বরিশাল: ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে শুক্রবার সকাল থেকেই ভোলায় হালকা থেকে ভারী বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে বিআইডব্লিউটিএ ভোলা থেকে বরিশাল ও লক্ষ্মীপুর রুটের ফেরি এবং ঢাকা, বরিশালসহ সব রুটের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে।

ঝড় মোকাবেলায় ভোলা জেলায় ১১ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, ১০ হাজার সেচ্ছাসেবী ও তিন শতাধিক আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু মোকাবেলায় ভোলা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক প্রস্ততি সভা করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসক সেলিম উদ্দিন জানান।

তিনি জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় জেলায় ১০ হাজার ২০০ সেচ্ছসেবী প্রস্তুত রাখা হয়েছে। খোলা হয়েছে ১১টি কন্ট্রোল রুম। এছাড়াও স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ৯২টি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। জেলার তিন শতাধিক আশ্রয় কেন্দ্রে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে জেলা প্রশাসন শুক্রবার থেকে জেলার সব সরকারি দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএ’র ভোলাস্থ কর্মকর্তা মো: নাসিম জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর কারণে শুক্রবার বিকাল থেকে ভোলার বিভিন্ন ঘাট থেকে ঢাকা, বরিশালসহ সব রুটের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ফেরি ইনচার্জ আবু আলম হাওলাদার জানান ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর কারণে ভোলা-লক্ষ্মীপুর ও ভোলা বরিশাল রুটের ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

শুক্রবার  সকাল থেকে ভোলা উপকূলের তুলাতলী, ইলিশা, রাজাপুর, কোড়ারহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ভোলা ইউনিট ও সিপিপিসহ বিভিন্ন  স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এ মাইকিং করে প্রচার চালাচ্ছে।

ভোলা সিপিপি উপ-পরিচালক মো. সাহাবুদ্দিন জানান, দুপুর ২টা পর্যন্ত জেলায় ৫ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। দুর্যোগ মোকাবেলায় জেলা জুড়ে রেডক্রিসেন্টের কর্মীরা প্রস্তুত রয়েছে।