
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৭
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ফুলের তোড়া পাঠিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও প্রধান উপদেষ্টাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ফুলের তোড়াটি পৌঁছে দেওয়া হয়।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বিএনপি চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব ও সরকারের সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার প্রধান উপদেষ্টার কাছে ফুলের তোড়াটি পৌঁছে দেন। শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধান উপদেষ্টার সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ফুলের তোড়া পাঠিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও প্রধান উপদেষ্টাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ফুলের তোড়াটি পৌঁছে দেওয়া হয়।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বিএনপি চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব ও সরকারের সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার প্রধান উপদেষ্টার কাছে ফুলের তোড়াটি পৌঁছে দেন। শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধান উপদেষ্টার সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করা হয়।
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫৬

৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব ও ইরানের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের এবং বহুমাত্রিক। এটি শুধু ধর্মীয় বিভাজন বা সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা নয়; বরং আঞ্চলিক আধিপত্য, অর্থনীতি এবং নিরাপত্তার জটিল সমন্বয়ে গঠিত। সৌদি আরব নিজেকে সুন্নি ইসলামের প্রধান দেশ হিসেবে গণ্য করে, যেখানে ইরান শিয়াদের প্রধান শক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই ধর্মীয় বিভাজনকে প্রায়শই আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। উভয় দেশই মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রভাব বজায় রাখতে চায়।
ইরান সরাসরি যুদ্ধ না করলেও বিভিন্ন অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের জন্য প্রক্সি বাহিনী ব্যবহার করে, যেমন- ইয়েমেনের হুতিদের বিদ্রোহ বা লেবাননের হিজবুল্লাহ। সৌদি আরবও প্রয়োজনমত এই প্রক্সি শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে কার্যক্রম চালায়। সিরিয়া, ইয়েমেন, লেবানন ও ইরাকে এ ধরনের ছায়া যুদ্ধ চলমান, যা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকেও সংঘাতের গুরুত্ব আছে। সৌদি আরব ও ইরান উভয়ই তেল ও জ্বালানি সম্পদে সমৃদ্ধ। যুদ্ধ ও উত্তেজনা কেবল নিরাপত্তার কারণে নয়, আঞ্চলিক বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে চালানো হয়। ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করে, যা সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের তেল রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি করছে।
পারমাণবিক কর্মসূচি মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তার জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। ২০১৫ সালে ইরানের সীমিত পারমাণবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে একটি চুক্তি হয়। সৌদি আরব এবং ইসরায়েল এই চুক্তিকে সমর্থন করেনি এবং ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা আঞ্চলিক হুমকি হিসেবে দেখে। এ কারণে ইরানের পারমাণবিক অর্জন সৌদি আরবের জন্য সর্বদা একটি সম্ভাব্য বিপদ।
বৈশ্বিক প্রভাবও দ্বন্দ্বকে জটিল করেছে। যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে প্রধান শক্তি হিসেবে কার্যকর, যা সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও অর্থনীতিকে সমর্থন করে। তবে সাম্প্রতিক হামলা ও উত্তেজনার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলিক অবস্থান অনিশ্চিত হয়েছে। চীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছে।
সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকেও উভয় দেশের লক্ষ্য স্পষ্ট। ইরান চায় সৌদি আরবের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখুক, যেখানে সৌদি আরব চায় যুদ্ধ চলাকালীন ইরানের শক্তি ও প্রভাব কমানো হোক। এটি কেবল সামরিক লড়াই নয়; এটি কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সমন্বয়।
সৌদি আরব-ইরান দ্বন্দ্বের মূল উৎস কেবল ধর্মীয় বিভাজন নয়; এটি আঞ্চলিক আধিপত্য, অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং বৈশ্বিক শক্তির প্রভাবের জটিল সমন্বয়। প্রক্সি যুদ্ধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনা দুই দেশকেই তাদের প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা চালাতে বাধ্য করছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব ও ইরানের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের এবং বহুমাত্রিক। এটি শুধু ধর্মীয় বিভাজন বা সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা নয়; বরং আঞ্চলিক আধিপত্য, অর্থনীতি এবং নিরাপত্তার জটিল সমন্বয়ে গঠিত। সৌদি আরব নিজেকে সুন্নি ইসলামের প্রধান দেশ হিসেবে গণ্য করে, যেখানে ইরান শিয়াদের প্রধান শক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই ধর্মীয় বিভাজনকে প্রায়শই আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। উভয় দেশই মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রভাব বজায় রাখতে চায়।
ইরান সরাসরি যুদ্ধ না করলেও বিভিন্ন অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের জন্য প্রক্সি বাহিনী ব্যবহার করে, যেমন- ইয়েমেনের হুতিদের বিদ্রোহ বা লেবাননের হিজবুল্লাহ। সৌদি আরবও প্রয়োজনমত এই প্রক্সি শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে কার্যক্রম চালায়। সিরিয়া, ইয়েমেন, লেবানন ও ইরাকে এ ধরনের ছায়া যুদ্ধ চলমান, যা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকেও সংঘাতের গুরুত্ব আছে। সৌদি আরব ও ইরান উভয়ই তেল ও জ্বালানি সম্পদে সমৃদ্ধ। যুদ্ধ ও উত্তেজনা কেবল নিরাপত্তার কারণে নয়, আঞ্চলিক বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে চালানো হয়। ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করে, যা সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের তেল রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি করছে।
পারমাণবিক কর্মসূচি মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তার জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। ২০১৫ সালে ইরানের সীমিত পারমাণবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে একটি চুক্তি হয়। সৌদি আরব এবং ইসরায়েল এই চুক্তিকে সমর্থন করেনি এবং ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা আঞ্চলিক হুমকি হিসেবে দেখে। এ কারণে ইরানের পারমাণবিক অর্জন সৌদি আরবের জন্য সর্বদা একটি সম্ভাব্য বিপদ।
বৈশ্বিক প্রভাবও দ্বন্দ্বকে জটিল করেছে। যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে প্রধান শক্তি হিসেবে কার্যকর, যা সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও অর্থনীতিকে সমর্থন করে। তবে সাম্প্রতিক হামলা ও উত্তেজনার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলিক অবস্থান অনিশ্চিত হয়েছে। চীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছে।
সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকেও উভয় দেশের লক্ষ্য স্পষ্ট। ইরান চায় সৌদি আরবের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখুক, যেখানে সৌদি আরব চায় যুদ্ধ চলাকালীন ইরানের শক্তি ও প্রভাব কমানো হোক। এটি কেবল সামরিক লড়াই নয়; এটি কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সমন্বয়।
সৌদি আরব-ইরান দ্বন্দ্বের মূল উৎস কেবল ধর্মীয় বিভাজন নয়; এটি আঞ্চলিক আধিপত্য, অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং বৈশ্বিক শক্তির প্রভাবের জটিল সমন্বয়। প্রক্সি যুদ্ধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনা দুই দেশকেই তাদের প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা চালাতে বাধ্য করছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ বিতরণ নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে সহায়তা না দিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে প্রদান করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি অসচ্ছল ও দুস্থ পরিবারের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু তালিকা প্রণয়নে স্বচ্ছতা না থাকায় অনেক প্রকৃত দরিদ্র পরিবার এই সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বরং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী কয়েকজন জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটে থাকলেও কোনো ধরনের সহায়তা পাননি। অথচ যাদের আর্থিক অবস্থা তুলনামূলক ভালো, তাদের ঘরেই ত্রাণের অর্থ পৌঁছেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বেড়েই চলেছে।
সম্প্রতি উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে দুই শতর বেশি সদস্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। আর সে সকল সদস্যদের তালিকার মধ্যে অনেকেই রয়েছেন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি সহ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের নাম। চরমদি ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সরদার, চরামদ্দি ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি শাহ আলম খান, চরমদ্দি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হান্নান মৃধা, রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ইউনুস হাওলাদারের ছেলে মাহফুজ,পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো: ফিরোজ হাওলাদার সহ ১৪ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের নাম।
প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণের অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, নিয়ামতি ইউনিয়নে মোট ৩০ জন সদস্যার মধ্যে ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আর ৩০ জনের ওই তালিকায় ১৫ জনের নাম দিয়েছেন নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো: সোহেল ফরাজী। বাকি ১৫ জনের নাম দিয়েছেন নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদার।
সোহেল সিকদারের দেয়া তালিকায় যে ১৫ জন ত্রান তহবিলের টাকা পেয়েছেন তার মধ্যে রয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খানের আপন ছোট ভাই উজ্বল খান ও বাহাদুর হোসেন খানের ছেলে সাইফুদ্দিন। এছাড়া ওই তালিকা দেখা গেছে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মাইনুল ইসলামের নাম। তারা সকলেই ওই তালিকায় স্বাক্ষর দিয়ে ২০০০ টাকা করে গ্রহণ করেছেন। দলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে থেকে নিজের পরিবারের মধ্যে ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণ করায় নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তারা দাবি জানিয়েছেন যাহারা এসকল অনিয়মের সাথে জড়িত তাদেরকে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়ার। তাদেরকে যদি সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া না হয় তাহলে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাহত হবে এবং বিএনপি'র প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়ে যাবে।
তবে এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, ত্রাণের মতো মানবিক সহায়তা বিতরণে এ ধরনের অনিয়ম সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করছে।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুজ্জামান মিজান মিয়াকে ফোন করা হলে তিনি জানান, নিয়ামতি ইউনিয়নে ৩০ জনকে ত্রান তহবিলের টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন রয়েছে সভাপতি সোহেল ফরাজির তালিকা ও ১৫ জন রয়েছে সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদারের তালিকা। এই ৩০ জনের তালিকের মধ্যে যদি কেউ তার নিজের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে টাকা প্রদান করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ২৫ জনের একটি তালিকা দিয়েছিলাম সেখান থেকে ১৫ জনকে টাকা দেয়া হয়েছে। ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খানের পরিবারের লোকজনের নাম রয়েছে কিনা সেটা আমার ভালো জানা নেই। তবে এই নাম কিভাবে আসলো প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন হয়তো সাংগঠনিক সম্পাদক নিজেই এই নাম দিয়েছেন।
এই বিষয় নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খান কে ফোন দেওয়া হলে তিনি জানান, ত্রান তহবিলের টাকা প্রদানের তালিকা ইউনিয়ন বিএনপি সাধারন সম্পাদক সোহেল সিকদার দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে বাকেরগঞ্জের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলের টাকা সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বণ্টন করার নির্দেশ রয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের তদারকি করার কিছুই নেই।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ বিতরণ নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে সহায়তা না দিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে প্রদান করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি অসচ্ছল ও দুস্থ পরিবারের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু তালিকা প্রণয়নে স্বচ্ছতা না থাকায় অনেক প্রকৃত দরিদ্র পরিবার এই সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বরং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী কয়েকজন জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটে থাকলেও কোনো ধরনের সহায়তা পাননি। অথচ যাদের আর্থিক অবস্থা তুলনামূলক ভালো, তাদের ঘরেই ত্রাণের অর্থ পৌঁছেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বেড়েই চলেছে।
সম্প্রতি উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে দুই শতর বেশি সদস্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। আর সে সকল সদস্যদের তালিকার মধ্যে অনেকেই রয়েছেন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি সহ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের নাম। চরমদি ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সরদার, চরামদ্দি ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি শাহ আলম খান, চরমদ্দি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হান্নান মৃধা, রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ইউনুস হাওলাদারের ছেলে মাহফুজ,পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো: ফিরোজ হাওলাদার সহ ১৪ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের নাম।
প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণের অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, নিয়ামতি ইউনিয়নে মোট ৩০ জন সদস্যার মধ্যে ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আর ৩০ জনের ওই তালিকায় ১৫ জনের নাম দিয়েছেন নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো: সোহেল ফরাজী। বাকি ১৫ জনের নাম দিয়েছেন নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদার।
সোহেল সিকদারের দেয়া তালিকায় যে ১৫ জন ত্রান তহবিলের টাকা পেয়েছেন তার মধ্যে রয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খানের আপন ছোট ভাই উজ্বল খান ও বাহাদুর হোসেন খানের ছেলে সাইফুদ্দিন। এছাড়া ওই তালিকা দেখা গেছে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মাইনুল ইসলামের নাম। তারা সকলেই ওই তালিকায় স্বাক্ষর দিয়ে ২০০০ টাকা করে গ্রহণ করেছেন। দলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে থেকে নিজের পরিবারের মধ্যে ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণ করায় নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তারা দাবি জানিয়েছেন যাহারা এসকল অনিয়মের সাথে জড়িত তাদেরকে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়ার। তাদেরকে যদি সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া না হয় তাহলে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাহত হবে এবং বিএনপি'র প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়ে যাবে।
তবে এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, ত্রাণের মতো মানবিক সহায়তা বিতরণে এ ধরনের অনিয়ম সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করছে।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুজ্জামান মিজান মিয়াকে ফোন করা হলে তিনি জানান, নিয়ামতি ইউনিয়নে ৩০ জনকে ত্রান তহবিলের টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন রয়েছে সভাপতি সোহেল ফরাজির তালিকা ও ১৫ জন রয়েছে সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদারের তালিকা। এই ৩০ জনের তালিকের মধ্যে যদি কেউ তার নিজের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে টাকা প্রদান করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ২৫ জনের একটি তালিকা দিয়েছিলাম সেখান থেকে ১৫ জনকে টাকা দেয়া হয়েছে। ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খানের পরিবারের লোকজনের নাম রয়েছে কিনা সেটা আমার ভালো জানা নেই। তবে এই নাম কিভাবে আসলো প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন হয়তো সাংগঠনিক সম্পাদক নিজেই এই নাম দিয়েছেন।
এই বিষয় নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খান কে ফোন দেওয়া হলে তিনি জানান, ত্রান তহবিলের টাকা প্রদানের তালিকা ইউনিয়ন বিএনপি সাধারন সম্পাদক সোহেল সিকদার দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে বাকেরগঞ্জের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলের টাকা সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বণ্টন করার নির্দেশ রয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের তদারকি করার কিছুই নেই।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬
বরিশাল নগরীতে নকল ও অনুমোদনহীন প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে ‘ওয়ান পয়েন্ট’ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসন, বিএসটিআই ও এনএসআই যৌথভাবে নগরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের নথুল্লাবাদ এলাকার শাহপরাণ সড়কে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
এনএসআই সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার চকবাজার এলাকা থেকে অনুমোদনবিহীন ও নিষিদ্ধ প্রসাধনী সংগ্রহ করে বরিশালের বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করে আসছিল।
উদ্ধার করা পণ্যের মধ্যে পাকিস্তানি স্কিন কেয়ার সামগ্রী, বিএসটিআই অনুমোদনবিহীন প্রসাধনী, নকল সিল-স্টিকারযুক্ত পণ্য এবং শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ স্কিন কেয়ার সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত ছিল। সরকারের রাজস্ব ফাঁকিও করার অভিযোগ রয়েছে।
গোপন পর্যবেক্ষণে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর জেলা প্রশাসন ও বিএসটিআই যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ও নকল প্রসাধনী জব্দ করে এবং প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে।
এ সময় বরিশাল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ-হেল-মাফি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
এ সময় বিএসটিআই বরিশাল বিভাগের ফিল্ড অফিসার মো. ইয়াছির আরাফাত ও এনএসআইয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে এবং নকল ও অবৈধ পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল নগরীতে নকল ও অনুমোদনহীন প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে ‘ওয়ান পয়েন্ট’ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসন, বিএসটিআই ও এনএসআই যৌথভাবে নগরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের নথুল্লাবাদ এলাকার শাহপরাণ সড়কে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
এনএসআই সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার চকবাজার এলাকা থেকে অনুমোদনবিহীন ও নিষিদ্ধ প্রসাধনী সংগ্রহ করে বরিশালের বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করে আসছিল।
উদ্ধার করা পণ্যের মধ্যে পাকিস্তানি স্কিন কেয়ার সামগ্রী, বিএসটিআই অনুমোদনবিহীন প্রসাধনী, নকল সিল-স্টিকারযুক্ত পণ্য এবং শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ স্কিন কেয়ার সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত ছিল। সরকারের রাজস্ব ফাঁকিও করার অভিযোগ রয়েছে।
গোপন পর্যবেক্ষণে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর জেলা প্রশাসন ও বিএসটিআই যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ও নকল প্রসাধনী জব্দ করে এবং প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে।
এ সময় বরিশাল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ-হেল-মাফি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
এ সময় বিএসটিআই বরিশাল বিভাগের ফিল্ড অফিসার মো. ইয়াছির আরাফাত ও এনএসআইয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে এবং নকল ও অবৈধ পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.