বার্তা পরিবেশক, পটুয়াখালী:: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে শ্বশুর-শাশুড়িসহ তিনজনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে জামাই। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার আন্দুয়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এ ব্যাপারে আহত চাঁনমিয়ার ছেলে শহিদুল ইসলাম শুক্রবার জুলহাস গাজী (৩০)সহ তিনজনকে আসামি করে মির্জাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভিকাখালী গ্রামের নাদের গাজী ছেলে মো. জুলহাস গাজীর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী আন্দুয়া গ্রামের চাঁন মিয়ার মেয়ে মাহফুজার বিবাহ হয়। ৮ মাস পূর্বে স্ত্রী মাহফুজা স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে তার বাবার বাড়ি চলে আসে।

ঘটনার দিন রাতে জুলহাস তার স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়ার জন্য শ্বশুরবাড়িতে আসে। স্ত্রী তার সঙ্গে আসতে রাজি না হলে শ্বশুর ও শাশুড়ির সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে জামাতা জুলহাসের সঙ্গে থাকা চাপাতি দিয়ে শ্বশুর, শাশুড়িকে এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে।

এ সময় একই বাড়ির আলমগীর হাওলাদার বাধা দিলে তাকেও কুপিয়ে জখম করে। তাদের ডাক-চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ছুটে এসে জামাইকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

মির্জাগঞ্জ থানার ওসি এম আর শওকত আনোয়ার ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, এ ব্যাপারে মির্জাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। জুলহাসকে পুলিশ হেফাজতে উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তার সঙ্গে থাকা চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে। সুস্থ হলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।’