
২৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:০০
পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা সংরক্ষণ ও স্থানীয় জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে পটুয়াখালীর দুমকিতে পীরতলা খাল পরিষ্কার অভিযানে নেমেছে যুবদল। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলার পিরতলা খালের দুমকি একে হাইস্কুল এলাকা থেকে পীরতলা বাজার পর্যন্ত দীর্ঘ অংশে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান দিপু, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আহসান ফারুক, সাবেক সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রিপন শরীফ, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান খান, যুগ্ন আহবায়ক লাল মিয়া,যুগ্ন আহবায়ক সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন, যুগ্ন আহবায়ক সোহেল, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সুমন শরীফ, সাবেক প্রচার সম্পাদক খালিদ রাফি, সদস্য রিয়াদ, জনতা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শাকিল, ঈসা শরীফ সহ স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
অভিযানে অংশগ্রহণকারীরা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে খালের জমে থাকা কচুরিপানা, পলিথিন, প্লাস্টিক ও নানান ধরনের বর্জ্য অপসারণ করেন। এতে স্থানীয় বাসিন্দারাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে সহযোগিতা করেন।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকা সাবেক সদস্য সচিব রিপন শরীফ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নিজ উদ্যোগে কাটা এই পীরতলা খাল এভাবে অচল হতে দেয়া যায় না, আমরা তার আদর্শকে ধারণ করে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান হাতে নিয়েছি,এই অভিযান চলবে। এই কাজে সহায়তাকারী সকলকে ধন্যবাদ জানাই।
যুবদল নেতা সাইদুর রহমান খান বলেন, “রাজনীতি শুধু ক্ষমতার নয়, জনগণের কল্যাণেও কাজ করা উচিত। খাল পরিষ্কারের এ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতে চাই এবং তরুণ সমাজকে সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত করতে চাই।”
অন্যদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, পিরতলা খালটি দীর্ঘদিন অব্যবস্থাপনায় পড়ে থাকায় পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যায় ও দুর্গন্ধে চারপাশের পরিবেশ নষ্ট হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় যুবদলের উদ্যোগে পরিষ্কার অভিযান শুরু হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেন এবং এ ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
স্থানীয় ব্যবসায়ী বশির উদ্দিন হাওলাদার বলেন, “এই খালটি পরিষ্কার থাকলে শুধু পরিবেশই নয়, বাজারের আশপাশও সুন্দর থাকবে। যুবদলের এই উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার।”
স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, যুবদলের এমন উদ্যোগে এই খালটি পুরনো রুপ ফিরে পাবে বলে আমরা আশাবাদী, তাদের এমন কার্যক্রমে আমরা এলাকাবাসী অনেক খুশী।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালিয়ে গেলে দুমকি হবে একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য উপজেলা।
পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা সংরক্ষণ ও স্থানীয় জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে পটুয়াখালীর দুমকিতে পীরতলা খাল পরিষ্কার অভিযানে নেমেছে যুবদল। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলার পিরতলা খালের দুমকি একে হাইস্কুল এলাকা থেকে পীরতলা বাজার পর্যন্ত দীর্ঘ অংশে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান দিপু, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আহসান ফারুক, সাবেক সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রিপন শরীফ, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান খান, যুগ্ন আহবায়ক লাল মিয়া,যুগ্ন আহবায়ক সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন, যুগ্ন আহবায়ক সোহেল, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সুমন শরীফ, সাবেক প্রচার সম্পাদক খালিদ রাফি, সদস্য রিয়াদ, জনতা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শাকিল, ঈসা শরীফ সহ স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
অভিযানে অংশগ্রহণকারীরা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে খালের জমে থাকা কচুরিপানা, পলিথিন, প্লাস্টিক ও নানান ধরনের বর্জ্য অপসারণ করেন। এতে স্থানীয় বাসিন্দারাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে সহযোগিতা করেন।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকা সাবেক সদস্য সচিব রিপন শরীফ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নিজ উদ্যোগে কাটা এই পীরতলা খাল এভাবে অচল হতে দেয়া যায় না, আমরা তার আদর্শকে ধারণ করে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান হাতে নিয়েছি,এই অভিযান চলবে। এই কাজে সহায়তাকারী সকলকে ধন্যবাদ জানাই।
যুবদল নেতা সাইদুর রহমান খান বলেন, “রাজনীতি শুধু ক্ষমতার নয়, জনগণের কল্যাণেও কাজ করা উচিত। খাল পরিষ্কারের এ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতে চাই এবং তরুণ সমাজকে সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত করতে চাই।”
অন্যদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, পিরতলা খালটি দীর্ঘদিন অব্যবস্থাপনায় পড়ে থাকায় পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যায় ও দুর্গন্ধে চারপাশের পরিবেশ নষ্ট হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় যুবদলের উদ্যোগে পরিষ্কার অভিযান শুরু হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেন এবং এ ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
স্থানীয় ব্যবসায়ী বশির উদ্দিন হাওলাদার বলেন, “এই খালটি পরিষ্কার থাকলে শুধু পরিবেশই নয়, বাজারের আশপাশও সুন্দর থাকবে। যুবদলের এই উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার।”
স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, যুবদলের এমন উদ্যোগে এই খালটি পুরনো রুপ ফিরে পাবে বলে আমরা আশাবাদী, তাদের এমন কার্যক্রমে আমরা এলাকাবাসী অনেক খুশী।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালিয়ে গেলে দুমকি হবে একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য উপজেলা।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৪
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১২
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫২
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৩

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১২
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী ভাড়ানী খালে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রবল স্রোতের তোড়ে খালের উভয় পাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতিনিয়ত বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বসতভিটা, কৃষিজমি, গাছপালা ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কের অংশ ভেঙে খালে চলে যাওয়ায় দুই পাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খালের বিভিন্ন স্থানে পাড় ধসে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষকসহ প্রতিদিন যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক এলাকায় বিকল্প রাস্তা না থাকায় মানুষের চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
কার্তিক পাশা গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার মৃধা জানান, ভাঙনের ফলে তার বাড়ির সামনের জমি ও রাস্তার বড় অংশ ইতোমধ্যে খালের মধ্যে চলে গেছে। এতে বাড়িতে যাতায়াত করাই এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে অবশিষ্ট অংশও হারানোর আশঙ্কা করছেন তিনি।
একই গ্রামের নুরুল ইসলাম সিকদার বলেন, প্রতিদিনই খালের পাড় ভেঙে পড়ছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে। যে কোনো সময় ঘরবাড়িও খালের মধ্যে বিলীন হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা হৃদয় সিকদার অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন চললেও কোনো স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এখন পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দ্রুত ব্লক ফেলা বা টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে বহু পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়বে।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই ভাঙনরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে। ভাঙনের কারণে শুধু বসতভিটাই নয়, কৃষিজমিও হুমকির মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে অনেকের ফলজ ও বনজ গাছপালা খালে বিলীন হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদেকুর রহমান বলেন, ভাঙনের বিষয়টি তার জানা ছিল না। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে দ্রুত সংস্কার ও প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু করা হবে।
এদিকে দ্রুত ভাঙনরোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী ভাড়ানী খালে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রবল স্রোতের তোড়ে খালের উভয় পাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতিনিয়ত বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বসতভিটা, কৃষিজমি, গাছপালা ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কের অংশ ভেঙে খালে চলে যাওয়ায় দুই পাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খালের বিভিন্ন স্থানে পাড় ধসে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষকসহ প্রতিদিন যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক এলাকায় বিকল্প রাস্তা না থাকায় মানুষের চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
কার্তিক পাশা গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার মৃধা জানান, ভাঙনের ফলে তার বাড়ির সামনের জমি ও রাস্তার বড় অংশ ইতোমধ্যে খালের মধ্যে চলে গেছে। এতে বাড়িতে যাতায়াত করাই এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে অবশিষ্ট অংশও হারানোর আশঙ্কা করছেন তিনি।
একই গ্রামের নুরুল ইসলাম সিকদার বলেন, প্রতিদিনই খালের পাড় ভেঙে পড়ছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে। যে কোনো সময় ঘরবাড়িও খালের মধ্যে বিলীন হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা হৃদয় সিকদার অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন চললেও কোনো স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এখন পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দ্রুত ব্লক ফেলা বা টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে বহু পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়বে।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই ভাঙনরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে। ভাঙনের কারণে শুধু বসতভিটাই নয়, কৃষিজমিও হুমকির মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে অনেকের ফলজ ও বনজ গাছপালা খালে বিলীন হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদেকুর রহমান বলেন, ভাঙনের বিষয়টি তার জানা ছিল না। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে দ্রুত সংস্কার ও প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু করা হবে।
এদিকে দ্রুত ভাঙনরোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৭
ধানের ন্যায্য ও লাভজনক মূল্য নিশ্চিত করা, বাজারে সক্রিয় সিন্ডিকেট ভাঙা এবং কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষকদের অংশগ্রহণে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজার এলাকায় বাংলাদেশ কৃষক সমিতি কলাপাড়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সংগঠনের উপজেলা শাখার সভাপতি জিএম মাহবুবের সভাপতিত্বে স্থানীয় কৃষকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নয়নাভিরাম গাইন (নয়ন), নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হক গাজী এবং সদস্য আলতাফ গাজীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে এক কেজি ধান উৎপাদনে কৃষকদের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৩০ থেকে ৩২ টাকা, অথচ দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেটের কারণে সেই ধান ১৬ থেকে ১৮ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। এতে কৃষকরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এছাড়া তেল সংকটকে কেন্দ্র করে হারভেস্টার মালিকদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও তোলেন তারা। এক কানি জমির ধান কাটতে এখন কৃষকদের ১৬ থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৬ হাজার টাকা বেশি। ফলে উৎপাদন খরচ বেড়ে কৃষকরা চরম আর্থিক চাপে পড়েছেন।
কৃষক নেতারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয় নিশ্চিত করতে হবে এবং ধান ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে হবে। পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালুর দাবি জানান তারা। খাল ও স্লুইসগেটের ইজারা ব্যবস্থা বাতিল করে জলাবদ্ধতা নিরসন ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
সমাবেশ শেষে কৃষকরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের পাখিমারা বাজার এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়।
বরিশাল টাইমস
ধানের ন্যায্য ও লাভজনক মূল্য নিশ্চিত করা, বাজারে সক্রিয় সিন্ডিকেট ভাঙা এবং কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষকদের অংশগ্রহণে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজার এলাকায় বাংলাদেশ কৃষক সমিতি কলাপাড়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সংগঠনের উপজেলা শাখার সভাপতি জিএম মাহবুবের সভাপতিত্বে স্থানীয় কৃষকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নয়নাভিরাম গাইন (নয়ন), নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হক গাজী এবং সদস্য আলতাফ গাজীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে এক কেজি ধান উৎপাদনে কৃষকদের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৩০ থেকে ৩২ টাকা, অথচ দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেটের কারণে সেই ধান ১৬ থেকে ১৮ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। এতে কৃষকরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এছাড়া তেল সংকটকে কেন্দ্র করে হারভেস্টার মালিকদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও তোলেন তারা। এক কানি জমির ধান কাটতে এখন কৃষকদের ১৬ থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৬ হাজার টাকা বেশি। ফলে উৎপাদন খরচ বেড়ে কৃষকরা চরম আর্থিক চাপে পড়েছেন।
কৃষক নেতারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয় নিশ্চিত করতে হবে এবং ধান ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে হবে। পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালুর দাবি জানান তারা। খাল ও স্লুইসগেটের ইজারা ব্যবস্থা বাতিল করে জলাবদ্ধতা নিরসন ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
সমাবেশ শেষে কৃষকরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের পাখিমারা বাজার এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়।
বরিশাল টাইমস

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০৯
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে উপজেলা মাসিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের নবনির্মিত সম্প্রসারিত ভবনের হল রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল
এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব সাহাবুদ্দিন নান্নু, মির্জাগঞ্জ উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি রাসেল মুন্সী,মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ আব্দুস সালাম, কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ মামুন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সাহা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মু. মাহফুজুর রহমান,
মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি গোলাম ফারুক মুন্সি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজী, যুগ্ম সম্পাদক গোলাম সরওয়ার মঞ্জু, মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি'র তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এবং মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ, সাংবাদিক আলামিন প্রিন্স, জিয়াউর রহমান প্রমুখ।
এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা,বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ,প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সভায় বক্তারা উপজেলার মাদক কারবারী-সেবনকারীর দৌরাত্ম্য, কিশোর অপরাধ,চুরি বেড়ে যাওয়া,গ্রেফতার মাদক কারবারি আইনের ফাঁকফোকরে খুব সহজেই জামিনে বের হয়ে আসা, সরকারি ও মালিকানা হাসপাতালের বর্তমান অবস্থা,পরিচ্ছন্নতা, জ্বালানি সংকট ও অবৈধ মজুত ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা এবং সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সম্মিলিত ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে উপজেলা মাসিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের নবনির্মিত সম্প্রসারিত ভবনের হল রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল
এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব সাহাবুদ্দিন নান্নু, মির্জাগঞ্জ উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি রাসেল মুন্সী,মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ আব্দুস সালাম, কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ মামুন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সাহা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মু. মাহফুজুর রহমান,
মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি গোলাম ফারুক মুন্সি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজী, যুগ্ম সম্পাদক গোলাম সরওয়ার মঞ্জু, মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি'র তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এবং মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ, সাংবাদিক আলামিন প্রিন্স, জিয়াউর রহমান প্রমুখ।
এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা,বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ,প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সভায় বক্তারা উপজেলার মাদক কারবারী-সেবনকারীর দৌরাত্ম্য, কিশোর অপরাধ,চুরি বেড়ে যাওয়া,গ্রেফতার মাদক কারবারি আইনের ফাঁকফোকরে খুব সহজেই জামিনে বের হয়ে আসা, সরকারি ও মালিকানা হাসপাতালের বর্তমান অবস্থা,পরিচ্ছন্নতা, জ্বালানি সংকট ও অবৈধ মজুত ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা এবং সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সম্মিলিত ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.