Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১২ মে, ২০২৬ ১২:৫৩
ভোলায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বিক্রির উদ্দেশে ২২ মণ ওজনের ‘কালাচান’ ও ১৮ মণ ওজনের ‘সাদাচান’ নামে দুটি গরু প্রস্তুত করেছেন এক খামারি। যা আশপাশের লোকজনের মধ্যে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চরমনোষা গ্রামের বেপারি বাড়িতে দুলাল বেপারি আসন্ন ঈদকে ঘিরে তার খামারে পরমযত্নে দেশীয় পদ্ধতিতে মোট ১০টি গরু লালন-পালন করছেন। এরমধ্যেই রয়েছে হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের কালাচান ও সাদাচান।
কালাচানের দাম হাঁকাচ্ছেন ৮ লাখ টাকা ও সাদাচানের দাম ৭ লাখ টাকা। প্রতিটি গরুকে ভিন্নভাবে দৈনিক দুই বেলায় খাওয়ানো হয় ৯ কেজি করে ১৮ কেজি দাদানার খাবার। এ ছাড়া, খামারটির ছোট সাইজের আরও সাতটি গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
সরেজমিনে খামারটি ঘুরে দেখা যায়, শেষ মুহূর্তের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি। এতে জড়িত রয়েছেন খামারির স্ত্রী ও ছেলে। এ যেন নিজেদের পরিবারেরই সদস্যে পরিণত হয়েছে গরুগুলো।
খামারি জানান, স্থানীয় মালেরহাট এলাকার একটি খামার থেকে কালাচান ও সাদাচানের মাকে ক্রয় করেন তিনি।
বাচ্চা প্রসবের পর পুনরায় প্রজনন ক্ষমতা হারানোয় হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের সেসব গরু বিক্রি করে বাচ্চা দুটিকে লালন-পালন শুরু করেন। বর্তমানে কালাচান ও সাদাচানের বয়স প্রায় তিন বছর।
খামারি দুলাল বেপারি বলেন, আমি পেশায় একজন গরুর বেপারী, কেনাবেচা করি। আমার খামারের হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের দুটি গাভীর বাচ্চা হচ্ছে কালাচান আর সাদাচান।
গত তিন বছর ধরে দেশীয় পদ্ধতিতে লালন-পালন করতেছি। কালাচানের ওজন প্রায় ২২ মণ আর সাদাচানের ওজন প্রায় ১৮ মণ। কালাচানের দাম নির্ধারণ করেছি ৮ লাখ আর সাদাচানের দাম ৭ লাখ। মোট ১৫ লাখ টাকার কমে গরু দুটি বিক্রি করলে ক্ষতি হবে।
তিনি আরও বলেন, কালাচান আর সাদাচান আমার অনেক শখের গরু। গরুগুলোকে সন্তানের মতো আদর-যত্নে বড় করেছি। প্রতিটি গরুকে সকাল-বিকেল ৯ কেজি করে দানাদার খাবার খাওয়াই, এরমধ্যে রয়েছে ২ কেজি মিস্টি কুমড়া, ১ কেজি আলু, ১ কেজি গরুর ফিড, আড়াই কেজি ভুট্টার ভূসি ও আড়াই কেজি গমের ভূসি। এ ছাড়া, প্রতিদিন দুপুরে ৫ কেজি করে খেতে উৎপাদিত জার্মান ঘাস (নল ঘাস) খাওয়াই।
প্রতি শুক্রবারে ১ কেজি করে আপেল অথবা কমলা খাওয়াই। আসলে গত দেড় বছর ধরে গো খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, ৫০ কেজির প্রতি বস্তা ভূসির দাম বেড়েছে প্রকারভেদে ২৫০-৪০০ টাকা, এতে বেড়েছে উৎপাদন খরচ।
খামারি দুলাল বেপারি আরও বলেন, আমি গরু দুটির আকাশছোঁয়া দাম নির্ধারণ করেনি, ১৫ লাখ টাকার কমে বিক্রি করলে আমার মূলধন উঠবে না, খরচ হয়েছে বেশি। এর কমে হলে গরুগুলো বিক্রি করবো না, খামারে রেখে আরও একবছর পালবো।
আমার গরুর কোনো ঝুঁকি নেই, কোনো অসৎ উপায়ে গরু মোটাতাজা করিনি। এ ছাড়া, আমার খামারের ১০টি গরুর মধ্যে ৯টি গরু বিক্রি করবো, পরবর্তীতে আবার কিনবো। মূলত গরু পালন করার উদ্দেশ হলো- প্রতিদিন অল্পঅল্প করে বিনিয়োগ করি, পরবর্তীতে গরু বিক্রি করলে একসঙ্গে টাকা পাই। তবে আশা করছি, এ বছর ন্যায্য দামে আমার গরুগুলো বিক্রি করতে পারবো, এতে লাভবান হবো।
খামারির ছেলে মো. আমিন বলেন, প্রায় তিন বছর ধরে লালন-পালন করতে করতে কালাচান ও সাদাচান আমাদের পরিবারের সদস্যে পরিণত হয়েছে। পড়াশোনার পাশাপাশি খামারে গরুর যত্ন নেই। এতবড় গরু, অথচ আমাদের সঙ্গে শিশুর মতো আচরণ করে, গরুগুলো বিক্রির কথা মাথায় আসলে মন খারাপ হয়ে যায়।
ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. সাইফুল আজিজুল ও সালাম বেপারি ঢাকা পোস্টকে বলেন, কালাচান ও সাদাচানের মতো এত বড় গরু আমাদের গ্রামে আর নেই। গরুগুলো দেখতে দূরদূরান্তের মানুষজন আসেন। সময় পেলেই আমরা গরুগুলো দেখতে যাই। আমাদেরও ইচ্ছে আছে দুলাল বেপারির মতো গরুর খামার দেব এবং বড় বড় গরু পালবো।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খাঁন বলেন, খামারি দুলাল বেপারি আমাদের সঙ্গে সার্বিক পরামর্শ করে প্রাকৃতিক উপায়ে কালাচান ও সাদাচানকে লালন-পালন করছেন। আশা করছি তিনি কাঙ্খিত দামে গরুগুলো বিক্রি করতে পারবেন এবং তিনি লাভবান হবেন। খামারিরা যেন লাভবান হতে পারেন সেজন্য আমরা তাদেরকে প্রযুক্তিগত অন্যান্য পরামর্শ প্রদান করছি।
ভোলায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বিক্রির উদ্দেশে ২২ মণ ওজনের ‘কালাচান’ ও ১৮ মণ ওজনের ‘সাদাচান’ নামে দুটি গরু প্রস্তুত করেছেন এক খামারি। যা আশপাশের লোকজনের মধ্যে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চরমনোষা গ্রামের বেপারি বাড়িতে দুলাল বেপারি আসন্ন ঈদকে ঘিরে তার খামারে পরমযত্নে দেশীয় পদ্ধতিতে মোট ১০টি গরু লালন-পালন করছেন। এরমধ্যেই রয়েছে হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের কালাচান ও সাদাচান।
কালাচানের দাম হাঁকাচ্ছেন ৮ লাখ টাকা ও সাদাচানের দাম ৭ লাখ টাকা। প্রতিটি গরুকে ভিন্নভাবে দৈনিক দুই বেলায় খাওয়ানো হয় ৯ কেজি করে ১৮ কেজি দাদানার খাবার। এ ছাড়া, খামারটির ছোট সাইজের আরও সাতটি গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
সরেজমিনে খামারটি ঘুরে দেখা যায়, শেষ মুহূর্তের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি। এতে জড়িত রয়েছেন খামারির স্ত্রী ও ছেলে। এ যেন নিজেদের পরিবারেরই সদস্যে পরিণত হয়েছে গরুগুলো।
খামারি জানান, স্থানীয় মালেরহাট এলাকার একটি খামার থেকে কালাচান ও সাদাচানের মাকে ক্রয় করেন তিনি।
বাচ্চা প্রসবের পর পুনরায় প্রজনন ক্ষমতা হারানোয় হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের সেসব গরু বিক্রি করে বাচ্চা দুটিকে লালন-পালন শুরু করেন। বর্তমানে কালাচান ও সাদাচানের বয়স প্রায় তিন বছর।
খামারি দুলাল বেপারি বলেন, আমি পেশায় একজন গরুর বেপারী, কেনাবেচা করি। আমার খামারের হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের দুটি গাভীর বাচ্চা হচ্ছে কালাচান আর সাদাচান।
গত তিন বছর ধরে দেশীয় পদ্ধতিতে লালন-পালন করতেছি। কালাচানের ওজন প্রায় ২২ মণ আর সাদাচানের ওজন প্রায় ১৮ মণ। কালাচানের দাম নির্ধারণ করেছি ৮ লাখ আর সাদাচানের দাম ৭ লাখ। মোট ১৫ লাখ টাকার কমে গরু দুটি বিক্রি করলে ক্ষতি হবে।
তিনি আরও বলেন, কালাচান আর সাদাচান আমার অনেক শখের গরু। গরুগুলোকে সন্তানের মতো আদর-যত্নে বড় করেছি। প্রতিটি গরুকে সকাল-বিকেল ৯ কেজি করে দানাদার খাবার খাওয়াই, এরমধ্যে রয়েছে ২ কেজি মিস্টি কুমড়া, ১ কেজি আলু, ১ কেজি গরুর ফিড, আড়াই কেজি ভুট্টার ভূসি ও আড়াই কেজি গমের ভূসি। এ ছাড়া, প্রতিদিন দুপুরে ৫ কেজি করে খেতে উৎপাদিত জার্মান ঘাস (নল ঘাস) খাওয়াই।
প্রতি শুক্রবারে ১ কেজি করে আপেল অথবা কমলা খাওয়াই। আসলে গত দেড় বছর ধরে গো খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, ৫০ কেজির প্রতি বস্তা ভূসির দাম বেড়েছে প্রকারভেদে ২৫০-৪০০ টাকা, এতে বেড়েছে উৎপাদন খরচ।
খামারি দুলাল বেপারি আরও বলেন, আমি গরু দুটির আকাশছোঁয়া দাম নির্ধারণ করেনি, ১৫ লাখ টাকার কমে বিক্রি করলে আমার মূলধন উঠবে না, খরচ হয়েছে বেশি। এর কমে হলে গরুগুলো বিক্রি করবো না, খামারে রেখে আরও একবছর পালবো।
আমার গরুর কোনো ঝুঁকি নেই, কোনো অসৎ উপায়ে গরু মোটাতাজা করিনি। এ ছাড়া, আমার খামারের ১০টি গরুর মধ্যে ৯টি গরু বিক্রি করবো, পরবর্তীতে আবার কিনবো। মূলত গরু পালন করার উদ্দেশ হলো- প্রতিদিন অল্পঅল্প করে বিনিয়োগ করি, পরবর্তীতে গরু বিক্রি করলে একসঙ্গে টাকা পাই। তবে আশা করছি, এ বছর ন্যায্য দামে আমার গরুগুলো বিক্রি করতে পারবো, এতে লাভবান হবো।
খামারির ছেলে মো. আমিন বলেন, প্রায় তিন বছর ধরে লালন-পালন করতে করতে কালাচান ও সাদাচান আমাদের পরিবারের সদস্যে পরিণত হয়েছে। পড়াশোনার পাশাপাশি খামারে গরুর যত্ন নেই। এতবড় গরু, অথচ আমাদের সঙ্গে শিশুর মতো আচরণ করে, গরুগুলো বিক্রির কথা মাথায় আসলে মন খারাপ হয়ে যায়।
ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. সাইফুল আজিজুল ও সালাম বেপারি ঢাকা পোস্টকে বলেন, কালাচান ও সাদাচানের মতো এত বড় গরু আমাদের গ্রামে আর নেই। গরুগুলো দেখতে দূরদূরান্তের মানুষজন আসেন। সময় পেলেই আমরা গরুগুলো দেখতে যাই। আমাদেরও ইচ্ছে আছে দুলাল বেপারির মতো গরুর খামার দেব এবং বড় বড় গরু পালবো।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খাঁন বলেন, খামারি দুলাল বেপারি আমাদের সঙ্গে সার্বিক পরামর্শ করে প্রাকৃতিক উপায়ে কালাচান ও সাদাচানকে লালন-পালন করছেন। আশা করছি তিনি কাঙ্খিত দামে গরুগুলো বিক্রি করতে পারবেন এবং তিনি লাভবান হবেন। খামারিরা যেন লাভবান হতে পারেন সেজন্য আমরা তাদেরকে প্রযুক্তিগত অন্যান্য পরামর্শ প্রদান করছি।

২৩ জুন, ২০২৬ ২৩:০৪
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকা আয়রন ব্রিজ বালুবাহী ট্রাকসহ ভেঙে পড়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হেলপারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
২৩ জুন (মঙ্গলবার) রমাগঞ্জ ইউনিয়নের আজহার রোডের পূর্ব মাথায়, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগকারী ব্রিজে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত চালকের নাম নাঈম (২৩)। তিনি ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চতলা এলাকার বাসিন্দা ফরিদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগস্থলে অবস্থিত এই আয়রন ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এলাকাবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করছিলেন।
আজ একটি বালুবাহী ট্রাক ব্রিজটি পার হওয়ার চেষ্টা করলে জরাজীর্ণ ব্রিজটি ওজন সহ্য করতে না পেরে খালের মধ্যে ভেঙে পড়ে।
ঘটনাস্থলেই ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে চালক নাঈমের মৃত্যু হয়। ট্রাকে থাকা তার সহকারী (হেলপার) সুমন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে বিপজ্জনক অবস্থায় থাকলেও তা সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যার খেসারত দিতে হলো একটি তাজা প্রাণ দিয়ে। তারা অবিলম্বে এখানে একটি নতুন ও স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বরিশাল টাইমস

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:৩০
ভোলার মনপুরায় বিএনপি অফিসে জুয়ার আসর বসানোর ভিডিও ফেইসবুকে ভাইরাল হয়েছে।ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের আনন্দবাজার বিএনপি অফিসে এ জুয়ার আসরটি বসানো হয়।
গত কয়েকদিন ধরে এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
এদিকে এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন থানা প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন বলে জানান বিএনপির একাধিক নেতা। পরে পুলিশ গিয়ে ওই অফিসটি বন্ধ করে দেয় বলে নিশ্চিত করেন মনপুরা থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম।
এদিকে বিএনপির নেতারা দাবী করেন, এটি একটি ক্লাব। বিএনপির অফিস নয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার আনন্দবাজার বিএনপির ব্যানার ফেস্টুন টাঙ্গানো অফিসটিতে দুই গ্রুপে বসে জুয়া খেলছে। চেয়ার-টেবিলে বসে এক গ্রুপ, অন্য গ্রুপ নিচে গোল হয়ে বসে খেলছে। এই সময় তাদের মধ্যে টাকা উঠানোকে নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলছিল।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা শ্রমিকদলের যুগ্ন সম্পাদক শামসুদ্দিন দোকান ঘরটি ভাড়া নিয়ে বিএনপি অফিস খুলেন। তাকে এলাকায় কোবা শামসু নামে পরিচিত। তিনি এখানকার সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম গ্রুপ করতেন। তিনি উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের আনন্দবাজার সংলগ্ন ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা ও ঘরের মালিক থেকে দোকানঘরটি ভাড়া নেন।
ওই শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে গত ঈদুল আজহা থেকে কিছুদিন বিএনপির অফিসে জুয়ার আসর চলে। পরে অফিসটি পুলিশ বন্ধ করে দেয়। তারপর থেকে ওই শ্রমিকদল নেতা শামসুদ্দিন পলাতক রয়েছে।
এই ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ কামাল উদ্দিন জানান, এটি বিএনপির অফিস নয়, এটি শামসুদ্দিন নিজে ভাড়া নিয়ে ক্লাব করেছে। পরে এমপি সাহেবের হস্তক্ষেপে পুলিশ ক্লাবটি বন্ধ করে দেয়।
এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, এমপি সাহেবের নির্দেশে পুলিশ গিয়ে ক্লাবটি বন্ধ করে দেয়। তবে এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাসহ গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে। এছাড়া মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ।
বরিশাল টাইমস

২১ জুন, ২০২৬ ১৯:৫১
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর তিন স্থানে কবর খোঁড়া হলেও অসিয়ত করে যাওয়ার স্থানে দাফন করতে দেননি সন্তানরা।
এমন অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন সন্তানের বিরুদ্ধে। নজিরবিহীন এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৫টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার দুই স্ত্রী ও বিভিন্ন স্ত্রীদের ১০ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছেন।
সন্তানদের অভিযোগ, তিনি রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে যান। এ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই মরদেহ দাফনে এমন বাধা সৃষ্টি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বারেক বলেন, ভাই-বোনদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছিল। মৃত্যুর আগে তাদের বাবা জলিল পণ্ডিত মীমাংসা করে দিতে পারেনি, তাই মৃত্যুর পরে এ জটিলাতার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানের এক কোণায় জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এদিকে এ ঘটনায় সন্তানদের একপক্ষের অভিযোগ, জলিল পণ্ডিতের চতুর্থ স্ত্রীর ছোট মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে গোপনে দলিল করে অধিকাংশ সম্পত্তি দিয়ে গেছেন এবং সে জমিতেই তাকে দাফন করতে হবে।
আর এতেই বাধে বিপত্তি। আরেকপক্ষ সে দাবি মানেনি। কবরের জন্য অসিহত করা স্থান নির্ধারণ নিয়েই মূলত বাবার মরদেহ দাফনের পরিবর্তে উঠানে রেখেই সন্তানদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানে নামমাত্র জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, বর্তমানে জলিল পণ্ডিতের ২ স্ত্রী রয়েছেন। তাদের ১০ সন্তান।
সন্তানদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সন্তানদের শান্ত করে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকা আয়রন ব্রিজ বালুবাহী ট্রাকসহ ভেঙে পড়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হেলপারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
২৩ জুন (মঙ্গলবার) রমাগঞ্জ ইউনিয়নের আজহার রোডের পূর্ব মাথায়, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগকারী ব্রিজে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত চালকের নাম নাঈম (২৩)। তিনি ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চতলা এলাকার বাসিন্দা ফরিদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগস্থলে অবস্থিত এই আয়রন ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এলাকাবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করছিলেন।
আজ একটি বালুবাহী ট্রাক ব্রিজটি পার হওয়ার চেষ্টা করলে জরাজীর্ণ ব্রিজটি ওজন সহ্য করতে না পেরে খালের মধ্যে ভেঙে পড়ে।
ঘটনাস্থলেই ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে চালক নাঈমের মৃত্যু হয়। ট্রাকে থাকা তার সহকারী (হেলপার) সুমন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে বিপজ্জনক অবস্থায় থাকলেও তা সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যার খেসারত দিতে হলো একটি তাজা প্রাণ দিয়ে। তারা অবিলম্বে এখানে একটি নতুন ও স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার মনপুরায় বিএনপি অফিসে জুয়ার আসর বসানোর ভিডিও ফেইসবুকে ভাইরাল হয়েছে।ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের আনন্দবাজার বিএনপি অফিসে এ জুয়ার আসরটি বসানো হয়।
গত কয়েকদিন ধরে এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
এদিকে এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন থানা প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন বলে জানান বিএনপির একাধিক নেতা। পরে পুলিশ গিয়ে ওই অফিসটি বন্ধ করে দেয় বলে নিশ্চিত করেন মনপুরা থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম।
এদিকে বিএনপির নেতারা দাবী করেন, এটি একটি ক্লাব। বিএনপির অফিস নয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার আনন্দবাজার বিএনপির ব্যানার ফেস্টুন টাঙ্গানো অফিসটিতে দুই গ্রুপে বসে জুয়া খেলছে। চেয়ার-টেবিলে বসে এক গ্রুপ, অন্য গ্রুপ নিচে গোল হয়ে বসে খেলছে। এই সময় তাদের মধ্যে টাকা উঠানোকে নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলছিল।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা শ্রমিকদলের যুগ্ন সম্পাদক শামসুদ্দিন দোকান ঘরটি ভাড়া নিয়ে বিএনপি অফিস খুলেন। তাকে এলাকায় কোবা শামসু নামে পরিচিত। তিনি এখানকার সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম গ্রুপ করতেন। তিনি উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের আনন্দবাজার সংলগ্ন ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা ও ঘরের মালিক থেকে দোকানঘরটি ভাড়া নেন।
ওই শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে গত ঈদুল আজহা থেকে কিছুদিন বিএনপির অফিসে জুয়ার আসর চলে। পরে অফিসটি পুলিশ বন্ধ করে দেয়। তারপর থেকে ওই শ্রমিকদল নেতা শামসুদ্দিন পলাতক রয়েছে।
এই ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ কামাল উদ্দিন জানান, এটি বিএনপির অফিস নয়, এটি শামসুদ্দিন নিজে ভাড়া নিয়ে ক্লাব করেছে। পরে এমপি সাহেবের হস্তক্ষেপে পুলিশ ক্লাবটি বন্ধ করে দেয়।
এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, এমপি সাহেবের নির্দেশে পুলিশ গিয়ে ক্লাবটি বন্ধ করে দেয়। তবে এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাসহ গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে। এছাড়া মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ।
বরিশাল টাইমস
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর তিন স্থানে কবর খোঁড়া হলেও অসিয়ত করে যাওয়ার স্থানে দাফন করতে দেননি সন্তানরা।
এমন অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন সন্তানের বিরুদ্ধে। নজিরবিহীন এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৫টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার দুই স্ত্রী ও বিভিন্ন স্ত্রীদের ১০ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছেন।
সন্তানদের অভিযোগ, তিনি রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে যান। এ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই মরদেহ দাফনে এমন বাধা সৃষ্টি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বারেক বলেন, ভাই-বোনদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছিল। মৃত্যুর আগে তাদের বাবা জলিল পণ্ডিত মীমাংসা করে দিতে পারেনি, তাই মৃত্যুর পরে এ জটিলাতার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানের এক কোণায় জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এদিকে এ ঘটনায় সন্তানদের একপক্ষের অভিযোগ, জলিল পণ্ডিতের চতুর্থ স্ত্রীর ছোট মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে গোপনে দলিল করে অধিকাংশ সম্পত্তি দিয়ে গেছেন এবং সে জমিতেই তাকে দাফন করতে হবে।
আর এতেই বাধে বিপত্তি। আরেকপক্ষ সে দাবি মানেনি। কবরের জন্য অসিহত করা স্থান নির্ধারণ নিয়েই মূলত বাবার মরদেহ দাফনের পরিবর্তে উঠানে রেখেই সন্তানদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানে নামমাত্র জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, বর্তমানে জলিল পণ্ডিতের ২ স্ত্রী রয়েছেন। তাদের ১০ সন্তান।
সন্তানদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সন্তানদের শান্ত করে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।