
০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০১
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের বিএনপি নেতার হুমকির বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ হুমকির কারণে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে করে ভোটাররা কেন্দ্রমুখী না হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের নির্বাচনী প্রচারণায় সোনারগাঁ থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিনের এ হুমকির বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেল ৪টায় সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট সাদিপুর এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় নিজাম উদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, ধানের শীষ প্রতীক ছাড়া অন্য কোনো প্রতীকে ভোট দিলে নির্বাচনের পর কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না।
ওই বক্তব্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর গত দুদিন ধরে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভয় ও উৎকণ্ঠা বেড়ে যায়।
ভিডিওতে দেখা যায়, নিজামউদ্দিন বক্তব্যকালে সভায় উপস্থিত ছিলেন, মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবু জাহের, মোগরাপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শামীম আহমেদ, মোগরাপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক বাবুল আহমেদ, যুবদল নেতা রাকিব হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির থেকে পদত্যাগী পৌরসভার আহবায়ক ওমর ফারুক টিটু, তার ভাই ওসমান গণি রিতু প্রমুখ।
ভোটাররা জানান, এ ধরনের হুমকিমূলক বক্তব্য সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করছে। ভোটার ও সাধারণ মানুষ নিজেদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন। এমন হলে তারা ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন না বলে জানিয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী অঞ্জন দাস জানান, একজন প্রার্থীর পক্ষে বিএনপি নেতার হুমকি বিষয়টি নিয়ে সুষ্ঠু ভোটের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির আশংকায় রয়েছেন। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছেন।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত সোনারগাঁ থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন জানান, তার আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে তিনি উঠান বৈঠক করেন। তার কিছু আত্মীয় স্বজন বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে থাকলেও গোপনে অন্য প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নেয়। এ নিয়ে তার আত্মীয় স্বজনদের শাসিয়েছেন বলে দাবি করেন।
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার আসিফ আল জিনাত বলেন, ভিডিওর বিষয়টি তার নজরে এসেছে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের বিএনপি নেতার হুমকির বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ হুমকির কারণে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে করে ভোটাররা কেন্দ্রমুখী না হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের নির্বাচনী প্রচারণায় সোনারগাঁ থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিনের এ হুমকির বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেল ৪টায় সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট সাদিপুর এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় নিজাম উদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, ধানের শীষ প্রতীক ছাড়া অন্য কোনো প্রতীকে ভোট দিলে নির্বাচনের পর কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না।
ওই বক্তব্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর গত দুদিন ধরে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভয় ও উৎকণ্ঠা বেড়ে যায়।
ভিডিওতে দেখা যায়, নিজামউদ্দিন বক্তব্যকালে সভায় উপস্থিত ছিলেন, মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবু জাহের, মোগরাপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শামীম আহমেদ, মোগরাপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক বাবুল আহমেদ, যুবদল নেতা রাকিব হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির থেকে পদত্যাগী পৌরসভার আহবায়ক ওমর ফারুক টিটু, তার ভাই ওসমান গণি রিতু প্রমুখ।
ভোটাররা জানান, এ ধরনের হুমকিমূলক বক্তব্য সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করছে। ভোটার ও সাধারণ মানুষ নিজেদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন। এমন হলে তারা ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন না বলে জানিয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী অঞ্জন দাস জানান, একজন প্রার্থীর পক্ষে বিএনপি নেতার হুমকি বিষয়টি নিয়ে সুষ্ঠু ভোটের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির আশংকায় রয়েছেন। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছেন।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত সোনারগাঁ থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন জানান, তার আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে তিনি উঠান বৈঠক করেন। তার কিছু আত্মীয় স্বজন বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে থাকলেও গোপনে অন্য প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নেয়। এ নিয়ে তার আত্মীয় স্বজনদের শাসিয়েছেন বলে দাবি করেন।
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার আসিফ আল জিনাত বলেন, ভিডিওর বিষয়টি তার নজরে এসেছে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।

২০ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৫
লক্ষ্মীপুরের শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাত ১০টার দিকে ওই মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত শনিবার রাতে মাদ্রাসায় ধর্ষণের শিকার হয় ওই শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় গতকাল রাতেই ওই শিক্ষার্থীর মা গ্রেপ্তার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন।
গ্রেপ্তার অধ্যক্ষের নাম মো. আবদুল আহাদ (৪৫)। তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে তাকে লক্ষ্মীপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার ভুক্তভোগী ওই ছাত্র মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের ধর্ষণের ঘটনাটি জানায়। রাত প্রায় ৯টার দিকে ছাত্রের মা ও স্থানীয় লোকজন মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে আটক করে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আবদুল আহাদকে হেফাজতে নেয়।
চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রব সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মো. আবদুল আহাদকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
লক্ষ্মীপুরের শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাত ১০টার দিকে ওই মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত শনিবার রাতে মাদ্রাসায় ধর্ষণের শিকার হয় ওই শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় গতকাল রাতেই ওই শিক্ষার্থীর মা গ্রেপ্তার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন।
গ্রেপ্তার অধ্যক্ষের নাম মো. আবদুল আহাদ (৪৫)। তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে তাকে লক্ষ্মীপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার ভুক্তভোগী ওই ছাত্র মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের ধর্ষণের ঘটনাটি জানায়। রাত প্রায় ৯টার দিকে ছাত্রের মা ও স্থানীয় লোকজন মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে আটক করে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আবদুল আহাদকে হেফাজতে নেয়।
চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রব সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মো. আবদুল আহাদকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। এতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের নাম ও ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিষয়টি নজরে আসার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার পাশাপাশি নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সতর্কীকরণ বার্তা দিয়েছেন সিইও।
ফেসবুকে দেওয়া সতর্কবার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, একটি প্রতারক চক্র তার নাম, ছবি ও অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে সিসিক এলাকার বিভিন্ন নাগরিকের হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে যাচ্ছে। চক্রটি সরকারি অনুদান দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনেকের কাছে বিকাশ নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে প্রতারকদের ব্যবহৃত ছবিতে নামের বানান এবং পদবির তথ্যে ভুল রয়েছে।
সিইও মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের প্রতারণামূলক ফোন বা বার্তায় কোনোভাবেই সাড়া দেবেন না এবং কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য শেয়ার করবেন না। প্রয়োজনে সরাসরি সিলেট সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নগরবাসী যাতে প্রতারণার শিকার না হন সেজন্য তাদের সতর্ক করার পাশাপাশি ইতোমধ্যে সিসিক দপ্তর থেকে এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। এতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের নাম ও ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিষয়টি নজরে আসার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার পাশাপাশি নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সতর্কীকরণ বার্তা দিয়েছেন সিইও।
ফেসবুকে দেওয়া সতর্কবার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, একটি প্রতারক চক্র তার নাম, ছবি ও অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে সিসিক এলাকার বিভিন্ন নাগরিকের হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে যাচ্ছে। চক্রটি সরকারি অনুদান দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনেকের কাছে বিকাশ নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে প্রতারকদের ব্যবহৃত ছবিতে নামের বানান এবং পদবির তথ্যে ভুল রয়েছে।
সিইও মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের প্রতারণামূলক ফোন বা বার্তায় কোনোভাবেই সাড়া দেবেন না এবং কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য শেয়ার করবেন না। প্রয়োজনে সরাসরি সিলেট সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নগরবাসী যাতে প্রতারণার শিকার না হন সেজন্য তাদের সতর্ক করার পাশাপাশি ইতোমধ্যে সিসিক দপ্তর থেকে এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৪
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা দেওয়া এবং অকারণে ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা কার্যকর করতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংও করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা নয় বরং শিক্ষাই হোক প্রধান অগ্রাধিকার।
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা দেওয়া এবং অকারণে ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা কার্যকর করতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংও করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা নয় বরং শিক্ষাই হোক প্রধান অগ্রাধিকার।
২১ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৩৭
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩৯
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:১৮
২১ জুলাই, ২০২৬ ০৯:৪৫