ভোলার মনপুরায় মৎস্য বিভাগ ও যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে ৪৫ টি সমুদ্রগামী ফিশিং বোটের মজুদকৃত বরফ জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে। ইলিশের প্রজনন ও মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এসব ফিশিং বোট সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেনের নের্তৃত্বে নবনিযুক্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক'র তত্ত্বাবধানে নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশের একটি চৌখস টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।
বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) উপজেলার জনতা বাজার, লতাখালি ও তালতলা মৎস্যঘাটে সকাল ১০ টা থেকে রাত ০৭ টা পর্যন্ত প্রায় ০৯ ঘন্টা ব্যাপী অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এছাড়াও রাত ০৮ টায় উপজেলার কলাতলী চরের ঘোলের খাল সংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে মাছ ধরা অবস্থায় ১৫ হাজার মিটার ইলিশ জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জাল উপজেলার হাজীর হাট লঞ্চঘাটে এনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
জানা যায়, ইলিশ প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। অবরোধ কালিন সময়ে উপজেলার সমুদ্রগামী ফিশিং বোটের একটি বৃহৎ অংশ বরফ মজুদ করে সাগরে মাছ শিকারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন মনপুরায় আসেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে সাথে নিয়ে নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশের যৌথ টিম নিয়ে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। দিনব্যাপী এ অভিযানে তারা তল্লাশী চালিয়ে ৪৫ টি ফিশিংবোটে মজুদকৃত বরফ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এতে দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের জনতা বাজার মাছঘাটে ২৭ টি, উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের লতাখালি মাছঘাটে ৭ টি ও তালতলা মাছঘাটে ১১ টি ফিশিং বোটে বোঝাইকৃত বরফ জব্দ করা হয়। এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মিদের উপস্থিতি জব্দকৃত বরফ বিনষ্ট করা হয়।
অভিযানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী মোঃ মনিরুল ইসলাম, সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহকারী মো হেলাল উদ্দিন ও মো রাসেদ প্রমূখ।
এব্যাপারে নবনিযুক্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমাদের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মহোদয় এ অভিযান পরিচালন করেন। ৪৫ টি ফিশিং বোটের মজুদকৃত বরফ আমরা বিনস্ট করেছি। এবং মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞার সময়ে আমাদের মৎস্য দপ্তরের টিম ও কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৩০
ভোলার তজুমদ্দিনে ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুল গফুরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মুচিবাড়ির কোনা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ী বাবুলকে মারধরের ঘটনায় তার স্ত্রী জোছনা বেগম বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আব্দুল গফুরসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আব্দুল গফুর তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক। তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রস্তাবিত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী।
তজুমদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে গ্রেপ্তার আব্দুল গফুরকে পার্শ্ববর্তী বোরহানউদ্দিন থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে তাকে আদালতে সোপর্দ করার আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে, গত ২৫ মে একই এলাকার ব্যবসায়ী নুর হোসেন মাঝিকে প্রকাশ্যে মারধর ও চাঁদাবাজির মামলায় আব্দুল গফুরকে ভোলা সদর থেকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
বরিশালটাইমস/এমআর
ভোলার তজুমদ্দিনে ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুল গফুরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মুচিবাড়ির কোনা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ী বাবুলকে মারধরের ঘটনায় তার স্ত্রী জোছনা বেগম বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আব্দুল গফুরসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আব্দুল গফুর তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক। তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রস্তাবিত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী।
তজুমদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে গ্রেপ্তার আব্দুল গফুরকে পার্শ্ববর্তী বোরহানউদ্দিন থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে তাকে আদালতে সোপর্দ করার আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে, গত ২৫ মে একই এলাকার ব্যবসায়ী নুর হোসেন মাঝিকে প্রকাশ্যে মারধর ও চাঁদাবাজির মামলায় আব্দুল গফুরকে ভোলা সদর থেকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
বরিশালটাইমস/এমআর

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৭
ভোলার চরফ্যাশনে ডোবা থেকে এক ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা এক নারীর বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার নজরুলনগর ইউনিয়নের বাবুরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত আবুল বাশার নজরুলনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝের চর এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি পেশায় গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। অভিযুক্ত সালমা বেগম একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরহাট এলাকার বাসিন্দা।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে সালমা বেগম ফোন করে আবুল বাশারকে তার বাড়িতে ডেকে নেন। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে দক্ষিণ আইচা থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে থাকেন।
এরই মধ্যে রোববার দুপুরে সালমা বেগমের বাড়ির সামনে একটি ডোবায় আবুল বাশারের গলা ও পেটে কাটা-ছেঁড়া জখমসহ মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর ছড়িয়ে পড়লে সেখানে লোকজন জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা সালমা বেগমের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেন এবং পরে মিছিল নিয়ে বাড়িটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে এক পুরুষকে আটক করে পুলিশ।
দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান কবীর বলেন, সালমা বেগম ও সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।
ভোলার চরফ্যাশনে ডোবা থেকে এক ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা এক নারীর বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার নজরুলনগর ইউনিয়নের বাবুরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত আবুল বাশার নজরুলনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝের চর এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি পেশায় গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। অভিযুক্ত সালমা বেগম একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরহাট এলাকার বাসিন্দা।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে সালমা বেগম ফোন করে আবুল বাশারকে তার বাড়িতে ডেকে নেন। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে দক্ষিণ আইচা থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে থাকেন।
এরই মধ্যে রোববার দুপুরে সালমা বেগমের বাড়ির সামনে একটি ডোবায় আবুল বাশারের গলা ও পেটে কাটা-ছেঁড়া জখমসহ মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর ছড়িয়ে পড়লে সেখানে লোকজন জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা সালমা বেগমের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেন এবং পরে মিছিল নিয়ে বাড়িটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে এক পুরুষকে আটক করে পুলিশ।
দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান কবীর বলেন, সালমা বেগম ও সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০২
ভোলার চরাঞ্চলে একের পর এক গরু-মহিষ চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন খামারিরা। ভোলা সদর উপজেলা মহিষ মালিক সমবায় সমিতির নেতাদের দাবি, ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর থেকে মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন চরাঞ্চলের বাথান থেকে চার শতাধিক গরু-মহিষ চুরি হয়েছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া কোনো গবাদিপশু উদ্ধার হয়নি।
চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গরু-মহিষ উদ্ধার এবং খামারিদের নিরাপত্তাসহ পাঁচ দফা দাবিতে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী খামারি ও সমিতির সদস্যরা।
বক্তারা জানান, মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা চর মদনপুর, চর কালুপুর, চর গাজীপুর, চর বৈরাগী, চরকালী, চর কাঞ্চড়া, চর নেয়ামতপুর, মধুপুর ও চর কাচিয়াসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে বংশপরম্পরায় গরু-মহিষ পালন করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তাঁরা। প্রতিকূল পরিবেশেও চড়া দামে জমি ইজারা নিয়ে বাথান পরিচালনা করছেন।
তাঁদের অভিযোগ, আগে বিচ্ছিন্নভাবে চুরির ঘটনা ঘটলেও ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় খামারিদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
খামারিদের ভাষ্য, চুরি বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। চুরি যাওয়া একটি গরু বা মহিষও উদ্ধার হয়নি বলে দাবি করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে সমাজকর্মী কামরুজ্জামান বাহাউদ্দিন, সমিতির উপদেষ্টা শাহাবুদ্দিন ফারাজি, সভাপতি আবুল কাশেম মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ মাতাব্বরসহ সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা দ্রুত চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গবাদিপশু উদ্ধার এবং চরাঞ্চলের খামারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
ভোলার চরাঞ্চলে একের পর এক গরু-মহিষ চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন খামারিরা। ভোলা সদর উপজেলা মহিষ মালিক সমবায় সমিতির নেতাদের দাবি, ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর থেকে মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন চরাঞ্চলের বাথান থেকে চার শতাধিক গরু-মহিষ চুরি হয়েছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া কোনো গবাদিপশু উদ্ধার হয়নি।
চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গরু-মহিষ উদ্ধার এবং খামারিদের নিরাপত্তাসহ পাঁচ দফা দাবিতে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী খামারি ও সমিতির সদস্যরা।
বক্তারা জানান, মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা চর মদনপুর, চর কালুপুর, চর গাজীপুর, চর বৈরাগী, চরকালী, চর কাঞ্চড়া, চর নেয়ামতপুর, মধুপুর ও চর কাচিয়াসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে বংশপরম্পরায় গরু-মহিষ পালন করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তাঁরা। প্রতিকূল পরিবেশেও চড়া দামে জমি ইজারা নিয়ে বাথান পরিচালনা করছেন।
তাঁদের অভিযোগ, আগে বিচ্ছিন্নভাবে চুরির ঘটনা ঘটলেও ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় খামারিদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
খামারিদের ভাষ্য, চুরি বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। চুরি যাওয়া একটি গরু বা মহিষও উদ্ধার হয়নি বলে দাবি করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে সমাজকর্মী কামরুজ্জামান বাহাউদ্দিন, সমিতির উপদেষ্টা শাহাবুদ্দিন ফারাজি, সভাপতি আবুল কাশেম মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ মাতাব্বরসহ সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা দ্রুত চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গবাদিপশু উদ্ধার এবং চরাঞ্চলের খামারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

১০ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:২১
ভোলার মনপুরায় মৎস্য বিভাগ ও যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে ৪৫ টি সমুদ্রগামী ফিশিং বোটের মজুদকৃত বরফ জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে। ইলিশের প্রজনন ও মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এসব ফিশিং বোট সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেনের নের্তৃত্বে নবনিযুক্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক'র তত্ত্বাবধানে নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশের একটি চৌখস টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।
বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) উপজেলার জনতা বাজার, লতাখালি ও তালতলা মৎস্যঘাটে সকাল ১০ টা থেকে রাত ০৭ টা পর্যন্ত প্রায় ০৯ ঘন্টা ব্যাপী অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এছাড়াও রাত ০৮ টায় উপজেলার কলাতলী চরের ঘোলের খাল সংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে মাছ ধরা অবস্থায় ১৫ হাজার মিটার ইলিশ জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জাল উপজেলার হাজীর হাট লঞ্চঘাটে এনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
জানা যায়, ইলিশ প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। অবরোধ কালিন সময়ে উপজেলার সমুদ্রগামী ফিশিং বোটের একটি বৃহৎ অংশ বরফ মজুদ করে সাগরে মাছ শিকারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন মনপুরায় আসেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে সাথে নিয়ে নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশের যৌথ টিম নিয়ে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। দিনব্যাপী এ অভিযানে তারা তল্লাশী চালিয়ে ৪৫ টি ফিশিংবোটে মজুদকৃত বরফ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এতে দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের জনতা বাজার মাছঘাটে ২৭ টি, উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের লতাখালি মাছঘাটে ৭ টি ও তালতলা মাছঘাটে ১১ টি ফিশিং বোটে বোঝাইকৃত বরফ জব্দ করা হয়। এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মিদের উপস্থিতি জব্দকৃত বরফ বিনষ্ট করা হয়।
অভিযানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী মোঃ মনিরুল ইসলাম, সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহকারী মো হেলাল উদ্দিন ও মো রাসেদ প্রমূখ।
এব্যাপারে নবনিযুক্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমাদের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মহোদয় এ অভিযান পরিচালন করেন। ৪৫ টি ফিশিং বোটের মজুদকৃত বরফ আমরা বিনস্ট করেছি। এবং মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞার সময়ে আমাদের মৎস্য দপ্তরের টিম ও কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:১০
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:০৩
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:২১
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩৪