
১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৪
রংপুরের মিঠাপুকুরে একটি কোচিং সেন্টারে একান্তে ভালো করে পড়ানোর নামে এক ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ওই কোচিং সেন্টার গভীর রাত পর্যন্ত ঘেরাও করে রাখেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ গেলে অভিযুক্ত শিক্ষককে তাদের হাতে তুলে দেন তারা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিঠাপুকুর থানার ওসি নুরুজ্জামান। ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন, মিঠাপুকুর উপজেলার বৈরাতিহাট এলাকায় একটি রুম ভাড়া নিয়ে নিজস্ব কোচিং সেন্টার চালাচ্ছিলেন রাকিব মিয়া নামে এক ব্যক্তি।ভুক্তভোগীর অভিযোগ, রাকিব সেখানে গত কয়েকদিন ধরে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়ার পর তাকে ভালো করে পড়ানোর নামে জোর করে ধর্ষণ করে। প্রতিবাদ করলে বিয়ে করার আশ্বাস দেয় সে। তবে, বিষয়টি কাউকে না জানানোর কথা বলে। বিষয়টি নিয়ে স্কুলছাত্রী তার বাবা-মা ও স্বজনদের জানায়।
এদিকে একইভাবে আরও শিক্ষার্থীদেরও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে রাকিবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বুধবার রাতে স্থানীয়দের নিয়ে আপসের জন্য ঘরোয়া বৈঠকের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত সবার সামনে রাকিব ওই ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করে ‘টাইম পাস’ করেছে বলে দাবি করে।
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রাকিবকে গভীর রাত পর্যন্ত তার কোচিং সেন্টারে আটকে রাখে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে বিক্ষুব্ধ জনতা রাকিবকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
মিঠাপুকুর থানার ওসি নুরুজ্জামান বলেন, যথারীতি ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত রাকিবকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
রংপুরের মিঠাপুকুরে একটি কোচিং সেন্টারে একান্তে ভালো করে পড়ানোর নামে এক ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ওই কোচিং সেন্টার গভীর রাত পর্যন্ত ঘেরাও করে রাখেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ গেলে অভিযুক্ত শিক্ষককে তাদের হাতে তুলে দেন তারা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিঠাপুকুর থানার ওসি নুরুজ্জামান। ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন, মিঠাপুকুর উপজেলার বৈরাতিহাট এলাকায় একটি রুম ভাড়া নিয়ে নিজস্ব কোচিং সেন্টার চালাচ্ছিলেন রাকিব মিয়া নামে এক ব্যক্তি।ভুক্তভোগীর অভিযোগ, রাকিব সেখানে গত কয়েকদিন ধরে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়ার পর তাকে ভালো করে পড়ানোর নামে জোর করে ধর্ষণ করে। প্রতিবাদ করলে বিয়ে করার আশ্বাস দেয় সে। তবে, বিষয়টি কাউকে না জানানোর কথা বলে। বিষয়টি নিয়ে স্কুলছাত্রী তার বাবা-মা ও স্বজনদের জানায়।
এদিকে একইভাবে আরও শিক্ষার্থীদেরও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে রাকিবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বুধবার রাতে স্থানীয়দের নিয়ে আপসের জন্য ঘরোয়া বৈঠকের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত সবার সামনে রাকিব ওই ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করে ‘টাইম পাস’ করেছে বলে দাবি করে।
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রাকিবকে গভীর রাত পর্যন্ত তার কোচিং সেন্টারে আটকে রাখে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে বিক্ষুব্ধ জনতা রাকিবকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
মিঠাপুকুর থানার ওসি নুরুজ্জামান বলেন, যথারীতি ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত রাকিবকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৫
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৬
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৫
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৬

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৬
ফরিদপুর-২ আসনের সালথা উপজেলায় বিএনপির নির্বাচনি জনসভা চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে বিএনপি সমর্থক এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সিদ্দিক মাতুব্বর সালথা উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত খালেক মাতুব্বরের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সালথা সরকারি মডেল হাইস্কুল মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জনসভায় উপস্থিত সিদ্দিক মাতুব্বর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সন্ধ্যার দিকে তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর একজন বিএনপির সমর্থক ছিলেন।
তিনি নির্বাচনি জনসভায় উপস্থিত হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। হৃদরোগে আক্তান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে এক বৃদ্ধ হৃদরোগ জনীত কারনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি।
ফরিদপুর-২ আসনের সালথা উপজেলায় বিএনপির নির্বাচনি জনসভা চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে বিএনপি সমর্থক এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সিদ্দিক মাতুব্বর সালথা উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত খালেক মাতুব্বরের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সালথা সরকারি মডেল হাইস্কুল মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জনসভায় উপস্থিত সিদ্দিক মাতুব্বর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সন্ধ্যার দিকে তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর একজন বিএনপির সমর্থক ছিলেন।
তিনি নির্বাচনি জনসভায় উপস্থিত হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। হৃদরোগে আক্তান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে এক বৃদ্ধ হৃদরোগ জনীত কারনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৩
ভোট কেনাবেচার অভিযোগ তুলে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সিদ্দিকুল আলমের নির্বাচনী অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সৈয়দপুর শহরের নতুন বাবু পাড়া এলাকায় এ হামলা চালানো হয়। এতে ৯ কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন এবং একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লাঙ্গল প্রতীকের অফিস থেকে ভোটারদের মাঝে টাকা বিলি করা হচ্ছে— এমন একটি গুজব ছড়িয়ে গভীর রাতে একদল লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে সেখানে চড়াও হয়।
একপর্যায়ে তারা ‘মব’ সৃষ্টি করে অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। হামলায় কিশোরগঞ্জ উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান বুলেট বাবু (৪৫) ও কর্মী শাকিল আহমেদসহ (৩৮) ৯ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম অভিযোগ করে বলেন, আমার নিশ্চিত বিজয় দেখে একটি উগ্রবাদী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এই হামলার ছক কষেছে। তারা অবৈধ অর্থ রাখার মিথ্যা অজুহাতে গভীর রাতে তাণ্ডব চালিয়েছে এবং আমার অফিস লুট করেছে।
অথচ প্রশাসনের কর্মকর্তারা তল্লাশি চালিয়ে সেখানে অবৈধ কিছুর অস্তিত্ব পাননি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
হামলার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরুদ্ধদের উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সৈয়দপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী ইমাম জানান, টাকা বিলি করার অভিযোগের কোনো সত্যতা মেলেনি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। নির্বাচনী পরিবেশে বিঘ্ন সৃষ্টিকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
ভোট কেনাবেচার অভিযোগ তুলে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সিদ্দিকুল আলমের নির্বাচনী অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সৈয়দপুর শহরের নতুন বাবু পাড়া এলাকায় এ হামলা চালানো হয়। এতে ৯ কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন এবং একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লাঙ্গল প্রতীকের অফিস থেকে ভোটারদের মাঝে টাকা বিলি করা হচ্ছে— এমন একটি গুজব ছড়িয়ে গভীর রাতে একদল লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে সেখানে চড়াও হয়।
একপর্যায়ে তারা ‘মব’ সৃষ্টি করে অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। হামলায় কিশোরগঞ্জ উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান বুলেট বাবু (৪৫) ও কর্মী শাকিল আহমেদসহ (৩৮) ৯ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম অভিযোগ করে বলেন, আমার নিশ্চিত বিজয় দেখে একটি উগ্রবাদী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এই হামলার ছক কষেছে। তারা অবৈধ অর্থ রাখার মিথ্যা অজুহাতে গভীর রাতে তাণ্ডব চালিয়েছে এবং আমার অফিস লুট করেছে।
অথচ প্রশাসনের কর্মকর্তারা তল্লাশি চালিয়ে সেখানে অবৈধ কিছুর অস্তিত্ব পাননি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
হামলার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরুদ্ধদের উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সৈয়দপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী ইমাম জানান, টাকা বিলি করার অভিযোগের কোনো সত্যতা মেলেনি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। নির্বাচনী পরিবেশে বিঘ্ন সৃষ্টিকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩৯
নেত্রকোনা সদর উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিন আগে সোমবার রাতে (৯ ফেব্রুয়ারি) নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার নূরপুর সিধরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, রাত ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের একটি কক্ষে জানালার গ্রিল দিয়ে আগুন ধরানো হয়। ওই ভবনে মোট চারটি বুথ ছিল। স্থানীয়রা আগুনের লেলিহান শিখা দেখে তা নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে কক্ষের দুটি বেঞ্চ, ফ্যান, লাইটসহ কিছু আসবাবপত্র পুড়ে গেছে।
নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। মঙ্গলবার(১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা পুলিশ, ডিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ভোটকেন্দ্রের একটি বুথের পিছনের জানালা দিয়ে দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে আগুন দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
ঘটনার পর নূরপুর সিধরপুর ভোটকেন্দ্র ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নির্বাচনে ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে যেসব অপকর্মী এ ধরনের কাজ করছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ আটক হয়নি।
নেত্রকোনা সদর উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিন আগে সোমবার রাতে (৯ ফেব্রুয়ারি) নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার নূরপুর সিধরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, রাত ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের একটি কক্ষে জানালার গ্রিল দিয়ে আগুন ধরানো হয়। ওই ভবনে মোট চারটি বুথ ছিল। স্থানীয়রা আগুনের লেলিহান শিখা দেখে তা নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে কক্ষের দুটি বেঞ্চ, ফ্যান, লাইটসহ কিছু আসবাবপত্র পুড়ে গেছে।
নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। মঙ্গলবার(১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা পুলিশ, ডিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ভোটকেন্দ্রের একটি বুথের পিছনের জানালা দিয়ে দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে আগুন দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
ঘটনার পর নূরপুর সিধরপুর ভোটকেন্দ্র ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নির্বাচনে ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে যেসব অপকর্মী এ ধরনের কাজ করছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ আটক হয়নি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.