পবিত্র ঈদ-উল আযহাকে (কুরবানী) সামনে রেখে নৌপথে দক্ষিণাঞ্চলের ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য বেসরকারি নৌযানের বিশেষ সার্ভিস আগামী ২৭ আগস্ট ও রাষ্ট্রীয় নৌযানের বিশেষ সার্ভিস ২৯ আগস্ট শুরু হবে। ঢাকা-বরিশাল-রুটের বিলাসবহুল লঞ্চ কোম্পানিগুলো গত ১৫ আগস্ট থেকে অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু করেছে।

শনিবার (১৯ আগস্ট) ঢাকায় অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার (লঞ্চ মালিক সমিতি) সভায় বেসরকারি নৌযানের বিশেষ সার্ভিসের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌযান সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা-বরিশাল রুটের সদস্য সচিব সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী বরিশালটাইমসকে বলেন, ঈদের বিশেষ সার্ভিস শুরু ও শেষ হওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকায় অভ্যন্তরীন নৌযান পরিবন সংস্থা। আগামী ২৭ আগস্ট থেকেই বিশেষ সার্ভিস শুরু হতে যাচ্ছে।

ঢাকা-বরিশাল রুটে বর্তমানে মোট ২২টি লঞ্চ রয়েছে। বিশেষ সার্ভিস চলাকালে ঈদের আগে ঢাকা থেকে কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০টি এবং সমসংখ্যক লঞ্চ ঈদের পরে বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের অপর ২৭ রুটেও বিশেষ সার্ভিস চলাকালে নিয়মিত লঞ্চের চেয়ে দ্বিগুণ লঞ্চ চলবে।

ঢাকা-বরিশাল রুটে অন্যতম বিলাসবহুল লঞ্চ সুন্দরবন এবং সুরভী কোম্পানি গত সপ্তাহে যাত্রীদের কাছ থেকে কেবিনের চাহিদাপত্র গ্রহণ করে। গত মঙ্গলবার থেকে তারা প্রথম শ্রেণির (কেবিন) যাত্রীদের জন্য অগ্রিম টিকেট বিক্রি করেছে। আজ শনিবারের মধ্যে অগ্রিম টিকেট বিক্রি শেষ হবে বলে ওই দুটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

একাধিক লঞ্চ মালিক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের মোট ২৮ রুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল করে। সবগুলো রুটের লঞ্চ কোম্পানি নিজ নিজ সুবিধা অনুযায়ী চলতি সপ্তাহের মধ্যে প্রথম শ্রেণির যাত্রীদের জন্য অগ্রিম টিকেট বিক্রি শেষ করবে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) উপ-মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ আবুল কালাম আজাদ বরিশালটাইমসকে বলেন, এ সংস্থার বিশেষ সার্ভিস শুরু হবে ২৯ আগস্ট। গত সপ্তাহে ঢাকায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। সংস্থার মোট ৬টি জাহাজের সবগুলো সার্ভিসে রয়েছে।”