বার্তা পরিবেশক, অনলাইন :: এক প্রতিবন্ধীকে কৌশলে ডেকে পাশের ভিটার পাট ক্ষেতে নিয়ে মুখে গাছের পাতা ঢুকিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনা কাউকে না বলতেও হুমকি দেয় রহিজ, তাকে হত্যার ভয়ও দেখায়। অভিযোগ উঠেছে রহিজ খাঁ (৩৫) নামে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর মা। গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে শিশুটিকে ভর্তি করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর এলাকার একটি গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। রহিজ খাঁ’কে খুঁজছে পুলিশ।

মামলার এজাহারে ভুক্তভোগীর মা উল্লেখ করেছেন, ৪ মেয়ে, ১ ছেলে ও অসুস্থ শাশুড়িকে নিয়ে গোপীনাথপুরের ওই গ্রামে থাকেন। তার স্বামী ঢাকায় একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের ফার্মে কাজ করেন। গতকাল তার মেয়ে অসুস্থ দাদীর জন্য পানি আনতে যায়। এ সময় তাদের প্রতিবেশী রহিজ খাঁ তাকে কৌশলে ডেকে পাশের ভিটার পাট ক্ষেতে নিয়ে মুখে গাছের পাতা ঢুকিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনা কাউকে না বলতেও হুমকি দেয় রহিজ, তাকে হত্যার ভয়ও দেখায়।
এজাহারে আরও বলা হয়, মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাসায় এসে পরিবারের লোকজনকে ঘটনা খুলে বলে। সন্ধ্যায় মেয়ের বাবা কাজ থেকে ফেরার পর ঘটনা জানতে পারেন। পরে তাকে মেয়েকে নিয়ে গোপীনাথপুর থানায় মামলা করেন। সেখান থেকে পরামর্শ দেওয়া হলে মেয়েকে নিয়ে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান তিনি।

গোপীনাথপুর তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মো. আবু নাঈম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলা নেওয়ার পরপরই রাতে আমরা রহিজ খাঁ’র বাড়িতে গিয়েছি। তবে তাকে পাওয়া যায়নি। আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. অসিত কুমার মল্লিক বলেন, ‘শিশুটিকে ভর্তি নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর বিস্তারিত বলা যাবে।’