
১৪ জুন, ২০২৫ ১৩:৩১
নেছারাবাদে ঢাকাগামী বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও সময়মতো বাস না ছাড়ার অভিযোগে সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়েছে। শুক্রবার (১৩ জুন) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলা সেনা ক্যাম্পের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারী বাস কাউন্টারগুলোকে যাত্রীদের টাকা ফেরত দিতে বাধ্য করা হয়। কেউ কেউ টিকিট কেটেও নির্ধারিত সময়ে বাস না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে তাঁরা টাকা ফেরত পান।
ঢাকাগামী যাত্রী কাউসার মাহামুদ বলেন, ‘আমি স্টার ডিলাক্স বাস কাউন্টার থেকে ৮০০ টাকায় টিকিট কাটি। বিকেলে বাস ছাড়ার কথা থাকলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত বাস আসে না। পরে সেনাবাহিনী এলে কাউন্টার মালিক পালিয়ে যান। এরপর আমরা টাকা ফেরত পাই।’
একই কাউন্টার থেকে টিকিট কাটা মো. হাসান বলেন, ‘পাঁচটায় গাড়ি ছাড়ার কথা থাকলেও বাস আসেনি। সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে টাকা ফেরত পেয়েছি।’ আরেক যাত্রী উজ্জ্বল সাহা জানান, তিনি যমুনা লাইন থেকে ১ হাজার টাকায় ঢাকাগামী টিকিট কেনেন। পরে অতিরিক্ত ২০০ টাকা ফেরত পেয়েছেন।
অভিযুক্ত বাস কাউন্টার মালিকেরা বলেন, ‘ঈদের সময় যাত্রী বেশি থাকায় গাড়ির মালিকদের চাপে ভাড়া কিছুটা বাড়ানো হয়। এ ছাড়া ঢাকায় গিয়ে খালি ফিরে আসতে হয়, তাই বাড়তি খরচ পুষিয়ে নিতে কিছুটা বাড়তি ভাড়া নেওয়া হয়।’
স্থানীয়রা বলেন, ‘ঈদ ও পূজার সময় নিয়মিতভাবেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় যাত্রীরা জিম্মি হয়ে পড়ে। সেনাবাহিনীর এমন তৎপরতা থাকলে সাধারণ যাত্রীরা স্বস্তিতে চলাচল করতে পারবে।’
নেছারাবাদে ঢাকাগামী বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও সময়মতো বাস না ছাড়ার অভিযোগে সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়েছে। শুক্রবার (১৩ জুন) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলা সেনা ক্যাম্পের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারী বাস কাউন্টারগুলোকে যাত্রীদের টাকা ফেরত দিতে বাধ্য করা হয়। কেউ কেউ টিকিট কেটেও নির্ধারিত সময়ে বাস না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে তাঁরা টাকা ফেরত পান।
ঢাকাগামী যাত্রী কাউসার মাহামুদ বলেন, ‘আমি স্টার ডিলাক্স বাস কাউন্টার থেকে ৮০০ টাকায় টিকিট কাটি। বিকেলে বাস ছাড়ার কথা থাকলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত বাস আসে না। পরে সেনাবাহিনী এলে কাউন্টার মালিক পালিয়ে যান। এরপর আমরা টাকা ফেরত পাই।’
একই কাউন্টার থেকে টিকিট কাটা মো. হাসান বলেন, ‘পাঁচটায় গাড়ি ছাড়ার কথা থাকলেও বাস আসেনি। সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে টাকা ফেরত পেয়েছি।’ আরেক যাত্রী উজ্জ্বল সাহা জানান, তিনি যমুনা লাইন থেকে ১ হাজার টাকায় ঢাকাগামী টিকিট কেনেন। পরে অতিরিক্ত ২০০ টাকা ফেরত পেয়েছেন।
অভিযুক্ত বাস কাউন্টার মালিকেরা বলেন, ‘ঈদের সময় যাত্রী বেশি থাকায় গাড়ির মালিকদের চাপে ভাড়া কিছুটা বাড়ানো হয়। এ ছাড়া ঢাকায় গিয়ে খালি ফিরে আসতে হয়, তাই বাড়তি খরচ পুষিয়ে নিতে কিছুটা বাড়তি ভাড়া নেওয়া হয়।’
স্থানীয়রা বলেন, ‘ঈদ ও পূজার সময় নিয়মিতভাবেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় যাত্রীরা জিম্মি হয়ে পড়ে। সেনাবাহিনীর এমন তৎপরতা থাকলে সাধারণ যাত্রীরা স্বস্তিতে চলাচল করতে পারবে।’

০৮ মে, ২০২৬ ১৮:৩৬
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে কামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে নগদ ২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে।
গত ৭ মে সকালে আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের কলাতলা স্কুলের সামনে এই দুর্ধর্ষ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. কামাল হোসেন (৪৫) বাদী হয়ে কাঠালিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনার বিবরণ ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রগুয়ার দড়িরচর এলাকার মো. সুলতান হাওলাদারের ছেলে কামাল হোসেন গত ৭ মে সকাল ১০টার দিকে বাড়ি থেকে টলি গাড়ি কেনার উদ্দেশ্যে বাখেরগঞ্জের দিকে রওনা হন।
তিনি যখন আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের স্থানীয় কলাতলা স্কুলের সামনে পৌঁছান, তখন পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা একদল ছিনতাইকারী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে।
বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেন, মো. সোহেল (৩৫) ও মো. হেমায়েত (৪৬) সহ আরও ৫/৬ জন অজ্ঞাতনামা ভারাটে সন্ত্রাসীরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে এলাপাতালি পিটিয়ে আহত করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করে।
একপর্যায়ে তার কাছে থাকা টলি গাড়ি কেনার নগদ ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। এ সময় কামাল হোসেন ডাক চিৎকার করলে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে সন্ত্রাসীরা।স্থানীয়রা উদ্ধার করে আহত কামাল হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে ভর্তি করে ।
ঘটনার পর স্থানীয় ব্যক্তি ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ দাখিল করেছেন তিনি। অভিযোগে মো. মিটু, মো. ইব্রাহিম এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সিরাজুল হোসেনসহ বেশ কয়েকজনকে সাক্ষী রাখা হয়েছে।
কাঠালিয়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লিখিত অভিযোগটি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্তরা এলাকায় 'বখাটে প্রকৃতির' এবং মানুষের সাথে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের কাজে লিপ্ত তাদের জ্বালায় অতিষ্ঠ ও দিশেহারা মানুষ বলে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে কামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে নগদ ২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে।
গত ৭ মে সকালে আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের কলাতলা স্কুলের সামনে এই দুর্ধর্ষ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. কামাল হোসেন (৪৫) বাদী হয়ে কাঠালিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনার বিবরণ ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রগুয়ার দড়িরচর এলাকার মো. সুলতান হাওলাদারের ছেলে কামাল হোসেন গত ৭ মে সকাল ১০টার দিকে বাড়ি থেকে টলি গাড়ি কেনার উদ্দেশ্যে বাখেরগঞ্জের দিকে রওনা হন।
তিনি যখন আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের স্থানীয় কলাতলা স্কুলের সামনে পৌঁছান, তখন পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা একদল ছিনতাইকারী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে।
বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেন, মো. সোহেল (৩৫) ও মো. হেমায়েত (৪৬) সহ আরও ৫/৬ জন অজ্ঞাতনামা ভারাটে সন্ত্রাসীরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে এলাপাতালি পিটিয়ে আহত করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করে।
একপর্যায়ে তার কাছে থাকা টলি গাড়ি কেনার নগদ ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। এ সময় কামাল হোসেন ডাক চিৎকার করলে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে সন্ত্রাসীরা।স্থানীয়রা উদ্ধার করে আহত কামাল হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে ভর্তি করে ।
ঘটনার পর স্থানীয় ব্যক্তি ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ দাখিল করেছেন তিনি। অভিযোগে মো. মিটু, মো. ইব্রাহিম এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সিরাজুল হোসেনসহ বেশ কয়েকজনকে সাক্ষী রাখা হয়েছে।
কাঠালিয়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লিখিত অভিযোগটি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্তরা এলাকায় 'বখাটে প্রকৃতির' এবং মানুষের সাথে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের কাজে লিপ্ত তাদের জ্বালায় অতিষ্ঠ ও দিশেহারা মানুষ বলে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

০৭ মে, ২০২৬ ১৪:৩৮
ঝালকাঠির আলোচিত শামীম আহমেদ (৫৭) ওরফে জর্দা শামীমকে ছয় বোতল বিদেশি মদসহ গ্রেফতার করেছে রংপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার (০৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলাধীন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (০৭ মে) দুপুরে বরিশালটাইমসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক। গ্রেফতার শামীম ঝালকাঠি পৌর এলাকার পূর্ব কাঠপট্টি মহল্লার মৃত শাহাবুদ্দিন মিয়ার ছেলে এবং ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক লীগের সহসভাপতি।
পুলিশ সুপার জানান, শামীমের কাছ থেকে ছয় বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
ঝালকাঠির শামীম আহমেদ এলাকায় ‘জর্দা শামীম’ হিসেবেই বেশি পরিচিত। মূলত তিনি একজন ব্যবসায়ী হলেও তার কর্মকাণ্ড এবং জীবনযাপন নিয়ে অনেক আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং তাদের ছত্রছায়ায় এলাকায় নিজের প্রভাব বলয় তৈরি করার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে ঝালকাঠির প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার সখ্যতাকে পুঁজি করে তিনি নানা কাজ হাসিল করতেন বলে জনশ্রুতি আছে।
এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল, টর্চার সেলে নারী-পুরুষদের আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অভিযোগ আছে যে, তিনি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবসা-বাণিজ্য ও হাট-বাজার নিয়ন্ত্রণে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট পরিচালনা করতেন। এলাকায় ব্যক্তিগত ক্যাডার বাহিনী পালন এবং আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে ভীতি তৈরির অভিযোগও স্থানীয়রা বিভিন্ন সময় তুলেছেন।
ঝালকাঠির আলোচিত শামীম আহমেদ (৫৭) ওরফে জর্দা শামীমকে ছয় বোতল বিদেশি মদসহ গ্রেফতার করেছে রংপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার (০৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলাধীন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (০৭ মে) দুপুরে বরিশালটাইমসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক। গ্রেফতার শামীম ঝালকাঠি পৌর এলাকার পূর্ব কাঠপট্টি মহল্লার মৃত শাহাবুদ্দিন মিয়ার ছেলে এবং ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক লীগের সহসভাপতি।
পুলিশ সুপার জানান, শামীমের কাছ থেকে ছয় বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
ঝালকাঠির শামীম আহমেদ এলাকায় ‘জর্দা শামীম’ হিসেবেই বেশি পরিচিত। মূলত তিনি একজন ব্যবসায়ী হলেও তার কর্মকাণ্ড এবং জীবনযাপন নিয়ে অনেক আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং তাদের ছত্রছায়ায় এলাকায় নিজের প্রভাব বলয় তৈরি করার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে ঝালকাঠির প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার সখ্যতাকে পুঁজি করে তিনি নানা কাজ হাসিল করতেন বলে জনশ্রুতি আছে।
এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল, টর্চার সেলে নারী-পুরুষদের আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অভিযোগ আছে যে, তিনি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবসা-বাণিজ্য ও হাট-বাজার নিয়ন্ত্রণে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট পরিচালনা করতেন। এলাকায় ব্যক্তিগত ক্যাডার বাহিনী পালন এবং আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে ভীতি তৈরির অভিযোগও স্থানীয়রা বিভিন্ন সময় তুলেছেন।

০৬ মে, ২০২৬ ১৭:১৩
কারাবন্দি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমুর ঝালকাঠি শহরের বাসবভনে আবারো হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। বুধবার (৬ মে) দুপুরে শহরের রোনালসে সড়কের বাসভবনে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরে ওইদিনই বিকেলে ঝালকাঠিতে আমুর বাসভবনে ভাঙচুর করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
পরে বাসাটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়। রাতে ওই ভবননের ভেতর থেকে পাঁচ লাখ টাকা ও ডলার উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ ঘটনার পর ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। প্রধান ফটকটিও ছিল খোলা। স্থানীয় বাসিন্দারা ভাঙা ভবনের মধ্যে ময়লা আবর্জনা ফেলতেন।
পরে সোমবার রাতের আঁধারে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ভবনটি সুরক্ষার জন্য প্রধান ফটকে টিনের বেড়া দিয়ে আটকে দেয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। খবর পেয়ে তারা বুধবার দুপুরে ভবনটির প্রধান ফটকের টিনের বেড়া খুলে ভাঙচুর চালায়।
ঝালকাঠি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আল তৌফিক লিখন বলেন, ফ্যাসিস্ট আমলে আমির হোসেন আমু ছিলেন আওয়ামী লীগের একজন নীতিনির্ধারক। তাই তার বাসবভনটি পুড়িয়ে ময়লার ভাগাড় বানানো হয়েছে। এই ভবন যারা সংরক্ষণের উদ্যোগ নেবে, তাদের প্রতিহত করা হবে। ভবনটি ভাঙাচোরা দেখে সবার মনে থাকবে, কেউ ভবিষ্যতে যেন ফ্যাসিবাদী হয়ে না যায়। তাহলে তাদের পরিণামও এমন হবে।
ঝালকাঠি জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ইয়াসিন ফৈরদৌস ইফতি বলেন, এই বাড়িটি ফ্যাসিস্টদের চিহ্ন হিসেবে থাকবে। এখানে কোনো প্রকার সংস্কার করতে দেওয়া হবে না। যারা করতে আসবে, তাদের জবাব দেওয়া হবে। এখানে বসেই আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছিল। এটি ভাঙাচোরা স্মৃতি হিসেবে থাকবে।
কারাবন্দি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমুর ঝালকাঠি শহরের বাসবভনে আবারো হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। বুধবার (৬ মে) দুপুরে শহরের রোনালসে সড়কের বাসভবনে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরে ওইদিনই বিকেলে ঝালকাঠিতে আমুর বাসভবনে ভাঙচুর করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
পরে বাসাটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়। রাতে ওই ভবননের ভেতর থেকে পাঁচ লাখ টাকা ও ডলার উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ ঘটনার পর ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। প্রধান ফটকটিও ছিল খোলা। স্থানীয় বাসিন্দারা ভাঙা ভবনের মধ্যে ময়লা আবর্জনা ফেলতেন।
পরে সোমবার রাতের আঁধারে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ভবনটি সুরক্ষার জন্য প্রধান ফটকে টিনের বেড়া দিয়ে আটকে দেয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। খবর পেয়ে তারা বুধবার দুপুরে ভবনটির প্রধান ফটকের টিনের বেড়া খুলে ভাঙচুর চালায়।
ঝালকাঠি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আল তৌফিক লিখন বলেন, ফ্যাসিস্ট আমলে আমির হোসেন আমু ছিলেন আওয়ামী লীগের একজন নীতিনির্ধারক। তাই তার বাসবভনটি পুড়িয়ে ময়লার ভাগাড় বানানো হয়েছে। এই ভবন যারা সংরক্ষণের উদ্যোগ নেবে, তাদের প্রতিহত করা হবে। ভবনটি ভাঙাচোরা দেখে সবার মনে থাকবে, কেউ ভবিষ্যতে যেন ফ্যাসিবাদী হয়ে না যায়। তাহলে তাদের পরিণামও এমন হবে।
ঝালকাঠি জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ইয়াসিন ফৈরদৌস ইফতি বলেন, এই বাড়িটি ফ্যাসিস্টদের চিহ্ন হিসেবে থাকবে। এখানে কোনো প্রকার সংস্কার করতে দেওয়া হবে না। যারা করতে আসবে, তাদের জবাব দেওয়া হবে। এখানে বসেই আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছিল। এটি ভাঙাচোরা স্মৃতি হিসেবে থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.