
২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৫:৩২
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বরিশালে প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি’র মূল প্রতিপক্ষ ৮ দলীয় জোটের দুই শরিকের মধ্যে আসন সমঝোতা না হবার মধ্যে উভয় দলই স্ব স্ব অবস্থানে থেকে প্রচার প্রচারণা জোরদার করছে। এ জোটের মধ্যে এখনো বরিশাল সদর আসনের প্রার্থী নিয়েই প্রকাশ্যে ও পর্দার অন্তরালে টানাপোড়েন চলছে। উভয় দলই প্রার্থী ঘোষণার পরে শক্ত প্রচারণায়ও রয়েছেন গত কয়েকমাস ধরে। এমনকি ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াত ইসলামী, উভয়ই বরিশাল সদর আসনে তাদের দাবী অগ্রগণ্য বলে প্রকাশ্যে নানা যুক্তিও উপস্থাপন করে চলেছেন। গত সপ্তাহেই বরিশাল প্রেস ক্লাবে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ও দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি ফয়জুল করিম ‘বরিশাল সদর আসনটি অন্য কারো দাবী করা উচিত নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন। তবে জামায়াত প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসাইন হেলাল এ প্রসঙ্গে সরাসরি কোন মন্তব্য না করে ‘জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থী নির্ধারণ হবে’ বলে জানিয়েছেন।
কিন্তু ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামী ইতোপূর্বে দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি সংসদীয় আসনেই প্রার্থী ঘোষণার পরে প্রচারণার মাঠেও জোটের এ মূল দুই শরিকই সরগরম প্রচারণায় রয়েছেন। এরইমধ্যে গত ৪ ডিসেম্বর ৮ দলীয় জোটের বিভাগীয় সমাবেশে জামায়াতের আমীর উপস্থিত না হলেও বিশাল ঐ সমাবেশে দুটি দলের কর্মীরাই হাতপাখা ও দাড়িপাল্লার প্রতীক নিয়ে মহানগরীতে সমর্থনের পাল্লার জানান দিয়েছেন। তবে আমীরের বরিশাল সমাবেশে যোগ না দেয়ার বিষয়টি ‘সদর আসনে ইসলামী আন্দোলনকে ছাড় দেয়ার পূর্বাভাস’ বলে কেউ কেউ মন্তব্য করলেও দলের দায়িত্বশীল সূত্র থেকে বিষয়টি নাকচ করে বরিশাল সদর আসনে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা সহ এ আসনে তাদেরই নির্বাচন করার অনেক যুক্তিও তুলে ধরা হচ্ছে।
তবে এ পরিস্থিতির মধ্যেই এনসিপি’র সাথে জামায়াতে ইসলামীর নতুন করে আলোচনার বিষয়টিও ৮ দলীয় জোট শরিকদের মাঝে নতুন দুশ্চিন্তা তৈরি করছে। জোটের কোন কোন শরিকদের মতে, আসন্ন নির্বাচনে জোটের মধ্যে আসন সমঝোতার বিষয়টি মোটামুটি চূড়ান্ত পর্যায়ের মধ্যে নতুন করে শরিক বৃদ্ধি করায় অনেক কিছুই এলোমেলো হতে চলেছে। এনসিপি কতটি আসন চাইবে এবং তাদের কতটি আসন দেয়া হবে, তা এখনো চূড়ান্ত না হলেও দলটি ৮ দলীয় জোটভুক্ত হলে, তাদের আসন ছেড়ে দিতে গিয়ে এতদিনের সব হিসেব নতুন করে করতে হবে বলে মনে করছেন একাধিক শরিক দল নেতবৃন্দ।
তবে এসব কিছুর মধ্যে ৮ দলীয় জোটের মূল শরিক ইসলামী আন্দোলনের আমীর মুফতি রেজাউল করিম, পীর ছাহেব চরমোনাই শুক্রবার দলীয় প্রার্থীদের হাতে মনোনয়নের চূড়ান্ত কাগজ তুলে দিয়েছেন। যেখানে বরিশাল সদর আসনের প্রার্থী হিসেবে মুফতি ফয়জুল করিমকেই দলীয় প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোন প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও বরিশাল সদর আসনে ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীকে বরিশাল-৬ আসনটি ছেড়ে দেয়ার কথা বলা হয়েছে।
তবে ইসলামী আন্দোলনের একাধিক সূত্র ‘বরিশাল সদর আসন নিয়ে কোন দল বা জোটের সাথে ছাড় দেয়া হবে না’ বলেই এখনো জানান হচ্ছে। জামায়াত ইসলামীর দায়িত্বশীল মহল প্রকাশ্যে কোন বক্তব্য না দিলেও ‘বিষয়টি নিয়ে আলাপ আলোচনার পথ এখনো খোলা আছে’ বলে জানালেও তারা যে যথেষ্ট বিব্রত এবং কর্মীরা ক্ষুব্ধ তা আড়াল থাকছে না।
তবে বিএনপি ও তাদের শরিকরা পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানা গেছে। কারণ বরিশাল সদর আসনে ৮ দলীয় জোটের প্রার্থী কোন দল থেকে কে হচ্ছেন, তার ওপরই তাদের ভোটের মাঠের কৌশল নির্ধারণ করতে হবে ।’
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বরিশালে প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি’র মূল প্রতিপক্ষ ৮ দলীয় জোটের দুই শরিকের মধ্যে আসন সমঝোতা না হবার মধ্যে উভয় দলই স্ব স্ব অবস্থানে থেকে প্রচার প্রচারণা জোরদার করছে। এ জোটের মধ্যে এখনো বরিশাল সদর আসনের প্রার্থী নিয়েই প্রকাশ্যে ও পর্দার অন্তরালে টানাপোড়েন চলছে। উভয় দলই প্রার্থী ঘোষণার পরে শক্ত প্রচারণায়ও রয়েছেন গত কয়েকমাস ধরে। এমনকি ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াত ইসলামী, উভয়ই বরিশাল সদর আসনে তাদের দাবী অগ্রগণ্য বলে প্রকাশ্যে নানা যুক্তিও উপস্থাপন করে চলেছেন। গত সপ্তাহেই বরিশাল প্রেস ক্লাবে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ও দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি ফয়জুল করিম ‘বরিশাল সদর আসনটি অন্য কারো দাবী করা উচিত নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন। তবে জামায়াত প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসাইন হেলাল এ প্রসঙ্গে সরাসরি কোন মন্তব্য না করে ‘জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থী নির্ধারণ হবে’ বলে জানিয়েছেন।
কিন্তু ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামী ইতোপূর্বে দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি সংসদীয় আসনেই প্রার্থী ঘোষণার পরে প্রচারণার মাঠেও জোটের এ মূল দুই শরিকই সরগরম প্রচারণায় রয়েছেন। এরইমধ্যে গত ৪ ডিসেম্বর ৮ দলীয় জোটের বিভাগীয় সমাবেশে জামায়াতের আমীর উপস্থিত না হলেও বিশাল ঐ সমাবেশে দুটি দলের কর্মীরাই হাতপাখা ও দাড়িপাল্লার প্রতীক নিয়ে মহানগরীতে সমর্থনের পাল্লার জানান দিয়েছেন। তবে আমীরের বরিশাল সমাবেশে যোগ না দেয়ার বিষয়টি ‘সদর আসনে ইসলামী আন্দোলনকে ছাড় দেয়ার পূর্বাভাস’ বলে কেউ কেউ মন্তব্য করলেও দলের দায়িত্বশীল সূত্র থেকে বিষয়টি নাকচ করে বরিশাল সদর আসনে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা সহ এ আসনে তাদেরই নির্বাচন করার অনেক যুক্তিও তুলে ধরা হচ্ছে।
তবে এ পরিস্থিতির মধ্যেই এনসিপি’র সাথে জামায়াতে ইসলামীর নতুন করে আলোচনার বিষয়টিও ৮ দলীয় জোট শরিকদের মাঝে নতুন দুশ্চিন্তা তৈরি করছে। জোটের কোন কোন শরিকদের মতে, আসন্ন নির্বাচনে জোটের মধ্যে আসন সমঝোতার বিষয়টি মোটামুটি চূড়ান্ত পর্যায়ের মধ্যে নতুন করে শরিক বৃদ্ধি করায় অনেক কিছুই এলোমেলো হতে চলেছে। এনসিপি কতটি আসন চাইবে এবং তাদের কতটি আসন দেয়া হবে, তা এখনো চূড়ান্ত না হলেও দলটি ৮ দলীয় জোটভুক্ত হলে, তাদের আসন ছেড়ে দিতে গিয়ে এতদিনের সব হিসেব নতুন করে করতে হবে বলে মনে করছেন একাধিক শরিক দল নেতবৃন্দ।
তবে এসব কিছুর মধ্যে ৮ দলীয় জোটের মূল শরিক ইসলামী আন্দোলনের আমীর মুফতি রেজাউল করিম, পীর ছাহেব চরমোনাই শুক্রবার দলীয় প্রার্থীদের হাতে মনোনয়নের চূড়ান্ত কাগজ তুলে দিয়েছেন। যেখানে বরিশাল সদর আসনের প্রার্থী হিসেবে মুফতি ফয়জুল করিমকেই দলীয় প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোন প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও বরিশাল সদর আসনে ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীকে বরিশাল-৬ আসনটি ছেড়ে দেয়ার কথা বলা হয়েছে।
তবে ইসলামী আন্দোলনের একাধিক সূত্র ‘বরিশাল সদর আসন নিয়ে কোন দল বা জোটের সাথে ছাড় দেয়া হবে না’ বলেই এখনো জানান হচ্ছে। জামায়াত ইসলামীর দায়িত্বশীল মহল প্রকাশ্যে কোন বক্তব্য না দিলেও ‘বিষয়টি নিয়ে আলাপ আলোচনার পথ এখনো খোলা আছে’ বলে জানালেও তারা যে যথেষ্ট বিব্রত এবং কর্মীরা ক্ষুব্ধ তা আড়াল থাকছে না।
তবে বিএনপি ও তাদের শরিকরা পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানা গেছে। কারণ বরিশাল সদর আসনে ৮ দলীয় জোটের প্রার্থী কোন দল থেকে কে হচ্ছেন, তার ওপরই তাদের ভোটের মাঠের কৌশল নির্ধারণ করতে হবে ।’

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫
বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের উত্তরপাড় ইউনিটির উদ্যোগে এলাকায় যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলার প্রবণতা রোধে নেওয়া হয়েছে প্রশংসনীয় সামাজিক উদ্যোগ। স্থায়ী ডাস্টবিন স্থাপন ও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ছয়টি নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। বুধবার
পহেলা মে, বাদ জোহর এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ তাওহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ডাস্টবিনগুলো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হয়। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উত্তরপাড় ইউনিটির সদস্যরা—মোঃ রাব্বি সরদার, মোঃ সজিব, শাহাদাত হোসাইন, মাহমুদুল হাসান, মেহেদী মাসুদ মাসুম, নাইম মৃধাসহ আরও অনেকে।
এ বিষয়ে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মোঃ নাজমুল হাসান জুয়েল বলেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও রোগজীবাণু থেকে মানুষকে বাঁচাতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণের অংশ এবং ঈমানী দায়িত্ব। পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা এলাকার আংশিক অংশে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উত্তরপাড় ইউনিটি।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের উত্তরপাড় ইউনিটির উদ্যোগে এলাকায় যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলার প্রবণতা রোধে নেওয়া হয়েছে প্রশংসনীয় সামাজিক উদ্যোগ। স্থায়ী ডাস্টবিন স্থাপন ও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ছয়টি নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। বুধবার
পহেলা মে, বাদ জোহর এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ তাওহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ডাস্টবিনগুলো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হয়। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উত্তরপাড় ইউনিটির সদস্যরা—মোঃ রাব্বি সরদার, মোঃ সজিব, শাহাদাত হোসাইন, মাহমুদুল হাসান, মেহেদী মাসুদ মাসুম, নাইম মৃধাসহ আরও অনেকে।
এ বিষয়ে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মোঃ নাজমুল হাসান জুয়েল বলেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও রোগজীবাণু থেকে মানুষকে বাঁচাতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণের অংশ এবং ঈমানী দায়িত্ব। পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা এলাকার আংশিক অংশে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উত্তরপাড় ইউনিটি।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫০
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এ্যডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন মহানগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করনে গণমাধ্যম কর্মীদর সহযোগিতা চেয়েছেন।
সবার সহযোগীতা নিয়ে ঐতিহ্যবাহী একটি জনবান্ধব নগরীতে পরিণত করার লক্ষ্যে সম্ভব সবকিছু করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে, নগর ভবনকে দুর্নীতির রাহু গ্রাস থেকে মুক্ত করতে সম্ভব সব কিছু করার কথাও জানান নগর প্রশাসক।
বুধবার (১ মার্চ) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বরিশালের প্রথম নারী প্রশাসক শিরিন জানান, নগরবাসীর স্বার্থে তার এ স্বল্পতম কর্মকালে তিনি সব কিছু করার চেষ্টা করে যাবেন। এক্ষেত্রে তিনি নগরবাসীর পাশাপাশি গণমাধ্যমের সহযোগীতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
নগর প্রশাসক নগরীর বিভিন্ন সমস্যাসমুহ সম্পর্কে গণমাধ্যম কর্মীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি নিজের অভিজ্ঞতাও বর্ণনা করে নগরীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও জানান। নগর প্রশাসক বরিশাল প্রেসক্লাবে তার অতীত স্মৃতির কথা উল্লেখ করে এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সম্ভব সবকিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এ্যডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন মহানগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করনে গণমাধ্যম কর্মীদর সহযোগিতা চেয়েছেন।
সবার সহযোগীতা নিয়ে ঐতিহ্যবাহী একটি জনবান্ধব নগরীতে পরিণত করার লক্ষ্যে সম্ভব সবকিছু করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে, নগর ভবনকে দুর্নীতির রাহু গ্রাস থেকে মুক্ত করতে সম্ভব সব কিছু করার কথাও জানান নগর প্রশাসক।
বুধবার (১ মার্চ) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বরিশালের প্রথম নারী প্রশাসক শিরিন জানান, নগরবাসীর স্বার্থে তার এ স্বল্পতম কর্মকালে তিনি সব কিছু করার চেষ্টা করে যাবেন। এক্ষেত্রে তিনি নগরবাসীর পাশাপাশি গণমাধ্যমের সহযোগীতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
নগর প্রশাসক নগরীর বিভিন্ন সমস্যাসমুহ সম্পর্কে গণমাধ্যম কর্মীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি নিজের অভিজ্ঞতাও বর্ণনা করে নগরীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও জানান। নগর প্রশাসক বরিশাল প্রেসক্লাবে তার অতীত স্মৃতির কথা উল্লেখ করে এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সম্ভব সবকিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩২
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় এক মাদ্রাসা ছাত্রের আকস্মিক মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় হাম (মিজলস) নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে পুলিশ ও চিকিৎসকদের প্রাথমিক বক্তব্য এটি স্বাভাবিক অসুস্থতাজনিত মৃত্যু হতে পারে।
উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিকারপুর বন্দরের নেছারিয়া নূরানী হাফেজি মাদ্রাসা, ইয়াতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের নাজেরা বিভাগের ছাত্র মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত (১২) ভোর রাতে জ্বর, খিচুনি ও বমিতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে মাদ্রাসার দায়িত্বপ্রাপ্তরা তাকে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মাইদুল ইসলাম জানান, “০১ এপ্রিল সকাল প্রায় ৭টার দিকে শিশুটিকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ণয় করা যায়নি।
এটি হামজনিত কি না, তা নিশ্চিত হতে হলে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা জরুরি।” একই সাথে তিনি আতঙ্কিত আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেছেন।
মৃত ইয়াছিন আরাফাত উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের ওটরা গ্রামের বাসিন্দা ফরিদ উদ্দিনের পুত্র। তার মা প্রবাসে কর্মরত বলে জানা গেছে।উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, “সুরতহাল প্রতিবেদনে শিশুটির শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসুস্থতাজনিত কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।”
এদিকে, সন্তানের মৃত্যুতে শোকে ভেঙে পড়া পিতা ফরিদ উদ্দিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার ছেলে অসুস্থ হয়ে মারা গেছে। আমি তার লাশ বাড়িতে নিয়ে যেতে চাই।”
স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনাকে ঘিরে হাম রোগ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকেই দ্রুত প্রকৃত কারণ নির্ণয় ও প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় এক মাদ্রাসা ছাত্রের আকস্মিক মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় হাম (মিজলস) নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে পুলিশ ও চিকিৎসকদের প্রাথমিক বক্তব্য এটি স্বাভাবিক অসুস্থতাজনিত মৃত্যু হতে পারে।
উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিকারপুর বন্দরের নেছারিয়া নূরানী হাফেজি মাদ্রাসা, ইয়াতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের নাজেরা বিভাগের ছাত্র মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত (১২) ভোর রাতে জ্বর, খিচুনি ও বমিতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে মাদ্রাসার দায়িত্বপ্রাপ্তরা তাকে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মাইদুল ইসলাম জানান, “০১ এপ্রিল সকাল প্রায় ৭টার দিকে শিশুটিকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ণয় করা যায়নি।
এটি হামজনিত কি না, তা নিশ্চিত হতে হলে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা জরুরি।” একই সাথে তিনি আতঙ্কিত আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেছেন।
মৃত ইয়াছিন আরাফাত উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের ওটরা গ্রামের বাসিন্দা ফরিদ উদ্দিনের পুত্র। তার মা প্রবাসে কর্মরত বলে জানা গেছে।উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, “সুরতহাল প্রতিবেদনে শিশুটির শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসুস্থতাজনিত কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।”
এদিকে, সন্তানের মৃত্যুতে শোকে ভেঙে পড়া পিতা ফরিদ উদ্দিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার ছেলে অসুস্থ হয়ে মারা গেছে। আমি তার লাশ বাড়িতে নিয়ে যেতে চাই।”
স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনাকে ঘিরে হাম রোগ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকেই দ্রুত প্রকৃত কারণ নির্ণয় ও প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪০
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫