
১৪ অক্টোবর, ২০২৫ ২০:৫৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ১৯৯০ সালে পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপরে প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় প্রতিষ্ঠিত হলেও উন্নয়নের দিক দিয়ে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা জায়, ১৯৯৭ সালে তৎকালীন পৌর চেয়ারম্যান মাহবুব আলমের উদ্যোগে পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে মৃত মোসলেম আলী বেপারীর কাছ থেকে ৮০ শতাংশ জমি ক্রায় করে পৌর কর্তৃপক্ষ। এরপর সেখানে পৌরসভার কেন্দ্রীয় গোরস্থান নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। প্রথমেই পৌর চেয়ারম্যান মাহবুব আলম গোরস্থানের জমিতে একটি মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু করন। নির্মানাধীন পৌর গোরস্থানের উপর নজর পড়ে আওয়ামী লীগ নেত্রী নারী কাউন্সিলর আয়নোর। এরপর তার লোকজন দিয়ে ওই মসজিদ দখল করে একটি গৃহ নির্মাণ করে সেখানে বসবাস শুরু করে। এরপর ধারাবাহিকভাবে পৌরসভার ৮০ শতাংশ পুরো জমি দখলে নিয়ে নেয় এই আওয়ামী লীগ নেত্রী নারী কাউন্সিলর আনোয়ারা বেগম আয়নো।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ নেত্রী আনোয়ারা বেগম আয়নো তার মৃত্যু পিতা আব্দুর রশিদ দরবেশের নামে ওই সম্পত্তি কবুলিয়ত মূলে মালিকানা দাবি করে আদালত একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলাটি দীর্ঘ সময় পড়ে সুপ্রিম কোর্ট থেকে রায় পেলে পরবর্তীতে পৌরসভার তৎকালীন মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া পৌর গোরস্থানের পুনরায় নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এরপর পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের বেশ কিছু মৃত ব্যক্তিদের ওই গোরস্থানের দাফন দেয়া হয়। এমনকি সাবেক পৌর মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়ার নিজ অর্থায়নে ওই গোরস্থানে একটি মসজিদ নির্মাণ কাজ হাতে নেয়। সাবেক পৌর মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া ২০২২ সাল থেকে পৌরসভার কেন্দ্রীয় গোরস্থানের উন্নয়ন কাজ শুরু করলে আবারো মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী নারী পৌর কাউন্সিল আয়নো বরিশাল আদালতে আবার একটি মামলা দায়ের করে উন্নয়ন কাজে বাধা সৃষ্টি করেন। এরপর আবারও পৌর গোরস্থান নির্মাণ কাজ অন্ধকারে ঢাকা পড়ে যায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের কেন্দ্রীয় গোরস্থানটি বর্তমানে দখলদারদের কবলে পড়ে চরম অব্যবস্থাপনায় পরিণত হয়েছে। মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী নারী কাউন্সিলর আয়নো দীর্ঘদিন ধরে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাধ্যমে গোরস্থানের জমি দখল করে বসত ঘর, গোয়ালঘর নির্মাণ করে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করছেন। এবং ওই গোরস্থানে থাকা পৌর কর্তৃপক্ষের বাগানের গাছ অনেক আগেই বিক্রি করে আত্মসাৎ করেছেন। এতে কবরস্থানটির পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং মৃত ব্যক্তিদের দাফনেও দেখা দিচ্ছে সমস্যা। গোরস্থানের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত হয়ে বৃষ্টির পানি জমে রয়েছে। গোরস্থানের মধ্যে থাকা কবর গুলো জঙ্গলে ঢাকা পড়েছে।
সরেজমিনে পৌর গোরস্থানে গেলে দেখা যায় জলিল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তি পৌর গোরস্থানের মধ্যে বসতঘর ও গোয়ালঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন।
এ সময় জলিল হাওলাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আয়নোর কাছ থেকে ছয় হাজার টাকায় মৌখিকভাবে তিনি জমি ক্রয় করেছিলেন। তার জমি সে বুঝে না পেলে গোরস্থানের জমি দখল করে রেখেছেন।
তবে এ বিষয়ে পৌরসভায়ে জমি বিক্রেতা মোসলেম আলী বেপারীর স্ত্রী রোকেয়া বেগম জানান, এখানে জলিল কোন জমি ক্রয় করেনি। আওয়ামী লীগ নেত্রী আয়নোর নেতৃত্বে তিনি পৌরসভার জমি অবৈধভাবে দখল করে বসতঘর নির্মাণ করে রেখেছে।
এলাকাবাসী জানায়, গোরস্থানে প্রবেশের রাস্তা থেকে শুরু করে ভেতরের অনেক অংশই আগাছায় ঢেকে গেছে। কোথাও কোথাও আবার দখলদারদের স্থাপনা নির্মাণ করায় গোরস্থানের মূল সৌন্দর্য ও পবিত্রতা নষ্ট হচ্ছে। এ অবস্থায় কবর রক্ষণাবেক্ষণেও পরিবারগুলো ভোগান্তিতে পড়ছে। গোরস্থানের সীমানা প্রাচীর না থাকায় অবাধে প্রবেশ করছে দখলকারীরা। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেত্রী আয়নোর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এই সম্পত্তি কবুলিয়ত
রয়েছে তার বাবার নামে। তাই তিনি আদালতে মামলা করেছেন।
এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক রুমানা আফরোজ বলেন, পৌর গোরস্থান উন্নয়ন কাজে কিছুটা বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মামলা। আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির মাধ্যমে পৌরসভার একমাত্র গোরস্থান উন্নয়ন করার।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ১৯৯০ সালে পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপরে প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় প্রতিষ্ঠিত হলেও উন্নয়নের দিক দিয়ে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা জায়, ১৯৯৭ সালে তৎকালীন পৌর চেয়ারম্যান মাহবুব আলমের উদ্যোগে পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে মৃত মোসলেম আলী বেপারীর কাছ থেকে ৮০ শতাংশ জমি ক্রায় করে পৌর কর্তৃপক্ষ। এরপর সেখানে পৌরসভার কেন্দ্রীয় গোরস্থান নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। প্রথমেই পৌর চেয়ারম্যান মাহবুব আলম গোরস্থানের জমিতে একটি মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু করন। নির্মানাধীন পৌর গোরস্থানের উপর নজর পড়ে আওয়ামী লীগ নেত্রী নারী কাউন্সিলর আয়নোর। এরপর তার লোকজন দিয়ে ওই মসজিদ দখল করে একটি গৃহ নির্মাণ করে সেখানে বসবাস শুরু করে। এরপর ধারাবাহিকভাবে পৌরসভার ৮০ শতাংশ পুরো জমি দখলে নিয়ে নেয় এই আওয়ামী লীগ নেত্রী নারী কাউন্সিলর আনোয়ারা বেগম আয়নো।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ নেত্রী আনোয়ারা বেগম আয়নো তার মৃত্যু পিতা আব্দুর রশিদ দরবেশের নামে ওই সম্পত্তি কবুলিয়ত মূলে মালিকানা দাবি করে আদালত একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলাটি দীর্ঘ সময় পড়ে সুপ্রিম কোর্ট থেকে রায় পেলে পরবর্তীতে পৌরসভার তৎকালীন মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া পৌর গোরস্থানের পুনরায় নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এরপর পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের বেশ কিছু মৃত ব্যক্তিদের ওই গোরস্থানের দাফন দেয়া হয়। এমনকি সাবেক পৌর মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়ার নিজ অর্থায়নে ওই গোরস্থানে একটি মসজিদ নির্মাণ কাজ হাতে নেয়। সাবেক পৌর মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া ২০২২ সাল থেকে পৌরসভার কেন্দ্রীয় গোরস্থানের উন্নয়ন কাজ শুরু করলে আবারো মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী নারী পৌর কাউন্সিল আয়নো বরিশাল আদালতে আবার একটি মামলা দায়ের করে উন্নয়ন কাজে বাধা সৃষ্টি করেন। এরপর আবারও পৌর গোরস্থান নির্মাণ কাজ অন্ধকারে ঢাকা পড়ে যায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের কেন্দ্রীয় গোরস্থানটি বর্তমানে দখলদারদের কবলে পড়ে চরম অব্যবস্থাপনায় পরিণত হয়েছে। মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী নারী কাউন্সিলর আয়নো দীর্ঘদিন ধরে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাধ্যমে গোরস্থানের জমি দখল করে বসত ঘর, গোয়ালঘর নির্মাণ করে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করছেন। এবং ওই গোরস্থানে থাকা পৌর কর্তৃপক্ষের বাগানের গাছ অনেক আগেই বিক্রি করে আত্মসাৎ করেছেন। এতে কবরস্থানটির পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং মৃত ব্যক্তিদের দাফনেও দেখা দিচ্ছে সমস্যা। গোরস্থানের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত হয়ে বৃষ্টির পানি জমে রয়েছে। গোরস্থানের মধ্যে থাকা কবর গুলো জঙ্গলে ঢাকা পড়েছে।
সরেজমিনে পৌর গোরস্থানে গেলে দেখা যায় জলিল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তি পৌর গোরস্থানের মধ্যে বসতঘর ও গোয়ালঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন।
এ সময় জলিল হাওলাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আয়নোর কাছ থেকে ছয় হাজার টাকায় মৌখিকভাবে তিনি জমি ক্রয় করেছিলেন। তার জমি সে বুঝে না পেলে গোরস্থানের জমি দখল করে রেখেছেন।
তবে এ বিষয়ে পৌরসভায়ে জমি বিক্রেতা মোসলেম আলী বেপারীর স্ত্রী রোকেয়া বেগম জানান, এখানে জলিল কোন জমি ক্রয় করেনি। আওয়ামী লীগ নেত্রী আয়নোর নেতৃত্বে তিনি পৌরসভার জমি অবৈধভাবে দখল করে বসতঘর নির্মাণ করে রেখেছে।
এলাকাবাসী জানায়, গোরস্থানে প্রবেশের রাস্তা থেকে শুরু করে ভেতরের অনেক অংশই আগাছায় ঢেকে গেছে। কোথাও কোথাও আবার দখলদারদের স্থাপনা নির্মাণ করায় গোরস্থানের মূল সৌন্দর্য ও পবিত্রতা নষ্ট হচ্ছে। এ অবস্থায় কবর রক্ষণাবেক্ষণেও পরিবারগুলো ভোগান্তিতে পড়ছে। গোরস্থানের সীমানা প্রাচীর না থাকায় অবাধে প্রবেশ করছে দখলকারীরা। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেত্রী আয়নোর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এই সম্পত্তি কবুলিয়ত
রয়েছে তার বাবার নামে। তাই তিনি আদালতে মামলা করেছেন।
এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক রুমানা আফরোজ বলেন, পৌর গোরস্থান উন্নয়ন কাজে কিছুটা বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মামলা। আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির মাধ্যমে পৌরসভার একমাত্র গোরস্থান উন্নয়ন করার।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৬
সারাদেশে সেচ পাম্প ও হারভেস্টার সচল রাখতে কৃষকদের অগ্রাধিকারভিত্তিক ডিজেল সরবরাহের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি হয়।
এসময় তারা কৃষিজ উৎপাদন এবং জাতীয় জীবনে খাদ্য সংকট এড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল পৌঁছানোর দাবি জানান। এর আগে গত বুধবার রাজশাহীতে পেট্রোলপাম্পে তেল নিতে এসে রোদে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষমাণ অবস্থায় হিটস্ট্রোকে আব্দুল আলাম (৫৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানান তারা।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল নগরের সংগঠক অন্তু বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজয় শুভ, বরিশাল নগরের সংগঠক কিশোর কুমার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ভূমিকা সরকার ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সংগঠক মিনহাজ সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যে কৃষক পাম্পে ডিজেল আনতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মারা গেলেন তার মৃত্যুর দায় এই রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যে কৃষক দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ফসল উৎপাদন করে তাকে তেলের পাম্পে দাঁড় করিয়ে রাখাটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। অপরাপর জরুরী সেবাখাতে রাষ্ট্র জ্বালানী নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার; কিন্তু আমরা দেখেছি কৃষকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র উদাসীন। কারণ কৃষি ও কৃষককে রাষ্ট্র কোনোদিনই মর্যাদার চোখে দেখেনি।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রামের কৃষক শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজেল পাচ্ছে না; পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। এ অবস্থায় যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল না পৌঁছানো যায় তাহলে ব্যাহত হবে কৃষিজ উৎপাদন। জাতীয় জীবনে তৈরী হবে এক ভয়াবহ খাদ্য সংকট। গোটা জনগোষ্ঠীর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষি এবং কৃষককে বাঁচাতে অবিলম্বে কৃষকের কাছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজেলের সরবাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।
সারাদেশে সেচ পাম্প ও হারভেস্টার সচল রাখতে কৃষকদের অগ্রাধিকারভিত্তিক ডিজেল সরবরাহের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি হয়।
এসময় তারা কৃষিজ উৎপাদন এবং জাতীয় জীবনে খাদ্য সংকট এড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল পৌঁছানোর দাবি জানান। এর আগে গত বুধবার রাজশাহীতে পেট্রোলপাম্পে তেল নিতে এসে রোদে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষমাণ অবস্থায় হিটস্ট্রোকে আব্দুল আলাম (৫৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানান তারা।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল নগরের সংগঠক অন্তু বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজয় শুভ, বরিশাল নগরের সংগঠক কিশোর কুমার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ভূমিকা সরকার ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সংগঠক মিনহাজ সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যে কৃষক পাম্পে ডিজেল আনতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মারা গেলেন তার মৃত্যুর দায় এই রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যে কৃষক দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ফসল উৎপাদন করে তাকে তেলের পাম্পে দাঁড় করিয়ে রাখাটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। অপরাপর জরুরী সেবাখাতে রাষ্ট্র জ্বালানী নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার; কিন্তু আমরা দেখেছি কৃষকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র উদাসীন। কারণ কৃষি ও কৃষককে রাষ্ট্র কোনোদিনই মর্যাদার চোখে দেখেনি।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রামের কৃষক শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজেল পাচ্ছে না; পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। এ অবস্থায় যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল না পৌঁছানো যায় তাহলে ব্যাহত হবে কৃষিজ উৎপাদন। জাতীয় জীবনে তৈরী হবে এক ভয়াবহ খাদ্য সংকট। গোটা জনগোষ্ঠীর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষি এবং কৃষককে বাঁচাতে অবিলম্বে কৃষকের কাছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজেলের সরবাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের চৌমোহনা বাজারে মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে খোকন হাওলাদার নামের এক যুবদল নেতা জনতার হাতে আটক হয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে হাটের দিন জনাকীর্ণ চৌমোহনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মোঃ খোকন হাওলাদার উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার জানান,রোববার সকাল ৯টার দিকে চৌমোহনা বাজারের মাছ বিক্রেতা কলাভিটা গ্রামের অনিল মন্ডলের পকেটে হাত দিয়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে পকেটমার খোকন। এসময় টের পেয়ে নিজের পকেটের মধ্যে খোকনের হাত চেপে ধরে অনিল মন্ডল ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসহ লোকজন ছুটে এসে হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলে। পকেটমার- গুন্ডা আটকের খবরে বাজারে লোকজনের ভিড় পড়ে যায়।
এসময় খোকনকে রশি দিয়ে পিছমোড়া ভাবে হাত বেধে উত্তম-মধ্যম দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। খোকন তার নাম পরিচয় জানায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ পায়। একজন যুবদল নেতার পকেট মারের খবরে তোলপাড় শুরু হয়।
ঘন্টাখানেক আটকে বেধে রাখার পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) হাতে তাকে তুলে দেওয়ার পরে কিছুদূর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই পকেটমারের বিরুদ্ধে কেউ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সবার সম্মতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার আরও জানান ওই মাছ বিক্রেতার পকেটে ৫-৬ হাজার টাকা ছিল। এ বিষয়ে অনিল মন্ডল থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় পকেটমার খোকনকে ঘন্টাখানেক বেধে রেখে চড়থাপ্পর দিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও পরামর্শে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি কেউ ইনফর্ম করেনি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের চৌমোহনা বাজারে মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে খোকন হাওলাদার নামের এক যুবদল নেতা জনতার হাতে আটক হয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে হাটের দিন জনাকীর্ণ চৌমোহনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মোঃ খোকন হাওলাদার উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার জানান,রোববার সকাল ৯টার দিকে চৌমোহনা বাজারের মাছ বিক্রেতা কলাভিটা গ্রামের অনিল মন্ডলের পকেটে হাত দিয়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে পকেটমার খোকন। এসময় টের পেয়ে নিজের পকেটের মধ্যে খোকনের হাত চেপে ধরে অনিল মন্ডল ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসহ লোকজন ছুটে এসে হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলে। পকেটমার- গুন্ডা আটকের খবরে বাজারে লোকজনের ভিড় পড়ে যায়।
এসময় খোকনকে রশি দিয়ে পিছমোড়া ভাবে হাত বেধে উত্তম-মধ্যম দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। খোকন তার নাম পরিচয় জানায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ পায়। একজন যুবদল নেতার পকেট মারের খবরে তোলপাড় শুরু হয়।
ঘন্টাখানেক আটকে বেধে রাখার পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) হাতে তাকে তুলে দেওয়ার পরে কিছুদূর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই পকেটমারের বিরুদ্ধে কেউ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সবার সম্মতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার আরও জানান ওই মাছ বিক্রেতার পকেটে ৫-৬ হাজার টাকা ছিল। এ বিষয়ে অনিল মন্ডল থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় পকেটমার খোকনকে ঘন্টাখানেক বেধে রেখে চড়থাপ্পর দিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও পরামর্শে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি কেউ ইনফর্ম করেনি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২৯
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে আলোচিত দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিনকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। রোববার শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেপ্তার করে। এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ আছে এবং তিনি বেশ কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত বলেও জানা গেছে।
পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী দেলোয়ার চৌধুরীকে স্থানীয় বৌসেরহাটের অদূরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই মামলার ১৪ নম্বর অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবিন, যিনি দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ, খুনসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকলেও কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টি রোডের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২১ এপ্রিল এই খুনিকে কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টিতে দেখতে পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা ধরতে গেলে তাদের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা করে এবং পুলিশ আসার আগেই সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, কাটপট্টির সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অবশ্য এই মামলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক আছে, কারণ পুলিশ মামলাটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছে লঞ্চঘাট। তাছাড়া মামলাটিতে যাদের অনেককে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
রফিকের স্ত্রীর করা মামলায় অভিযুক্ত কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিন্টু অভিযোগ, রফিকের স্ত্রীর মামলাটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং অবান্তর। স্বামীকে খুনের মামলা থেকে রক্ষার্থে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
রোববার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) সুমন আইচ।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রায়পাশায় খুনের শিকার দেলোয়ার চৌধুরী মামলায় রফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত। তাছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলায় জড়িত তিনি, তাকে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে ছিল। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় তাকে রিমান্ডও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে আলোচিত দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিনকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। রোববার শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেপ্তার করে। এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ আছে এবং তিনি বেশ কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত বলেও জানা গেছে।
পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী দেলোয়ার চৌধুরীকে স্থানীয় বৌসেরহাটের অদূরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই মামলার ১৪ নম্বর অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবিন, যিনি দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ, খুনসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকলেও কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টি রোডের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২১ এপ্রিল এই খুনিকে কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টিতে দেখতে পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা ধরতে গেলে তাদের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা করে এবং পুলিশ আসার আগেই সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, কাটপট্টির সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অবশ্য এই মামলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক আছে, কারণ পুলিশ মামলাটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছে লঞ্চঘাট। তাছাড়া মামলাটিতে যাদের অনেককে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
রফিকের স্ত্রীর করা মামলায় অভিযুক্ত কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিন্টু অভিযোগ, রফিকের স্ত্রীর মামলাটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং অবান্তর। স্বামীকে খুনের মামলা থেকে রক্ষার্থে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
রোববার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) সুমন আইচ।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রায়পাশায় খুনের শিকার দেলোয়ার চৌধুরী মামলায় রফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত। তাছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলায় জড়িত তিনি, তাকে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে ছিল। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় তাকে রিমান্ডও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.