
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৫
ভোলায় ভুল বুঝতে পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে অনলাইন জুয়া খেলা থেকে নিজেকে বিরত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মো. ইউসুফ মুন্সি (৩০) নামে এক যুবক।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে দুধ দিয়ে গোসল করার এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে জেলাজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়। ইউসুফ মুন্সি ওই যুবকের নাম ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ফুল কাচিয়া গ্রামের মুন্সি বাড়ির বাসিন্দা। তিনি একজন রড মিস্ত্রি বলে জানা গেছে।
জুয়া ছেড়ে ইউসুফ মুন্সি জানান, তিনি রড মিস্ত্রি ও মাছের ঘেরের ব্যবসা করে ভালো চলছিলেন। প্রায় ৩ বছর আগে তার পরিচিত স্থানীয়দের অনলাইনে জুয়া খেলা দেখে তিনিও অ্যাকাউন্ট খোলেন।
পরে তিনি অনলাইনে জুয়া ও ক্যাসিনো খেলতে শুরু করেন। প্রথম দিকে কিছু টাকা পেয়ে আরও বেশি ঝুঁকে পড়েন। একসময় তিনি আসক্ত হয়ে যা আয় করতেন সবই হারান। পরে একে একে বসতঘর ও জমি বিক্রি জুয়া খেলেন।
এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ লাখ টাকা হরিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। পরে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে আশ্রয় নেন শ্বশুরবাড়িতে। তিনি আরও জানান, সব হারিয়ে সোমবার সিদ্ধান্ত নেন, আর কখনও অনলাইন জুয়া খেলবেন না।
পরে তার বন্ধুদের পরামর্শে দুপুরের দিকে একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চকডোষ গ্রামে একটি বাল্টিতে দুধ ও পানি মিশিয়ে গোসল করেন তিনি। তার মতো কেউ যেন এসব খেলে নিঃস্ব না হন এই আহ্বান জানান তিনি।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে জুয়া খেলার বিরুদ্ধে তারা অভিযান পরিচালনা করছেন।
ভোলায় ভুল বুঝতে পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে অনলাইন জুয়া খেলা থেকে নিজেকে বিরত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মো. ইউসুফ মুন্সি (৩০) নামে এক যুবক।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে দুধ দিয়ে গোসল করার এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে জেলাজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়। ইউসুফ মুন্সি ওই যুবকের নাম ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ফুল কাচিয়া গ্রামের মুন্সি বাড়ির বাসিন্দা। তিনি একজন রড মিস্ত্রি বলে জানা গেছে।
জুয়া ছেড়ে ইউসুফ মুন্সি জানান, তিনি রড মিস্ত্রি ও মাছের ঘেরের ব্যবসা করে ভালো চলছিলেন। প্রায় ৩ বছর আগে তার পরিচিত স্থানীয়দের অনলাইনে জুয়া খেলা দেখে তিনিও অ্যাকাউন্ট খোলেন।
পরে তিনি অনলাইনে জুয়া ও ক্যাসিনো খেলতে শুরু করেন। প্রথম দিকে কিছু টাকা পেয়ে আরও বেশি ঝুঁকে পড়েন। একসময় তিনি আসক্ত হয়ে যা আয় করতেন সবই হারান। পরে একে একে বসতঘর ও জমি বিক্রি জুয়া খেলেন।
এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ লাখ টাকা হরিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। পরে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে আশ্রয় নেন শ্বশুরবাড়িতে। তিনি আরও জানান, সব হারিয়ে সোমবার সিদ্ধান্ত নেন, আর কখনও অনলাইন জুয়া খেলবেন না।
পরে তার বন্ধুদের পরামর্শে দুপুরের দিকে একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চকডোষ গ্রামে একটি বাল্টিতে দুধ ও পানি মিশিয়ে গোসল করেন তিনি। তার মতো কেউ যেন এসব খেলে নিঃস্ব না হন এই আহ্বান জানান তিনি।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে জুয়া খেলার বিরুদ্ধে তারা অভিযান পরিচালনা করছেন।

০৯ মে, ২০২৬ ১৩:২৫
পটুয়াখালীর কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেল থেকে ভোলার চরফ্যাশনের অপহৃত কলেজছাত্রী কারিমা হাসানকে (১৭) উদ্ধার করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) সকালে আটকদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ মে) গভীর রাতে কুয়াকাটার একটি হোটেল থেকে কারিমাকে উদ্ধার করা হয়। আটকরা হলেন- চরফ্যাশন এলাকার মো. হাসনাইন (২১) ও মেহেদী হাসান (২৬)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৬ মে) ভোলার চরফ্যাশন এলাকা থেকে কলেজছাত্রী কারিমা হাসান অপহৃত হন।
অভিযোগ রয়েছে, তাকে ইনজেকশন দিয়ে অজ্ঞান করার পর অপহরণ করা হয়। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কুয়াকাটার হোটেল রুপান্তি থেকে তাকে উদ্ধার করে মহিপুর থানা পুলিশ।
মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার জানান, ৯৯৯-এর মাধ্যমে তথ্য পেয়ে অভিযান চালিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ভোলার চরফ্যাশন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত তরুণীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেল থেকে ভোলার চরফ্যাশনের অপহৃত কলেজছাত্রী কারিমা হাসানকে (১৭) উদ্ধার করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) সকালে আটকদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ মে) গভীর রাতে কুয়াকাটার একটি হোটেল থেকে কারিমাকে উদ্ধার করা হয়। আটকরা হলেন- চরফ্যাশন এলাকার মো. হাসনাইন (২১) ও মেহেদী হাসান (২৬)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৬ মে) ভোলার চরফ্যাশন এলাকা থেকে কলেজছাত্রী কারিমা হাসান অপহৃত হন।
অভিযোগ রয়েছে, তাকে ইনজেকশন দিয়ে অজ্ঞান করার পর অপহরণ করা হয়। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কুয়াকাটার হোটেল রুপান্তি থেকে তাকে উদ্ধার করে মহিপুর থানা পুলিশ।
মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার জানান, ৯৯৯-এর মাধ্যমে তথ্য পেয়ে অভিযান চালিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ভোলার চরফ্যাশন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত তরুণীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

০৮ মে, ২০২৬ ১৪:৩৪
আসন্ন কোরবানির হাটকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামার মালিক ও শ্রমিকরা। এ বছর ভোলায় কোরবানির হাটকে কেন্দ্র করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে বিশাল আকৃতির ‘জমিদার’। সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খেয়ে মোটাতাজা হয়েছে জমিদার। ১৫-১৬ মণ ওজনের এই গরুটি ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মালেগো বাড়ির বাসিন্দা ও খামারি মো. আলী এবারের কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য তার খামারে ছয়টি দেশীয় গরু মোটাতাজা করেছেন। এরমধ্যে রয়েছে জমিদার নামে গরুটি।
জমিদার গরুর মালিক ও খামারি মো. আলী জানান, তিনি প্রায় ১৪ বছর ধরে গরুর খামার দিয়েছেন। তার খামারে প্রতি বছরই তিনি গরু মোটাতাজা করে কোরবানির হাটে বিক্রি করেন। এবছরও তিনি ৬টি গরু হাটে নেবেন।
ছয়টি গরুর নাম রেখেন জমিদার, বাহাদুর, বাদশা, রাজা, কালাচাঁদ ও লালচাঁদ। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় গরু ‘জমিদার’। যার উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট ও দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুটের কাছাকাছি। ওজন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ মণ।
তিনি আরও জানান, প্রায় ২ বছর আগে গরুটি তিনি এক খামারির থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকায় ক্রয় করেছেন।
খামারের প্রতিটি গরুকে কাঁচা ঘাস, গম-ভূট্টা ভাঙা, খৈল ও ভূষিসহ সুষম দানাদার খাবার খাওয়ানো হয়েছে। কিন্তু জমিদার অন্য গরুর থেকে বেশি খাবার খেয়ে থাকে। এ কারণে তার নাম জমিদার রাখা হয়েছে।
প্রায় ৬ মাস ধরে জমিদারকে সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় প্রায় ২০ থেকে ২২ কেজি কাঁচা ঘাস, গম-ভূট্টা ভাঙা, খৈল ও ভূষিসহ সুষম দানাদার খাবার খাওয়াচ্ছেন। এবারের কোরবানির হাটে জমিদারের দাম হাঁকিয়েছেন ৪ লাখ টাকা।
তার দাবি, ভোলা সদর উপজেলায় এত বড় ও পরিপুষ্ট দেশীয় গরু কারো খামারে নেই। তাই কোরবানির হাটে জমিদার উঠালে সবার দৃষ্টি কারবে।
ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খাঁন জানান, আমরা সব খামারিকেই দেশীয় পদ্ধতিতে, দেশীয় খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। জমিদার নামে গরুটিও দেশীয় খাবার খেয়ে মোটাতাজা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কোন খামারি যদি কোরবানির হাটকে টার্গেট করে অবৈধভাবে গরু মোটাতাজা করে তবে ওই খামারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আসন্ন কোরবানির হাটকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামার মালিক ও শ্রমিকরা। এ বছর ভোলায় কোরবানির হাটকে কেন্দ্র করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে বিশাল আকৃতির ‘জমিদার’। সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খেয়ে মোটাতাজা হয়েছে জমিদার। ১৫-১৬ মণ ওজনের এই গরুটি ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মালেগো বাড়ির বাসিন্দা ও খামারি মো. আলী এবারের কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য তার খামারে ছয়টি দেশীয় গরু মোটাতাজা করেছেন। এরমধ্যে রয়েছে জমিদার নামে গরুটি।
জমিদার গরুর মালিক ও খামারি মো. আলী জানান, তিনি প্রায় ১৪ বছর ধরে গরুর খামার দিয়েছেন। তার খামারে প্রতি বছরই তিনি গরু মোটাতাজা করে কোরবানির হাটে বিক্রি করেন। এবছরও তিনি ৬টি গরু হাটে নেবেন।
ছয়টি গরুর নাম রেখেন জমিদার, বাহাদুর, বাদশা, রাজা, কালাচাঁদ ও লালচাঁদ। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় গরু ‘জমিদার’। যার উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট ও দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুটের কাছাকাছি। ওজন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ মণ।
তিনি আরও জানান, প্রায় ২ বছর আগে গরুটি তিনি এক খামারির থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকায় ক্রয় করেছেন।
খামারের প্রতিটি গরুকে কাঁচা ঘাস, গম-ভূট্টা ভাঙা, খৈল ও ভূষিসহ সুষম দানাদার খাবার খাওয়ানো হয়েছে। কিন্তু জমিদার অন্য গরুর থেকে বেশি খাবার খেয়ে থাকে। এ কারণে তার নাম জমিদার রাখা হয়েছে।
প্রায় ৬ মাস ধরে জমিদারকে সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় প্রায় ২০ থেকে ২২ কেজি কাঁচা ঘাস, গম-ভূট্টা ভাঙা, খৈল ও ভূষিসহ সুষম দানাদার খাবার খাওয়াচ্ছেন। এবারের কোরবানির হাটে জমিদারের দাম হাঁকিয়েছেন ৪ লাখ টাকা।
তার দাবি, ভোলা সদর উপজেলায় এত বড় ও পরিপুষ্ট দেশীয় গরু কারো খামারে নেই। তাই কোরবানির হাটে জমিদার উঠালে সবার দৃষ্টি কারবে।
ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খাঁন জানান, আমরা সব খামারিকেই দেশীয় পদ্ধতিতে, দেশীয় খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। জমিদার নামে গরুটিও দেশীয় খাবার খেয়ে মোটাতাজা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কোন খামারি যদি কোরবানির হাটকে টার্গেট করে অবৈধভাবে গরু মোটাতাজা করে তবে ওই খামারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৭ মে, ২০২৬ ১৯:১২
ভোলা সদর উপজেলায় প্রায় ৪০ কেজি ওজনের ও ৯ ফুট ২ ইঞ্জি দৈর্ঘের বিরল প্রজাতির একটি গুইসাপ উদ্ধার করেছেন স্থানীয় লোকজন। যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে দিকে ভোলা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চরনোয়াবাদ এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহমানের বাড়ি সংলগ্ন একটি মোবাইল টাওয়ারের পাশ থেকে গুইসাপটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বাসিন্দাদের হাঁস মুরগি ও ছাগলের বাচ্চা উধাও হয়ে যাচ্ছিল। চারিদিকে খুঁজেও এসবের হদিস পাননি তারা। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় আরেক বাসিন্দার একটি ছাগলের বাচ্ছা গুইসাপটি আক্রমণ করে খাওয়ার সময় ছাগলের মালিক বিষয়টি দেখতে পান। তিনি চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে ধাওয়া দিয়ে সেটিকে আটক করেন। পরবর্তীতে স্থানীয়রা বন বিভাগকে খবর দিয়ে নিয়ে তাদের কাছে গুইসাপটিকে হস্তান্তর করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ভোলা সহকারী বন সংরক্ষক মো. মনিরুজ্জামান ঢাকা পোস্টকে বলেন, এটি একটি ‘মনিটর লিজার্ড’ বিরল প্রজাতির গুইসাপ। যা সচরাচর দেখা মেলে না। খবর পেয়ে ভোলা সদর রেঞ্জের লোকজন গিয়ে উদ্ধার করে আনেন। আপাতত এটি ভোলা সদর রেঞ্জ হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং মনিটরিং করা হচ্ছে। বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নির্দেশে গুইসাপটিক উপযুক্ত স্থানে অবমুক্ত করা হবে।
ভোলা সদর উপজেলায় প্রায় ৪০ কেজি ওজনের ও ৯ ফুট ২ ইঞ্জি দৈর্ঘের বিরল প্রজাতির একটি গুইসাপ উদ্ধার করেছেন স্থানীয় লোকজন। যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে দিকে ভোলা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চরনোয়াবাদ এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহমানের বাড়ি সংলগ্ন একটি মোবাইল টাওয়ারের পাশ থেকে গুইসাপটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বাসিন্দাদের হাঁস মুরগি ও ছাগলের বাচ্চা উধাও হয়ে যাচ্ছিল। চারিদিকে খুঁজেও এসবের হদিস পাননি তারা। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় আরেক বাসিন্দার একটি ছাগলের বাচ্ছা গুইসাপটি আক্রমণ করে খাওয়ার সময় ছাগলের মালিক বিষয়টি দেখতে পান। তিনি চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে ধাওয়া দিয়ে সেটিকে আটক করেন। পরবর্তীতে স্থানীয়রা বন বিভাগকে খবর দিয়ে নিয়ে তাদের কাছে গুইসাপটিকে হস্তান্তর করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ভোলা সহকারী বন সংরক্ষক মো. মনিরুজ্জামান ঢাকা পোস্টকে বলেন, এটি একটি ‘মনিটর লিজার্ড’ বিরল প্রজাতির গুইসাপ। যা সচরাচর দেখা মেলে না। খবর পেয়ে ভোলা সদর রেঞ্জের লোকজন গিয়ে উদ্ধার করে আনেন। আপাতত এটি ভোলা সদর রেঞ্জ হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং মনিটরিং করা হচ্ছে। বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নির্দেশে গুইসাপটিক উপযুক্ত স্থানে অবমুক্ত করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.