
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ০০:১৯
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা শিক্ষকদের পদোন্নতি প্রক্রিয়া নিয়ে চরম অসন্তোষ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকরা দ্রুত সমাধানের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে পাঁচ কার্যদিবসের আল্টিমেটাম দিয়েছেন পদন্নোতি প্রাপ্য শিক্ষকরা।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে এক চিঠির মাধ্যমে এই আল্টিমেটাল দেওয়া হয়।
চিঠির বরাতে জানা গেছে, প্রায় ৬০ জন শিক্ষক বিভিন্ন মেয়াদে (৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত) পদোন্নতির জন্য আবেদন করে অপেক্ষা করছেন। দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা ও আস্থাহীনতা বাড়ছে। তাদের দাবি, এই অনিশ্চয়তা শুধু পেশাগত জীবন নয়, ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
শিক্ষকরা অভিযোগ করেছে, ইতোমধ্যে ২৪ জন সহযোগী অধ্যাপকের সিলেকশন বোর্ড সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস অতিবাহিত হলেও এখনো সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়নি এবং পদোন্নতি কার্যকর করা হয়নি। তারা এটিকে প্রশাসনিক বিলম্ব নয়, বরং সরাসরি অবিচার হিসেবে দেখছেন।
এছাড়া আরও ৩৬ জন শিক্ষক যারা সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক এবং প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে উন্নীত হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তাদের জন্য এখনো কোনো বোর্ড বসানো হয়নি। ফলে সামগ্রিকভাবে পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষকদের পক্ষ থেকে উপাচার্যের কাছে দেওয়া আবেদনে দুটি প্রধান দাবি হল
১) আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ইতোমধ্যে সম্পন্ন হওয়া সিলেকশন বোর্ডের ভিত্তিতে ২৪ জন শিক্ষকের পদোন্নতি কার্যকর করতে হবে।
২) বাকি আবেদনকারীদের জন্য একই সময়ের মধ্যে পদোন্নতি বোর্ড আহ্বান করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় তা সম্পন্ন করতে হবে।
আবেদনে বলা হয়েছে, পদোন্নতি কোনো অনুগ্রহ নয়। এটি যোগ্য শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার। কিন্তু বারবার আশ্বাস পেলেও বাস্তব অগ্রগতি না হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে গভীর হতাশা তৈরি হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষা পরিবেশের ওপরও প্রভাব ফেলছে।
শিক্ষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে তারা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়-এ শিক্ষকদের পদোন্নতি নিয়ে বিভিন্ন সময় বিতর্ক ও অভিযোগ রয়েছে।
পদন্নোতি প্রত্যাশী সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক মোস্তাকিম রহমান বলেন, শিক্ষকরা বারমবার ভিসি স্যারের সাথে দেখা করেছেন। ভিসি স্যার নানা ভাবে শিক্ষকদের অশ্বাস্ত করেছে। কিন্তু দিন শেষে ভিসি স্যার তার জায়গায় ঠিক থাকেন নি। সে জায়গা থেকেই একটা চিঠি দিয়েছি। আমরা তার সাথে কর্মদিবসে দেখা করার চেষ্টা করেছি কিন্তু তিনি সময় বের করতে পারেননি। পরবর্তীতে তিনি আজকে রাতে দেখা করার সময় দেয়। আমরা আজকে দেখা করে এই চিঠি দিয়েছি। এখন দেখার বিষয় তিনি কি করেন আমাদের জন্য।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. তৌফিক আলম বলেন, আজকে শিক্ষকদের সাথে খুব সুন্দর ভাবে একটা আলোচনা হয়েছে। আশা করি অতিদ্রুত সময়ের ভিতর আমরা সমাধনে পৌঁছাতে পারবো।
বরিশাল টাইমস
ছবি: বরিশাল টাইমস
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা শিক্ষকদের পদোন্নতি প্রক্রিয়া নিয়ে চরম অসন্তোষ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকরা দ্রুত সমাধানের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে পাঁচ কার্যদিবসের আল্টিমেটাম দিয়েছেন পদন্নোতি প্রাপ্য শিক্ষকরা।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে এক চিঠির মাধ্যমে এই আল্টিমেটাল দেওয়া হয়।
চিঠির বরাতে জানা গেছে, প্রায় ৬০ জন শিক্ষক বিভিন্ন মেয়াদে (৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত) পদোন্নতির জন্য আবেদন করে অপেক্ষা করছেন। দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা ও আস্থাহীনতা বাড়ছে। তাদের দাবি, এই অনিশ্চয়তা শুধু পেশাগত জীবন নয়, ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
শিক্ষকরা অভিযোগ করেছে, ইতোমধ্যে ২৪ জন সহযোগী অধ্যাপকের সিলেকশন বোর্ড সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস অতিবাহিত হলেও এখনো সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়নি এবং পদোন্নতি কার্যকর করা হয়নি। তারা এটিকে প্রশাসনিক বিলম্ব নয়, বরং সরাসরি অবিচার হিসেবে দেখছেন।
এছাড়া আরও ৩৬ জন শিক্ষক যারা সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক এবং প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে উন্নীত হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তাদের জন্য এখনো কোনো বোর্ড বসানো হয়নি। ফলে সামগ্রিকভাবে পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষকদের পক্ষ থেকে উপাচার্যের কাছে দেওয়া আবেদনে দুটি প্রধান দাবি হল
১) আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ইতোমধ্যে সম্পন্ন হওয়া সিলেকশন বোর্ডের ভিত্তিতে ২৪ জন শিক্ষকের পদোন্নতি কার্যকর করতে হবে।
২) বাকি আবেদনকারীদের জন্য একই সময়ের মধ্যে পদোন্নতি বোর্ড আহ্বান করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় তা সম্পন্ন করতে হবে।
আবেদনে বলা হয়েছে, পদোন্নতি কোনো অনুগ্রহ নয়। এটি যোগ্য শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার। কিন্তু বারবার আশ্বাস পেলেও বাস্তব অগ্রগতি না হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে গভীর হতাশা তৈরি হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষা পরিবেশের ওপরও প্রভাব ফেলছে।
শিক্ষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে তারা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়-এ শিক্ষকদের পদোন্নতি নিয়ে বিভিন্ন সময় বিতর্ক ও অভিযোগ রয়েছে।
পদন্নোতি প্রত্যাশী সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক মোস্তাকিম রহমান বলেন, শিক্ষকরা বারমবার ভিসি স্যারের সাথে দেখা করেছেন। ভিসি স্যার নানা ভাবে শিক্ষকদের অশ্বাস্ত করেছে। কিন্তু দিন শেষে ভিসি স্যার তার জায়গায় ঠিক থাকেন নি। সে জায়গা থেকেই একটা চিঠি দিয়েছি। আমরা তার সাথে কর্মদিবসে দেখা করার চেষ্টা করেছি কিন্তু তিনি সময় বের করতে পারেননি। পরবর্তীতে তিনি আজকে রাতে দেখা করার সময় দেয়। আমরা আজকে দেখা করে এই চিঠি দিয়েছি। এখন দেখার বিষয় তিনি কি করেন আমাদের জন্য।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. তৌফিক আলম বলেন, আজকে শিক্ষকদের সাথে খুব সুন্দর ভাবে একটা আলোচনা হয়েছে। আশা করি অতিদ্রুত সময়ের ভিতর আমরা সমাধনে পৌঁছাতে পারবো।
বরিশাল টাইমস
২৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১৪
২৮ জুন, ২০২৬ ২২:৩৫
২৮ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৮
২৮ জুন, ২০২৬ ১৭:০৮

২৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১৪
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ২০ অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) দুপুর ২টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অঞ্চলগুলো হলো- বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট।
পূর্বাভাসে বলা হয়, এসব অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ২০ অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) দুপুর ২টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অঞ্চলগুলো হলো- বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট।
পূর্বাভাসে বলা হয়, এসব অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

২৮ জুন, ২০২৬ ২২:৩৫
বরিশাল সদর উপজেলার ১ নম্বর রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভাঙারপোল এলাকায় মাদক সেবনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশের জেরে এক জুলাই যোদ্ধার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভাঙারপোল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আহত ইয়াসিন খান সজিব (২৭) একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের খানবাড়ির বাসিন্দা। তিনি আব্দুল আজীজ খানের ছেলে।
আহত সজিবের অভিযোগ, স্থানীয় আমিনুল মৃধার মাদক সেবনের একটি ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ হওয়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে আমিনুল মৃধা, তার ভাই হুমায়ুন ও নজরুল এবং তাদের সহযোগীরা তার ও তার বাবার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উভয় পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ চলছিল। মোটরসাইকেল চুরির একটি মামলাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, গত ২ জুন থানায় মামলা করতে গেলেও সেটি গ্রহণ করা হয়নি। পরে ১৪ জুন আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় সজিবসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। পরবর্তীতে ২৫ জুন তারা আদালত থেকে জামিন লাভ করেন।
সজিবের দাবি, ২৭ জুন সন্ধ্যায় আমিনুল মৃধার মাদক সেবনের ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার ওপর হামলা চালানো হয়।
এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, আহতদের চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত আমিনুল মৃধার বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি নেতা পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে আসছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এছাড়া স্থানীয় বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আমিনুল মৃধা বর্তমানে বিএনপির কোনো সাংগঠনিক পদে নেই।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
বরিশাল সদর উপজেলার ১ নম্বর রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভাঙারপোল এলাকায় মাদক সেবনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশের জেরে এক জুলাই যোদ্ধার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভাঙারপোল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আহত ইয়াসিন খান সজিব (২৭) একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের খানবাড়ির বাসিন্দা। তিনি আব্দুল আজীজ খানের ছেলে।
আহত সজিবের অভিযোগ, স্থানীয় আমিনুল মৃধার মাদক সেবনের একটি ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ হওয়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে আমিনুল মৃধা, তার ভাই হুমায়ুন ও নজরুল এবং তাদের সহযোগীরা তার ও তার বাবার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উভয় পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ চলছিল। মোটরসাইকেল চুরির একটি মামলাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, গত ২ জুন থানায় মামলা করতে গেলেও সেটি গ্রহণ করা হয়নি। পরে ১৪ জুন আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় সজিবসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। পরবর্তীতে ২৫ জুন তারা আদালত থেকে জামিন লাভ করেন।
সজিবের দাবি, ২৭ জুন সন্ধ্যায় আমিনুল মৃধার মাদক সেবনের ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার ওপর হামলা চালানো হয়।
এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, আহতদের চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত আমিনুল মৃধার বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি নেতা পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে আসছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এছাড়া স্থানীয় বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আমিনুল মৃধা বর্তমানে বিএনপির কোনো সাংগঠনিক পদে নেই।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

২৮ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৮
আটকে রাখল শতাধিক সিএনজি-অটোরিকশা
বরিশাল শহর অভ্যন্তরে যাত্রী পরিবহনকারী অটোরিকশা-সিএনজিগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থীরা। এই ভাড়া নৈরাজ্যের প্রতিবাদে রোববার সকালে অন্তত শতাধিক গণপরিবহন আটকে রাখা হয়। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় সামনের সড়ক থেকে আটক করে অটোরিকশা ও সিএনজিগুলো সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে জেলা প্রশাসন ভাড়া নির্ধারণের আশ্বাস দিলে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে গাড়িগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কিছুদিন ধরে বরিশাল নগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজিতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় শুরু হয়। নথুল্লাবাদ টু লঞ্চঘাট এবং নথুল্লাবাদ-চৌমাথা টু রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অন্তত ১০/২০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। এই অনিয়ম রোধে সপ্তাহখানেক আগে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হলেও ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীরা রোববার সকাল থেকে অটোরিকশা-সিএনজিগুলো আটক করেন।
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজির ভাড়া সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে নির্ধারণ করে দিতে হবে, দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। এর ব্যত্তয় হলে আটোরিকশা ও সিএনজি শহর অভ্যন্তরে চলতে দেওয়া হবে না- হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
তবে সিএনজি ও অটোরিকশা চালকেরা দাবি করেছেন গ্যাসসহ নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাধ্য হয়ে যানবাহনের ভাড়া বাড়িয়েছেন। গ্যাস ৬৫০, মালিকের জমা ৬০০ টাকাসহ মোট ১ হাজার ২৫০ টাকা জমা দিতে হয়। এরপর আর তাদের সংসার চালানোর মতো টাকা থাকেনা। অবশ্য রোববার শিক্ষার্থীদের আটক অভিযানের পরে নির্ধারিত ভাড়া নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অটোরিকশা ও সিএনজি চালকেরা।
মো. নান্নু এবং মো. মামুনসহ অটোরিকশা ও সিএনজি চালকরা জানান, আগামীতে তারা এক পয়সাও অতিরিক্ত আদায় করবেন না। বরং সিটি কর্পোরেশন বা জেলা প্রশাসন যে ভাড়া নির্ধারন করবে, তাতেই সন্তুষ্টু থাকবেন।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) লুৎফর রহমান রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, শিক্ষার্থী এবং শ্রমিকদের নিয়ে বিএম কলেজ ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যস্থতায় বৈঠক হয়েছে। সেখানে সোমবার জেলা প্রশাসন থেকে ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। তবে এ নিয়ে সোমবার আবার বৈঠক হবে, ওইদিন থেকে নতুন ভাড়া কার্যকর হবে। উভয়পক্ষ সিদ্ধান্তে সম্মতি প্রকাশ করায় বিকেল সোয়া ৩টার দিকে আটক করা যানবাহনগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, জানান ওসি।’
আটকে রাখল শতাধিক সিএনজি-অটোরিকশা
বরিশাল শহর অভ্যন্তরে যাত্রী পরিবহনকারী অটোরিকশা-সিএনজিগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থীরা। এই ভাড়া নৈরাজ্যের প্রতিবাদে রোববার সকালে অন্তত শতাধিক গণপরিবহন আটকে রাখা হয়। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় সামনের সড়ক থেকে আটক করে অটোরিকশা ও সিএনজিগুলো সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে জেলা প্রশাসন ভাড়া নির্ধারণের আশ্বাস দিলে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে গাড়িগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কিছুদিন ধরে বরিশাল নগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজিতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় শুরু হয়। নথুল্লাবাদ টু লঞ্চঘাট এবং নথুল্লাবাদ-চৌমাথা টু রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অন্তত ১০/২০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। এই অনিয়ম রোধে সপ্তাহখানেক আগে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হলেও ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীরা রোববার সকাল থেকে অটোরিকশা-সিএনজিগুলো আটক করেন।
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজির ভাড়া সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে নির্ধারণ করে দিতে হবে, দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। এর ব্যত্তয় হলে আটোরিকশা ও সিএনজি শহর অভ্যন্তরে চলতে দেওয়া হবে না- হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
তবে সিএনজি ও অটোরিকশা চালকেরা দাবি করেছেন গ্যাসসহ নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাধ্য হয়ে যানবাহনের ভাড়া বাড়িয়েছেন। গ্যাস ৬৫০, মালিকের জমা ৬০০ টাকাসহ মোট ১ হাজার ২৫০ টাকা জমা দিতে হয়। এরপর আর তাদের সংসার চালানোর মতো টাকা থাকেনা। অবশ্য রোববার শিক্ষার্থীদের আটক অভিযানের পরে নির্ধারিত ভাড়া নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অটোরিকশা ও সিএনজি চালকেরা।
মো. নান্নু এবং মো. মামুনসহ অটোরিকশা ও সিএনজি চালকরা জানান, আগামীতে তারা এক পয়সাও অতিরিক্ত আদায় করবেন না। বরং সিটি কর্পোরেশন বা জেলা প্রশাসন যে ভাড়া নির্ধারন করবে, তাতেই সন্তুষ্টু থাকবেন।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) লুৎফর রহমান রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, শিক্ষার্থী এবং শ্রমিকদের নিয়ে বিএম কলেজ ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যস্থতায় বৈঠক হয়েছে। সেখানে সোমবার জেলা প্রশাসন থেকে ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। তবে এ নিয়ে সোমবার আবার বৈঠক হবে, ওইদিন থেকে নতুন ভাড়া কার্যকর হবে। উভয়পক্ষ সিদ্ধান্তে সম্মতি প্রকাশ করায় বিকেল সোয়া ৩টার দিকে আটক করা যানবাহনগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, জানান ওসি।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.