নিজস্ব বার্তা পরিবেশক:: ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের মহাবিপদ সংকেত থাকার কারণে বরিশাল-ঢাকা রুটে লঞ্চ চলাচল করেনি। তাই সোমবার বরিশাল টার্মিনালে আটকে পড়া যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় জমেছে। চাপ সামলাতে ৭টি লঞ্চ ঘাটে থাকলেও যাত্রীর তুলনায় অপ্রতুল।

সকালে একই অবস্থা বিরাজ করে অভ্যন্তরীণ রুটের লঞ্চঘাটে।

বরিশাল নৌবন্দরের উপ-পরিচালক আজমল হুদা মিঠু সরকার বরিশালটাইমসকে জানান, সোমবার সকাল থেকে অভ্যন্তরীণ নৌ-পথে সকল ধরনের নৌযানগুলোর উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়েছে। আর রাতে চলাচল করবে ঢাকা-বরিশাল রুটের লঞ্চ।

এদিকে সোমবার বিকেল থেকেই ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে ঢাকা থেকে বরিশালে আসা আটকে পড়া কর্মমুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভির দেখা গেছে বরিশাল লঞ্চ টার্মিনালে। বরিশাল থেকে আজ ঢাকার উদেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে এমভি সুরভী-৮, এমভি এ্যাডভেঞ্চার-৯, এমভি সুন্দরবন-১১, পারাবত-৯, এমভি কামাল-১, এমভি ফারহান-১, কীর্তনখোলা-২। তবে লঞ্চের তুলনায় যাত্রী সংখ্যা অনেক বেশি।

তবে আগে থেকেই ঘাটে ছিল ৫টি লঞ্চ। অতিরিক্ত যাত্রী হওয়ায় বিকেলে এমভি সুন্দরবন-১১ ও পারাবত-৯ বরিশালের ঘাটে এসেছে।

অপরদিকে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে বরিশাল। বরিশালের জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘এ ঝড়ের ফলে বিধ্বস্ত হয়েছে ৩ হাজার ৫০টি ঘর। এর মধ্যে পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে ৫০টি ঘর এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩ হাজার ঘর। এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আংশিক ক্ষতি হয়েছে ৫০টি এবং মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আংশিক ক্ষতি হয়েছে ১০টি। এছাড়া বরিশাল জেলার ১০ উপজেলার মধ্যে উজিরপুরে গাছ চাপায় ১ নারী নিহত হয়েছেন। ’