
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:০৭
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনের ১০ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, 'চব্বিশের জুলাই-আগস্টের টানা ৩৬ দিনের গণআন্দোলন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, এটি ছিল দীর্ঘদিনের দুঃশাসন এবং ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের সম্মিলিত বিদ্রোহ। এটি ছিল নতুন বাংলাদেশ গড়ার একটি ঐতিহাসিক লড়াই। জুলাই- আগস্টের সেই আন্দোলন ছিল এমন এক তরুণ সমাজের নেতৃত্বে, যারা আগে কখনো সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। কোটি কোটি তরুণ বুক চিতিয়ে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিয়েছিল- এই বাংলাদেশ আমরা চাই না। আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ চাই। এই আন্দোলনের গভীরে ছিল বুকের ভেতরের ঝড়। সেই ঝড় কেন তৈরি হয়েছিল, তা না বুঝলে আগামী দিনের বাংলাদেশকে বোঝা যাবে না। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার ১০ দলীয় জোটের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয় হতে পাস করে মেধার শীর্ষে থেকেও শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়, আত্মীয়তার সুপারিশ বা তথাকথিত ‘চোতা’ না থাকায় যখন একজন তরুণ চাকরি পায় না, তখন তার বুকের ভেতর ঝড় ওঠে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে ব্যবসা আর সুবিধাভোগী রাজনীতির কোটানির্ভর বৈষম্য সেই ঝড়ের জন্ম দেয়। মামা-খালু ছাড়া চাকরির ইন্টারভিউ বোর্ডে ঢোকা যায় না, এই উপলব্ধি লক্ষ লক্ষ তরুণ-যুবককে ক্ষুব্ধ করেছে। হাসপাতালে যখন দালাল ছাড়া চিকিৎসা মেলে না, কৃষক যখন ন্যায্য দামে সার, বীজ, কীটনাশক পায় না, প্রবাসী শ্রমিক ভাইয়েরা রক্ত-ঘাম ঝরিয়ে যখন দেশে টাকা পাঠিয়েও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, তখন তাদের বুকের ভেতর ঝড় ওঠে। এসব কারণেই সেদিন কোটি মানুষের বুকের ভিতর ঝড় উঠেছিলো। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ সেদিন বিস্ফোরিত হয়েছিল।'
ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, 'আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর যোগসাজশে মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরপরাধ মানুষকে গ্রেপ্তার, হয়রানি এবং ডিটেনশনে পাঠানো হচ্ছে। ঘুষ ছাড়া রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানে ন্যায্য সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। এসব অনিয়ম-জুলুমের বিরুদ্ধেই ২০২৪ সালের গণআন্দোলন হয়েছিল। সেই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, তারা স্পষ্ট করে বলে গেছেন- এমন বাংলাদেশ আমরা চাই না, যেখানে রাষ্ট্র পরতে পরতে মানুষের বিপক্ষে কাজ করে।' আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, '১২ তারিখের ভোট শুধু দুই রঙের দুইটি কাগজে সিল মারা নয়, এটি বাংলাদেশ বদলে দেওয়ার একটি লড়াই। নতুন বাংলাদেশের নতুন রাজনীতি এবং পরিবর্তনকে যদি না বলা হয় তাহলে আগামী দিনগুলোতে দেশবাসীকে আগের মতোই জুলুম-নির্যাতনের মধ্যে বাঁচতে হবে। আগের মতোই দিল্লির আধিপত্যবাদের গোলামী করতে হবে। এখন আপনি গোলামী চাইবেন নাকি আজাদী চাইবেন, জুলুম চাইবেন নাকি ইনসাফ চাইবেন, সেটা বেছে নেওয়ার অধিকার একান্তই আপনার। তবে আপনি যদি মুক্তি চান, আজাদী চান, ইনসাফ চান, তবে আপনাকে হ্যাঁ-এর পক্ষেই রায় দিতে হবে।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ওই ১০ দলীয় জোটের প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা জামায়াত নেতা আজিজুর রহমান অলিদ, জেলা আইনজীবী সমিতির নেতা অ্যাডভোকেট রুহুল আমীন খায়ের, এবি পার্টির জেলা ও মহানগরের যুগ্ম-আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার, সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী, যুগ্ম-সদস্য সচিব ডাঃ তানভীর আহমেদ, বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারি সালাম মাঝি প্রমুখসহ ১০ দলীয় জোট নেতৃবৃন্দ এবং তাদের বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। #
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনের ১০ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, 'চব্বিশের জুলাই-আগস্টের টানা ৩৬ দিনের গণআন্দোলন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, এটি ছিল দীর্ঘদিনের দুঃশাসন এবং ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের সম্মিলিত বিদ্রোহ। এটি ছিল নতুন বাংলাদেশ গড়ার একটি ঐতিহাসিক লড়াই। জুলাই- আগস্টের সেই আন্দোলন ছিল এমন এক তরুণ সমাজের নেতৃত্বে, যারা আগে কখনো সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। কোটি কোটি তরুণ বুক চিতিয়ে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিয়েছিল- এই বাংলাদেশ আমরা চাই না। আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ চাই। এই আন্দোলনের গভীরে ছিল বুকের ভেতরের ঝড়। সেই ঝড় কেন তৈরি হয়েছিল, তা না বুঝলে আগামী দিনের বাংলাদেশকে বোঝা যাবে না। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার ১০ দলীয় জোটের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয় হতে পাস করে মেধার শীর্ষে থেকেও শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়, আত্মীয়তার সুপারিশ বা তথাকথিত ‘চোতা’ না থাকায় যখন একজন তরুণ চাকরি পায় না, তখন তার বুকের ভেতর ঝড় ওঠে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে ব্যবসা আর সুবিধাভোগী রাজনীতির কোটানির্ভর বৈষম্য সেই ঝড়ের জন্ম দেয়। মামা-খালু ছাড়া চাকরির ইন্টারভিউ বোর্ডে ঢোকা যায় না, এই উপলব্ধি লক্ষ লক্ষ তরুণ-যুবককে ক্ষুব্ধ করেছে। হাসপাতালে যখন দালাল ছাড়া চিকিৎসা মেলে না, কৃষক যখন ন্যায্য দামে সার, বীজ, কীটনাশক পায় না, প্রবাসী শ্রমিক ভাইয়েরা রক্ত-ঘাম ঝরিয়ে যখন দেশে টাকা পাঠিয়েও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, তখন তাদের বুকের ভেতর ঝড় ওঠে। এসব কারণেই সেদিন কোটি মানুষের বুকের ভিতর ঝড় উঠেছিলো। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ সেদিন বিস্ফোরিত হয়েছিল।'
ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, 'আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর যোগসাজশে মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরপরাধ মানুষকে গ্রেপ্তার, হয়রানি এবং ডিটেনশনে পাঠানো হচ্ছে। ঘুষ ছাড়া রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানে ন্যায্য সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। এসব অনিয়ম-জুলুমের বিরুদ্ধেই ২০২৪ সালের গণআন্দোলন হয়েছিল। সেই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, তারা স্পষ্ট করে বলে গেছেন- এমন বাংলাদেশ আমরা চাই না, যেখানে রাষ্ট্র পরতে পরতে মানুষের বিপক্ষে কাজ করে।' আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, '১২ তারিখের ভোট শুধু দুই রঙের দুইটি কাগজে সিল মারা নয়, এটি বাংলাদেশ বদলে দেওয়ার একটি লড়াই। নতুন বাংলাদেশের নতুন রাজনীতি এবং পরিবর্তনকে যদি না বলা হয় তাহলে আগামী দিনগুলোতে দেশবাসীকে আগের মতোই জুলুম-নির্যাতনের মধ্যে বাঁচতে হবে। আগের মতোই দিল্লির আধিপত্যবাদের গোলামী করতে হবে। এখন আপনি গোলামী চাইবেন নাকি আজাদী চাইবেন, জুলুম চাইবেন নাকি ইনসাফ চাইবেন, সেটা বেছে নেওয়ার অধিকার একান্তই আপনার। তবে আপনি যদি মুক্তি চান, আজাদী চান, ইনসাফ চান, তবে আপনাকে হ্যাঁ-এর পক্ষেই রায় দিতে হবে।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ওই ১০ দলীয় জোটের প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা জামায়াত নেতা আজিজুর রহমান অলিদ, জেলা আইনজীবী সমিতির নেতা অ্যাডভোকেট রুহুল আমীন খায়ের, এবি পার্টির জেলা ও মহানগরের যুগ্ম-আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার, সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী, যুগ্ম-সদস্য সচিব ডাঃ তানভীর আহমেদ, বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারি সালাম মাঝি প্রমুখসহ ১০ দলীয় জোট নেতৃবৃন্দ এবং তাদের বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। #

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৬
‘বিএনপি ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসেছে’—জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কিনা—সেই চিন্তা আমাদের করতে হবে।
তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, সেভাবে আমাদের কাজ করতে হবে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথ সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর দেশে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনমত প্রতিফলিত হয়েছে। জনগণ ও বিশ্ববাসীর কাছে এই নির্বাচন স্বীকৃত।
দীর্ঘ ১৮ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং আন্তর্জাতিক মহলে এই নির্বাচন প্রশংসিত হয়েছে। সেই নির্বাচনে ২১৩টি আসন পেয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। এমন স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিয়ে জামাত আমিরের বিতর্কিত মন্তব্য শুধু অনভিপ্রেত নয় বরং এটি সুস্থ চিন্তার পরিপন্থী।’
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এই বক্তব্য বিএনপি কেবল প্রত্যাখ্যানই করছে না বরং এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। ৫ আগস্টের পর আমরা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার যে সুযোগ পেয়েছি, একটি বিশেষ পক্ষ বারবার বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সেই সুযোগ নষ্ট করতে চাইছে। তারা দেশকে আবারও স্বৈরাচারের দিকে ঠেলে দিতে চায় কি না, তা দেশবাসীকে ভেবে দেখতে হবে।’
‘বিএনপি ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসেছে’—জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কিনা—সেই চিন্তা আমাদের করতে হবে।
তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, সেভাবে আমাদের কাজ করতে হবে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথ সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর দেশে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনমত প্রতিফলিত হয়েছে। জনগণ ও বিশ্ববাসীর কাছে এই নির্বাচন স্বীকৃত।
দীর্ঘ ১৮ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং আন্তর্জাতিক মহলে এই নির্বাচন প্রশংসিত হয়েছে। সেই নির্বাচনে ২১৩টি আসন পেয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। এমন স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিয়ে জামাত আমিরের বিতর্কিত মন্তব্য শুধু অনভিপ্রেত নয় বরং এটি সুস্থ চিন্তার পরিপন্থী।’
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এই বক্তব্য বিএনপি কেবল প্রত্যাখ্যানই করছে না বরং এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। ৫ আগস্টের পর আমরা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার যে সুযোগ পেয়েছি, একটি বিশেষ পক্ষ বারবার বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সেই সুযোগ নষ্ট করতে চাইছে। তারা দেশকে আবারও স্বৈরাচারের দিকে ঠেলে দিতে চায় কি না, তা দেশবাসীকে ভেবে দেখতে হবে।’

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪০
বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার, জনপ্রিয় সোশ্যাল অ্যাকটিভিস্ট মহিউদ্দিন রনি এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা দলটিতে যোগ দেন। এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন।
সূত্রে জানা গেছে, ইসহাক সরকারকে এনসিপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। তাকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক করার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির। এই লক্ষ্যে বর্তমান আহ্বায়ক আলাউদ্দিন মোহাম্মদ পদত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে।
ইসহাক সরকার ছাত্রদল ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি তিন শতাধিক মামলার আসামি হয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকটি মামলায় আদালত থেকে তিনি খালাসও পান।
সবশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন ইসহাক সরকার। তবে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
একই অনুষ্ঠানে এনসিপিতে যোগ দেয়া মহিউদ্দিন রনি রেলে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন। অন্যদিকে নুরুজ্জামান কাফি তার জনপ্রিয় সামাজিক সচেতনতামূলক ভিডিওর মাধ্যমে পরিচিত মুখ। নতুন রাজনৈতিক এই প্ল্যাটফর্মে তাদের অন্তর্ভুক্তি এনসিপিকে আরও চাঙা করবে বলে মনে করছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা।’
বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার, জনপ্রিয় সোশ্যাল অ্যাকটিভিস্ট মহিউদ্দিন রনি এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা দলটিতে যোগ দেন। এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন।
সূত্রে জানা গেছে, ইসহাক সরকারকে এনসিপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। তাকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক করার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির। এই লক্ষ্যে বর্তমান আহ্বায়ক আলাউদ্দিন মোহাম্মদ পদত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে।
ইসহাক সরকার ছাত্রদল ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি তিন শতাধিক মামলার আসামি হয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকটি মামলায় আদালত থেকে তিনি খালাসও পান।
সবশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন ইসহাক সরকার। তবে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
একই অনুষ্ঠানে এনসিপিতে যোগ দেয়া মহিউদ্দিন রনি রেলে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন। অন্যদিকে নুরুজ্জামান কাফি তার জনপ্রিয় সামাজিক সচেতনতামূলক ভিডিওর মাধ্যমে পরিচিত মুখ। নতুন রাজনৈতিক এই প্ল্যাটফর্মে তাদের অন্তর্ভুক্তি এনসিপিকে আরও চাঙা করবে বলে মনে করছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা।’

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৯
তেজগাঁও থানায় করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম ও তার শিশু সন্তান জামিন পেয়েছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান তার জামিন মঞ্জুর করেন। এদিকে ওই নেত্রীকে কাশিমপুর কারাগার থেকে নিতে তার সহকর্মীরা সকাল থেকেই কারাগার ফটকে অপেক্ষা করেন৷
তেজগাঁও এলাকার শ্রমিক লীগ নেতা আলমগীর হোসেন বলেন, তিনি আমাদের এলাকার বড় বোন। একসঙ্গে রাজনীতি করেছি। তার সঙ্গে যে অন্যায় হয়েছিল, তা মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারের কারণে আদালত মানবিক দিক বিবেচনায় জামিন দেন। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
কারা ফটকে শিল্পী বেগম বলেন, আমাকে পুলিশ ধরতে চায়নি, বিএনপির লোকজন আমাকে ধরিয়ে দিয়েছে। আমি আওয়ামী লীগ করি কিন্তু কোনো পদ-পদবি নেই৷ আমাকে মুক্তি দিয়েছে এজন্য আমি আইনের প্রতি কৃতজ্ঞ৷
উল্লেখ্য, গত সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেজগাঁও থানার রেলওয়ে কলোনি স্টেশন রোডের নিজ বাসা থেকে শিল্পী বেগমকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। পরে মঙ্গলবার রাতে শিল্পী বেগম তার দেড় মাস বয়সী দুগ্ধপোষ্য কন্যাসন্তান কাইফা ইসলাম সিমরানকে সঙ্গে নিয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে যান।
তেজগাঁও থানায় করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম ও তার শিশু সন্তান জামিন পেয়েছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান তার জামিন মঞ্জুর করেন। এদিকে ওই নেত্রীকে কাশিমপুর কারাগার থেকে নিতে তার সহকর্মীরা সকাল থেকেই কারাগার ফটকে অপেক্ষা করেন৷
তেজগাঁও এলাকার শ্রমিক লীগ নেতা আলমগীর হোসেন বলেন, তিনি আমাদের এলাকার বড় বোন। একসঙ্গে রাজনীতি করেছি। তার সঙ্গে যে অন্যায় হয়েছিল, তা মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারের কারণে আদালত মানবিক দিক বিবেচনায় জামিন দেন। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
কারা ফটকে শিল্পী বেগম বলেন, আমাকে পুলিশ ধরতে চায়নি, বিএনপির লোকজন আমাকে ধরিয়ে দিয়েছে। আমি আওয়ামী লীগ করি কিন্তু কোনো পদ-পদবি নেই৷ আমাকে মুক্তি দিয়েছে এজন্য আমি আইনের প্রতি কৃতজ্ঞ৷
উল্লেখ্য, গত সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেজগাঁও থানার রেলওয়ে কলোনি স্টেশন রোডের নিজ বাসা থেকে শিল্পী বেগমকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। পরে মঙ্গলবার রাতে শিল্পী বেগম তার দেড় মাস বয়সী দুগ্ধপোষ্য কন্যাসন্তান কাইফা ইসলাম সিমরানকে সঙ্গে নিয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে যান।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৩
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৪৮
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩৭
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫২