
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩০
পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরো রমজান মাসজুড়ে দেশের সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন।
এর আগে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরো রমজান মাসজুড়ে দেশের সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওইদিন বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল ও অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা। পবিত্র রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে সম্প্রতি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল।
এর আগে গত ৫ জানুয়ারি পবিত্র রমজানে স্কুল বন্ধ রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ছাড়াও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
এতে বলা হয়, দেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলিম। স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে- এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং একইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।
এতে আরও বলা হয়, সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না এবং অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী- আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। এজন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।
আইনি নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়। এতে রোজা রাখার অভ্যাস থেকে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়।
যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোয় তীব্র জানযটের সৃষ্টি হয়, যার কারণে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। পরবর্তীতে নোটিশের জবাব না পাওয়ায় হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করা হয়।
পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরো রমজান মাসজুড়ে দেশের সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন।
এর আগে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরো রমজান মাসজুড়ে দেশের সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওইদিন বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল ও অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা। পবিত্র রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে সম্প্রতি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল।
এর আগে গত ৫ জানুয়ারি পবিত্র রমজানে স্কুল বন্ধ রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ছাড়াও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
এতে বলা হয়, দেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলিম। স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে- এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং একইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।
এতে আরও বলা হয়, সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না এবং অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী- আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। এজন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।
আইনি নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়। এতে রোজা রাখার অভ্যাস থেকে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়।
যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোয় তীব্র জানযটের সৃষ্টি হয়, যার কারণে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। পরবর্তীতে নোটিশের জবাব না পাওয়ায় হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করা হয়।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১২
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টি জাতীয় সংসদের ফ্লোরে আলোচনায় উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (১৪ মার্চ) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আসন্ন সংসদ অধিবেশন কতদিন চলবে, কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হবে, কী কী আইন উত্থাপন করা হবে এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর কত ঘণ্টা আলোচনা হবে—এসব বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
তিনি জানান, ১৫ মার্চের অধিবেশন শেষে সংসদ মুলতবি হয়ে ঈদের পর ২৯ মার্চ আবার বসবে। এরপর এপ্রিল মাসজুড়ে সংসদের অধিবেশন চলবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলো একটি বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখানে যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন আকারে তা সংসদে উত্থাপন করা হবে।
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টি জাতীয় সংসদের ফ্লোরে আলোচনায় উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (১৪ মার্চ) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আসন্ন সংসদ অধিবেশন কতদিন চলবে, কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হবে, কী কী আইন উত্থাপন করা হবে এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর কত ঘণ্টা আলোচনা হবে—এসব বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
তিনি জানান, ১৫ মার্চের অধিবেশন শেষে সংসদ মুলতবি হয়ে ঈদের পর ২৯ মার্চ আবার বসবে। এরপর এপ্রিল মাসজুড়ে সংসদের অধিবেশন চলবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলো একটি বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখানে যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন আকারে তা সংসদে উত্থাপন করা হবে।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:২২
ফেনীতে ১ লাখ ২৫ হাজার জাল টাকাসহ মো. ফারুক আহম্মদ ভূঁইয়া নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি কম্পিউটার, প্রিন্টার, পেনড্রাইভসহ জাল টাকা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে ফেনী মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নিশাত তাবাসসুম।
আটক ফারুক আহম্মেদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার জিয়াসার গ্রামের মৃত মো. আলী আহম্মদ ভূঁইয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে ফেনী শহরতলীর রানীরহাট এলাকায় জাল টাকা দিয়ে বাজারে কেনাকাটার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হলে ফারুককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জেলার দাগনভূঞা উপজেলায় তার ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার জাল নোট, একটি কম্পিউটার, প্রিন্টার, পেনড্রাইভসহ জাল টাকা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক জাল টাকা তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানায় পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নিশাত তাবাসসুম বলেন, আটক ফারুক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে, কম্পিউটার দোকানে কাজ শেখার সুবাদে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের আশায় সে জাল টাকা ছাপানোর কাজে জড়িয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে সে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু জাল টাকা বাজারে ছেড়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।
ফেনীতে ১ লাখ ২৫ হাজার জাল টাকাসহ মো. ফারুক আহম্মদ ভূঁইয়া নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি কম্পিউটার, প্রিন্টার, পেনড্রাইভসহ জাল টাকা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে ফেনী মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নিশাত তাবাসসুম।
আটক ফারুক আহম্মেদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার জিয়াসার গ্রামের মৃত মো. আলী আহম্মদ ভূঁইয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে ফেনী শহরতলীর রানীরহাট এলাকায় জাল টাকা দিয়ে বাজারে কেনাকাটার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হলে ফারুককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জেলার দাগনভূঞা উপজেলায় তার ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার জাল নোট, একটি কম্পিউটার, প্রিন্টার, পেনড্রাইভসহ জাল টাকা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক জাল টাকা তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানায় পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নিশাত তাবাসসুম বলেন, আটক ফারুক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে, কম্পিউটার দোকানে কাজ শেখার সুবাদে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের আশায় সে জাল টাকা ছাপানোর কাজে জড়িয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে সে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু জাল টাকা বাজারে ছেড়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৮
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই আমরা আমাদের সব প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম ও মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন কিছু মানুষ এখানে একত্র হয়েছেন, কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়া মানুষ যাদের সম্মান করে। জীবনের কঠিন মুহূর্তে যাদের কাছ থেকে মানুষ সঠিক পরামর্শ আশা করে এবং পেয়েও থাকে।
তিনি বলেন, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, যারা অর্থনৈতিকভাবে হয়তোবা কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে, তাদের জন্য একটি সম্মানী বা আর্থিক সহায়তা কিংবা কর্মসংস্থান তৈরির মাধ্যমে বৈষম্য দূর করে আমরা সবাই মিলে একটু শান্তিতে, একটু ভালোভাবে থাকব—জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে সে রকম প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম।
জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই আমরা আমাদের সব প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, এর জন্য আমি আল্লাহর দরবারে লাখো শুকরিয়া জানাচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারী সমাজের জন্য ইতোমধ্যে আমরা ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছি। পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে ৪ কোটি পরিবারের নারী প্রধানরা এ কার্ড পাবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে আমরা কৃষক কার্ড চালু করব। ইনশাআল্লাহ, আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে আমাদের খালখনন কর্মসূচি।
মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, আজ থেকে চালু হলো খতিব ইমাম মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি; যাদের প্রয়োজন সারা দেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে এই সহায়তা দেওয়া হবে।
দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, যাতে করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ কিংবা তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে।
নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে।
তবে নাগরিকদেরও কিন্তু রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি কিছু দায়-দায়িত্ব রয়েছে। নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি, আমি আশা করি, আগামী ১০ বছরের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে আমরা একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পারব, ইনশাআল্লাহ।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা থেকে ইমাম ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার করে টাকা পাবেন। আর প্রতিটি মন্দিরের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পুরোহিত ৫ হাজার এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।
এ ছাড়া প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। প্রতি খ্রিষ্টান চার্চের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা পালক বা যাজক ৫ হাজার টাকা, সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসবে মসজিদে কর্মরতদের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকা করে বছরে ২ বার এবং দুর্গাপূজা বা বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিনের ক্ষেত্রে ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে। তবে যেসব মসজিদ সরকারি ও দেশি বা বিদেশি সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত, সেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার বাইরে থাকবে।
তিনি আরও জানান, এ সম্মানী দেওয়ার ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরে মার্চ-জুনে ২৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। প্রতি অর্থবছরে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। ৪ বছরে ধারাবাহিকভাবে দেওয়া হবে। এ সম্মানী ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ধর্মীয় উপাসনালয়ে এটি চালু হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই আমরা আমাদের সব প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম ও মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন কিছু মানুষ এখানে একত্র হয়েছেন, কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়া মানুষ যাদের সম্মান করে। জীবনের কঠিন মুহূর্তে যাদের কাছ থেকে মানুষ সঠিক পরামর্শ আশা করে এবং পেয়েও থাকে।
তিনি বলেন, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, যারা অর্থনৈতিকভাবে হয়তোবা কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে, তাদের জন্য একটি সম্মানী বা আর্থিক সহায়তা কিংবা কর্মসংস্থান তৈরির মাধ্যমে বৈষম্য দূর করে আমরা সবাই মিলে একটু শান্তিতে, একটু ভালোভাবে থাকব—জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে সে রকম প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম।
জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই আমরা আমাদের সব প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, এর জন্য আমি আল্লাহর দরবারে লাখো শুকরিয়া জানাচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারী সমাজের জন্য ইতোমধ্যে আমরা ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছি। পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে ৪ কোটি পরিবারের নারী প্রধানরা এ কার্ড পাবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে আমরা কৃষক কার্ড চালু করব। ইনশাআল্লাহ, আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে আমাদের খালখনন কর্মসূচি।
মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, আজ থেকে চালু হলো খতিব ইমাম মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি; যাদের প্রয়োজন সারা দেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে এই সহায়তা দেওয়া হবে।
দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, যাতে করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ কিংবা তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে।
নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে।
তবে নাগরিকদেরও কিন্তু রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি কিছু দায়-দায়িত্ব রয়েছে। নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি, আমি আশা করি, আগামী ১০ বছরের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে আমরা একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পারব, ইনশাআল্লাহ।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা থেকে ইমাম ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার করে টাকা পাবেন। আর প্রতিটি মন্দিরের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পুরোহিত ৫ হাজার এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।
এ ছাড়া প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। প্রতি খ্রিষ্টান চার্চের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা পালক বা যাজক ৫ হাজার টাকা, সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসবে মসজিদে কর্মরতদের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকা করে বছরে ২ বার এবং দুর্গাপূজা বা বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিনের ক্ষেত্রে ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে। তবে যেসব মসজিদ সরকারি ও দেশি বা বিদেশি সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত, সেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার বাইরে থাকবে।
তিনি আরও জানান, এ সম্মানী দেওয়ার ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরে মার্চ-জুনে ২৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। প্রতি অর্থবছরে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। ৪ বছরে ধারাবাহিকভাবে দেওয়া হবে। এ সম্মানী ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ধর্মীয় উপাসনালয়ে এটি চালু হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.