
০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:৩৮
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় সরকারের নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি হচ্ছে। এ কারণে তরমুজ চাষীরা পড়েছেন বিপাকে। কৃষকদের অভিযোগ, স্থানীয়ভাবে সারের চাহিদা বেড়ে গেছে সরবরাহ কম, এমন দাবী তুলে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীকৃষকদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করছেন।
সুত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ১৫টি ইউনিয়নে সারের মোট ১৫জন প্রধান ডিলার ও ১০৫জন খুচরা ডিলার রয়েছে। প্রধান ডিলারদের কাছ থেকে খুচরা ডিলাররা সার কিনে নিয়ে কৃষকদের কাছে সরাসরি বিক্রি করেন। এ ছাড়াও প্রত্যেক প্রধান ডিলাররা নিজস্ব বিক্রয় কেন্দ্রে সরাসরি কৃষকদের কাছে বিক্রি করতে পারবেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমান বাজারের বিএসপি (বায়ো সুপার ফসফেট) ড্যাপ ও টিএসপি (ত্রিপল সুপার ফসফেট)মরক্কো সারের সংকট বেশি। বিএসপি ড্যাপ সারের প্রতি বস্তা সরকারী নির্ধারিত মূল্য রয়েছে ১০৫০ টাকা ও টিএসপি (মরক্কো) সারের সরকারী নির্ধারিত মূল্য রয়েছে ১৩৫০টাকা। কিন্তু ডিলাররা এই সার দুটির সংকট দেখিয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন। একাধিক খুচরা ডিলাররা জানিয়েছেন, প্রধান ডিলারদের কাছ থেকে তারা বর্তমানে ১৫৫০ টাকায় বিএসপি ড্যাপ কিনে বিক্রি করছেন ১৫৮০ টাকায় আর টিএসপি (মরক্কো) ১৭০০ টাকায় কিনে বিক্রি করছেন ১৭২০ টাকায়।
কালাইয়া বন্দরের খুচরা ডিলার মো. হারুন রসিদ বলেন, বিএসপি ড্যাপ ও টিএসপি (মরক্কো) সারের সংকট বেশি। ডিলাররা আমাদের কাছে প্রতিবস্তা যে দামে রাখেন তার চেয়ে বস্তায় ২০ থেকে ৩০টাকা লাভে আমরা বিক্রি করি। কৃষকরা তাদের চাহিদা মতন সার না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করছেন। আবার কোন কোন কৃষক বাধ্য হয়ে বেশি দামে সার কিনে নিচ্ছেন।
উপজেলার চরকালাইয়া এলাকার কৃষক আলমগীর হোসেন আনোয়ার প্যাদা বলেন, প্রতি বছরই এই মৌসুমে সার নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়। সরকার দাম ঠিক করে দিলেও বাজারে তা মানা হয় না। অতিরিক্ত দামে সার কিনে উৎপাদন খরচ বাড়ছে, লাভ হচ্ছে কম।
কোটন গাজী নামে এ তরমুজ চাষি মমিনপুর চরে তরমুজ চাষ করার জন্য ৫০ একর জমি প্রস্তুত করেছেন। কিন্তু সারের দাম যে ভাবে বাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে তাতে ৫০ একর জমিতে চাষাবাদ করা কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে।
স্থানীয় কৃষকেরা দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ অস্বিকার করে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন বাউফল উপজেলা শাখার সভাপতি মাসুদ রানা বলেন, উপজেলায় যে পরিমান সারের চাহিদা তার চেয়ে বরাদ্ধ কম। এই কারণেই সারের সংকটটা বেশি। তবে আশা করা হচ্ছে খুব শিগ্রই এই সংকট কেটে যাবে।
বাউফল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, এই উপজেলায় গত মৌসুমে তরমুজ চাষ হয়েছে ৪২০০ হেক্টর। চলতি মৌসুমে বেড়ে তা দাড়িয়েছে ৪৫০০ হেক্টর। সার বেশি দামে বিক্রি হওয়ার কোন অভিযোগ কৃষকদের কাছ থেকে আমি পাইনি। তবে যে কোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা প্রস্তুত। সরকারি নির্ধারিত দামের বেশি বিক্রি করলে ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় সরকারের নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি হচ্ছে। এ কারণে তরমুজ চাষীরা পড়েছেন বিপাকে। কৃষকদের অভিযোগ, স্থানীয়ভাবে সারের চাহিদা বেড়ে গেছে সরবরাহ কম, এমন দাবী তুলে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীকৃষকদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করছেন।
সুত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ১৫টি ইউনিয়নে সারের মোট ১৫জন প্রধান ডিলার ও ১০৫জন খুচরা ডিলার রয়েছে। প্রধান ডিলারদের কাছ থেকে খুচরা ডিলাররা সার কিনে নিয়ে কৃষকদের কাছে সরাসরি বিক্রি করেন। এ ছাড়াও প্রত্যেক প্রধান ডিলাররা নিজস্ব বিক্রয় কেন্দ্রে সরাসরি কৃষকদের কাছে বিক্রি করতে পারবেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমান বাজারের বিএসপি (বায়ো সুপার ফসফেট) ড্যাপ ও টিএসপি (ত্রিপল সুপার ফসফেট)মরক্কো সারের সংকট বেশি। বিএসপি ড্যাপ সারের প্রতি বস্তা সরকারী নির্ধারিত মূল্য রয়েছে ১০৫০ টাকা ও টিএসপি (মরক্কো) সারের সরকারী নির্ধারিত মূল্য রয়েছে ১৩৫০টাকা। কিন্তু ডিলাররা এই সার দুটির সংকট দেখিয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন। একাধিক খুচরা ডিলাররা জানিয়েছেন, প্রধান ডিলারদের কাছ থেকে তারা বর্তমানে ১৫৫০ টাকায় বিএসপি ড্যাপ কিনে বিক্রি করছেন ১৫৮০ টাকায় আর টিএসপি (মরক্কো) ১৭০০ টাকায় কিনে বিক্রি করছেন ১৭২০ টাকায়।
কালাইয়া বন্দরের খুচরা ডিলার মো. হারুন রসিদ বলেন, বিএসপি ড্যাপ ও টিএসপি (মরক্কো) সারের সংকট বেশি। ডিলাররা আমাদের কাছে প্রতিবস্তা যে দামে রাখেন তার চেয়ে বস্তায় ২০ থেকে ৩০টাকা লাভে আমরা বিক্রি করি। কৃষকরা তাদের চাহিদা মতন সার না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করছেন। আবার কোন কোন কৃষক বাধ্য হয়ে বেশি দামে সার কিনে নিচ্ছেন।
উপজেলার চরকালাইয়া এলাকার কৃষক আলমগীর হোসেন আনোয়ার প্যাদা বলেন, প্রতি বছরই এই মৌসুমে সার নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়। সরকার দাম ঠিক করে দিলেও বাজারে তা মানা হয় না। অতিরিক্ত দামে সার কিনে উৎপাদন খরচ বাড়ছে, লাভ হচ্ছে কম।
কোটন গাজী নামে এ তরমুজ চাষি মমিনপুর চরে তরমুজ চাষ করার জন্য ৫০ একর জমি প্রস্তুত করেছেন। কিন্তু সারের দাম যে ভাবে বাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে তাতে ৫০ একর জমিতে চাষাবাদ করা কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে।
স্থানীয় কৃষকেরা দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ অস্বিকার করে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন বাউফল উপজেলা শাখার সভাপতি মাসুদ রানা বলেন, উপজেলায় যে পরিমান সারের চাহিদা তার চেয়ে বরাদ্ধ কম। এই কারণেই সারের সংকটটা বেশি। তবে আশা করা হচ্ছে খুব শিগ্রই এই সংকট কেটে যাবে।
বাউফল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, এই উপজেলায় গত মৌসুমে তরমুজ চাষ হয়েছে ৪২০০ হেক্টর। চলতি মৌসুমে বেড়ে তা দাড়িয়েছে ৪৫০০ হেক্টর। সার বেশি দামে বিক্রি হওয়ার কোন অভিযোগ কৃষকদের কাছ থেকে আমি পাইনি। তবে যে কোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা প্রস্তুত। সরকারি নির্ধারিত দামের বেশি বিক্রি করলে ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে একটি ইঞ্জিন চালিত জেলে নৌকা পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আগুনে নৌকা ও নৌকায় থাকা জাল, ইঞ্জিন পুড়ে যায়। এতে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। ১১ মার্চ (বুধবার) তারাবির নামাজের সময় সৈকতের ঝাউবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। কে বা কারা আগুন দিয়েছে, কেন দিয়েছে তা এখনো উদঘাটন করা যায়নি।
জানাগেছে, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পুর্বদিকে ঝাউবন এলাকায় ছোট্ট ইঞ্জিন চালিত নৌকা দিয়ে প্রতিদিনের মত মাছ শিকার শেষে বুধবার বিকেলে সৈকতে রেখে বাসায় চলে যায় জেলে কালাম সহ অন্যান্যরা। তারাবির নামাজ শেষে তারা জানতে পারেন কে বা কারা নৌকায় আগুন দিয়েছে। পরে গিয়ে দেখতে পান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
নৌকার মালিক মহিবুল মল্লিক জানান, রাতে তিনি সমুদ্রে মশারী জাল দিয়ে চিংড়ি রেনু ধরছিল। হঠাৎ দেখতে পান নৌকায় আগুন জ্বলছে। দৌড়ে গিয়ে অন্য জেলেদের সহায়তায় পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ততক্ষণে আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে গেছে। এ সময় নৌকার পাশে একটি পেট্রোলের খালি বোতল পাওয়া গেছে।
মহিবুল আরো জানান, নৌকাটি তিনি মাসিক হিসেবে ভাড়া দিয়েছেন। ভাড়াটিয়া মালিক কালাম এ নৌকায় ইলিশ সহ সামুদ্রিক অন্যান্য মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। এ ঘটনায় নৌকা, জাল ও ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। রমজানের শেষের দিকে তাদের এমন ক্ষতি কিভাবে পুষিয়ে নিবেন তা নিয়ে চিন্তিত ক্ষতিগ্রস্ত জেলেরা।
প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, সমুদ্র সৈকতে মাছধরা নিয়ে জেলেদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে মারামারির ঘটনা ঘটলেও নৌকা জাল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনা তারা এই প্রথম প্রত্যক্ষ করেছেন। এতে তারা অবাক হয়েছেন।
কুয়াকাটা বাইতুল আরোজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম কারী মো: নজরুল ইসলাম বলেন, মানুষের সাথে মানুষের শত্রুতা থাকতে পারে। কিন্তু তার সম্পদ এভাবে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার মত জঘন্য কাজ আর হতে পারে না। এতে নিঃশ্ব হয়ে গেছে কয়েকটি জেলে পরিবার। আমরা এদের ধিক্কার জানাই।
ক্ষতিগ্রস্ত নৌকাটি পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর আশ্রাফ আলী সিকদারসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ। তবে এ ঘটনায় এখনো থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে একটি ইঞ্জিন চালিত জেলে নৌকা পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আগুনে নৌকা ও নৌকায় থাকা জাল, ইঞ্জিন পুড়ে যায়। এতে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। ১১ মার্চ (বুধবার) তারাবির নামাজের সময় সৈকতের ঝাউবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। কে বা কারা আগুন দিয়েছে, কেন দিয়েছে তা এখনো উদঘাটন করা যায়নি।
জানাগেছে, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পুর্বদিকে ঝাউবন এলাকায় ছোট্ট ইঞ্জিন চালিত নৌকা দিয়ে প্রতিদিনের মত মাছ শিকার শেষে বুধবার বিকেলে সৈকতে রেখে বাসায় চলে যায় জেলে কালাম সহ অন্যান্যরা। তারাবির নামাজ শেষে তারা জানতে পারেন কে বা কারা নৌকায় আগুন দিয়েছে। পরে গিয়ে দেখতে পান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
নৌকার মালিক মহিবুল মল্লিক জানান, রাতে তিনি সমুদ্রে মশারী জাল দিয়ে চিংড়ি রেনু ধরছিল। হঠাৎ দেখতে পান নৌকায় আগুন জ্বলছে। দৌড়ে গিয়ে অন্য জেলেদের সহায়তায় পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ততক্ষণে আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে গেছে। এ সময় নৌকার পাশে একটি পেট্রোলের খালি বোতল পাওয়া গেছে।
মহিবুল আরো জানান, নৌকাটি তিনি মাসিক হিসেবে ভাড়া দিয়েছেন। ভাড়াটিয়া মালিক কালাম এ নৌকায় ইলিশ সহ সামুদ্রিক অন্যান্য মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। এ ঘটনায় নৌকা, জাল ও ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। রমজানের শেষের দিকে তাদের এমন ক্ষতি কিভাবে পুষিয়ে নিবেন তা নিয়ে চিন্তিত ক্ষতিগ্রস্ত জেলেরা।
প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, সমুদ্র সৈকতে মাছধরা নিয়ে জেলেদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে মারামারির ঘটনা ঘটলেও নৌকা জাল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনা তারা এই প্রথম প্রত্যক্ষ করেছেন। এতে তারা অবাক হয়েছেন।
কুয়াকাটা বাইতুল আরোজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম কারী মো: নজরুল ইসলাম বলেন, মানুষের সাথে মানুষের শত্রুতা থাকতে পারে। কিন্তু তার সম্পদ এভাবে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার মত জঘন্য কাজ আর হতে পারে না। এতে নিঃশ্ব হয়ে গেছে কয়েকটি জেলে পরিবার। আমরা এদের ধিক্কার জানাই।
ক্ষতিগ্রস্ত নৌকাটি পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর আশ্রাফ আলী সিকদারসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ। তবে এ ঘটনায় এখনো থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১
পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ভিডিওটি মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। এ ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সামনে তিনি এ বক্তব্য দেন।
সংবাদ সম্মেলনে মৌখিক বক্তব্যে চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম বলেন, গত দুই দিন আগে একটি চক্র তার বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার) নিয়োগে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। তিনি দাবি করেন, ভিডিওটি সম্পূর্ণ বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে তার মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কিছু ব্যক্তি তার কাছে গ্রাম পুলিশ নিয়োগের জন্য সুপারিশ চেয়ে আসেন। কিন্তু তিনি তাদেরকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, কোনো সুপারিশের ভিত্তিতে নয় বরং যোগ্যতার ভিত্তিতেই নিয়োগ দেওয়া হবে। এরপরও তারা বারবার অনুরোধ করেন এবং এক পর্যায়ে তার নিকট কিছু টাকা রেখে চলে যান।
পরবর্তীতে পরদিন তিনি ওই টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফেরত দিয়ে দেন এবং তাদেরকে জানিয়ে দেন যে গ্রাম পুলিশ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে সম্পন্ন হবে। তিনি আরও জানান, এ নিয়োগ প্রক্রিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হবে।
চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম অভিযোগ করেন, ওই কথোপকথন ও টাকা দেওয়ার ঘটনাকে পুঁজি করে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে, যার মাধ্যমে তার সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রকৃত ঘটনা তদন্তের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাফেজ আব্দুর রহিম বলেন, তিনি হাতপাখা নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর থেকে একটি পক্ষ ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র করে আসছে। এরমধ্যে তাকে অনাস্থা দেয়ারও ঘটনা ঘটেছে। যা ডিসির হস্তক্ষেপে সমাধান করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন একেরপর এক ষড়যন্ত্র করে আসলেও ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হয়নি। এবারও সফল হবে না।
পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ভিডিওটি মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। এ ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সামনে তিনি এ বক্তব্য দেন।
সংবাদ সম্মেলনে মৌখিক বক্তব্যে চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম বলেন, গত দুই দিন আগে একটি চক্র তার বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার) নিয়োগে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। তিনি দাবি করেন, ভিডিওটি সম্পূর্ণ বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে তার মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কিছু ব্যক্তি তার কাছে গ্রাম পুলিশ নিয়োগের জন্য সুপারিশ চেয়ে আসেন। কিন্তু তিনি তাদেরকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, কোনো সুপারিশের ভিত্তিতে নয় বরং যোগ্যতার ভিত্তিতেই নিয়োগ দেওয়া হবে। এরপরও তারা বারবার অনুরোধ করেন এবং এক পর্যায়ে তার নিকট কিছু টাকা রেখে চলে যান।
পরবর্তীতে পরদিন তিনি ওই টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফেরত দিয়ে দেন এবং তাদেরকে জানিয়ে দেন যে গ্রাম পুলিশ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে সম্পন্ন হবে। তিনি আরও জানান, এ নিয়োগ প্রক্রিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হবে।
চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম অভিযোগ করেন, ওই কথোপকথন ও টাকা দেওয়ার ঘটনাকে পুঁজি করে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে, যার মাধ্যমে তার সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রকৃত ঘটনা তদন্তের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাফেজ আব্দুর রহিম বলেন, তিনি হাতপাখা নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর থেকে একটি পক্ষ ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র করে আসছে। এরমধ্যে তাকে অনাস্থা দেয়ারও ঘটনা ঘটেছে। যা ডিসির হস্তক্ষেপে সমাধান করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন একেরপর এক ষড়যন্ত্র করে আসলেও ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হয়নি। এবারও সফল হবে না।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৩৫
কলাপাড়া উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে এক নারীর উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে মোসাঃ নার্গিস বেগম (৩৫) নামের এক নারী গুরুতর আহত হয়ে তার দুই হাত ভেঙে গেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে ১ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ বছর ধরে নার্গিস বেগম ও তার পরিবার নিয়ে ওয়াপদার পাশে একটি খাস জমিতে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিলেন। সম্প্রতি স্থানীয় বিএনপি ইউপি সদস্য ও যুবদল সাংগঠনিক সোহেল হালাদার ও যুবদল প্রচার সম্পাদক আল-আমিন ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে নার্গিস বেগমের পরিবারকে বসতভিটা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন । গত এক সপ্তাহ ধরে ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্নভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে, হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, বসতভিটা ছাড়তে অপারগতা প্রকাশ করলে মঙ্গলবার দুপুরে সোহেল ও আল-আমিনের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়, সোহেল মেম্বারের ছেলে ছাত্রদল নেতা জিসান হাওলাদার, নাইম মৃধা, রুবেল খন্দকার, ফেরদাউস হাওলাদার ও একলাস ঘরামি সহ আরো একাধিক কিশোর গ্যাং সদস্যরা ।
হামলাকারীরা বাড়িতে প্রবেশ করে অতর্কিত এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন, এতে আহত হন নার্গিস বেগম (৩৫), সাজেদা বেগম (৫০) এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সানজিদা (১১)-কে গুরুতর আহত করে। এসময় হামলার ভিডিওধারণ করায় তাদের ২ টি টাচ মোবাইল ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা।
হামলায় নার্গিস বেগম মারাত্মকভাবে আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হামলার সময় তার দুই হাত ভেঙে যায়।
অন্য আহতরা বর্তমানে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী নার্গিস বলেন, আমি ঢাকায় গার্মেন্টস করি ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসেছি, বেশ কয়েকদিন ধরে সোহেল মেম্বার আমাকে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলে। আমার কোন ভিটা বাড়ি নাই। তাই আমি ঐ জায়গা ছেড়ে যেতে চাইনি, গতকাল সোহেল মেম্বারের ছেলে সহ কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা আমার বাড়িতে এসে আমাকে পিটিয়ে আহত করে এবং আমার দুটি হাত ভেঙে দেয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে গুরুত্বর জখম করেন।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ও যুবদল সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় আমি কিছুই জানি না এবং আমার নেতৃত্বে কেউ ওখানে যায়নি। মারামারির ঘটনাটা শুনেছি তবে কারা জড়িত এ বিষয়ে আমি জানি না।
মহিপুর থানা যুবদলের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান মোল্লা বলেন, বিষয়টি আমি আপনার মাধ্যমে জেনেছি। তবে ঘটনার খোঁজ খবর নিয়ে সত্যতা পেলে দ্রুত তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ওসি মহব্বত খান বলেন, বিষয়টি ইতিমধ্যে আমি জেনেছি। এখন পর্যন্ত লিখিত কেউ অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কলাপাড়া উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে এক নারীর উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে মোসাঃ নার্গিস বেগম (৩৫) নামের এক নারী গুরুতর আহত হয়ে তার দুই হাত ভেঙে গেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে ১ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ বছর ধরে নার্গিস বেগম ও তার পরিবার নিয়ে ওয়াপদার পাশে একটি খাস জমিতে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিলেন। সম্প্রতি স্থানীয় বিএনপি ইউপি সদস্য ও যুবদল সাংগঠনিক সোহেল হালাদার ও যুবদল প্রচার সম্পাদক আল-আমিন ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে নার্গিস বেগমের পরিবারকে বসতভিটা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন । গত এক সপ্তাহ ধরে ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্নভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে, হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, বসতভিটা ছাড়তে অপারগতা প্রকাশ করলে মঙ্গলবার দুপুরে সোহেল ও আল-আমিনের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়, সোহেল মেম্বারের ছেলে ছাত্রদল নেতা জিসান হাওলাদার, নাইম মৃধা, রুবেল খন্দকার, ফেরদাউস হাওলাদার ও একলাস ঘরামি সহ আরো একাধিক কিশোর গ্যাং সদস্যরা ।
হামলাকারীরা বাড়িতে প্রবেশ করে অতর্কিত এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন, এতে আহত হন নার্গিস বেগম (৩৫), সাজেদা বেগম (৫০) এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সানজিদা (১১)-কে গুরুতর আহত করে। এসময় হামলার ভিডিওধারণ করায় তাদের ২ টি টাচ মোবাইল ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা।
হামলায় নার্গিস বেগম মারাত্মকভাবে আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হামলার সময় তার দুই হাত ভেঙে যায়।
অন্য আহতরা বর্তমানে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী নার্গিস বলেন, আমি ঢাকায় গার্মেন্টস করি ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসেছি, বেশ কয়েকদিন ধরে সোহেল মেম্বার আমাকে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলে। আমার কোন ভিটা বাড়ি নাই। তাই আমি ঐ জায়গা ছেড়ে যেতে চাইনি, গতকাল সোহেল মেম্বারের ছেলে সহ কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা আমার বাড়িতে এসে আমাকে পিটিয়ে আহত করে এবং আমার দুটি হাত ভেঙে দেয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে গুরুত্বর জখম করেন।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ও যুবদল সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় আমি কিছুই জানি না এবং আমার নেতৃত্বে কেউ ওখানে যায়নি। মারামারির ঘটনাটা শুনেছি তবে কারা জড়িত এ বিষয়ে আমি জানি না।
মহিপুর থানা যুবদলের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান মোল্লা বলেন, বিষয়টি আমি আপনার মাধ্যমে জেনেছি। তবে ঘটনার খোঁজ খবর নিয়ে সত্যতা পেলে দ্রুত তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ওসি মহব্বত খান বলেন, বিষয়টি ইতিমধ্যে আমি জেনেছি। এখন পর্যন্ত লিখিত কেউ অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১