উজিরপুর: এক প্রতিবন্ধি কিশোরীকে ধর্ষণ করেছে আলম বেপারী নামক এক লম্পট। ওই ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য একাধিকবার সালিশ বৈঠক করেছে একটি প্রভাবশালী মহল। ওই কিশোরীকে ঘটনা প্রকাশ না করার জন্য নানাভাবে হুমকি ধামকিও দেয় ওই মহলটি।

 

এ ঘটনায় শুক্রবার ধর্ষিতা কিশোরীর মা ঝর্না বেগম বাদী হয়ে ধর্ষক আলম বেপারীকে অভিযুক্ত করে উজিরপুর থানায় একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেছে।

 

জানাগেছে, মোরাকাঠী গ্রামের খালেক সরদারের বসতঘরে ্য বাদী ঝর্না বেগমের কিশোরী প্রতিবন্ধি কন্যা (১৫) কে ঝিয়ের কাজ করার জন দেয়। সেই সুযোগে একই বাড়ির হাশেম বেপারীর পূত্র লম্পট আলম বেপারী ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষন করে আসছে।

 

 

গত ২৪আগষ্ট সন্ধা ৭টার দিকে ঘরে একা পেয়ে লম্পট আলম পুনরায় ধর্ষন করে। ঘটনাটি বাড়ির মালিকের পূত্রবধু রুমা খানম দেখে ফেলায় আলম পালিয়ে যায়। পরে বিষয়টি প্রকাশ না করার জন্য নানা ভাবে হুমকি দেয় আলমের লোকজন। বিষয়টি নিয়ে প্রভাবশালী একটি মহল একাধিকবার সালিশ বৈঠক করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায়।

 

নির্যাতিতা কিশোরীর মা ঝর্না বেগম জানিয়েছেন, আমি আমার মেয়ের নির্যাতনের বিচার চাইলে গৌরনদী উপজেলার বাটাজোরের একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিরা আমার মেয়েকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়ায় এতদিন মামলা করতে সাহস পাইনি।

 

উজিরপুর মডেল থানার ওসি গোলাম সরোয়ার জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য বরিশাল শেবাচিমে প্রেরন করা হয়েছে। অভিযুক্ত লম্পটকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।