
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৭
ভোলার বোরহানউদ্দিনে মেঘনা নদীতে বেড়েছে সশস্ত্র ডাকাত দলের উপদ্রব। এতে উপকূলীয় প্রায় ৪০ হাজার জেলের জীবন-জীবিকা চরম হুমকির মুখে পড়েছে। গত কয়েক দিনে ট্রলারে হামলা, দুর্ধর্ষ ডাকাতি এবং অস্ত্রের মুখে জেলে অপহরণের ঘটনায় নদীজুড়ে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী জেলেরা বলছেন, রাতের আঁধারে ডাকাতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে প্রাণের ভয়ে তারা সন্ধ্যার পর মাছ শিকারে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। এমন পরিস্থিতিতে জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মেঘনায় কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশের নিয়মিত টহল জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মৎস্যজীবীরা।
জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ১১ জানুয়ারি রাতে হাকিমউদ্দিন মৎস্য ঘাট এলাকায় তিনটি ট্রলারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি এবং আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে চার জেলেকে অপহরণের ঘটনায় নদীজুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
অপহরণের পর কয়েক দফায় প্রায় দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে জেলেরা ফিরে আসলেও প্রাণের ভয়ে সন্ধ্যার পর নদীতে নামতে সাহস পাচ্ছেন না অধিকাংশ মৎস্যজীবী। বর্তমানে নদীতে ইলিশের দেখা মিললেও ডাকাতদের দৌরাত্ম্যে রাতে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ১৯ হাজারেরও বেশি নিবন্ধিত জেলেসহ সংশ্লিষ্ট আড়তদারেরা।
জয়া গ্রামের জেলে মহিউদ্দিন মাঝি জানান, ডাকাতরা তাকেসহ ৪ জনকে অপহরণ করে নিয়ে যায় এবং চোখ বেঁধে বেদম মারধর করে। পরে আড়তদারের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে তিনি রক্ষা পান। একইভাবে রাসেল মাঝি জানান, ওই রাতে তিনটি ট্রলার থেকে অপহৃত জেলেরা প্রায় দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরেছেন।
একই এলাকার জেলে মো. শাহিন মাঝি ও মিজান মাঝি জানান, বর্তমানে মেঘনা নদীতে কিছুটা ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে। দিনের চেয়ে রাতেই মাছের পরিমাণ বেশি পাওয়া যায়। কিন্তু ডাকাতের ভয়ে আমরা জেলেরা সন্ধ্যার পরে নদীতে যেতে ভয় পাই। কারণ, গত কয়েক দিন আগে আমাদের ৪ জেলেকে ডাকাতরা অপহরণ করে মুক্তিপণ দিয়ে ছেড়েছে।
তারা আরও জানান, আমাদের পরিবার থেকেও নদীতে যেতে বারণ করা হচ্ছে। কিন্তু কি করবো, নদীতে না গেলে খাবো কি? অন্য কোনো কাজও জানি না। বেলাল মাঝি ও রুহুল আমিন মাঝি জানান, কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ যদি সন্ধ্যার পরে নদীতে টহল কার্যক্রম রাখে তাহলে দিনে মতো রাতেও আমরা নিরাপদে মাছ ধরতে পারবো।
তবে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের স্টাফ অফিসার অপারেশন লে. কমান্ডার মাহবুব হোসেন জানান, মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে সম্প্রতি ডাকাতির ঘটনার পর থেকে আমাদের টহল কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। ডাকাতদের গতিবিধি শনাক্তে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে গোয়েন্দা নজরদারীও জোরদার করা হয়েছে।
জেলে ও মৎস্যজীবীদের সঙ্গে কথা বলে ডাকাত চক্রের তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ৯টি ইউনিয়নের জেলে রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার। এর মধ্যে সরকারিভাবে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৯ হাজার ৮৩৮ জন।
ভোলার বোরহানউদ্দিনে মেঘনা নদীতে বেড়েছে সশস্ত্র ডাকাত দলের উপদ্রব। এতে উপকূলীয় প্রায় ৪০ হাজার জেলের জীবন-জীবিকা চরম হুমকির মুখে পড়েছে। গত কয়েক দিনে ট্রলারে হামলা, দুর্ধর্ষ ডাকাতি এবং অস্ত্রের মুখে জেলে অপহরণের ঘটনায় নদীজুড়ে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী জেলেরা বলছেন, রাতের আঁধারে ডাকাতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে প্রাণের ভয়ে তারা সন্ধ্যার পর মাছ শিকারে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। এমন পরিস্থিতিতে জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মেঘনায় কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশের নিয়মিত টহল জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মৎস্যজীবীরা।
জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ১১ জানুয়ারি রাতে হাকিমউদ্দিন মৎস্য ঘাট এলাকায় তিনটি ট্রলারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি এবং আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে চার জেলেকে অপহরণের ঘটনায় নদীজুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
অপহরণের পর কয়েক দফায় প্রায় দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে জেলেরা ফিরে আসলেও প্রাণের ভয়ে সন্ধ্যার পর নদীতে নামতে সাহস পাচ্ছেন না অধিকাংশ মৎস্যজীবী। বর্তমানে নদীতে ইলিশের দেখা মিললেও ডাকাতদের দৌরাত্ম্যে রাতে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ১৯ হাজারেরও বেশি নিবন্ধিত জেলেসহ সংশ্লিষ্ট আড়তদারেরা।
জয়া গ্রামের জেলে মহিউদ্দিন মাঝি জানান, ডাকাতরা তাকেসহ ৪ জনকে অপহরণ করে নিয়ে যায় এবং চোখ বেঁধে বেদম মারধর করে। পরে আড়তদারের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে তিনি রক্ষা পান। একইভাবে রাসেল মাঝি জানান, ওই রাতে তিনটি ট্রলার থেকে অপহৃত জেলেরা প্রায় দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরেছেন।
একই এলাকার জেলে মো. শাহিন মাঝি ও মিজান মাঝি জানান, বর্তমানে মেঘনা নদীতে কিছুটা ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে। দিনের চেয়ে রাতেই মাছের পরিমাণ বেশি পাওয়া যায়। কিন্তু ডাকাতের ভয়ে আমরা জেলেরা সন্ধ্যার পরে নদীতে যেতে ভয় পাই। কারণ, গত কয়েক দিন আগে আমাদের ৪ জেলেকে ডাকাতরা অপহরণ করে মুক্তিপণ দিয়ে ছেড়েছে।
তারা আরও জানান, আমাদের পরিবার থেকেও নদীতে যেতে বারণ করা হচ্ছে। কিন্তু কি করবো, নদীতে না গেলে খাবো কি? অন্য কোনো কাজও জানি না। বেলাল মাঝি ও রুহুল আমিন মাঝি জানান, কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ যদি সন্ধ্যার পরে নদীতে টহল কার্যক্রম রাখে তাহলে দিনে মতো রাতেও আমরা নিরাপদে মাছ ধরতে পারবো।
তবে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের স্টাফ অফিসার অপারেশন লে. কমান্ডার মাহবুব হোসেন জানান, মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে সম্প্রতি ডাকাতির ঘটনার পর থেকে আমাদের টহল কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। ডাকাতদের গতিবিধি শনাক্তে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে গোয়েন্দা নজরদারীও জোরদার করা হয়েছে।
জেলে ও মৎস্যজীবীদের সঙ্গে কথা বলে ডাকাত চক্রের তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ৯টি ইউনিয়নের জেলে রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার। এর মধ্যে সরকারিভাবে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৯ হাজার ৮৩৮ জন।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৫
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাসন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দুজন সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওনা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ভোলাগামী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাসন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দুজন সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওনা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ভোলাগামী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০১:১৪
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের এমপি প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, ভারত শেখ হাসিনাকে ১৬ বছর ক্ষমতায় রেখেছে। পতনের পর আবার তারা সেই মাসির দেশে আশ্রয় নিয়েছে। ভারত আমাদের গোলাম হিসেবে রাখতে চায়। তবে খেয়ে থাকি, আর না খেয়ে থাকি আমরা ভারতের গোলামী করবো না।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়ন দক্ষিণের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে নবীনগর বাজারে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অন্যায় ও অবৈধভাবে শেখ হাসিনা ১৫ বছর দেশকে শাসন করেছেন। শেখ হাসিনার এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ করতো তাদের আয়না ঘরে বন্দি করা হতো। সেখানে চালানো হতো অমানবিক নির্যাতন।
তিনি আরও বলেন, হ্যাঁ-না ভোটের আইনি কোনো ভিত্তি নেই। বিএনপির এতে আপত্তি ছিল। তবে নির্বাচনে ঠিকমতো না হওয়ার শঙ্কায় বিএনপি অনিচ্ছা শর্তেও রাজি হয়েছে। নির্বাচনের পর এটি আবার বিশ্লেষণ করে দেখা হবে।
বদরপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ শাখা বিএনপি’র সভাপতি মো. মারুফের সভাপতিত্বে এ সময় লালমোহন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. শফিউল্যাহ হাওলাদার, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদারসহ বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের এমপি প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, ভারত শেখ হাসিনাকে ১৬ বছর ক্ষমতায় রেখেছে। পতনের পর আবার তারা সেই মাসির দেশে আশ্রয় নিয়েছে। ভারত আমাদের গোলাম হিসেবে রাখতে চায়। তবে খেয়ে থাকি, আর না খেয়ে থাকি আমরা ভারতের গোলামী করবো না।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়ন দক্ষিণের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে নবীনগর বাজারে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অন্যায় ও অবৈধভাবে শেখ হাসিনা ১৫ বছর দেশকে শাসন করেছেন। শেখ হাসিনার এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ করতো তাদের আয়না ঘরে বন্দি করা হতো। সেখানে চালানো হতো অমানবিক নির্যাতন।
তিনি আরও বলেন, হ্যাঁ-না ভোটের আইনি কোনো ভিত্তি নেই। বিএনপির এতে আপত্তি ছিল। তবে নির্বাচনে ঠিকমতো না হওয়ার শঙ্কায় বিএনপি অনিচ্ছা শর্তেও রাজি হয়েছে। নির্বাচনের পর এটি আবার বিশ্লেষণ করে দেখা হবে।
বদরপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ শাখা বিএনপি’র সভাপতি মো. মারুফের সভাপতিত্বে এ সময় লালমোহন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. শফিউল্যাহ হাওলাদার, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদারসহ বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০১:১২
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাস চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দু’জন সম্পর্কে আপন শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওয়ানা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে অপরদিক থেকে আসা ভোলাগামী যাত্রীবাহী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাস চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দু’জন সম্পর্কে আপন শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওয়ানা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে অপরদিক থেকে আসা ভোলাগামী যাত্রীবাহী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.