ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র কারণে হঠাৎ সতর্কতা সংকেত বাড়লেও গভীর সমুদ্রে থাকা জেলেদের সে খবর জানাতে পারেননি বরগুনা পাথরঘাটার ট্রলার মালিকরা। এ কারণে শতাধিক ট্রলারে অবস্থানরত জেলেদের জীবন হুমকির মুখে রয়েছে। পরিবারের লোকজন রাতভর অপেক্ষা করলেও মঙ্গলবার (৩০ মে) দুপুরেও ফিরে আসেননি অনেক জেলেই। তবে মৎস্য সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী বিপদের সম্মুখীন হতে হয়নি তাদের।

পাথরঘাটা উপজেলার পদ্মা, হরিনঘাটা, রুহিতা, বাদুরতলা, কালমেঘা ও কাকচিড়া এলাকার শতাধিক জেলেপরিবার রাত কাটিয়েছে উৎকণ্ঠায়।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বরিশালটাইমসকে জানান, উপকূলের কাছাকাছি থেকে যেসব জেলেরা মাছ ধরছিল তারা অনেকেই ইতোমধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছেছেন। আবার বিশখালী ও বলেশ্বর নদীতে ঘূর্ণিঝড় মোরার তেমন প্রভাব পড়েনি। কোনো ট্রলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

তিনি আরও বলেন, পাথরঘাটার যেসব জেলে গভীর সমুদ্রে ছিল তারা সুন্দরবন, আলোর কোল, দুর্বলা, কচিখালী, কটকা এসব এলাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে এসেছে। মোরা’র প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় তারা বাড়িতে ফিরতে পারেনি।

ট্রলার মালিক আবুল হোসেন ফরাজি বরিশালটাইমসকে বলেন, সাগরে এখন ও শতাধিক ট্রলার রয়েছে কোনো দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।”