ছবি: বরিশাল টাইমস
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা শিক্ষকদের পদোন্নতি প্রক্রিয়া নিয়ে চরম অসন্তোষ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকরা দ্রুত সমাধানের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে পাঁচ কার্যদিবসের আল্টিমেটাম দিয়েছেন পদন্নোতি প্রাপ্য শিক্ষকরা।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে এক চিঠির মাধ্যমে এই আল্টিমেটাল দেওয়া হয়।
চিঠির বরাতে জানা গেছে, প্রায় ৬০ জন শিক্ষক বিভিন্ন মেয়াদে (৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত) পদোন্নতির জন্য আবেদন করে অপেক্ষা করছেন। দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা ও আস্থাহীনতা বাড়ছে। তাদের দাবি, এই অনিশ্চয়তা শুধু পেশাগত জীবন নয়, ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
শিক্ষকরা অভিযোগ করেছে, ইতোমধ্যে ২৪ জন সহযোগী অধ্যাপকের সিলেকশন বোর্ড সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস অতিবাহিত হলেও এখনো সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়নি এবং পদোন্নতি কার্যকর করা হয়নি। তারা এটিকে প্রশাসনিক বিলম্ব নয়, বরং সরাসরি অবিচার হিসেবে দেখছেন।
এছাড়া আরও ৩৬ জন শিক্ষক যারা সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক এবং প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে উন্নীত হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তাদের জন্য এখনো কোনো বোর্ড বসানো হয়নি। ফলে সামগ্রিকভাবে পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষকদের পক্ষ থেকে উপাচার্যের কাছে দেওয়া আবেদনে দুটি প্রধান দাবি হল
১) আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ইতোমধ্যে সম্পন্ন হওয়া সিলেকশন বোর্ডের ভিত্তিতে ২৪ জন শিক্ষকের পদোন্নতি কার্যকর করতে হবে।
২) বাকি আবেদনকারীদের জন্য একই সময়ের মধ্যে পদোন্নতি বোর্ড আহ্বান করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় তা সম্পন্ন করতে হবে।
আবেদনে বলা হয়েছে, পদোন্নতি কোনো অনুগ্রহ নয়। এটি যোগ্য শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার। কিন্তু বারবার আশ্বাস পেলেও বাস্তব অগ্রগতি না হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে গভীর হতাশা তৈরি হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষা পরিবেশের ওপরও প্রভাব ফেলছে।
শিক্ষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে তারা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়-এ শিক্ষকদের পদোন্নতি নিয়ে বিভিন্ন সময় বিতর্ক ও অভিযোগ রয়েছে।
পদন্নোতি প্রত্যাশী সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক মোস্তাকিম রহমান বলেন, শিক্ষকরা বারমবার ভিসি স্যারের সাথে দেখা করেছেন। ভিসি স্যার নানা ভাবে শিক্ষকদের অশ্বাস্ত করেছে। কিন্তু দিন শেষে ভিসি স্যার তার জায়গায় ঠিক থাকেন নি। সে জায়গা থেকেই একটা চিঠি দিয়েছি। আমরা তার সাথে কর্মদিবসে দেখা করার চেষ্টা করেছি কিন্তু তিনি সময় বের করতে পারেননি। পরবর্তীতে তিনি আজকে রাতে দেখা করার সময় দেয়। আমরা আজকে দেখা করে এই চিঠি দিয়েছি। এখন দেখার বিষয় তিনি কি করেন আমাদের জন্য।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. তৌফিক আলম বলেন, আজকে শিক্ষকদের সাথে খুব সুন্দর ভাবে একটা আলোচনা হয়েছে। আশা করি অতিদ্রুত সময়ের ভিতর আমরা সমাধনে পৌঁছাতে পারবো।
বরিশাল টাইমস

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৯:৪০
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় বিষখালী নদীতে ইলিশ শিকারে গিয়ে ট্রলার থেকে পড়ে আবদুল মন্নান হাওলাদার (৫৫) নামে এক জেলে নিখোঁজ হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের কাছাকাছি বিষখালী নদীতে এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ আবদুল মন্নান ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আবদুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে একটি ট্রলারে করে বিষখালী নদীতে ইলিশ ধরতে যান আবদুল মন্নান। মাছ ধরার সময় হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে তিনি নদীতে পড়ে যান। বিষয়টি দেখতে পেয়ে কাছাকাছি থাকা অন্য ট্রলারের জেলেরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধারে তৎপর হন। তবে নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় অনেকক্ষণ ধরে তল্লাশি চালিয়েও তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি।
আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. পনির হাওলাদার বলেন, হঠাৎ করেই আবদুল মন্নান নদীতে পড়ে যান। বিষয়টি জানতে পেরে আশপাশের জেলেরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি।
কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান জানান, বিষখালী নদীতে বর্তমানে স্রোতের তীব্রতা বেশি। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গেছে। বরিশাল থেকে ডুবুরি দলের সদস্যরা রওনা হয়েছেন। তারা পৌঁছানোর পর নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারে তল্লাশি কার্যক্রম শুরু হবে।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাছের রায়হান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ডুবুরি দল সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের সহযোগিতায় নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় বিষখালী নদীতে ইলিশ শিকারে গিয়ে ট্রলার থেকে পড়ে আবদুল মন্নান হাওলাদার (৫৫) নামে এক জেলে নিখোঁজ হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের কাছাকাছি বিষখালী নদীতে এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ আবদুল মন্নান ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আবদুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে একটি ট্রলারে করে বিষখালী নদীতে ইলিশ ধরতে যান আবদুল মন্নান। মাছ ধরার সময় হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে তিনি নদীতে পড়ে যান। বিষয়টি দেখতে পেয়ে কাছাকাছি থাকা অন্য ট্রলারের জেলেরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধারে তৎপর হন। তবে নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় অনেকক্ষণ ধরে তল্লাশি চালিয়েও তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি।
আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. পনির হাওলাদার বলেন, হঠাৎ করেই আবদুল মন্নান নদীতে পড়ে যান। বিষয়টি জানতে পেরে আশপাশের জেলেরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি।
কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান জানান, বিষখালী নদীতে বর্তমানে স্রোতের তীব্রতা বেশি। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গেছে। বরিশাল থেকে ডুবুরি দলের সদস্যরা রওনা হয়েছেন। তারা পৌঁছানোর পর নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারে তল্লাশি কার্যক্রম শুরু হবে।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাছের রায়হান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ডুবুরি দল সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের সহযোগিতায় নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৫১
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদকসহ গ্রেপ্তার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জেলা ছাত্রদল। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. তৌফিকুল ইসলাম ইমরান ও সদস্য সচিব মো. আল আমিন মৃধার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে এ্যাসেন্ট রায়ের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের একটি দল জোবারপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে ৫টি ইয়াবা বড়িসহ আটক করা হয়।
এ ঘটনায় পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরদিন সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদকসহ গ্রেপ্তার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জেলা ছাত্রদল। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. তৌফিকুল ইসলাম ইমরান ও সদস্য সচিব মো. আল আমিন মৃধার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে এ্যাসেন্ট রায়ের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের একটি দল জোবারপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে ৫টি ইয়াবা বড়িসহ আটক করা হয়।
এ ঘটনায় পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরদিন সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:২১
বরিশালের মুলাদীতে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগের তিন নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বরিশাল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো তিনজন হলেন—মুলাদী উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলামিন শিকদার, জাকির হাওলাদার ও আরিফ হাওলাদার।
মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ নাজিরপুর ইউনিয়নের একটি স্থানে কেক কেটে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উদযাপন করেন নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ ঘটনায় ওই রাতেই মুলাদী থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, ১৭ মার্চ কেক কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করে। মামলার অধিকাংশ আসামিই বর্তমানে পলাতক। মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করা আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের মুলাদীতে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগের তিন নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বরিশাল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো তিনজন হলেন—মুলাদী উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলামিন শিকদার, জাকির হাওলাদার ও আরিফ হাওলাদার।
মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ নাজিরপুর ইউনিয়নের একটি স্থানে কেক কেটে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উদযাপন করেন নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ ঘটনায় ওই রাতেই মুলাদী থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, ১৭ মার্চ কেক কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করে। মামলার অধিকাংশ আসামিই বর্তমানে পলাতক। মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করা আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ০০:১৯
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা শিক্ষকদের পদোন্নতি প্রক্রিয়া নিয়ে চরম অসন্তোষ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকরা দ্রুত সমাধানের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে পাঁচ কার্যদিবসের আল্টিমেটাম দিয়েছেন পদন্নোতি প্রাপ্য শিক্ষকরা।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে এক চিঠির মাধ্যমে এই আল্টিমেটাল দেওয়া হয়।
চিঠির বরাতে জানা গেছে, প্রায় ৬০ জন শিক্ষক বিভিন্ন মেয়াদে (৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত) পদোন্নতির জন্য আবেদন করে অপেক্ষা করছেন। দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা ও আস্থাহীনতা বাড়ছে। তাদের দাবি, এই অনিশ্চয়তা শুধু পেশাগত জীবন নয়, ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
শিক্ষকরা অভিযোগ করেছে, ইতোমধ্যে ২৪ জন সহযোগী অধ্যাপকের সিলেকশন বোর্ড সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস অতিবাহিত হলেও এখনো সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়নি এবং পদোন্নতি কার্যকর করা হয়নি। তারা এটিকে প্রশাসনিক বিলম্ব নয়, বরং সরাসরি অবিচার হিসেবে দেখছেন।
এছাড়া আরও ৩৬ জন শিক্ষক যারা সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক এবং প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে উন্নীত হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তাদের জন্য এখনো কোনো বোর্ড বসানো হয়নি। ফলে সামগ্রিকভাবে পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষকদের পক্ষ থেকে উপাচার্যের কাছে দেওয়া আবেদনে দুটি প্রধান দাবি হল
১) আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ইতোমধ্যে সম্পন্ন হওয়া সিলেকশন বোর্ডের ভিত্তিতে ২৪ জন শিক্ষকের পদোন্নতি কার্যকর করতে হবে।
২) বাকি আবেদনকারীদের জন্য একই সময়ের মধ্যে পদোন্নতি বোর্ড আহ্বান করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় তা সম্পন্ন করতে হবে।
আবেদনে বলা হয়েছে, পদোন্নতি কোনো অনুগ্রহ নয়। এটি যোগ্য শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার। কিন্তু বারবার আশ্বাস পেলেও বাস্তব অগ্রগতি না হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে গভীর হতাশা তৈরি হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষা পরিবেশের ওপরও প্রভাব ফেলছে।
শিক্ষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে তারা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়-এ শিক্ষকদের পদোন্নতি নিয়ে বিভিন্ন সময় বিতর্ক ও অভিযোগ রয়েছে।
পদন্নোতি প্রত্যাশী সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক মোস্তাকিম রহমান বলেন, শিক্ষকরা বারমবার ভিসি স্যারের সাথে দেখা করেছেন। ভিসি স্যার নানা ভাবে শিক্ষকদের অশ্বাস্ত করেছে। কিন্তু দিন শেষে ভিসি স্যার তার জায়গায় ঠিক থাকেন নি। সে জায়গা থেকেই একটা চিঠি দিয়েছি। আমরা তার সাথে কর্মদিবসে দেখা করার চেষ্টা করেছি কিন্তু তিনি সময় বের করতে পারেননি। পরবর্তীতে তিনি আজকে রাতে দেখা করার সময় দেয়। আমরা আজকে দেখা করে এই চিঠি দিয়েছি। এখন দেখার বিষয় তিনি কি করেন আমাদের জন্য।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. তৌফিক আলম বলেন, আজকে শিক্ষকদের সাথে খুব সুন্দর ভাবে একটা আলোচনা হয়েছে। আশা করি অতিদ্রুত সময়ের ভিতর আমরা সমাধনে পৌঁছাতে পারবো।
বরিশাল টাইমস
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:৪৮
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৫৩
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৪৯
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৩