ঝিনাইদহে ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের মারধরে নিরব নামের এক যুবক নিহতের জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ফিলিং স্টেশন ভাঙচুর ও তিনটি বাসে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা।
শনিবার (৭ মার্চ) রাতে শহরের আরাপপুর এলাকার সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা তিন বাসে আগুন দেওয়া হয়। তবে এসব ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি বলে জানা গেছে।
নিহত নিরব কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার এলাকার বাদুরগাছা গ্রামের আলীমুর বিশ্বাসের ছেলে। তিনি ঝিনাইদহ শহরের সরকারি বালক বিদ্যালয়ের পাশে ফাস্টফুডের ব্যবসা করতেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন তিনি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, রাত প্রায় ৩টার দিকে বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানানো হবে।
এর আগে রাত প্রায় ১টার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতা শহরের আরাপপুর এলাকায় অবস্থিত সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর চালায়।
নিহত নিরব আহমেদের খালাতো ভাই সোহেল হোসেন বলেন, আমার ভাই সহজ-সরল ছিলেন। মোটরসাইকেলের তেল নিতে গিয়ে পাম্পের কর্মীদের সঙ্গে তার সামান্য কথাকাটাকাটি হয়। কিন্তু কর্মীরা সন্ত্রাসী কায়দায় লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে আমার ভাইকে হত্যা করেছে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।
সৃজনী পেট্রোল পাম্পের ক্যাশিয়ার আলামিন শেখ বলেন, শনিবার মধ্যরাতে অজ্ঞাতনামা ২০/৩০ জনের একটি দল পাম্পে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পুলিশ বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করে তিনটি মেশিন নষ্ট করেছে তারা।
ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহাফুজ হোসেন বলেন, ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি বাসে দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ করেছে। পাশাপাশি সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, শনিবার রাত ৮টার দিকে বাস টার্মিনাল এলাকার তাজ ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মচারীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের মারধরে নিরব মারা যান।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:১৭
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নতুন কোনো যৌথ বাহিনী গঠনের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে অতীতে পরিচালিত ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর মতো কোনো অভিযান চালানোরও পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নতুন সদর দপ্তরের ‘শুভারম্ভ ফলক’ উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আলাদা কোনো যৌথ বাহিনী গঠনের পরিকল্পনা সরকারের নেই। একইভাবে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর মতো অভিযান পরিচালনার বিষয়েও কোনো চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে না।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নতুন করে কোনো বাহিনী গঠনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
তবে দেশব্যাপী অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর সমন্বয়ে চলমান যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ, আনসারসহ সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
এ জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোকে আরও সক্রিয় ও তৎপর থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সরকারের লক্ষ্য নতুন কোনো বাহিনী গঠন নয়; বরং বিদ্যমান বাহিনীগুলোর সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা—সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন অবস্থানই তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নতুন কোনো যৌথ বাহিনী গঠনের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে অতীতে পরিচালিত ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর মতো কোনো অভিযান চালানোরও পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নতুন সদর দপ্তরের ‘শুভারম্ভ ফলক’ উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আলাদা কোনো যৌথ বাহিনী গঠনের পরিকল্পনা সরকারের নেই। একইভাবে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর মতো অভিযান পরিচালনার বিষয়েও কোনো চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে না।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নতুন করে কোনো বাহিনী গঠনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
তবে দেশব্যাপী অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর সমন্বয়ে চলমান যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ, আনসারসহ সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
এ জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোকে আরও সক্রিয় ও তৎপর থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সরকারের লক্ষ্য নতুন কোনো বাহিনী গঠন নয়; বরং বিদ্যমান বাহিনীগুলোর সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা—সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন অবস্থানই তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০৭
৫১তম বিশেষ বিসিএসের স্বাস্থ্য ক্যাডারে নিয়োগের আবেদন শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। আগামী ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীদের bpsc.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
আবেদন শুরু: ১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ১০টা
আবেদনের শেষ সময়: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, সন্ধ্যা ৬টা
ফি জমার শেষ সময়: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, সন্ধ্যা ৬টা
২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে যারা ইউজার আইডি পাবেন, তারা পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আবেদন ফি জমা দিতে পারবেন।
সাধারণ প্রার্থীদের জন্য আবেদন ফি ২০৫ টাকা। এর মধ্যে পরীক্ষার ফি ২০০ টাকা এবং ডেটা ভেরিফিকেশন চার্জ, ভ্যাট ও আইটিসহ ৫ টাকা রয়েছে।
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য মোট ফি ৫৫ টাকা। এর মধ্যে পরীক্ষার ফি ৫০ টাকা এবং ডেটা ভেরিফিকেশন চার্জ, ভ্যাট ও আইটিসহ ৫ টাকা।
আবেদন সম্পন্ন করার পর প্রার্থীকে ছবি আপলোড করতে হবে। ছবির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সর্বোচ্চ ৩০০×৩০০ পিক্সেল হতে হবে। তিন মাসের মধ্যে তোলা সানগ্লাসবিহীন রঙিন ছবি ব্যবহার করতে হবে। ছবির ফাইলের আকার সর্বোচ্চ ১০০ কিলোবাইট হতে পারবে।
স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ৩০০ এবং প্রস্থ সর্বোচ্চ ৮০ পিক্সেল হতে হবে। স্বাক্ষরের ফাইলের আকার সর্বোচ্চ ৬০ কিলোবাইট নির্ধারণ করা হয়েছে।
পিএসসি জানিয়েছে, আবেদন ফি জমা দেওয়ার আগে আবেদনপত্রে প্রয়োজনীয় সংশোধনের সুযোগ থাকবে। তবে একবার ফি জমা দেওয়ার পর আর কোনো তথ্য সংশোধন করা যাবে না।
অনলাইন আবেদন: bpsc.teletalk.com.bd
৫১তম বিশেষ বিসিএসের স্বাস্থ্য ক্যাডারে নিয়োগের আবেদন শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। আগামী ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীদের bpsc.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
আবেদন শুরু: ১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ১০টা
আবেদনের শেষ সময়: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, সন্ধ্যা ৬টা
ফি জমার শেষ সময়: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, সন্ধ্যা ৬টা
২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে যারা ইউজার আইডি পাবেন, তারা পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আবেদন ফি জমা দিতে পারবেন।
সাধারণ প্রার্থীদের জন্য আবেদন ফি ২০৫ টাকা। এর মধ্যে পরীক্ষার ফি ২০০ টাকা এবং ডেটা ভেরিফিকেশন চার্জ, ভ্যাট ও আইটিসহ ৫ টাকা রয়েছে।
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য মোট ফি ৫৫ টাকা। এর মধ্যে পরীক্ষার ফি ৫০ টাকা এবং ডেটা ভেরিফিকেশন চার্জ, ভ্যাট ও আইটিসহ ৫ টাকা।
আবেদন সম্পন্ন করার পর প্রার্থীকে ছবি আপলোড করতে হবে। ছবির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সর্বোচ্চ ৩০০×৩০০ পিক্সেল হতে হবে। তিন মাসের মধ্যে তোলা সানগ্লাসবিহীন রঙিন ছবি ব্যবহার করতে হবে। ছবির ফাইলের আকার সর্বোচ্চ ১০০ কিলোবাইট হতে পারবে।
স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ৩০০ এবং প্রস্থ সর্বোচ্চ ৮০ পিক্সেল হতে হবে। স্বাক্ষরের ফাইলের আকার সর্বোচ্চ ৬০ কিলোবাইট নির্ধারণ করা হয়েছে।
পিএসসি জানিয়েছে, আবেদন ফি জমা দেওয়ার আগে আবেদনপত্রে প্রয়োজনীয় সংশোধনের সুযোগ থাকবে। তবে একবার ফি জমা দেওয়ার পর আর কোনো তথ্য সংশোধন করা যাবে না।
অনলাইন আবেদন: bpsc.teletalk.com.bd

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৪৯
সাংগঠনিক অনিয়ম, নৈতিক পদস্খলন ও অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেনসহ একাধিক অভিযোগের পর বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ‘সাথী’ পদ হারিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার।
২০২৫ সালে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পর প্রথমে পদটি মুলতবি করা হয়। পরে অভিযোগের যথাযথ জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ার কথা উল্লেখ করে একই বছরের সেপ্টেম্বরের মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে পদটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় শিবির।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান।
তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি ২০২৫ সালের। কিছু অনিয়মের অভিযোগে তার সাথী পদ বাতিল করা হয়েছে।’
শাখা শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত ২০২৬ সালের ৩১ জুলাইয়ের একটি চিঠিতে আম্মারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, আম্মারের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলন, মৌলিক ইবাদত পালনে উদাসীনতা, মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও সম্পদের তছরুপের অভিযোগ ওঠে। সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও করা হয়।
এসব অভিযোগের পর ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে তার ‘সাথী’ পদ মুলতবি করা হয়। পরে অভিযোগগুলোর যথাযথ জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সেপ্টেম্বরের বৈঠকে পদটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও দাবি করা হয়, আম্মারের কর্মকাণ্ডের কারণে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তার কিছু কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এ কারণে সংগঠনের নেতাকর্মীদের তার অনলাইন ও অফলাইন কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের ইতিবাচক বা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া না দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে রাকসুর নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের তার সঙ্গে দাপ্তরিক সম্পর্ক রাখার কথা বলা হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি শাখা ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি এবং বর্তমানে রাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) মুস্তাকুর রহমান জাহিদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে আম্মারের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগের উল্লেখ করা হয়।
ওই চিঠিতে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল আম্মারের বিরুদ্ধে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের অভিযোগ নিয়ে ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি শাখা শিবিরের মাসিক সেক্রেটারিয়েট সভায় আলোচনা হয়।
সভায় অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তার ‘সাথী’ পদ মুলতবি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সালাউদ্দিন আম্মারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
সাংগঠনিক অনিয়ম, নৈতিক পদস্খলন ও অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেনসহ একাধিক অভিযোগের পর বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ‘সাথী’ পদ হারিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার।
২০২৫ সালে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পর প্রথমে পদটি মুলতবি করা হয়। পরে অভিযোগের যথাযথ জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ার কথা উল্লেখ করে একই বছরের সেপ্টেম্বরের মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে পদটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় শিবির।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান।
তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি ২০২৫ সালের। কিছু অনিয়মের অভিযোগে তার সাথী পদ বাতিল করা হয়েছে।’
শাখা শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত ২০২৬ সালের ৩১ জুলাইয়ের একটি চিঠিতে আম্মারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, আম্মারের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলন, মৌলিক ইবাদত পালনে উদাসীনতা, মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও সম্পদের তছরুপের অভিযোগ ওঠে। সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও করা হয়।
এসব অভিযোগের পর ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে তার ‘সাথী’ পদ মুলতবি করা হয়। পরে অভিযোগগুলোর যথাযথ জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সেপ্টেম্বরের বৈঠকে পদটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও দাবি করা হয়, আম্মারের কর্মকাণ্ডের কারণে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তার কিছু কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এ কারণে সংগঠনের নেতাকর্মীদের তার অনলাইন ও অফলাইন কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের ইতিবাচক বা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া না দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে রাকসুর নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের তার সঙ্গে দাপ্তরিক সম্পর্ক রাখার কথা বলা হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি শাখা ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি এবং বর্তমানে রাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) মুস্তাকুর রহমান জাহিদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে আম্মারের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগের উল্লেখ করা হয়।
ওই চিঠিতে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল আম্মারের বিরুদ্ধে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের অভিযোগ নিয়ে ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি শাখা শিবিরের মাসিক সেক্রেটারিয়েট সভায় আলোচনা হয়।
সভায় অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তার ‘সাথী’ পদ মুলতবি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সালাউদ্দিন আম্মারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

০৮ মার্চ, ২০২৬ ১১:৫২
ঝিনাইদহে ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের মারধরে নিরব নামের এক যুবক নিহতের জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ফিলিং স্টেশন ভাঙচুর ও তিনটি বাসে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা।
শনিবার (৭ মার্চ) রাতে শহরের আরাপপুর এলাকার সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা তিন বাসে আগুন দেওয়া হয়। তবে এসব ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি বলে জানা গেছে।
নিহত নিরব কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার এলাকার বাদুরগাছা গ্রামের আলীমুর বিশ্বাসের ছেলে। তিনি ঝিনাইদহ শহরের সরকারি বালক বিদ্যালয়ের পাশে ফাস্টফুডের ব্যবসা করতেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন তিনি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, রাত প্রায় ৩টার দিকে বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানানো হবে।
এর আগে রাত প্রায় ১টার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতা শহরের আরাপপুর এলাকায় অবস্থিত সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর চালায়।
নিহত নিরব আহমেদের খালাতো ভাই সোহেল হোসেন বলেন, আমার ভাই সহজ-সরল ছিলেন। মোটরসাইকেলের তেল নিতে গিয়ে পাম্পের কর্মীদের সঙ্গে তার সামান্য কথাকাটাকাটি হয়। কিন্তু কর্মীরা সন্ত্রাসী কায়দায় লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে আমার ভাইকে হত্যা করেছে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।
সৃজনী পেট্রোল পাম্পের ক্যাশিয়ার আলামিন শেখ বলেন, শনিবার মধ্যরাতে অজ্ঞাতনামা ২০/৩০ জনের একটি দল পাম্পে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পুলিশ বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করে তিনটি মেশিন নষ্ট করেছে তারা।
ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহাফুজ হোসেন বলেন, ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি বাসে দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ করেছে। পাশাপাশি সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, শনিবার রাত ৮টার দিকে বাস টার্মিনাল এলাকার তাজ ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মচারীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের মারধরে নিরব মারা যান।
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০২
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৩৭
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:১৬
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:০৪