
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:৪৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামে মাছের ঘের নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে কৃষক পরিবারের ওপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে স্থানীয় শ্রমিকদল নেতা ফরিদ চৌকিদারের নেতৃত্বাধীন একটি দল। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনায় একই পরিবারের ছয়জন আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেড়িবাঁধের বাইরে অবস্থিত একটি ছোট মাছের ঘের দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করে আসছিলেন আলমগীর মুসুল্লি। গত পরশু ঘেরটির মাছ নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে আলমগীরের সঙ্গে স্থানীয় নূরজামাল হাওলাদারের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে বুধবার সন্ধ্যায় শ্রমিক দল নেতা ফরিদ চৌকিদার, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রাজিব, যুবদল নেতা নাজমুলসহ ১৫–২০ জনের একটি দল কৃষক পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা ঘরের বিদ্যুতের মিটার ভাঙচুরসহ ঘরে লুটপাটও করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী আলমগীর মুসুল্লি বলেন, তাদের সঙ্গে কোনো শত্রুতা ছিল না। নূরজামাল হাওলাদার টাকা দিয়ে ওদের ভাড়া করে আমাদের ওপর হামলা করিয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ ঘটনায় আলমগীর মুসুল্লি, তার স্ত্রী ময়না বেগম, দুই ছেলে হাসান ও হাবিব এবং ভাই আল-আমিন আহত হন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হাসান, হাবিব ও ময়না বেগমের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত রয়েছে।
আহত হাসান বলেন, আমরা শুধু ঘের থেকে মাছ নিয়ে যাওয়ার বিষয়টা জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা পরিকল্পিতভাবে দল বেঁধে এসে আমাদের মারধর করেছে, ঘরও ভাঙচুর করেছে।
হাবিব বলেন, সেদিন বিকেলেই তারা আমাদের হুমকি দিয়েছিল। পরে সন্ধ্যায় এসে হামলা চালায়। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর থেকে ফরিদ চৌকিদার এলাকায় নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, ফরিদ বিভিন্ন জায়গায় টাকার বিনিময়ে ‘বটবাহিনী’ নিয়ে মারামারি করে থাকে।
অভিযোগ অস্বীকার করে নূরজামাল হাওলাদার বলেন, এসব বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
অভিযুক্ত ফরিদ চৌকিদার বলেন, আমি মারধর করিনি। মারামারির ঘটনা শুনে ছাড়াতে গেছি। এসময় আমিও মারধরের শিকার হয়েছি। টাকা পয়সা নিয়ে মারধরের বিষয়টিও তিনি এড়িয়ে যান।
নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামে মাছের ঘের নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে কৃষক পরিবারের ওপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে স্থানীয় শ্রমিকদল নেতা ফরিদ চৌকিদারের নেতৃত্বাধীন একটি দল। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনায় একই পরিবারের ছয়জন আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেড়িবাঁধের বাইরে অবস্থিত একটি ছোট মাছের ঘের দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করে আসছিলেন আলমগীর মুসুল্লি। গত পরশু ঘেরটির মাছ নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে আলমগীরের সঙ্গে স্থানীয় নূরজামাল হাওলাদারের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে বুধবার সন্ধ্যায় শ্রমিক দল নেতা ফরিদ চৌকিদার, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রাজিব, যুবদল নেতা নাজমুলসহ ১৫–২০ জনের একটি দল কৃষক পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা ঘরের বিদ্যুতের মিটার ভাঙচুরসহ ঘরে লুটপাটও করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী আলমগীর মুসুল্লি বলেন, তাদের সঙ্গে কোনো শত্রুতা ছিল না। নূরজামাল হাওলাদার টাকা দিয়ে ওদের ভাড়া করে আমাদের ওপর হামলা করিয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ ঘটনায় আলমগীর মুসুল্লি, তার স্ত্রী ময়না বেগম, দুই ছেলে হাসান ও হাবিব এবং ভাই আল-আমিন আহত হন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হাসান, হাবিব ও ময়না বেগমের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত রয়েছে।
আহত হাসান বলেন, আমরা শুধু ঘের থেকে মাছ নিয়ে যাওয়ার বিষয়টা জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা পরিকল্পিতভাবে দল বেঁধে এসে আমাদের মারধর করেছে, ঘরও ভাঙচুর করেছে।
হাবিব বলেন, সেদিন বিকেলেই তারা আমাদের হুমকি দিয়েছিল। পরে সন্ধ্যায় এসে হামলা চালায়। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর থেকে ফরিদ চৌকিদার এলাকায় নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, ফরিদ বিভিন্ন জায়গায় টাকার বিনিময়ে ‘বটবাহিনী’ নিয়ে মারামারি করে থাকে।
অভিযোগ অস্বীকার করে নূরজামাল হাওলাদার বলেন, এসব বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
অভিযুক্ত ফরিদ চৌকিদার বলেন, আমি মারধর করিনি। মারামারির ঘটনা শুনে ছাড়াতে গেছি। এসময় আমিও মারধরের শিকার হয়েছি। টাকা পয়সা নিয়ে মারধরের বিষয়টিও তিনি এড়িয়ে যান।
নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৮

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১২
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নাগরিকদের সচেতনতা বাড়াতে পটুয়াখালী শহরের চার লেন সড়কে স্থাপন করা হয়েছে দৃষ্টি নন্দন লাইটিং বোর্ড। আধুনিক নকশা ও আলোকসজ্জায় নির্মিত এসব বোর্ড পথচারী ও যানবাহন চলাচলকারী মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় লাইটিং বোর্ডগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সরকারের উপসচিব, পটুয়াখালী পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জুয়েল রানা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পৌর সভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা ভবানী শংকর সিংহসহ পৌর প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
লাইটিং বোর্ডগুলোতে গণভোটের গুরুত্ব, ভোটারদের দায়িত্ব এবং গণতান্ত্রিক অধিকার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য বার্তা প্রদর্শন করা হচ্ছে। আকর্ষণীয় আলো ব্যবস্থার কারণে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বোর্ডগুলো স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান থাকছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জুয়েল রানা বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইটিং বোর্ডগুলো মানুষের মাঝে ভোটের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেবে এবং গণভোট ও নির্বাচনে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এমন নান্দনিক উদ্যোগ শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে তরুণ ও নতুন ভোটারদের মধ্যে ভোটাধিকার সম্পর্কে আগ্রহ ও দায়িত্ববোধ বাড়ছে।
পৌর প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শহরের আরও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের লাইটিং বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে, যাতে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আরও ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করা যায়।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নাগরিকদের সচেতনতা বাড়াতে পটুয়াখালী শহরের চার লেন সড়কে স্থাপন করা হয়েছে দৃষ্টি নন্দন লাইটিং বোর্ড। আধুনিক নকশা ও আলোকসজ্জায় নির্মিত এসব বোর্ড পথচারী ও যানবাহন চলাচলকারী মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় লাইটিং বোর্ডগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সরকারের উপসচিব, পটুয়াখালী পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জুয়েল রানা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পৌর সভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা ভবানী শংকর সিংহসহ পৌর প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
লাইটিং বোর্ডগুলোতে গণভোটের গুরুত্ব, ভোটারদের দায়িত্ব এবং গণতান্ত্রিক অধিকার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য বার্তা প্রদর্শন করা হচ্ছে। আকর্ষণীয় আলো ব্যবস্থার কারণে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বোর্ডগুলো স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান থাকছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জুয়েল রানা বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইটিং বোর্ডগুলো মানুষের মাঝে ভোটের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেবে এবং গণভোট ও নির্বাচনে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এমন নান্দনিক উদ্যোগ শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে তরুণ ও নতুন ভোটারদের মধ্যে ভোটাধিকার সম্পর্কে আগ্রহ ও দায়িত্ববোধ বাড়ছে।
পৌর প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শহরের আরও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের লাইটিং বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে, যাতে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আরও ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করা যায়।

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৯
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান করে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
আজ শনিবার সকাল ১০ টায় বাউফল প্রেসক্লাবের বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার মিলনায়তনে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান ও জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. ,জিানুর রহমান, বাউফল পৌরসভা শাখা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. সাদিকুজ্জামান রাকিব, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মূনইমুল ইসলাম মিরাজ ও এনামুল হক মনন, বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. আপেল মাহমুদ মুন্না ও সাবেক সদস্য সচিব মো. রিয়াজ হোসেন, বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নেয়ামুল ইসলাম, জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ছাত্রনেতা মোয়সার হোসাইন প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন,গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী ও সদস্য সচিব জাকারিয়া আহম্মেদ সাক্ষরিত ও ঘোষিত আবদুল্লাহ আল ফাহাদকে সভাপতি ও মো. রাসেল ইকবাল দুখু মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটিতে অছাত্র, বিবাহিত, সন্তানের জনক ও ছাত্রলীগের সক্রিয়কর্মীরা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্দোলন ও সংগ্রামে যাঁরা মাঠে ছিলেন, কারাভোগ করেছেন ও গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গু হয়েছেন তাঁদেরকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। এ সময় বক্তারা তাঁদের বক্তব্যের স্বপক্ষের বিভিন্ন প্রমাণ সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। তাঁরা নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান করে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ও সদস্য সচিব জাকারিয়াকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন। পরে তাঁরা বিক্ষোভ মিছিলেও একই দাবি তুলে স্লোগান দেয়।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান করে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
আজ শনিবার সকাল ১০ টায় বাউফল প্রেসক্লাবের বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার মিলনায়তনে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান ও জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. ,জিানুর রহমান, বাউফল পৌরসভা শাখা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. সাদিকুজ্জামান রাকিব, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মূনইমুল ইসলাম মিরাজ ও এনামুল হক মনন, বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. আপেল মাহমুদ মুন্না ও সাবেক সদস্য সচিব মো. রিয়াজ হোসেন, বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নেয়ামুল ইসলাম, জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ছাত্রনেতা মোয়সার হোসাইন প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন,গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী ও সদস্য সচিব জাকারিয়া আহম্মেদ সাক্ষরিত ও ঘোষিত আবদুল্লাহ আল ফাহাদকে সভাপতি ও মো. রাসেল ইকবাল দুখু মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটিতে অছাত্র, বিবাহিত, সন্তানের জনক ও ছাত্রলীগের সক্রিয়কর্মীরা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্দোলন ও সংগ্রামে যাঁরা মাঠে ছিলেন, কারাভোগ করেছেন ও গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গু হয়েছেন তাঁদেরকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। এ সময় বক্তারা তাঁদের বক্তব্যের স্বপক্ষের বিভিন্ন প্রমাণ সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। তাঁরা নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান করে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ও সদস্য সচিব জাকারিয়াকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন। পরে তাঁরা বিক্ষোভ মিছিলেও একই দাবি তুলে স্লোগান দেয়।

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৬
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় প্রিজাইডিং অফিসারদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম, পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার জনাব মো. আবু ইউসুফ এবং বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জনাব মো. ফরিদুল ইসলাম।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন চৌধুরী। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন, ভোটগ্রহণের নিয়মাবলি, ব্যালট পেপার ও ইভিএম ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটকেন্দ্র পরিচালনা এবং প্রিজাইডিং অফিসারদের করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বক্তারা বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রিজাইডিং অফিসারদের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দুমকি উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রিজাইডিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাচন অফিস দুমকি, পটুয়াখালীর যৌথ আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় প্রিজাইডিং অফিসারদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম, পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার জনাব মো. আবু ইউসুফ এবং বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জনাব মো. ফরিদুল ইসলাম।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন চৌধুরী। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন, ভোটগ্রহণের নিয়মাবলি, ব্যালট পেপার ও ইভিএম ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটকেন্দ্র পরিচালনা এবং প্রিজাইডিং অফিসারদের করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বক্তারা বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রিজাইডিং অফিসারদের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দুমকি উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রিজাইডিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাচন অফিস দুমকি, পটুয়াখালীর যৌথ আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.