ভোলার মনপুরায় মৎস্য বিভাগ ও যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে ৪৫ টি সমুদ্রগামী ফিশিং বোটের মজুদকৃত বরফ জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে। ইলিশের প্রজনন ও মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এসব ফিশিং বোট সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেনের নের্তৃত্বে নবনিযুক্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক'র তত্ত্বাবধানে নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশের একটি চৌখস টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।
বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) উপজেলার জনতা বাজার, লতাখালি ও তালতলা মৎস্যঘাটে সকাল ১০ টা থেকে রাত ০৭ টা পর্যন্ত প্রায় ০৯ ঘন্টা ব্যাপী অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এছাড়াও রাত ০৮ টায় উপজেলার কলাতলী চরের ঘোলের খাল সংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে মাছ ধরা অবস্থায় ১৫ হাজার মিটার ইলিশ জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জাল উপজেলার হাজীর হাট লঞ্চঘাটে এনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
জানা যায়, ইলিশ প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। অবরোধ কালিন সময়ে উপজেলার সমুদ্রগামী ফিশিং বোটের একটি বৃহৎ অংশ বরফ মজুদ করে সাগরে মাছ শিকারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন মনপুরায় আসেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে সাথে নিয়ে নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশের যৌথ টিম নিয়ে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। দিনব্যাপী এ অভিযানে তারা তল্লাশী চালিয়ে ৪৫ টি ফিশিংবোটে মজুদকৃত বরফ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এতে দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের জনতা বাজার মাছঘাটে ২৭ টি, উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের লতাখালি মাছঘাটে ৭ টি ও তালতলা মাছঘাটে ১১ টি ফিশিং বোটে বোঝাইকৃত বরফ জব্দ করা হয়। এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মিদের উপস্থিতি জব্দকৃত বরফ বিনষ্ট করা হয়।
অভিযানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী মোঃ মনিরুল ইসলাম, সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহকারী মো হেলাল উদ্দিন ও মো রাসেদ প্রমূখ।
এব্যাপারে নবনিযুক্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমাদের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মহোদয় এ অভিযান পরিচালন করেন। ৪৫ টি ফিশিং বোটের মজুদকৃত বরফ আমরা বিনস্ট করেছি। এবং মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞার সময়ে আমাদের মৎস্য দপ্তরের টিম ও কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

২১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন দেওয়ানি বিরোধ আদালতে মামলা দায়েরের আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষে ভোলা-পটুয়াখালীসহ দেশের ১০ জেলায় একযোগে বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোলায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় বিচার, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের কনফারেন্স রুম থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধিত) আইন, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত কিছু বিরোধের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা দায়েরের আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিতে হবে। এসব বিরোধের মধ্যে রয়েছে জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধ, বাড়ি ভাড়া, পিতামাতার ভরণপোষণ এবং যৌতুক নিরোধ আইনের আওতাধীন নির্দিষ্ট বিষয়।
এ উপলক্ষে ভোলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেমিনার কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইব্রাহীম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেল্লাল হোসেন, মো. এনায়েত উল্লাহ ও এ. এস. এম. তারিক শামস, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম, ভোলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাসেতসহ বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালুর ফলে বিচারপ্রার্থীরা আদালতে মামলা দায়েরের আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন। এতে একদিকে যেমন আদালতের মামলার চাপ কমবে, অন্যদিকে দ্রুত, সহজ ও কম ব্যয়সাপেক্ষে বিরোধ নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন দেওয়ানি বিরোধ আদালতে মামলা দায়েরের আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষে ভোলা-পটুয়াখালীসহ দেশের ১০ জেলায় একযোগে বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোলায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় বিচার, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের কনফারেন্স রুম থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধিত) আইন, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত কিছু বিরোধের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা দায়েরের আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিতে হবে। এসব বিরোধের মধ্যে রয়েছে জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধ, বাড়ি ভাড়া, পিতামাতার ভরণপোষণ এবং যৌতুক নিরোধ আইনের আওতাধীন নির্দিষ্ট বিষয়।
এ উপলক্ষে ভোলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেমিনার কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইব্রাহীম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেল্লাল হোসেন, মো. এনায়েত উল্লাহ ও এ. এস. এম. তারিক শামস, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম, ভোলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাসেতসহ বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালুর ফলে বিচারপ্রার্থীরা আদালতে মামলা দায়েরের আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন। এতে একদিকে যেমন আদালতের মামলার চাপ কমবে, অন্যদিকে দ্রুত, সহজ ও কম ব্যয়সাপেক্ষে বিরোধ নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি বসতঘরের খাটের নিচ থেকে জেলেদের সরকারি খাদ্য সহায়তার ১ হাজার ১৭০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কিশোরগঞ্জ এলাকার দিদার মসজিদ সংলগ্ন মো. জসিম সর্দারের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে ৩৪ টি বস্তা ভর্তি এসব চাল উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ঘর মালিক মো. জসিম সর্দার। তিনি স্থানীয় একটি বাজারের মুদি দোকানদার। পরে উদ্ধারকৃত চাল উপজেলা মৎস্য অফিসের জিম্মায় রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই বসতঘর থেকে জেলেদের খাদ্য সহায়তার ৩০ কেজি ওজনের ২৪ বস্তা এবং ৫০ কেজি ওজনের ৯ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। চালগুলো অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে জেলেদের চাল বিক্রি বা মজুদ করার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া কোনো ব্যক্তির কাছে এত চাল থাকারও কথা না। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি বসতঘরের খাটের নিচ থেকে জেলেদের সরকারি খাদ্য সহায়তার ১ হাজার ১৭০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কিশোরগঞ্জ এলাকার দিদার মসজিদ সংলগ্ন মো. জসিম সর্দারের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে ৩৪ টি বস্তা ভর্তি এসব চাল উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ঘর মালিক মো. জসিম সর্দার। তিনি স্থানীয় একটি বাজারের মুদি দোকানদার। পরে উদ্ধারকৃত চাল উপজেলা মৎস্য অফিসের জিম্মায় রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই বসতঘর থেকে জেলেদের খাদ্য সহায়তার ৩০ কেজি ওজনের ২৪ বস্তা এবং ৫০ কেজি ওজনের ৯ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। চালগুলো অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে জেলেদের চাল বিক্রি বা মজুদ করার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া কোনো ব্যক্তির কাছে এত চাল থাকারও কথা না। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা।

১০ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:২১
ভোলার মনপুরায় মৎস্য বিভাগ ও যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে ৪৫ টি সমুদ্রগামী ফিশিং বোটের মজুদকৃত বরফ জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে। ইলিশের প্রজনন ও মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এসব ফিশিং বোট সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেনের নের্তৃত্বে নবনিযুক্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক'র তত্ত্বাবধানে নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশের একটি চৌখস টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।
বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) উপজেলার জনতা বাজার, লতাখালি ও তালতলা মৎস্যঘাটে সকাল ১০ টা থেকে রাত ০৭ টা পর্যন্ত প্রায় ০৯ ঘন্টা ব্যাপী অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এছাড়াও রাত ০৮ টায় উপজেলার কলাতলী চরের ঘোলের খাল সংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে মাছ ধরা অবস্থায় ১৫ হাজার মিটার ইলিশ জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জাল উপজেলার হাজীর হাট লঞ্চঘাটে এনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
জানা যায়, ইলিশ প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। অবরোধ কালিন সময়ে উপজেলার সমুদ্রগামী ফিশিং বোটের একটি বৃহৎ অংশ বরফ মজুদ করে সাগরে মাছ শিকারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন মনপুরায় আসেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে সাথে নিয়ে নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশের যৌথ টিম নিয়ে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। দিনব্যাপী এ অভিযানে তারা তল্লাশী চালিয়ে ৪৫ টি ফিশিংবোটে মজুদকৃত বরফ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এতে দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের জনতা বাজার মাছঘাটে ২৭ টি, উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের লতাখালি মাছঘাটে ৭ টি ও তালতলা মাছঘাটে ১১ টি ফিশিং বোটে বোঝাইকৃত বরফ জব্দ করা হয়। এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মিদের উপস্থিতি জব্দকৃত বরফ বিনষ্ট করা হয়।
অভিযানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী মোঃ মনিরুল ইসলাম, সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহকারী মো হেলাল উদ্দিন ও মো রাসেদ প্রমূখ।
এব্যাপারে নবনিযুক্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমাদের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মহোদয় এ অভিযান পরিচালন করেন। ৪৫ টি ফিশিং বোটের মজুদকৃত বরফ আমরা বিনস্ট করেছি। এবং মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞার সময়ে আমাদের মৎস্য দপ্তরের টিম ও কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।