
০২ মার্চ, ২০২৬ ১০:৪০
শেরপুরে একটি ভাঙাড়ির দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ মাদ্রাসার সরকারি পাঠ্যবই জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় শহরের নওহাটা এলাকায় মেসার্স রোকেয়া আয়রন স্টোর থেকে মাদ্রাসার বিভিন্ন শ্রেণির প্রায় ৮ হাজার সরকারি বই জব্দ করা হয়। দোকানটির মালিক শহরের বাগরাকসা এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম অপু। খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা হক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গিয়ে দোকানটি সিলগালা করে দেয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শহরের নওহাটা এলাকায় আব্দুর রহিম অপুর মালিকানাধীন রোকেয়া আয়রন স্টোরে দীর্ঘদিন থেকে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন বই অবৈধভাবে কেনাবেচা হতো। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের জানান। পরে রোববার সন্ধ্যায় ওই দোকানে অভিযান চালিয়ে এক ভ্যানগাড়ি ভর্তি ২০২৫ সালের মাদ্রাসার নতুন বই জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ। পরে দোকানের গুদামের ভেতর আরও বইয়ের সন্ধান পাওয়া যায়। এদিকে পরিস্থিতি টের পেয়ে সটকে পড়েন ভাঙাড়ি দোকানের মালিক ও কর্মচারীরা।
তবে ওই দোকানের ভ্যানগাড়ি চালক তজি মিয়া জানান, আমি এই গুদামের ভ্যানগাড়ি চালাই। মালিক বইগুলো আনতে বলেছিলেন। বইগুলো সরকারি কি-না- সেটা আমি জানি না।
স্থানীয় বাসিন্দা সিদ্দিক আহমেদ জানান, গত বছর বইয়ের সংকটের কারণে একেক শিক্ষার্থীকে ৩/৪টি করে বই দেওয়া হয়েছিল। অথচ এরাই নতুন বই লুকিয়ে রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
সদর থানার এসআই সুশান্ত বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্যানগাড়িসহ নতুন বইগুলো জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। আর ইউএনও মহোদয় গুদামটি সিলগালা করে রেখেছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা হক জানান, খবর পেয়ে ভ্যানগাড়ির বইগুলো জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। বইগুলো সদর উপজেলার কোনো মাদ্রাসার হতে পারে। ঘটনা তদন্তে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
শেরপুরে একটি ভাঙাড়ির দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ মাদ্রাসার সরকারি পাঠ্যবই জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় শহরের নওহাটা এলাকায় মেসার্স রোকেয়া আয়রন স্টোর থেকে মাদ্রাসার বিভিন্ন শ্রেণির প্রায় ৮ হাজার সরকারি বই জব্দ করা হয়। দোকানটির মালিক শহরের বাগরাকসা এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম অপু। খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা হক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গিয়ে দোকানটি সিলগালা করে দেয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শহরের নওহাটা এলাকায় আব্দুর রহিম অপুর মালিকানাধীন রোকেয়া আয়রন স্টোরে দীর্ঘদিন থেকে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন বই অবৈধভাবে কেনাবেচা হতো। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের জানান। পরে রোববার সন্ধ্যায় ওই দোকানে অভিযান চালিয়ে এক ভ্যানগাড়ি ভর্তি ২০২৫ সালের মাদ্রাসার নতুন বই জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ। পরে দোকানের গুদামের ভেতর আরও বইয়ের সন্ধান পাওয়া যায়। এদিকে পরিস্থিতি টের পেয়ে সটকে পড়েন ভাঙাড়ি দোকানের মালিক ও কর্মচারীরা।
তবে ওই দোকানের ভ্যানগাড়ি চালক তজি মিয়া জানান, আমি এই গুদামের ভ্যানগাড়ি চালাই। মালিক বইগুলো আনতে বলেছিলেন। বইগুলো সরকারি কি-না- সেটা আমি জানি না।
স্থানীয় বাসিন্দা সিদ্দিক আহমেদ জানান, গত বছর বইয়ের সংকটের কারণে একেক শিক্ষার্থীকে ৩/৪টি করে বই দেওয়া হয়েছিল। অথচ এরাই নতুন বই লুকিয়ে রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
সদর থানার এসআই সুশান্ত বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্যানগাড়িসহ নতুন বইগুলো জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। আর ইউএনও মহোদয় গুদামটি সিলগালা করে রেখেছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা হক জানান, খবর পেয়ে ভ্যানগাড়ির বইগুলো জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। বইগুলো সদর উপজেলার কোনো মাদ্রাসার হতে পারে। ঘটনা তদন্তে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

৩০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৩
পটুয়াখালীর বাউফলে অপসাংবাদিকতা রোধে করণীয় শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বাউফল প্রেসক্লাব ও বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটির যৌথ উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাউফল প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সিদ্দিকু রহমান। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সাংবাদিক অতুল পাল, বাউফল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো.জসীমউদ্দীন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিলন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, তোফাজ্জল হোসেন, এম এ বাসার, এবিএম মিজানুর রহমান, শিবলী সাদেক, রইসুল ইসলাম ইমনসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, অপসাংবাদিকতা পেশাদার সাংবাদিকতার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে। তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ, ব্যক্তিস্বার্থে সাংবাদিকতার অপব্যবহার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তারা সাংবাদিকদের নৈতিকতা, পেশাগত দায়িত্ববোধ, বস্তুনিষ্ঠতা ও তথ্যনির্ভর সংবাদ পরিবেশনের ওপর গুরুত্বরোপ করেন।
বক্তারা বলেন, প্রকৃত সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থেকে অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ ও পেশাগত মানোন্নয়নে উদ্যোগ নিতে হবে।
সভায় উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
পটুয়াখালীর বাউফলে অপসাংবাদিকতা রোধে করণীয় শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বাউফল প্রেসক্লাব ও বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটির যৌথ উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাউফল প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সিদ্দিকু রহমান। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সাংবাদিক অতুল পাল, বাউফল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো.জসীমউদ্দীন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিলন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, তোফাজ্জল হোসেন, এম এ বাসার, এবিএম মিজানুর রহমান, শিবলী সাদেক, রইসুল ইসলাম ইমনসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, অপসাংবাদিকতা পেশাদার সাংবাদিকতার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে। তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ, ব্যক্তিস্বার্থে সাংবাদিকতার অপব্যবহার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তারা সাংবাদিকদের নৈতিকতা, পেশাগত দায়িত্ববোধ, বস্তুনিষ্ঠতা ও তথ্যনির্ভর সংবাদ পরিবেশনের ওপর গুরুত্বরোপ করেন।
বক্তারা বলেন, প্রকৃত সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থেকে অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ ও পেশাগত মানোন্নয়নে উদ্যোগ নিতে হবে।
সভায় উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

৩০ জুন, ২০২৬ ১২:৪৬
বরিশালের বাবুগঞ্জে ইনক্লুসিভ আই হেলথ (IEH) প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিনামূল্যে চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) উদ্যোগে সোমবার (২৯ জুলাই) উপজেলা পরিষদ হলরুমে ওই অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা।
সভায় অতিথিদের মধ্যে মতবিনিময় ও আলোচনায় অংশ নেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এ.কে.এম মনিরুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলীম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহেল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবায়েদা আক্তার, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসিমা বেগম, জাতীয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সংস্থার বরিশাল জেলা শাখার পরিচালক মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক আরতি রাণী, মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাহফুজুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মহসিন উদ্দিন শামীম প্রমুখ।
অবহিতকরণ সভায় ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) প্রজেক্ট ম্যানেজার নূর আল সিদ্দিকুর খান। ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন কোডেকের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার আতিকুর রহমান। এসময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রতিবন্ধী সংগঠনের প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত অংশীজনরা প্রকল্পের উদ্দেশ্য, বাস্তবায়ন কৌশল এবং প্রত্যাশিত ও সম্ভাব্য ইতিবাচক ফলাফলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একইসাথে অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও চোখের সমস্যা দূরীকরণে বিদ্যালয়ভিত্তিক চক্ষু পরীক্ষা কর্মসূচি, কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সহজপ্রাপ্য ও টেকসই চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উপস্থিত সকলে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভাপতির সমাপনী বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'বাবুগঞ্জ একটি ইতিবাচক জায়গা। দূর থেকে যে যা-ই বলুক, আমার এখানে কাজ করতে এসে এমনটাই মনে হয়েছে। কোডেক বাবুগঞ্জের প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা প্রশংসার দাবিদার। তাদের এই ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রজেক্ট সফল হোক। আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করলে একটি সুন্দর মডেল বাবুগঞ্জ উপজেলা গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য সকলের সদিচ্ছা এবং আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।' #
বরিশালের বাবুগঞ্জে ইনক্লুসিভ আই হেলথ (IEH) প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিনামূল্যে চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) উদ্যোগে সোমবার (২৯ জুলাই) উপজেলা পরিষদ হলরুমে ওই অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা।
সভায় অতিথিদের মধ্যে মতবিনিময় ও আলোচনায় অংশ নেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এ.কে.এম মনিরুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলীম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহেল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবায়েদা আক্তার, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসিমা বেগম, জাতীয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সংস্থার বরিশাল জেলা শাখার পরিচালক মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক আরতি রাণী, মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাহফুজুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মহসিন উদ্দিন শামীম প্রমুখ।
অবহিতকরণ সভায় ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) প্রজেক্ট ম্যানেজার নূর আল সিদ্দিকুর খান। ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন কোডেকের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার আতিকুর রহমান। এসময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রতিবন্ধী সংগঠনের প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত অংশীজনরা প্রকল্পের উদ্দেশ্য, বাস্তবায়ন কৌশল এবং প্রত্যাশিত ও সম্ভাব্য ইতিবাচক ফলাফলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একইসাথে অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও চোখের সমস্যা দূরীকরণে বিদ্যালয়ভিত্তিক চক্ষু পরীক্ষা কর্মসূচি, কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সহজপ্রাপ্য ও টেকসই চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উপস্থিত সকলে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভাপতির সমাপনী বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'বাবুগঞ্জ একটি ইতিবাচক জায়গা। দূর থেকে যে যা-ই বলুক, আমার এখানে কাজ করতে এসে এমনটাই মনে হয়েছে। কোডেক বাবুগঞ্জের প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা প্রশংসার দাবিদার। তাদের এই ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রজেক্ট সফল হোক। আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করলে একটি সুন্দর মডেল বাবুগঞ্জ উপজেলা গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য সকলের সদিচ্ছা এবং আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।' #

২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
মারা গেছেন আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী আবদুল আহাদ মোমান্দ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আবদুল আহাদ মোমান্দ শুধু আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারীই নন, ইতিহাসের চতুর্থ মুসলিম মহাকাশচারী হিসেবেও পরিচিত। ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘মির’ মহাকাশ স্টেশনে অভিযানে যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন। মহাকাশে অবস্থানকালে কোরআন তেলাওয়াত করার ঘটনাও তাকে মুসলিম বিশ্বে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
ঐতিহাসিক সেই অভিযানে তিনি টানা নয় দিন মহাকাশে অবস্থান করেন এবং আফগানিস্তানের জন্য গড়ে তোলেন এক অনন্য অর্জনের ইতিহাস।
গজনি প্রদেশে জন্ম নেওয়া মোমান্দ পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের সময় জার্মানিতে চলে যান। এর আগে মস্কোর ইউরি গ্যাগরিন বিমানবাহিনী একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটজনের একজন ছিলেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘ইন্টারকসমস’ কর্মসূচির আওতায় মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও মুসলিম বিশ্বের গৌরবময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল নাম আবদুল আহাদ মোমান্দের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাঁর মহাকাশযাত্রা ও অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
মারা গেছেন আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী আবদুল আহাদ মোমান্দ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আবদুল আহাদ মোমান্দ শুধু আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারীই নন, ইতিহাসের চতুর্থ মুসলিম মহাকাশচারী হিসেবেও পরিচিত। ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘মির’ মহাকাশ স্টেশনে অভিযানে যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন। মহাকাশে অবস্থানকালে কোরআন তেলাওয়াত করার ঘটনাও তাকে মুসলিম বিশ্বে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
ঐতিহাসিক সেই অভিযানে তিনি টানা নয় দিন মহাকাশে অবস্থান করেন এবং আফগানিস্তানের জন্য গড়ে তোলেন এক অনন্য অর্জনের ইতিহাস।
গজনি প্রদেশে জন্ম নেওয়া মোমান্দ পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের সময় জার্মানিতে চলে যান। এর আগে মস্কোর ইউরি গ্যাগরিন বিমানবাহিনী একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটজনের একজন ছিলেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘ইন্টারকসমস’ কর্মসূচির আওতায় মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও মুসলিম বিশ্বের গৌরবময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল নাম আবদুল আহাদ মোমান্দের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাঁর মহাকাশযাত্রা ও অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৩
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:৪৬
২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০