঘ পোষা শ্রেয়। অন্তত বিপদের দিনে প্রতিপক্ষের ওপর ঝাপিয়ে পড়ার পূর্বে যে হুঙ্কার দেবে তাতেই হয়তো শত্রুপক্ষ রণভঙ্গ দিতে পারে। এমন বাঘ-সিংহ পোষাই আপনার জন্য বর্তমান সময়োপযুগী। আবার এটাও বলতে চাই, হামলা-মামলা ও জুলুম করে বেশিদিন টিকে থাকা যায় না। যেমন পারেনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মিয়ানমারের অংসান সু চি। মূলত পায়ে শিকল পড়িয়ে কারও মন জয় করা যায় না। মন-প্রাণ পেতে গেলে সহনশীলতার সাথে এমন কিছু উদাহরণ তৈরী করুন, যাতে নিবেদিতপ্রাণ সংবাদকর্মীদের স্বার্থের প্রলোভনে ডাকার প্রয়োজন হবে না। কথায় বলে না, নসিবে থাকলে আপনা আপনি আসে। আফসোস এত মামলা তবুও সত্যি কথা বলি, বলবো। এটাই সত্যের পক্ষের জোর মনোবল। আপনার দায়ের করা মামলা কারও জন্য উল্লাস হতে পারে বিপরীতে তরুণ বয়সী হাসিবুল ইসলাম তার কর্মস্থলচ্যুত হয়েছে, কিন্তু লক্ষ্যচ্যুত হয়নি। আমার জন্য হয়তো সাময়িক একটু কষ্ট, আড়াই মাস বয়সী একমাত্র শিশুকণ্যাকে ঘরে রেখে আত্মগোপনে থাকা।

ওর নাম ‘নেহা’। ওকে চুমো খেয়ে বলে এসেছি, সত্য লিখে পালিয়ে বেড়াচ্ছি বটে। কিন্তু এটা পলায়ন নয় বরং সংগ্রামী চেতনার বীজ হৃদয়ে ষোল বছর পর আবার রোপন করলাম। এ সংগ্রাম হতে পারে আমৃত্যু। যেমন বলেছেন-কিউবার প্রয়াত সংগ্রামী নেতা ‘চে গুয়েভারা’। তার উক্তি আন্দোলনের সাফল্য আনতে সংগ্রাম চলে আমৃত্যু। সময় একরকম যায় না। গভীর রজনীর পর সুবহে সাদিক আসন্ন- সেই অপেক্ষায়ই রইলাম।’

গণমাধ্যম, বরিশালের খবর

আপনার মতামত লিখুন :

 

এই বিভাগের অারও সংবাদ
ভারপ্রাপ্ত-সম্পাদকঃ শাকিব বিপ্লব
© কপিরাইট বরিশালটাইমস ২০১২-২০১৮ | বরিশালটাইমস.কম
বরিশালটাইমস লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান।
শাহ মার্কেট (তৃতীয় তলা),
৩৫ হেমায়েত উদ্দিন (গির্জা মহল্লা) সড়ক, বরিশাল ৮২০০।
ফোন: ০৪৩১-৬৪৮০৭, মোবাইল: ০১৮৭৬৮৩৪৭৫৪
ই-মেইল: [email protected], [email protected]
© কপিরাইট বরিশালটাইমস ২০১২-২০১৮
টপ
  উজিরপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় কৃষক নিহত  কারাগারে গুরুতর অসুস্থ বিএনপি নেতা সাবেক মেয়র কামাল, হাসপাতালে ভর্তি  বরিশাল নগরীর ২৩নং ওয়ার্ডে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ  অসহায় শিশুর চোখের ছানি অপারেশন করালেন পুলিশ সুপার  চলন্ত প্রাইভেটকারে আকস্মিক আগুন  বরিশালে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫  চরমোনাইতে উদ্ধার হাত-পা বাধা লাশের পরিচয় মিলেছে  প্রফেসর মোহাম্মদ হানিফ স্যার আর নেই  অর্থকষ্টে ছাত্রলীগ নেতা ‘সমর দাস’র মৃত্যু, স্মরণসভার ব্যানারে ৩ লাখ টাকায় ভূরিভোজ (!)  চলতি মাসে আসছে কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টিরও পূর্বাভাস