
১৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:৫৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কবাই ইউনিয়নের শিয়ালঘুনি খালের উপর ১ কোটি ২ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতু এখন কোন কাজে আসছে না।
সেতুটির দুই পাশ দিয়ে এলাকাবাসী ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের যাতায়াত করতে হয় বাঁশ কাঠের তৈরি মই দিয়ে। এতে ভুক্তভোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হলেও বিষয়টি দেখার যেন কেউ নেই। ফলে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অধীনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের গ্রামীণ রাস্তায় সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২০২৪ সালের মে মাসে নির্মাণ কাজ শুরু করেন এস এম এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
৬ মাস মেয়াদে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা থাকলেও দুই বছরেও সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করেনি ঠিকাদার। এমন কি সেতু নির্মাণের সময় খালের দুইপাশে বাঁধ নির্মাণ করলেও এখন পর্যন্ত সেই বাদ অপসারণ না করায় ওই খাল দিয়ে নৌ যোগাযোগ বন্ধ হয়ে রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, নির্মিত সেতুর দুই পাশে সংযোগ রাস্তা না থাকায় তারা কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুর সুফল পাচ্ছেন না। স্থানীয়রা সেতুটি দিয়ে চলাচলের জন্য বাঁশ ও কাঠ দিয়ে মই তৈরি করে চলাফেরা করছেন। দীর্ঘদিন থেকে নির্মিত সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে রয়েছে ওইসব এলাকার স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ বয়স্ক ব্যক্তিরা। মই দিয়ে সেতু পারাপারে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে পথচারীরা।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সেতু নির্মানের এক বছর অতিবাহিত হওয়ার পরেও দুইপাশের সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি।
জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নির্মিত এ সেতু দিয়ে প্রতিদিন তিন গ্রামের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীকে বাঁশ কাঠের তৈরি মই বেয়ে সেতু পারাপার হতে হচ্ছে। ফলে সরকারের কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুর সুফল পাচ্ছেন না এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা দ্রুত সময়ের মধ্যে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি ব্যবহার উপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তপেক্ষ কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে এস এম এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদার আলামিন মিরাজ বলেন, বৃষ্টির কারণে সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। দ্রুত সময়ের মধ্যেই সেতুর অবশিষ্ট কাজ শেষ করা হবে
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, ঠিকাদার সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি। খালে দুটি বাঁধ নির্মাণ করেছিল সে বাঁধ দুটি অপসারণ করেনি। ঠিকাদারকে বারবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কাজ শেষ করার জন্য। কাজ শেষ না করলে তাকে ফাইনাল বিল দেওয়া হবে না।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কবাই ইউনিয়নের শিয়ালঘুনি খালের উপর ১ কোটি ২ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতু এখন কোন কাজে আসছে না।
সেতুটির দুই পাশ দিয়ে এলাকাবাসী ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের যাতায়াত করতে হয় বাঁশ কাঠের তৈরি মই দিয়ে। এতে ভুক্তভোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হলেও বিষয়টি দেখার যেন কেউ নেই। ফলে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অধীনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের গ্রামীণ রাস্তায় সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২০২৪ সালের মে মাসে নির্মাণ কাজ শুরু করেন এস এম এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
৬ মাস মেয়াদে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা থাকলেও দুই বছরেও সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করেনি ঠিকাদার। এমন কি সেতু নির্মাণের সময় খালের দুইপাশে বাঁধ নির্মাণ করলেও এখন পর্যন্ত সেই বাদ অপসারণ না করায় ওই খাল দিয়ে নৌ যোগাযোগ বন্ধ হয়ে রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, নির্মিত সেতুর দুই পাশে সংযোগ রাস্তা না থাকায় তারা কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুর সুফল পাচ্ছেন না। স্থানীয়রা সেতুটি দিয়ে চলাচলের জন্য বাঁশ ও কাঠ দিয়ে মই তৈরি করে চলাফেরা করছেন। দীর্ঘদিন থেকে নির্মিত সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে রয়েছে ওইসব এলাকার স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ বয়স্ক ব্যক্তিরা। মই দিয়ে সেতু পারাপারে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে পথচারীরা।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সেতু নির্মানের এক বছর অতিবাহিত হওয়ার পরেও দুইপাশের সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি।
জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নির্মিত এ সেতু দিয়ে প্রতিদিন তিন গ্রামের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীকে বাঁশ কাঠের তৈরি মই বেয়ে সেতু পারাপার হতে হচ্ছে। ফলে সরকারের কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুর সুফল পাচ্ছেন না এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা দ্রুত সময়ের মধ্যে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি ব্যবহার উপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তপেক্ষ কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে এস এম এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদার আলামিন মিরাজ বলেন, বৃষ্টির কারণে সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। দ্রুত সময়ের মধ্যেই সেতুর অবশিষ্ট কাজ শেষ করা হবে
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, ঠিকাদার সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি। খালে দুটি বাঁধ নির্মাণ করেছিল সে বাঁধ দুটি অপসারণ করেনি। ঠিকাদারকে বারবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কাজ শেষ করার জন্য। কাজ শেষ না করলে তাকে ফাইনাল বিল দেওয়া হবে না।

০৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৫৩

০৯ জুলাই, ২০২৬ ০০:১৭

০৮ জুলাই, ২০২৬ ২২:৩৬
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো আগামী ১৩ জুলাই বরিশালে আসছেন তারেক রহমান। একদিনের সফরে এসে তিনি বিভিন্ন সরকারি আয়োজনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি সাংগঠনিক সভাও করবেন। কীর্তনখোলা তীরে জনপদে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রশাসন। একই সাথে নেতাকর্মীরাও দলের শীর্ষনেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে আছেন। এ লক্ষে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জরুরি প্রস্তুতি সভা হয়।
বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, জেলা প্রশাসক মো. মো. মামুন খন্দকার এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমানসহ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রীর বরিশালের এই সফর নিরাপদ এবং নির্বিঘ্ন করতে সভায় বেশকিছু সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। এবং প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে সম্মতি দিয়ে কাজ করতে মাঠপর্যায়ে নিয়োজিতদের নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
আগামী সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানী ঢাকা থেকে সড়কপথে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হবেন। পথিমধ্যে তিনি গৌরনদীর বাটাজোরে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এবং শহরের ত্রিশ গোডাউনেও গাছ লাগানোর সিডিউল রয়েছে। দুপুরে সার্কিট হাউজে বিরতির পর বিকেল তিনটায় তিনি বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন। পরে সন্ধ্যার দিকে ফের ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে যাবেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের বরিশালের আসাকে কেন্দ্র নেতাকর্মীদের মধ্যেকার এক ধরনের উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পাশাপাশি বরিশালবাসীর মধ্যেও আগ্রহ দেখা যায় এবং নাগরিক সমাজে প্রত্যাশার কথাও শোনা গেছে। বিশেষ করে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক ৬ লেনে রূপান্তর, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) বাস্তবায়ন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ এবং পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহের দাবিগুলো সামনে এসেছে।
নাগরিক সমাজের এই দাবিকে বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। উভয় নেতা বলছেন, নেতাকে স্বাগত জানাতে তাদের সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সফরে এসে হয়তো গোটা দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়নের রূপরেখাও দিয়ে যেতে পারেন মন্তব্য পাওয়া যায়।
বরিশাল সিটি প্রশাসক ও বিএনপি নেত্রী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। আশা করা যায়, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বরিশালবাসীর জন্য আর্শিবাদ হবে, মন্তব্য করেন সিটি প্রশাসক।’
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো আগামী ১৩ জুলাই বরিশালে আসছেন তারেক রহমান। একদিনের সফরে এসে তিনি বিভিন্ন সরকারি আয়োজনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি সাংগঠনিক সভাও করবেন। কীর্তনখোলা তীরে জনপদে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রশাসন। একই সাথে নেতাকর্মীরাও দলের শীর্ষনেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে আছেন। এ লক্ষে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জরুরি প্রস্তুতি সভা হয়।
বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, জেলা প্রশাসক মো. মো. মামুন খন্দকার এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমানসহ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রীর বরিশালের এই সফর নিরাপদ এবং নির্বিঘ্ন করতে সভায় বেশকিছু সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। এবং প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে সম্মতি দিয়ে কাজ করতে মাঠপর্যায়ে নিয়োজিতদের নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
আগামী সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানী ঢাকা থেকে সড়কপথে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হবেন। পথিমধ্যে তিনি গৌরনদীর বাটাজোরে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এবং শহরের ত্রিশ গোডাউনেও গাছ লাগানোর সিডিউল রয়েছে। দুপুরে সার্কিট হাউজে বিরতির পর বিকেল তিনটায় তিনি বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন। পরে সন্ধ্যার দিকে ফের ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে যাবেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের বরিশালের আসাকে কেন্দ্র নেতাকর্মীদের মধ্যেকার এক ধরনের উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পাশাপাশি বরিশালবাসীর মধ্যেও আগ্রহ দেখা যায় এবং নাগরিক সমাজে প্রত্যাশার কথাও শোনা গেছে। বিশেষ করে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক ৬ লেনে রূপান্তর, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) বাস্তবায়ন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ এবং পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহের দাবিগুলো সামনে এসেছে।
নাগরিক সমাজের এই দাবিকে বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। উভয় নেতা বলছেন, নেতাকে স্বাগত জানাতে তাদের সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সফরে এসে হয়তো গোটা দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়নের রূপরেখাও দিয়ে যেতে পারেন মন্তব্য পাওয়া যায়।
বরিশাল সিটি প্রশাসক ও বিএনপি নেত্রী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। আশা করা যায়, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বরিশালবাসীর জন্য আর্শিবাদ হবে, মন্তব্য করেন সিটি প্রশাসক।’
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের কানকি ব্রিজ থেকে চেয়ারম্যান হাট পর্যন্ত ও পার্শ্ববর্তী উপজেলা বেতাগী পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল অবস্থা। রাস্তার কিছু অংশে ইট উঠে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত হয়েছে। বৃষ্টি হলে গর্তে পানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এছাড়াও কিছু অংশ গত বছর নতুন করে মাটি ফেলে সংস্কার করা হয়েছে। বর্তমানে পুরো রাস্তাটি মাটির হওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষের। দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের দাবি তাদের।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন কালিগঞ্জ হাট, কাঁঠালতলীর হাট, বিসমিল্লাহর বাজার, কানকিরহাট, গাজীর হাট, নূরনগর বাজার, নান্টু বাজার, এমপির হাট, চেয়ারম্যান হাট এলাকার বাসিন্দারা চলাচল করে। এ ছাড়া ছোট রঘুনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এমএ মালেক ডিগ্রি কলেজ, দক্ষিণ-পশ্চিম রঘুনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পার্শ্ববর্তী মির্জাগঞ্জ উপজেলার আকতার হোসেন চৌধুরী মেমোরিয়াল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদেরও এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়। বর্ষ মৌসুম শুরুর পর থেকে সড়কটিতে কোন প্রকার যানবাহন চলে না। এখন বৃষ্টি হলে গর্তে পানি জমে পুরো রাস্তাই কাদামাটি হয়ে যায়। রাস্তাটি দিয়ে হেঁটে চলাই মুশকিল হয়ে পড়েছে। কাঁচা কাদা মাটির সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো সড়ক কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়কটির সংস্কারের দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বর্ষা মৌসুমে হাঁটুসমান কাদা জমে যাওয়ায় পথচারীদের চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
এলাকার শিক্ষার্থীরা জানান, প্রতিদিন বিদ্যালয় ও কলেজে যেতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়। অনেক সময় কাদা মাড়িয়ে কিংবা জুতা হাতে নিয়ে চলাচল করতে হয়। কৃষকরাও তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে সমস্যায় পড়ছেন, ফলে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয়। জরুরি মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্স কিংবা অন্য কোনো যানবাহন সহজে প্রবেশ করতে পারে না।
এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটি পাকা করে জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দিয়ে দ্রুত সড়কটির উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হলে হাজারো মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে।
ছোট রঘুনাথপুরের বাসিন্দা বারেক হাওলাদার বলেন, গ্রামবাসী মিলে রাস্তাটি বিভিন্ন স্থানে মাটি দিয়ে কয়েকবার সংস্কার করা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে আবার বড় বড় গর্ত হয়ে গেছে। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তাটি ভেঙেও গেছে। চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জাহিদুল হাসান (বাবু) বলেন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ অব্যাহত আছে। দ্রুত রাস্তাটি পুনর্নির্মাণ কিংবা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
উপজেলা (এলজিইডি) প্রকৌশলী হাসনাই আহমেদ জানান, রাস্তাটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ এলেই দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের কানকি ব্রিজ থেকে চেয়ারম্যান হাট পর্যন্ত ও পার্শ্ববর্তী উপজেলা বেতাগী পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল অবস্থা। রাস্তার কিছু অংশে ইট উঠে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত হয়েছে। বৃষ্টি হলে গর্তে পানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এছাড়াও কিছু অংশ গত বছর নতুন করে মাটি ফেলে সংস্কার করা হয়েছে। বর্তমানে পুরো রাস্তাটি মাটির হওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষের। দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের দাবি তাদের।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন কালিগঞ্জ হাট, কাঁঠালতলীর হাট, বিসমিল্লাহর বাজার, কানকিরহাট, গাজীর হাট, নূরনগর বাজার, নান্টু বাজার, এমপির হাট, চেয়ারম্যান হাট এলাকার বাসিন্দারা চলাচল করে। এ ছাড়া ছোট রঘুনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এমএ মালেক ডিগ্রি কলেজ, দক্ষিণ-পশ্চিম রঘুনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পার্শ্ববর্তী মির্জাগঞ্জ উপজেলার আকতার হোসেন চৌধুরী মেমোরিয়াল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদেরও এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়। বর্ষ মৌসুম শুরুর পর থেকে সড়কটিতে কোন প্রকার যানবাহন চলে না। এখন বৃষ্টি হলে গর্তে পানি জমে পুরো রাস্তাই কাদামাটি হয়ে যায়। রাস্তাটি দিয়ে হেঁটে চলাই মুশকিল হয়ে পড়েছে। কাঁচা কাদা মাটির সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো সড়ক কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়কটির সংস্কারের দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বর্ষা মৌসুমে হাঁটুসমান কাদা জমে যাওয়ায় পথচারীদের চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
এলাকার শিক্ষার্থীরা জানান, প্রতিদিন বিদ্যালয় ও কলেজে যেতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়। অনেক সময় কাদা মাড়িয়ে কিংবা জুতা হাতে নিয়ে চলাচল করতে হয়। কৃষকরাও তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে সমস্যায় পড়ছেন, ফলে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয়। জরুরি মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্স কিংবা অন্য কোনো যানবাহন সহজে প্রবেশ করতে পারে না।
এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটি পাকা করে জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দিয়ে দ্রুত সড়কটির উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হলে হাজারো মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে।
ছোট রঘুনাথপুরের বাসিন্দা বারেক হাওলাদার বলেন, গ্রামবাসী মিলে রাস্তাটি বিভিন্ন স্থানে মাটি দিয়ে কয়েকবার সংস্কার করা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে আবার বড় বড় গর্ত হয়ে গেছে। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তাটি ভেঙেও গেছে। চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জাহিদুল হাসান (বাবু) বলেন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ অব্যাহত আছে। দ্রুত রাস্তাটি পুনর্নির্মাণ কিংবা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
উপজেলা (এলজিইডি) প্রকৌশলী হাসনাই আহমেদ জানান, রাস্তাটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ এলেই দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রাহুতকাঠী খেয়াঘাটে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য খেয়াভাড়া মওকুফ করা হয়েছে। শেষ পরীক্ষা পর্যন্ত খেয়া পারাপারে তাদের দিতে হবে না ট্রলারভাড়া। আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। এদিকে প্রশাসনের এই শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী নাগরিক সংগঠন সুজন।
জানা যায়, উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নে সরকারি আবুল কালাম কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে প্রতিদিন কয়েকশো শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা রাহুতকাঠী খেয়াঘাট থেকে পারাপার হন। এই সুযোগে খেয়াঘাটে বাড়তি ভাড়া আদায় ও হয়রানি অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে খেয়াভাড়া মওকুফ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন ছাত্রপক্ষের নেতা রাকিব সিকদার।
মঙ্গলবার ওই লিখিত আবেদন নিয়ে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী নেতৃত্বে ছাত্রপক্ষের আহবায়ক আইয়ুব নবীসহ ছাত্রনেতাদের একটি প্রতিনিধি দল বাবুগঞ্জের ইউএনওর সাথে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা করেন। এসময় ছাত্রনেতাদের অনুরোধে পরীক্ষার্থীদের জন্য রাহুতকাঠী খেয়াঘাটের ট্রলারভাড়া মওকুফের সিদ্ধান্ত নেন ইউএনও আসমা উল হুসনা। রাহুতকাঠী খেয়াঘাটের ইজারাদারকে ওই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য তাৎক্ষণিক নির্দেশনাও দেন তিনি।
এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী বলেন, 'এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের রাহুতকাঠী খেয়াঘাটে ট্রলারভাড়া মওকুফ, মাদক প্রতিরোধ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়ে আলোচনার জন্য এবি পার্টির ছাত্রপক্ষের প্রতিনিধি দলের সাথে ইউএনওর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইউএনও মহোদয় সার্বিক বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষার্থীদের জন্য রাহুতকাঠী খেয়াঘাটের ভাড়া মওকুফ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ছাত্রদের দাবির বিষয়ে তার কুইক রেসপন্সসহ অন্যান্য বিষয়েও তার নিষ্ঠা এবং আন্তরিকতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।'
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের খেয়াভাড়া মওকুফের ঘটনায় অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, 'শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও স্বার্থরক্ষায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তাঁর নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ অসাধারণ। তিনি উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়ে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছেন। মাদক উদ্ধার, বালু উত্তোলন এবং মাটি চুরির ঘটনায় তার পরিচালিত মোবাইল কোর্টের অভিযান প্রশংসার দাবি রাখে। প্রশাসনের একজন জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর এসব মানবিক ও জনহিতৈষী কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকুক।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'ছাত্রদের একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসে রাহুতকাঠী খেয়াঘাটে পরীক্ষার্থীদের জন্য খেয়াভাড়া মওকুফ করার দাবি জানান। তারা এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদনও করেন। পরে তাৎক্ষণিকভাবে এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পরীক্ষার্থীদের জন্য খেয়া পারাপারে ট্রলারভাড়া মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং খেয়াঘাটের ইজারাদারকে সাথেসাথেই তা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরীক্ষা দিতে আসা-যাওয়া করা শিক্ষার্থীরা তাদের এডমিট কার্ড বা পরীক্ষার প্রমাণপত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে বিনামূল্যে খেয়া পারাপার হতে পারবেন।' #
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রাহুতকাঠী খেয়াঘাটে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য খেয়াভাড়া মওকুফ করা হয়েছে। শেষ পরীক্ষা পর্যন্ত খেয়া পারাপারে তাদের দিতে হবে না ট্রলারভাড়া। আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। এদিকে প্রশাসনের এই শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী নাগরিক সংগঠন সুজন।
জানা যায়, উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নে সরকারি আবুল কালাম কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে প্রতিদিন কয়েকশো শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা রাহুতকাঠী খেয়াঘাট থেকে পারাপার হন। এই সুযোগে খেয়াঘাটে বাড়তি ভাড়া আদায় ও হয়রানি অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে খেয়াভাড়া মওকুফ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন ছাত্রপক্ষের নেতা রাকিব সিকদার।
মঙ্গলবার ওই লিখিত আবেদন নিয়ে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী নেতৃত্বে ছাত্রপক্ষের আহবায়ক আইয়ুব নবীসহ ছাত্রনেতাদের একটি প্রতিনিধি দল বাবুগঞ্জের ইউএনওর সাথে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা করেন। এসময় ছাত্রনেতাদের অনুরোধে পরীক্ষার্থীদের জন্য রাহুতকাঠী খেয়াঘাটের ট্রলারভাড়া মওকুফের সিদ্ধান্ত নেন ইউএনও আসমা উল হুসনা। রাহুতকাঠী খেয়াঘাটের ইজারাদারকে ওই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য তাৎক্ষণিক নির্দেশনাও দেন তিনি।
এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী বলেন, 'এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের রাহুতকাঠী খেয়াঘাটে ট্রলারভাড়া মওকুফ, মাদক প্রতিরোধ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়ে আলোচনার জন্য এবি পার্টির ছাত্রপক্ষের প্রতিনিধি দলের সাথে ইউএনওর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইউএনও মহোদয় সার্বিক বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষার্থীদের জন্য রাহুতকাঠী খেয়াঘাটের ভাড়া মওকুফ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ছাত্রদের দাবির বিষয়ে তার কুইক রেসপন্সসহ অন্যান্য বিষয়েও তার নিষ্ঠা এবং আন্তরিকতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।'
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের খেয়াভাড়া মওকুফের ঘটনায় অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, 'শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও স্বার্থরক্ষায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তাঁর নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ অসাধারণ। তিনি উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়ে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছেন। মাদক উদ্ধার, বালু উত্তোলন এবং মাটি চুরির ঘটনায় তার পরিচালিত মোবাইল কোর্টের অভিযান প্রশংসার দাবি রাখে। প্রশাসনের একজন জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর এসব মানবিক ও জনহিতৈষী কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকুক।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'ছাত্রদের একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসে রাহুতকাঠী খেয়াঘাটে পরীক্ষার্থীদের জন্য খেয়াভাড়া মওকুফ করার দাবি জানান। তারা এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদনও করেন। পরে তাৎক্ষণিকভাবে এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পরীক্ষার্থীদের জন্য খেয়া পারাপারে ট্রলারভাড়া মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং খেয়াঘাটের ইজারাদারকে সাথেসাথেই তা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরীক্ষা দিতে আসা-যাওয়া করা শিক্ষার্থীরা তাদের এডমিট কার্ড বা পরীক্ষার প্রমাণপত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে বিনামূল্যে খেয়া পারাপার হতে পারবেন।' #
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১৬:২২
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৫৩
০৯ জুলাই, ২০২৬ ০০:১৭
০৮ জুলাই, ২০২৬ ২২:৩৬