
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের ৪৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে তার কাঙ্ক্ষিত হাঁস প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের ১৩ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। সব মিলিয়ে বৈধ চূড়ান্ত প্রার্থী ৪৮ জন। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থীদের দলীয় প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
কাঙ্ক্ষিত প্রতীক পেয়ে উচ্ছ্বসিত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের বলেন, আমি আমার ভোটার, কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। তারাই আমাকে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছে। তারা যখন আমাকে দেখে, ছোট-ছোট বাচ্চারা চিৎকার করতে থাকে, আমাদের হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা। তাই এই মার্কাটা আমার ভোটারদের মার্কা, আমার মার্কা না।
নিজের পালিত হাঁস চুরির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার হাঁসগুলো যখন চুরি হয়, আমি চোরকে ছেড়ে দিইনি। আমি মামলা করেছি, জেলেও দিয়েছি। আমার এ হাঁস (প্রতীক) যদি কেউ চুরি করার চিন্তাও করে, আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব।
রুমিন ফারহানা বলেন, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সাধারণ মানুষের প্রার্থী। ভোটাররা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, ভোটাররা যা বলবেন, যেভাবে চাইবেন, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উন্নয়ন সেভাবেই করব।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের ৪৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে তার কাঙ্ক্ষিত হাঁস প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের ১৩ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। সব মিলিয়ে বৈধ চূড়ান্ত প্রার্থী ৪৮ জন। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থীদের দলীয় প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
কাঙ্ক্ষিত প্রতীক পেয়ে উচ্ছ্বসিত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের বলেন, আমি আমার ভোটার, কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। তারাই আমাকে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছে। তারা যখন আমাকে দেখে, ছোট-ছোট বাচ্চারা চিৎকার করতে থাকে, আমাদের হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা। তাই এই মার্কাটা আমার ভোটারদের মার্কা, আমার মার্কা না।
নিজের পালিত হাঁস চুরির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার হাঁসগুলো যখন চুরি হয়, আমি চোরকে ছেড়ে দিইনি। আমি মামলা করেছি, জেলেও দিয়েছি। আমার এ হাঁস (প্রতীক) যদি কেউ চুরি করার চিন্তাও করে, আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব।
রুমিন ফারহানা বলেন, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সাধারণ মানুষের প্রার্থী। ভোটাররা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, ভোটাররা যা বলবেন, যেভাবে চাইবেন, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উন্নয়ন সেভাবেই করব।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৭
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকায় এটি একতরফা নির্বাচন হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ও দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেন, এই নির্বাচন দেশে ও বিদেশে কোথাও গ্রহণযোগ্য হবে না।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর সেনপাড়ার বাসভবনে তিনি এসব কথা বলেন। জিএম কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের ভোট এখনও ৪০ ভাগ রয়েছে। আওয়ামী লীগ না থাকায় অন্য দু-একটি দলও নির্বাচন করছে না। মোট ৫০ ভাগ ভোটারদের বাদ দিয়ে নির্বাচন হচ্ছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। এ সময় তিনি আবারও গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নিতে দেশবাসীকে উদ্বুদ্ধ করেন।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকায় এটি একতরফা নির্বাচন হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ও দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেন, এই নির্বাচন দেশে ও বিদেশে কোথাও গ্রহণযোগ্য হবে না।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর সেনপাড়ার বাসভবনে তিনি এসব কথা বলেন। জিএম কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের ভোট এখনও ৪০ ভাগ রয়েছে। আওয়ামী লীগ না থাকায় অন্য দু-একটি দলও নির্বাচন করছে না। মোট ৫০ ভাগ ভোটারদের বাদ দিয়ে নির্বাচন হচ্ছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। এ সময় তিনি আবারও গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নিতে দেশবাসীকে উদ্বুদ্ধ করেন।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩২
নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে 'স্যার' না ডেকে ভাইয়া ডাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। তরুণদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সময় তার এই অনুরোধ অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যে স্বস্তি ও হাসির আবহ তৈরি করে।
আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের র্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’-এ তিনি এ কথা বলেন।
তিনি তরুণদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, দেশে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও বিদেশে পড়াশোনা করতে চাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যাংকঋণের জটিলতা কমাতে আইন সংশোধনের মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।
পরিবেশ ও নগর উন্নয়ন বিষয়ে তারেক রহমান জানান, চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন করা হবে। ক্ষমতায় গেলে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
ইয়ুথ পলিসি টকে চট্টগ্রামের ৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪০-এর বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। তিনি আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যত পরিচালনায় তরুণদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ, এবং তাদের পরামর্শ গ্রহণ করা হবে।
দীর্ঘ দুই দশক পর চট্টগ্রামে ফিরে তারেক রহমান একই দিনে নগর পলোগ্রাউন্ড ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।
নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে 'স্যার' না ডেকে ভাইয়া ডাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। তরুণদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সময় তার এই অনুরোধ অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যে স্বস্তি ও হাসির আবহ তৈরি করে।
আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের র্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’-এ তিনি এ কথা বলেন।
তিনি তরুণদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, দেশে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও বিদেশে পড়াশোনা করতে চাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যাংকঋণের জটিলতা কমাতে আইন সংশোধনের মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।
পরিবেশ ও নগর উন্নয়ন বিষয়ে তারেক রহমান জানান, চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন করা হবে। ক্ষমতায় গেলে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
ইয়ুথ পলিসি টকে চট্টগ্রামের ৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪০-এর বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। তিনি আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যত পরিচালনায় তরুণদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ, এবং তাদের পরামর্শ গ্রহণ করা হবে।
দীর্ঘ দুই দশক পর চট্টগ্রামে ফিরে তারেক রহমান একই দিনে নগর পলোগ্রাউন্ড ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৯
বিএনপি মহাসচিব বলেছেন- দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই। নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে যেতে চাই। আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিতে যাবেন।রোববার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় সালন্দর ইউনিয়নে বরুনাগাঁও মাদরাসা মাঠে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে স্থানীয় ভোটারদের কাছে বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন মির্জা ফখরুল। ভোটাররা বিগত আমলে জুলুম নিপিড়ন ও জমি দখলের কথা জানান।
এর প্রেক্ষিতে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের জন্য এর আগেও পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালে কাজ করেছি। সংসদে গিয়েও কাজ করেছি। আমাকে আপনারা দীর্ঘদিন ধরে চেনেন। আমার নতুন করে পরিচয় দেবার কিছু নেই।
আমার গোটা পরিবারকে আপনারা চেনেন। বাবা-দাদার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি, আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না। আপনাদের সব সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবো।
আপনারা অভিযোগ করেছেন এখানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্বৃত্তদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এগুলো আর থাকবে না। আমার দলের কেউ দুর্বৃত্তায়নে জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেব।
তিনি আরও বলেন, দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই, নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে যেতে চাই। আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিতে যাবেন। তারেক রহমান সঠিকভাবে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে পারবেন। যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য অতিতে আমরা কাজ করেছি, আগামিতেও করবো।।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষকরা সহজেই সার পাবে, সার সংকট থাকবে না। পরিবারের মা বোনরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। সে কার্ড দিয়ে তারা ন্যায্য মূল্যে নিত্যপণ্য কিনতে পারবেন এবং সে কার্ড দিয়ে চিকিৎসা সেবা পাবেন। এ কার্ড হবে মা বোনদের জন্য অস্ত্র।
বিএনপি মহাসচিব বলেছেন- দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই। নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে যেতে চাই। আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিতে যাবেন।রোববার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় সালন্দর ইউনিয়নে বরুনাগাঁও মাদরাসা মাঠে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে স্থানীয় ভোটারদের কাছে বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন মির্জা ফখরুল। ভোটাররা বিগত আমলে জুলুম নিপিড়ন ও জমি দখলের কথা জানান।
এর প্রেক্ষিতে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের জন্য এর আগেও পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালে কাজ করেছি। সংসদে গিয়েও কাজ করেছি। আমাকে আপনারা দীর্ঘদিন ধরে চেনেন। আমার নতুন করে পরিচয় দেবার কিছু নেই।
আমার গোটা পরিবারকে আপনারা চেনেন। বাবা-দাদার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি, আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না। আপনাদের সব সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবো।
আপনারা অভিযোগ করেছেন এখানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্বৃত্তদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এগুলো আর থাকবে না। আমার দলের কেউ দুর্বৃত্তায়নে জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেব।
তিনি আরও বলেন, দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই, নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে যেতে চাই। আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিতে যাবেন। তারেক রহমান সঠিকভাবে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে পারবেন। যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য অতিতে আমরা কাজ করেছি, আগামিতেও করবো।।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষকরা সহজেই সার পাবে, সার সংকট থাকবে না। পরিবারের মা বোনরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। সে কার্ড দিয়ে তারা ন্যায্য মূল্যে নিত্যপণ্য কিনতে পারবেন এবং সে কার্ড দিয়ে চিকিৎসা সেবা পাবেন। এ কার্ড হবে মা বোনদের জন্য অস্ত্র।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৮