
১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৩:১৬
রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের পরিত্যক্ত গর্তে (বোরিং) আটকে থাকা শিশু সাজিদকে উদ্ধারে টানা কাজ করে চলেছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ইতিমধ্যে তিনটি এক্সকাভেটর দিয়ে পাশে ৪০ ফুট গভীর একটি গর্ত করে প্রাথমিক কাজ শেষ করা হয়েছে। বর্তমানে মূল গর্ত পর্যন্ত পৌঁছতে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস। তবে আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
জানা যায়, বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার দিকে মায়ের পেছন পেছন হাঁটতে হাঁটতে শিশু সাজিদ হঠাৎ পড়ে পরিত্যক্ত একটি টিউবওয়েলের ৪০ ফুট গর্তে পড়ে যায়। এরপর থেকেই শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। প্রথমে স্থানীয়রা উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। তারা ব্যর্থ হলে খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে।
আজ শিশুটি যে গর্তের মধ্যে পড়ে যায় সেখানে সুড়ঙ্গ খোঁড়া শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তবে এখনো দেখা মেলেনি সাজিদের।
শিশুটির মা রুনা খাতুন জানান, গতকাল দুপুর ১টার দিকে মেজো ছেলে সাজিদের হাত ধরে বাড়ির পাশের মাঠে যাচ্ছিলেন তিনি। এ সময় তার কোলে ছোট একটি সন্তান ছিল।
হাঁটার সময় আচমকা সাজিদ মা বলে ডাকে। তখন তিনি পেছনে তাকিয়ে দেখেন- ছেলে নেই, গর্তের ভেতর থেকে মা, মা বলে ডাকছে। গর্তটির ওপরে বিছানো ছিল খড়। ওখানে যে গর্ত ছিল, সেটা তিনি বা ছেলে কেউই বুঝতে পারেনি। লোকজন ডাকাডাকি করতে করতেই ছেলেটি গর্তের তলায় চলে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সেচের জন্য সেমিডিপ নলকূপ বসাতে গিয়ে এ গর্তটি খনন করেছিলেন জমির মালিক কছির উদ্দিন। কিন্তু পানি না পাওয়ায় কাজটি আর এগোয়নি। পরে খোলা অবস্থাতেই বিপজ্জনক এ গর্তটি রয়ে যায়।
ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতার প্রাথমিক ধাপ পেরিয়ে এক্সকাভেটর দিয়ে মাটি সরানো ছাড়া শিশু সাজিদকে উদ্ধার সম্ভব হচ্ছিল না। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাকে উদ্ধারে এক্সকাভেটরের খোঁজ করা হচ্ছিল। কিন্তু পুরো তানোর উপজেলায় খোঁজ করেও কোনো উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এক্সকাভেটর পাওয়া যায়নি। অবশেষে গতকাল রাত ৮টার দিকে পাশের উপজেলা মোহনপুর থেকে ছোট্ট দুটি এক্সকাভেটর এনে মাটি খননকাজ শুরু করেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৬টায় ৪০ ফুট গর্ত করা শেষ হয়। এরপর সেই গর্ত থেকে শিশুটি যে গর্তের মধ্যে পড়ে যায় সেদিকে সুড়ঙ্গ খোঁড়া শুরু করে। প্রায় দেড় ঘণ্টা থেকে সেই সুড়ঙ্গ হলেও শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এদিকে, ছেলের জন্য রাতভর অপেক্ষার পর রুনা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলের প্রচণ্ড জ্বর ছিল। দাদার সঙ্গে হাটখোলায় যেতে চেয়েছিল। কিন্তু জ্বর থাকায় দাদা নিয়ে যায়নি। সকালে আমি ওষুধ এনে তাকে খাইয়ে দিয়েছি। কে জানত এমন সর্বনাশ অপেক্ষা করছে! আমার অসুস্থ ছেলেটা এখন ৪০ ফুট মাটির নিচে… এই তীব্র শীতে।’ এতটুকু বলেই কাঁপতে কাঁপতে জ্ঞান হারান তিনি। জ্ঞান ফিরে আসতেই তাকাচ্ছিলেন গর্তটির দিকে।
ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী স্টেশনের সহকারী পরিচালক দিদারুল ইসলাম জানান, উদ্ধার কাজ চলমান। গর্ত কাটা শেষে সুড়ঙ্গ করা হচ্ছে।
রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের পরিত্যক্ত গর্তে (বোরিং) আটকে থাকা শিশু সাজিদকে উদ্ধারে টানা কাজ করে চলেছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ইতিমধ্যে তিনটি এক্সকাভেটর দিয়ে পাশে ৪০ ফুট গভীর একটি গর্ত করে প্রাথমিক কাজ শেষ করা হয়েছে। বর্তমানে মূল গর্ত পর্যন্ত পৌঁছতে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস। তবে আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
জানা যায়, বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার দিকে মায়ের পেছন পেছন হাঁটতে হাঁটতে শিশু সাজিদ হঠাৎ পড়ে পরিত্যক্ত একটি টিউবওয়েলের ৪০ ফুট গর্তে পড়ে যায়। এরপর থেকেই শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। প্রথমে স্থানীয়রা উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। তারা ব্যর্থ হলে খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে।
আজ শিশুটি যে গর্তের মধ্যে পড়ে যায় সেখানে সুড়ঙ্গ খোঁড়া শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তবে এখনো দেখা মেলেনি সাজিদের।
শিশুটির মা রুনা খাতুন জানান, গতকাল দুপুর ১টার দিকে মেজো ছেলে সাজিদের হাত ধরে বাড়ির পাশের মাঠে যাচ্ছিলেন তিনি। এ সময় তার কোলে ছোট একটি সন্তান ছিল।
হাঁটার সময় আচমকা সাজিদ মা বলে ডাকে। তখন তিনি পেছনে তাকিয়ে দেখেন- ছেলে নেই, গর্তের ভেতর থেকে মা, মা বলে ডাকছে। গর্তটির ওপরে বিছানো ছিল খড়। ওখানে যে গর্ত ছিল, সেটা তিনি বা ছেলে কেউই বুঝতে পারেনি। লোকজন ডাকাডাকি করতে করতেই ছেলেটি গর্তের তলায় চলে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সেচের জন্য সেমিডিপ নলকূপ বসাতে গিয়ে এ গর্তটি খনন করেছিলেন জমির মালিক কছির উদ্দিন। কিন্তু পানি না পাওয়ায় কাজটি আর এগোয়নি। পরে খোলা অবস্থাতেই বিপজ্জনক এ গর্তটি রয়ে যায়।
ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতার প্রাথমিক ধাপ পেরিয়ে এক্সকাভেটর দিয়ে মাটি সরানো ছাড়া শিশু সাজিদকে উদ্ধার সম্ভব হচ্ছিল না। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাকে উদ্ধারে এক্সকাভেটরের খোঁজ করা হচ্ছিল। কিন্তু পুরো তানোর উপজেলায় খোঁজ করেও কোনো উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এক্সকাভেটর পাওয়া যায়নি। অবশেষে গতকাল রাত ৮টার দিকে পাশের উপজেলা মোহনপুর থেকে ছোট্ট দুটি এক্সকাভেটর এনে মাটি খননকাজ শুরু করেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৬টায় ৪০ ফুট গর্ত করা শেষ হয়। এরপর সেই গর্ত থেকে শিশুটি যে গর্তের মধ্যে পড়ে যায় সেদিকে সুড়ঙ্গ খোঁড়া শুরু করে। প্রায় দেড় ঘণ্টা থেকে সেই সুড়ঙ্গ হলেও শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এদিকে, ছেলের জন্য রাতভর অপেক্ষার পর রুনা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলের প্রচণ্ড জ্বর ছিল। দাদার সঙ্গে হাটখোলায় যেতে চেয়েছিল। কিন্তু জ্বর থাকায় দাদা নিয়ে যায়নি। সকালে আমি ওষুধ এনে তাকে খাইয়ে দিয়েছি। কে জানত এমন সর্বনাশ অপেক্ষা করছে! আমার অসুস্থ ছেলেটা এখন ৪০ ফুট মাটির নিচে… এই তীব্র শীতে।’ এতটুকু বলেই কাঁপতে কাঁপতে জ্ঞান হারান তিনি। জ্ঞান ফিরে আসতেই তাকাচ্ছিলেন গর্তটির দিকে।
ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী স্টেশনের সহকারী পরিচালক দিদারুল ইসলাম জানান, উদ্ধার কাজ চলমান। গর্ত কাটা শেষে সুড়ঙ্গ করা হচ্ছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৩
প্রেমের টানে সীমান্ত পাড়ি দিতে গিয়ে মো. আনোয়ার হোসেন (৪৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক ভারতীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন। ভারতের অভ্যন্তরে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার বুটিয়াপাড়া সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত আনোয়ার হোসেন ওই উপজেলার উত্তর নলকুড়া গ্রামের মো. মজিবরের ছেলে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) জানায়, আনোয়ার হোসেন জনৈক এক ভারতীয় নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। মূলত সেই সম্পর্কের টানেই তিনি বারবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতেন।
গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, গত বছরও একই কারণে ভারতে প্রবেশ করতে গিয়ে তিনি ভারতীয় দুষ্কৃতকারীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন। তবুও দমানো যায়নি তাকে।
বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার রাতে প্রেমের টানে জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করে ভারতের প্রায় ৩৫০ গজ ভেতরে ঢুকে পড়েন আনোয়ার। কাঁটাতারের বেড়ার কাছে পৌঁছাতেই রাতের অন্ধকারে ওত পেতে থাকা একদল অজ্ঞাতনামা পাহাড়ি গারো লোক তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের হামলায় আনোয়ার গুরুতর জখম হন।
আহত অবস্থায় কোনো মতে বাংলাদেশে ফিরে আসলে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বর্তমানে তিনি ঢাকাতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজীদ জানান, সীমান্ত রক্ষা এবং মাদক ও চোরাচালানসহ যেকোনোপ্রকার অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত আইন অমান্য করার ফলে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘটনা ঘটছে।
প্রেমের টানে সীমান্ত পাড়ি দিতে গিয়ে মো. আনোয়ার হোসেন (৪৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক ভারতীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন। ভারতের অভ্যন্তরে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার বুটিয়াপাড়া সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত আনোয়ার হোসেন ওই উপজেলার উত্তর নলকুড়া গ্রামের মো. মজিবরের ছেলে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) জানায়, আনোয়ার হোসেন জনৈক এক ভারতীয় নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। মূলত সেই সম্পর্কের টানেই তিনি বারবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতেন।
গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, গত বছরও একই কারণে ভারতে প্রবেশ করতে গিয়ে তিনি ভারতীয় দুষ্কৃতকারীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন। তবুও দমানো যায়নি তাকে।
বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার রাতে প্রেমের টানে জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করে ভারতের প্রায় ৩৫০ গজ ভেতরে ঢুকে পড়েন আনোয়ার। কাঁটাতারের বেড়ার কাছে পৌঁছাতেই রাতের অন্ধকারে ওত পেতে থাকা একদল অজ্ঞাতনামা পাহাড়ি গারো লোক তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের হামলায় আনোয়ার গুরুতর জখম হন।
আহত অবস্থায় কোনো মতে বাংলাদেশে ফিরে আসলে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বর্তমানে তিনি ঢাকাতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজীদ জানান, সীমান্ত রক্ষা এবং মাদক ও চোরাচালানসহ যেকোনোপ্রকার অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত আইন অমান্য করার ফলে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘটনা ঘটছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩০
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের সমরগাঁও গ্রামে বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে এক মাদক কারবারির ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সমরগাও গ্রামের বাসিন্দা রফিজ আলীর ছেলে সমুজ আলী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও তিনি জোরপূর্বক গ্রামবাসীর জমি দখল করে সেখানে বসবাস করছিলেন বলেও দাবি করেন স্থানীয়রা।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকালে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী তার বসতঘর ভাঙচুর করেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. মোনায়েম মিয়া বলেন, সমুজ আলী একজন মাদক কারবারি বলে অভিযোগ রয়েছে। গ্রামবাসী তার বসতঘর উচ্ছেদ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের সমরগাঁও গ্রামে বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে এক মাদক কারবারির ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সমরগাও গ্রামের বাসিন্দা রফিজ আলীর ছেলে সমুজ আলী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও তিনি জোরপূর্বক গ্রামবাসীর জমি দখল করে সেখানে বসবাস করছিলেন বলেও দাবি করেন স্থানীয়রা।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকালে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী তার বসতঘর ভাঙচুর করেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. মোনায়েম মিয়া বলেন, সমুজ আলী একজন মাদক কারবারি বলে অভিযোগ রয়েছে। গ্রামবাসী তার বসতঘর উচ্ছেদ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৯
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবৈধভাবে ঘোড়া জবাই করে মাংস সরবরাহ করে এমন একটি চক্রের সন্ধান মিলেছে। স্থানীয়দের ধাওয়া খেয়ে চক্রের সদস্যরা ১৪টি জবাইকৃত ঘোড়া ফেলে পালিয়ে যায়।
বুধবার (৮ মার্চ) ভোরে উপজেলার আনারপুরা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তিতাস গ্যাসের সাবস্টেশনের পেছনের একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে জবাইকৃত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়। এ সময় জবাইয়ের উদ্দেশ্যে আনা একটি জীবিত ঘোড়াও উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত ঘোড়াগুলো থেকে প্রায় ৩০ মণ মাংস পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় গভীর রাতে সন্দেহজনক কার্যক্রম চলছিল। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে গ্রামবাসী নজরদারি শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হাসান জানান, বুধবার ভোরে গ্রামবাসী ওঁৎ পেতে থেকে চক্রটিকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাদের ধাওয়া দিলে মো. তিতাস ও রাজিবসহ কয়েকজন পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চক্রটি নিয়মিত ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস হিসেবে বিভিন্ন হোটেল ও কসাইদের কাছে সরবরাহ করত। প্রমাণ গোপন করতে তারা চামড়া, হাড় ও নাড়িভুঁড়ি মাটিতে পুঁতে রাখত। ঘটনাস্থলে অন্তত ২০টি গর্ত এবং ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা হাড়গোড়ের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সপ্তাহে কয়েকদিন গভীর রাতে সেখানে গাড়ি আসত। সকালে রক্ত ও হাড় পড়ে থাকতে দেখা যেত। যা সন্দেহ আরও বাড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তার আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। গজারিয়া থানার ওসি মো. হাসান আলী বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান জানান, পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১’ অনুযায়ী ঘোড়া জবাই বৈধ নয়।
তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া না যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জবাইকৃত ঘোড়াগুলো প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মাটিতে পুঁতে ফেলার ব্যবস্থা করা হবে।
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবৈধভাবে ঘোড়া জবাই করে মাংস সরবরাহ করে এমন একটি চক্রের সন্ধান মিলেছে। স্থানীয়দের ধাওয়া খেয়ে চক্রের সদস্যরা ১৪টি জবাইকৃত ঘোড়া ফেলে পালিয়ে যায়।
বুধবার (৮ মার্চ) ভোরে উপজেলার আনারপুরা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তিতাস গ্যাসের সাবস্টেশনের পেছনের একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে জবাইকৃত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়। এ সময় জবাইয়ের উদ্দেশ্যে আনা একটি জীবিত ঘোড়াও উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত ঘোড়াগুলো থেকে প্রায় ৩০ মণ মাংস পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় গভীর রাতে সন্দেহজনক কার্যক্রম চলছিল। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে গ্রামবাসী নজরদারি শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হাসান জানান, বুধবার ভোরে গ্রামবাসী ওঁৎ পেতে থেকে চক্রটিকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাদের ধাওয়া দিলে মো. তিতাস ও রাজিবসহ কয়েকজন পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চক্রটি নিয়মিত ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস হিসেবে বিভিন্ন হোটেল ও কসাইদের কাছে সরবরাহ করত। প্রমাণ গোপন করতে তারা চামড়া, হাড় ও নাড়িভুঁড়ি মাটিতে পুঁতে রাখত। ঘটনাস্থলে অন্তত ২০টি গর্ত এবং ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা হাড়গোড়ের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সপ্তাহে কয়েকদিন গভীর রাতে সেখানে গাড়ি আসত। সকালে রক্ত ও হাড় পড়ে থাকতে দেখা যেত। যা সন্দেহ আরও বাড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তার আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। গজারিয়া থানার ওসি মো. হাসান আলী বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান জানান, পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১’ অনুযায়ী ঘোড়া জবাই বৈধ নয়।
তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া না যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জবাইকৃত ঘোড়াগুলো প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মাটিতে পুঁতে ফেলার ব্যবস্থা করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.