
০৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:৪৩
না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী ও গায়িকা সুলক্ষণা পণ্ডিত। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) মুম্বইয়ের নানাবতী হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার ভাই, সংগীত পরিচালক ললিত পণ্ডিত।
সুলক্ষণা পণ্ডিত দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে শয্যাশায়ী ছিলেন। জীবনের শেষ অধ্যায় কেটেছে নিঃসঙ্গতা আর নীরবতায়। যেন দিন গুনছিলেন সেই মানুষটির সঙ্গে দেখা হওয়ার- যার প্রতি তার একতরফা ভালোবাসা ছিল আজীবনের। কাকতালীয় হলেও বেদনাদায়ক সত্য- ৬ নভেম্বরই মৃত্যুবরণ করেন তার জীবনের ভালোবাসা, কিংবদন্তি অভিনেতা সঞ্জীব কুমার। ঠিক সেই তারিখেই পরপারে মিলিত হলেন সুলক্ষণা।
সত্তর ও আশির দশকে বলিউডে সমানতালে গান ও অভিনয়ে ছাপ রেখেছিলেন তিনি। লতা মঙ্গেশকর-আশা ভোঁসলের মতো কিংবদন্তিদের যুগেও নিজের মায়াময় কণ্ঠে জায়গা করে নিয়েছিলেন শ্রোতাদের হৃদয়ে। মাত্র ৯ বছর বয়সে গানের জগতে পা রাখেন সুলক্ষণা। ১৯৬৭ সালে শুরু করেন প্লেব্যাক জীবন। ১৯৭৫ সালে ‘সংকল্প’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘তু হি সাগর হ্যায়, তু হি কিনারা’ গেয়ে পান ফিল্মফেয়ার পুরস্কার।
গানের পাশাপাশি অভিনয়েও ছিলেন সমান সফল। ১৯৭৫ সালের ‘উলজান’ ও ১৯৭৬ সালের ‘সঙ্কোচ’ সিনেমায় তার অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল। শুধু বলিউড নয়, বাংলা ছবিতেও অভিনয় করেছেন তিনি। উত্তম কুমার অভিনীত ‘বন্দি’ ছবিতে তার পারফরম্যান্স ছিল স্মরণীয়। গানে তার শিকড় ছিল গভীর। সুলক্ষণা ছিলেন বিশিষ্ট শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী পণ্ডিত যশরাজের ভাগ্নি। তার ভাই যতীন ও ললিত পণ্ডিতও বলিউডের খ্যাতিমান সংগীত পরিচালক।
তবে ক্যারিয়ারের সাফল্যের আড়ালে ব্যক্তিজীবনে সুখ পাননি এই প্রতিভাবান শিল্পী। সঞ্জীব কুমারের প্রতি ভালোবাসা কখনো পূর্ণতা পায়নি। সেই অপূর্ণতার দুঃখে ধীরে ধীরে সরে যান আলো ঝলমলে বলিউড দুনিয়া থেকে। অবশেষে প্রিয় মানুষের মৃত্যুদিনেই পরপারে পাড়ি জমালেন সুলক্ষণা পণ্ডিত।
চলে গেলেন তিনি, কিন্তু রেখে গেলেন সুরে ভরা এক সোনালি যুগের স্মৃতি-যে স্মৃতি আজও মুগ্ধ করে বলিউডপ্রেমীদের হৃদয়।
না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী ও গায়িকা সুলক্ষণা পণ্ডিত। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) মুম্বইয়ের নানাবতী হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার ভাই, সংগীত পরিচালক ললিত পণ্ডিত।
সুলক্ষণা পণ্ডিত দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে শয্যাশায়ী ছিলেন। জীবনের শেষ অধ্যায় কেটেছে নিঃসঙ্গতা আর নীরবতায়। যেন দিন গুনছিলেন সেই মানুষটির সঙ্গে দেখা হওয়ার- যার প্রতি তার একতরফা ভালোবাসা ছিল আজীবনের। কাকতালীয় হলেও বেদনাদায়ক সত্য- ৬ নভেম্বরই মৃত্যুবরণ করেন তার জীবনের ভালোবাসা, কিংবদন্তি অভিনেতা সঞ্জীব কুমার। ঠিক সেই তারিখেই পরপারে মিলিত হলেন সুলক্ষণা।
সত্তর ও আশির দশকে বলিউডে সমানতালে গান ও অভিনয়ে ছাপ রেখেছিলেন তিনি। লতা মঙ্গেশকর-আশা ভোঁসলের মতো কিংবদন্তিদের যুগেও নিজের মায়াময় কণ্ঠে জায়গা করে নিয়েছিলেন শ্রোতাদের হৃদয়ে। মাত্র ৯ বছর বয়সে গানের জগতে পা রাখেন সুলক্ষণা। ১৯৬৭ সালে শুরু করেন প্লেব্যাক জীবন। ১৯৭৫ সালে ‘সংকল্প’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘তু হি সাগর হ্যায়, তু হি কিনারা’ গেয়ে পান ফিল্মফেয়ার পুরস্কার।
গানের পাশাপাশি অভিনয়েও ছিলেন সমান সফল। ১৯৭৫ সালের ‘উলজান’ ও ১৯৭৬ সালের ‘সঙ্কোচ’ সিনেমায় তার অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল। শুধু বলিউড নয়, বাংলা ছবিতেও অভিনয় করেছেন তিনি। উত্তম কুমার অভিনীত ‘বন্দি’ ছবিতে তার পারফরম্যান্স ছিল স্মরণীয়। গানে তার শিকড় ছিল গভীর। সুলক্ষণা ছিলেন বিশিষ্ট শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী পণ্ডিত যশরাজের ভাগ্নি। তার ভাই যতীন ও ললিত পণ্ডিতও বলিউডের খ্যাতিমান সংগীত পরিচালক।
তবে ক্যারিয়ারের সাফল্যের আড়ালে ব্যক্তিজীবনে সুখ পাননি এই প্রতিভাবান শিল্পী। সঞ্জীব কুমারের প্রতি ভালোবাসা কখনো পূর্ণতা পায়নি। সেই অপূর্ণতার দুঃখে ধীরে ধীরে সরে যান আলো ঝলমলে বলিউড দুনিয়া থেকে। অবশেষে প্রিয় মানুষের মৃত্যুদিনেই পরপারে পাড়ি জমালেন সুলক্ষণা পণ্ডিত।
চলে গেলেন তিনি, কিন্তু রেখে গেলেন সুরে ভরা এক সোনালি যুগের স্মৃতি-যে স্মৃতি আজও মুগ্ধ করে বলিউডপ্রেমীদের হৃদয়।

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৭
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৩
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে জায়েদ খানের ডিনারের আমন্ত্রণে যোগ দিলেন শাবনূর। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
শাবনূরকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর। চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো। মূলত জায়েদ খানের আমন্ত্রণেই এসেছিলেন শাবনূর।
এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, শাবনূর আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের আইকন। তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছেন, তাই তার সম্মানে আমি একটা ডিনারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে শাবনূর ছিলেন, তার হাতে আমি ফুল তুলে দিয়েছি। বলা যায় সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি।
উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’
এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’
প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।

১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৩
বলিউডের জনপ্রিয় র্যাপার ইয়ো ইয়ো হানি সিং নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছেন। ভারতে লাইভ কনসার্টে দর্শকদের উদ্দেশে আপত্তিকর ও অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে সোশ্যাল কমিউনিকেশন মিডিয়ায় প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন এই গায়ক।
সম্প্রতি দিল্লিতে নানকু ও করুণের কনসার্টে পারফর্ম করছিলেন হানি সিং। অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে রেডিটে ছড়িয়ে পড়তে মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, শীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দর্শকদের উদ্দেশে রুচিহীন ও অশ্রাব্য মন্তব্য করছেন, যা অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। কেউ কেউ কটাক্ষ করে হানি সিংয়ের নামের সঙ্গে শব্দ জুড়ে ব্যঙ্গাত্মক উপাধিও দিয়েছেন। আবার অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, এ ধরনের মন্তব্যের জন্য কীভাবে একজন জনপ্রিয় শিল্পীকে বড় মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে ব্যক্ত করেছেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে জায়েদ খানের ডিনারের আমন্ত্রণে যোগ দিলেন শাবনূর। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
শাবনূরকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর। চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো। মূলত জায়েদ খানের আমন্ত্রণেই এসেছিলেন শাবনূর।
এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, শাবনূর আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের আইকন। তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছেন, তাই তার সম্মানে আমি একটা ডিনারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে শাবনূর ছিলেন, তার হাতে আমি ফুল তুলে দিয়েছি। বলা যায় সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি।
উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’
এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’
প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।
বলিউডের জনপ্রিয় র্যাপার ইয়ো ইয়ো হানি সিং নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছেন। ভারতে লাইভ কনসার্টে দর্শকদের উদ্দেশে আপত্তিকর ও অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে সোশ্যাল কমিউনিকেশন মিডিয়ায় প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন এই গায়ক।
সম্প্রতি দিল্লিতে নানকু ও করুণের কনসার্টে পারফর্ম করছিলেন হানি সিং। অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে রেডিটে ছড়িয়ে পড়তে মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, শীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দর্শকদের উদ্দেশে রুচিহীন ও অশ্রাব্য মন্তব্য করছেন, যা অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। কেউ কেউ কটাক্ষ করে হানি সিংয়ের নামের সঙ্গে শব্দ জুড়ে ব্যঙ্গাত্মক উপাধিও দিয়েছেন। আবার অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, এ ধরনের মন্তব্যের জন্য কীভাবে একজন জনপ্রিয় শিল্পীকে বড় মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে ব্যক্ত করেছেন।