
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:৫৩
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আমাদের সবার অর্জন, এটা আমরা বারবার বলে আসছি। মহান মুক্তিযুদ্ধের অর্জন হচ্ছে বাংলাদেশ এবং সংবিধান।
সবাই তা মেনেই রাজনীতি করছে, আমরাও তাই। মুক্তিযুদ্ধকে না মানলে তো বাংলাদেশকে অস্বীকার করা হয়। নির্বাচন তো পরের কথা। যারা বাংলাদেশের রাজনীতি করবে, তাদের জুলাইও মেনে রাজনীতি করা উচিত। এছড়া রাজনীতিতে পথ চলা কঠিন।
জামায়াত একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে, নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য কাউকে মুক্তিযুদ্ধ মেনে নিতে বাধ্য করা যায় কি না- এই প্রশ্নে হামিদুর রহমান আযাদ এসব কথা বলেন।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আযাদ বলেন, জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে জুলাই জাতীয় সনদ মেনে চলা এবং বাস্তবায়নের শপথ করতে হবে। হলফনামা দিতে ব্যর্থ হলে প্রার্থিতা বাতিল হবে। নির্বাচনে জুলাই সনদবিরোধী প্রচার চালালে প্রার্থিতা বাতিল এবং রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হবে। এসব প্রস্তাব করেছে জামায়াতে ইসলামী।
তবে এটি প্রস্তাব মাত্র। এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। জুলাই সনদের বাস্তবায়নে ‘প্রভেশিয়াল সাংবিধানিক আদেশ-২০২৫’ জারির যে প্রস্তাব জামায়াত করেছে, তাতে এসব বিধান যুক্তের কথা বলা হয়েছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বাধীন ঐকমত্য কমিশনকে লিখিতভাবে এই প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াত।
আযাদ বলেন, বিএনপি সংবিধান সংক্রান্ত সংস্কার আগামী সংসদে বাস্তবায়ন করতে চায়। জামায়াত আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে সংবিধান সংস্কারসহ জুলাই সনদে থাকা ৮৪টি সংস্কারের বাস্তবায়ন চায়।
যদিও বিএনপি বলছে, সংসদ ছাড়া সংবিধান সংশোধনের উপায় নেই। তবে জামায়াত সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জুলাই অভ্যুত্থানকে জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তি হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব করেছে।
দলটির মতামত, জুলাই সনদও হবে জনগণের অভিপ্রায়ের ফল। যা সংবিধানের সমমর্যাদার হবে। ফলে এই সনদ সবাইকে মানতে হবে। তাই সংবিধানের মতো সনদকে মান্য করার হলফনামা দিতে হবে প্রার্থীকে।
কাউকে জুলাই সনদ মানতে বাধ্য করা গণতান্ত্রিক কি না- প্রশ্নে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘জুলাই সনদ প্রণীত হয়েছে গণতন্ত্রের সুরক্ষা। বিপরীতে যা রয়েছে, তা ফ্যাসিবাদ।
কাউকে জোর করে শ্রদ্ধা করতে বাধ্য করা যায় কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, 'জুলাই চেতনা থেকে আমরা এই প্রস্তাব দিয়েছি। অপব্যাখ্যার সুযোগ নেই। আলোচনার মাধ্যমে এটার সমাধান হবে। '
জামায়াতের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগকে উৎখাতের মাধ্যমে জনগণের কাছে ‘কন্সটিটুয়েন্ট পাওয়ার’ (সংবিধান তৈরি, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতা) হস্তান্তর হয়েছে। এ ক্ষমতার বলে ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।
প্রস্তাবে আরও বলা হয়, জনগণের ‘কন্সটিটুয়েন্স পাওয়ারে’ গঠিত সরকারের সাংবিধানিক আদেশ জারির ক্ষমতা রয়েছে। এ আদেশ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে কার্যকর গণ্য হবে। জনগণ সংবিধান সংস্কারের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে, যা জুলাই সনদে ধারণ করা হয়েছে। জারিকৃত সাংবিধানিক আদেশ, বিদ্যমান সব আইনের ওপরে প্রাধান্য পাবে।
সংবিধানসহ কোনো আইনের যতখানি সাংবিধানের আদেশের সঙ্গে অসামাঞ্জস্যপূর্ণ হবে, তা বাতিল হবে। নির্বাহী বিভাগ, আইন বিভাগ এবং বিচার বিভাগ সাংবিধানিক আদেশে আওতাধীন হবে। কোনো উপায়ে সাংবিধানিক আদেশকে বদল বিকৃত করার প্রচেষ্টা রাষ্ট্রদ্রোহ হিসেবে গণ্য হবে।
জামায়াতের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক আদেশ অধীনে অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজন করবেন। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী এবং দলকে সাংবিধানিক আদেশ মেনে চলা এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে হলফনামা দিতে হবে।
এরূপ হলফনামা দিতে ব্যর্থ হলে, নির্বাচনে অযোগ্য হবে। আগামী সংসদে তিন চর্তুথাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় নতুন সংবিধান গ্রহণ এবং গণভোটে অনুমোদন হওয়া পর্যন্ত, সাংবিধানিক আদেশ বহাল থাকবে। নতুন সংবিধান সাংবিধানিক আদেশের সঙ্গে সামাঞ্জস্যপূর্ণ হবে। নতুন সংবিধান গ্রহণের পরও সাংবিধানিক আদেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আমাদের সবার অর্জন, এটা আমরা বারবার বলে আসছি। মহান মুক্তিযুদ্ধের অর্জন হচ্ছে বাংলাদেশ এবং সংবিধান।
সবাই তা মেনেই রাজনীতি করছে, আমরাও তাই। মুক্তিযুদ্ধকে না মানলে তো বাংলাদেশকে অস্বীকার করা হয়। নির্বাচন তো পরের কথা। যারা বাংলাদেশের রাজনীতি করবে, তাদের জুলাইও মেনে রাজনীতি করা উচিত। এছড়া রাজনীতিতে পথ চলা কঠিন।
জামায়াত একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে, নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য কাউকে মুক্তিযুদ্ধ মেনে নিতে বাধ্য করা যায় কি না- এই প্রশ্নে হামিদুর রহমান আযাদ এসব কথা বলেন।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আযাদ বলেন, জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে জুলাই জাতীয় সনদ মেনে চলা এবং বাস্তবায়নের শপথ করতে হবে। হলফনামা দিতে ব্যর্থ হলে প্রার্থিতা বাতিল হবে। নির্বাচনে জুলাই সনদবিরোধী প্রচার চালালে প্রার্থিতা বাতিল এবং রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হবে। এসব প্রস্তাব করেছে জামায়াতে ইসলামী।
তবে এটি প্রস্তাব মাত্র। এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। জুলাই সনদের বাস্তবায়নে ‘প্রভেশিয়াল সাংবিধানিক আদেশ-২০২৫’ জারির যে প্রস্তাব জামায়াত করেছে, তাতে এসব বিধান যুক্তের কথা বলা হয়েছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বাধীন ঐকমত্য কমিশনকে লিখিতভাবে এই প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াত।
আযাদ বলেন, বিএনপি সংবিধান সংক্রান্ত সংস্কার আগামী সংসদে বাস্তবায়ন করতে চায়। জামায়াত আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে সংবিধান সংস্কারসহ জুলাই সনদে থাকা ৮৪টি সংস্কারের বাস্তবায়ন চায়।
যদিও বিএনপি বলছে, সংসদ ছাড়া সংবিধান সংশোধনের উপায় নেই। তবে জামায়াত সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জুলাই অভ্যুত্থানকে জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তি হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব করেছে।
দলটির মতামত, জুলাই সনদও হবে জনগণের অভিপ্রায়ের ফল। যা সংবিধানের সমমর্যাদার হবে। ফলে এই সনদ সবাইকে মানতে হবে। তাই সংবিধানের মতো সনদকে মান্য করার হলফনামা দিতে হবে প্রার্থীকে।
কাউকে জুলাই সনদ মানতে বাধ্য করা গণতান্ত্রিক কি না- প্রশ্নে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘জুলাই সনদ প্রণীত হয়েছে গণতন্ত্রের সুরক্ষা। বিপরীতে যা রয়েছে, তা ফ্যাসিবাদ।
কাউকে জোর করে শ্রদ্ধা করতে বাধ্য করা যায় কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, 'জুলাই চেতনা থেকে আমরা এই প্রস্তাব দিয়েছি। অপব্যাখ্যার সুযোগ নেই। আলোচনার মাধ্যমে এটার সমাধান হবে। '
জামায়াতের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগকে উৎখাতের মাধ্যমে জনগণের কাছে ‘কন্সটিটুয়েন্ট পাওয়ার’ (সংবিধান তৈরি, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতা) হস্তান্তর হয়েছে। এ ক্ষমতার বলে ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।
প্রস্তাবে আরও বলা হয়, জনগণের ‘কন্সটিটুয়েন্স পাওয়ারে’ গঠিত সরকারের সাংবিধানিক আদেশ জারির ক্ষমতা রয়েছে। এ আদেশ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে কার্যকর গণ্য হবে। জনগণ সংবিধান সংস্কারের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে, যা জুলাই সনদে ধারণ করা হয়েছে। জারিকৃত সাংবিধানিক আদেশ, বিদ্যমান সব আইনের ওপরে প্রাধান্য পাবে।
সংবিধানসহ কোনো আইনের যতখানি সাংবিধানের আদেশের সঙ্গে অসামাঞ্জস্যপূর্ণ হবে, তা বাতিল হবে। নির্বাহী বিভাগ, আইন বিভাগ এবং বিচার বিভাগ সাংবিধানিক আদেশে আওতাধীন হবে। কোনো উপায়ে সাংবিধানিক আদেশকে বদল বিকৃত করার প্রচেষ্টা রাষ্ট্রদ্রোহ হিসেবে গণ্য হবে।
জামায়াতের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক আদেশ অধীনে অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজন করবেন। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী এবং দলকে সাংবিধানিক আদেশ মেনে চলা এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে হলফনামা দিতে হবে।
এরূপ হলফনামা দিতে ব্যর্থ হলে, নির্বাচনে অযোগ্য হবে। আগামী সংসদে তিন চর্তুথাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় নতুন সংবিধান গ্রহণ এবং গণভোটে অনুমোদন হওয়া পর্যন্ত, সাংবিধানিক আদেশ বহাল থাকবে। নতুন সংবিধান সাংবিধানিক আদেশের সঙ্গে সামাঞ্জস্যপূর্ণ হবে। নতুন সংবিধান গ্রহণের পরও সাংবিধানিক আদেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না।

০৯ জুন, ২০২৬ ১৩:২৬
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

০৭ জুন, ২০২৬ ১১:৪৫
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।
এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।
এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

০৬ জুন, ২০২৬ ১৫:৩০
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.